বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫

Operation raijingk ইরান vs ইসরাইলের

 পরবর্তী টার্গেট তুরস্ক পরিণত হতে পারে পাকিস্তানের এবং ধারাবাহিকভাবে সৌদি সহ অন্যান্য ইসলামী মুসলিম যে দেশগুলো তারাও আসবে। তো এইটার ক্ষেত্রে আসলে মুসলমানদের করণীয় কি? তাদের যে শক্তি সেই শক্তির সামনে দাঁড়ানোর মতো মুসলমানদের নিজস্ব শক্তি তৈরি করার চিন্তা থাকতে হবে। যে আপনি শুধু আমেরিকা থেকে অস্ত্র কিনবেন সে অস্ত্রের সফটওয়্যারও তাদের কাছে। ঠিক আছে? সেটা আপনি নতুন করে সেই অস্ত্র তৈরির যে টেকনোলজি সেটাও সে আপনাকে দিবে না। আবার সে অস্ত্র যদি আপনি তার বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে চান সেটির।


অনুমতিও সে দিবে না। সে অস্ত্র যদি আপনি ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে চান সেটির অনুমতিও সে দিবে না। পাকিস্তানের কাছে আমেরিকা যে অস্ত্রগুলো বিক্রি করে সেটি যেন ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার না করা যায় সে শর্ত দিয়ে থাকে। তাহলে শুধু অস্ত্র কিনার প্রতি যদি নির্ভর করে আমি যে সামারিটা করতেছি যে বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির যুদ্ধ চলতেছে, জ্ঞানের যুদ্ধ চলতেছে। ইরানের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে শুধু এই কারণেই যে সে জ্ঞানের দিক থেকে তার পরমাণু বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক জ্ঞান অর্জন করে ফেলতেছে। এই কারণে আক্রমণ হচ্ছে জ্ঞানের যুদ্ধ। অতএব মুসলিম বিশ্বের যারা।


কান্ট্রি আছে আমাদের ছোট দেশ বাংলাদেশ তাদেরও আসলে শুধু চেতনা বিক্রি করা বাদ দিয়ে বা সেকুলার হওয়ার প্রতিযোগিতা বাদ দিয়ে তাদেরও মনোযোগ দেওয়া উচিত। যে কিভাবে তারা নিজস্ব প্রযুক্তি ডেভেলপ করবে। বর্তমান যে ফিফথ জেনারেশনের যে যুদ্ধগুলো পরিচালিত বা ফোর্থ এবং ফিফথ জেনারেশন যুদ্ধগুলো পরিচালিত হচ্ছে এই যুদ্ধগুলোতে ড্রোনের ভূমিকা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের ভূমিকা ঠিক আছে এবং সাইবার অ্যাটাকের ভূমিকা এগুলো তো আপনারা ভারত পাকিস্তান এবং বর্তমান ইসরাইল যুদ্ধে যারা মোটামুটি অবজার্ভ করেছেন তারা খুব ভালোভাবে জানেন এই প্রত্যেকটা সেক্টরে।


বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে বাংলাদেশের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বলতে কিছুই নেই বাংলাদেশের ড্রোন ব্যবস্থা বলতে কিছুই নেই বাংলাদেশের ফাইটার জেট আক্রমণ করবে ঠিক আছে বা মিসাইল সিস্টেম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করবে কিছুই নাই প্রত্যেকটাতে আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের পার্শ্ববর্তী কোন দেশ যদি আমাদের উপর আক্রমণ করে যেমনটা ইসরাইল ইরানের উপর করেছে তাহলে ইরানের যা অবস্থাতে হাজার গুণ খারাপ অবস্থায় বাংলাদেশের। আর আমাদের যুবসমাজ ব্যস্ত আছে কিসে? জুয়া, নেশা, মদ, খেলতা-তামাশা আর ইসরাইলের ইহুদিরা কিসে ব্যস্ত আছে? জ্ঞান, গবেষণা ঠিক আছে? নতুন নতুন প্রযুক্তি,।


জীবন দেওয়া প্রত্যেকটা ইসরাইলের নাগরিকের জন্য যুদ্ধের ট্রেনিং নেওয়া জরুরি। ফরজ। সবাইকে দুই বছরের জন্য যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে হয়। তারপরে তারা নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত থাকে যুদ্ধ শুরু হলে আবার তাদের একটিভ হতে হয় ঠিক আছে এটাই তাদের জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য আর আমাদের জীবনের কোন লক্ষ্য নেই কোন উদ্দেশ্য নয় আমদের নবী মহাম্মদ আমদের জন্য জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য দিয়ে গেছেন কিন্তু আমরা লক্ষ্যহীন উভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়াচ্ছি এবং আনপ্রোডাক্ট তথা কোন প্রকার প্রোডাক্টিভিটি ছাড়া শুধু এর গীবত করা মারামারি করা গন্ডগোল করা কোন প্রোডাক্টিভ।


