ইসরাইল এবং ইরানের যে যুদ্ধ সেটা এখন বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে ছড়িয়ে পড়েছে ডিপ্লোম্যাটিক ওয়েতে প্রায় সব দেশ এখন এটা নিয়েই আলোচনা করছে দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা থেকে শুরু করে দেশের টপ ডিপ্লোম্যাট অর্থাৎ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্যান্য কুটকৌশলীরাও চিন্তা করছে এই যুদ্ধে কার কতটুকু ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। যদি এই যুদ্ধ পুরোপুরি একটা পরমাণু যুদ্ধে রূপ নেয় তাহলে সেটা বিশ্ব গত 80 বছরে যে লেভেলে এসেছিল সেটা থেকে পুরোপুরি নতুন একটা রূপে চলে যাবে। পরমাণু যুদ্ধ বলতে এখানে এখন একটাই মাত্র অপশন দেখা যাচ্ছে সেটা হচ্ছে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় আমেরিকার পরমাণু হামলা চালানো। ইরানের ফরদো পরমাণু স্থাপনায় যেই সমস্ত হিসাব নিকাশ করা হচ্ছে আমেরিকার যে 80 মিটার গভীরে ঢুকে যেই বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে সেটাও যথেষ্ট হবে না মনে করা হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে শুধুমাত্র আমেরিকার ট্যাক্টিক্যাল পরমাণু বোমাই ধ্বংস করতে পারে সেই পরমাণু কেন্দ্রকে। কিন্তু সেটা যদি এই পরমাণু আঘাত করা হয় এবং সেখানে যদি ধ্বংসযজ্ঞ ছড়িয়ে পড়ে তাহলে শুধুমাত্র ইরান না ইরানের সাথে সাথে এই
অঞ্চলে এটার যে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়বে সেটার নেতিবাচক প্রভাব এবং এর দীর্ঘমেয়াদে সারা বিশ্বে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের যে একটা দরজা ওপেন হবে এবং সেই দরজা দিয়ে সবাই যে প্রতিযোগিতা শুরু করবে সেটা থেকে হয়তোবা পরবর্তীতে বিশ্বকে আটকাতে পারবে না। এটা নিয়েই মূলত ট্রাম্প এখন দোটানাতে আছে। দোদুল্যমান অবস্থায় আছে। কখনো বলছে আমি সিদ্ধান্ত নেব। কখনো বলছে ইসরাইল ইরানকে একেবারে নিষ্ক্রিয় করবে। পরমাণু নিষ্ক্রিয় করবে। কখনো বলছে আমেরিকা মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবে। শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প বলছে আমি দুই সপ্তাহ
অপেক্ষা করতে চাই। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে যে এখানে দুই সপ্তাহ অপেক্ষা আমেরিকা কেন করতে চায়? এর পেছনে আমেরিকার স্বার্থ কি? ইসরাইলের স্বার্থ কি? ইসরাইল তো চাইছে যত দ্রুত সম্ভব আমেরিকাকে এই যুদ্ধে জড়াতে। কারণ ইসরাইলের গত দুই দিনের আক্রমণের যে তীব্রতার খবর পাওয়া গেছে ইরানে সেটা কিন্তু শুরুর দিকের যে তীব্রতা ছিল সেটা থেকে অনেকটাই কম। এমনকি ইরানের আক্রমণের তীব্রতা গত দুই দিনে বিশেষ করে গতকাল এবং আজ রাতে যেভাবে বেড়েছে সেটার বিরুদ্ধে ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শুরুর দিকে যতটা কার্যকর ছিল এখন
ততটা কার্যকর না। সুতরাং এগুলো যদি চিন্তা করা হয়, হিসাব করা হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যায় যে ইসরাইল চাইছে যেকোনভাবেই হোক আমেরিকাকে এই যুদ্ধে জড়াতে। কিন্তু সবচেয়ে বড় খবর হচ্ছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন যে আমেরিকা তাদের সাথে যোগাযোগ করছে। যোগাযোগ করে তাদের কাছে ধরণা ধরছে যে এই যুদ্ধ বন্ধের একটা আলোচনায় বসো। কিছুদিন আগে আমরা কি শুনেছি? ট্রাম্প বলছে যে ইরান হোয়াইট হাউসে গিয়েছে এবং ধরণা ধরেছে আমেরিকার কাছে। ইরান কিন্তু সেটাকে নাকচ করেছে। ইরান বলছে এই যুদ্ধ চলাকালীন সে কারো