কাজ নাই কোন গঠনমূলক কাজ নাই ঠিক আছে ফেসবুক YouTube টুইটার এ সময় নষ্ট করা কোন লাইফ স্টাইলের কোন টাইম ম্যানেজমেন্ট নাই যে আমার লাইফ স্টাইল কিভাবে হবে স্বাস্থ্যের প্রতি কোনো খোজ নাই যে আমি স্বাস্থ্য ঠিক রাখবো সময়কে কাজে লাগাবো টাইমকে ঠিকভাবে কাজে লাগাবো কিছুই নাই শুধু সময় নষ্ট এবং গাল গল্প গীবত তহমতের মাধ্যমে আমাদের সময় পার হয়ে যাচ্ছে অতএব ভাইয়েরা আমাদের জন্য করণীয় কি এদিন আমাদের সামনেও আসবে এবং সেই দিনের প্রস্তুতি হিসেবে আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি পড়াশোনা প্রোডাক্টিভ লাইফ সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং নিজ নিজ জায়গা।


থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে এটি মুক্তি এটা ছাড়া মুক্তির কোন রাস্তা নেই হ্যাঁ আমরা হয়তো শক্তি দিয়ে তাদের সাথে পারবো না কিন্তু শক্তির বিষয় আল্লাহ সুবহানাতালা যেটা বলে আমার বক্তব্য শেষ করব শক্তির বিষয়ে আল্লাহ সুবহানাতালা বলেছেন আদ জাতিকে যখন ধ্বংসের ঘোষণা আল্লাহ দিয়েছিলেন তখন আদ জাতি বলেছিল যে বর্তমান পৃথিবীতে আমাদের চাইতে শক্তিশালী কে আছে যেমন আজকে আমেরিকা ইসরাইল বলতে পারে যে সব টেকনোলজি তো তাদের কাছে পৃথিবীতে আর কারো কাছে কোন টেকনোলজি নেই যে দুই একটা মুসলিম দেশ তাদের কাছে টেকনোলজি কিনেছে সেগুলো।


তারা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারবে না সুতরাং তাদের চাইতে সুপার পাওয়ার পৃথিবীতে কেউই নাই এটি সত্য কথা। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতালা বলছেন আলাল্লাহ্লা মানুষেরা কি জানে না যে আমেরিকার ইসরাইল যদি সুপার পাওয়ার হয় তো আমেরিকার ইসরাইলকে কে সৃষ্টি করেছে? এই আমেরিকা আল্লাহ নিজে কোরআনে বলছে যে আমেরিকা এবং ইসরাইলকে যে আল্লাহ সৃষ্টি করেছে সে আল্লাহ তো তাদের চেয়ে শক্তিশালী। আমেরিকা এবং ইসরাইল যদি আজকের সকল জ্ঞান বিজ্ঞান এবং টেকনোলজির মালিক হয়ে শক্তিশালী হয় তো এগুলো সবগুলোর সৃষ্টিকর্তা হচ্ছেন আল্লাহ সুবহাতালা।


আমেরিকা এবং ইসরাইলের সৃষ্টিকর্তা এই টেকনোলজি ড্রোন এয়ার ডিফেন্স সবগুলো সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সুবহাতালা আল্লাহ হচ্ছেন তাদের চেয়ে শক্তিশালী আল্লাহ অবশ্যই অলৌকিক কিছু ঘটাতে পারেন ঘটাবেন ঘটান ঘটিয়ে থাকেন ভবিষ্যতেও ঘটাবেন কিন্তু তাদের জন্যই ঘটান যারা পাওয়ার যোগ্য ফেরাউনকে মুসা আলাইহি সালাতু সালাম তার শক্তি দিয়ে পরাজিত করবে এরকম কোন শক্তি মুসা আলাই সালাতু সালামের কাছে ছিল না এজন্য তাকে পালিয়ে যেতে হচ্ছিল কিন্তু আল্লাহ পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যতিক্রম অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়ে ফেরাউনকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। তো এরকমই কোন অলৌকিক।


ঘটনার মাধ্যমে আল্লাহ ধ্বংস করতে পারেন। কিন্তু সেটার জন্য যে চেষ্টা যে কনিষ্ঠতা যেখলাস সেটা কিন্তু আমাদের নাই। যে ত্যাগ সেটা কিন্তু আমাদের নাই। আমাদের যে ইউরোপীয় উপনিবেশ পুরো মুসলিম বিশ্বের সকল মুসলমানদের সমস্যা হচ্ছে উৎস হচ্ছে ইউরোপীয় উপনিবেশ। এই যে আফ্রিকায় যে সমস্যা ইব্রাহিম তোওড়ে ঠিক আছে। বুরকিনা ফাসুর যে আফ্রিকান মুসলমানদের উপর যে ফ্রান্সের যে উপনিবেশ ঠিক আছে যে আপনার টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় ব্যাংকেই রাখতে হবে অসংখ্য যে শর্তগুলো এটা দরকার আমরা আরেকদিন আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ তো এই যে উপনিবেশ আফ্রিকা।


উপনিবেশ বর্তমান পাকিস্তান ভারত এবং কাশ্মীরের দ্বন্দ্ব এটাও উপনিবেশের সৃষ্টি ফিলিস্তিন ইসরাইলের দ্বন্দ্ব এটাও উপনিবেশের সৃষ্টি এই 190 বছরের উপনিবেশ মুসলমানদেরকে এমন মুসলমানদের জীনের মধ্যে ব্লাডের মধ্যে এমনভাবে গোলামী কলোনিয়াল মাইন্ডসেট ঢুকিয়ে দিয়েছে যে মুসলমানেরা তাদের আত্মমর্যাদা আত্মসম্মান ভুলে গেছে। তাদের একটা টাকার জন্য মিথ্যা বলা একটা টাকা বেশি ইনকাম করার জন্য দুর্নীতি করা এটি তাদের মর্যাগত স্বভাব। ধোঁকা দেওয়া এটি তাদের মর্যাগত স্বভাব। এজন্য মুসলমানদের কিনে নেওয়া আমেরিকা এবং ইসরাইলের কাছে এক দুই মিনিটের ব্যাপার।।


এইযে ইরানের মধ্যে এত মুজাদের গোয়েন্দা কিভাবে? অর্থের কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়া। ঠিক আছে? আর অন্যদিকে একটা ইহুদি গোয়েন্দা যদি বুঝতে পারে সে ধরা পড়বে তাহলে সে বিষ পান করে মারা যাবে। কি পরিমাণ তার নিজের উপর আস্থা। ঠিক আছে? আর আমরা হচ্ছে আমাদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিব টাকার জন্য এই টাকার জন্য বিক্রি করে দিব এই মেন্টালিটি আমাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কিভাবে 190 বছরের গোলামীর মাধ্যমে তৈরি হয়েছে এজন্য আল্লামা ইকবাল বলেছেন সাবাক সাদাকাত সুজাত আদালত লিয়া জায়গা কাম দুনিয়া কি ইমামতকা যে মুসলমানেরা তোমরা সত্য বলা শিখো ন্যায়পরায়ণ আমানতদার।


হওয়া শিখো আত্মমর্যাদা সম্পন্ন আত্মবিশ্বাসী হওয়া শিখো নিজের দ্বীনের উপর কট্ট আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে আসা হীনমন্য না হওয়া সেকুলারিজম ডেমোক্রেসির মত যে ওয়ার্ল্ড ওয়ার্ডার যেগুলো আছে কেন্দ্রীয় বিশ্ব আইনের গ্লোবালাইজেশনের এগুলোকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া আস্তাগ করে নিক্ষেপ করা এবং নিজের দ্বীনের উপর অগাধ আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া এবং চেষ্টা করা এবং ত্যাগের মন মানসিকতা রাখা যখন আপনি আপনার সর্বোচ্চ চেষ্টা এবং সর্বোচ্চ ত্যাগ করবেন ইখলাসের সাথে তখন আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে তো সম্মানিত উপস্থিতি আমরা যদি আমাদের পুরো।


আলোচনার সামারি করি তাহলে আমরা এটি বলতে চাই যে ইরান এবং ইসরাইলের যে যুদ্ধ এটা পাওয়ার ডায়নামিক্স এটা কি বলে ওর নাম ইরান জেরুজালেমের খুব ভালো চাই, গাজার খুব ভালো চাই। এজন্য হামলা করতেছে অথবা ইসরাইল সৌদি পিয়ত কাতার বাহরাইনকে রক্ষা করবে ইরান থেকে এরকম কিছু না। তাদের উভয়েরই লক্ষ্য তারা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের শাসনকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এইজন্য একজন আরেকজনকে সহ্য করতে পারতেছে না। কেন? উভয় জ্ঞান বিজ্ঞান থেকে একজন আরেকজনের কাছাকাছি চলে আসতেছে। এইজন্য তাদের মধ্যে ফাইটটা লাজেম জরুরি ছিল। এটা হওয়ারই ছিল। এটা সংঘটিত।।


হয়ে গেছে। কিন্তু এখান থেকে আমাদের জন্য যে শিক্ষাগুলো নেওয়ার আছে, মুসলিম উম্মার জন্য যে শিক্ষাগুলো নেওয়ার আছে, সেই শিক্ষাগুলো তাদেরকে নিতে হবে এবং সেভাবেই সামনের পথ আমাদেরকে বাছাই করার চেষ্টা করতে। আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদের তৌফিক দান করুক। আল্লাহুম্মা আমিন। আশা করি আবার আপনাদের সাথে দেখা হবে ইনশাল্লাহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে। আসসালামু আলাইকুম


 ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। আর হ্যা একটা কথা বলতে ভুলে গেলাম। সেটি হচ্ছে আমাদের মাসিক আলী এতেসামে আপনারা নিয়মিত এরকম সমসাময়িক বিষয় আমাদের লেখনী সম্পাদকীয় 

সবকিছু পান এবং পেয়ে থাকেন।।।

নাসিরের ভয়ংকর রূপ


কোন মন্তব্য নেই:

চলার পথে আমার গল্প..masum171

  ভাইয়া, আমি যাকে ভালোবাসি, তার পরিবার অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। আমি ওকে ছাড়া বাঁচবো না। —   ঠিক আছে। আগে বলো, কিসে পড়ো তুমি? — এ...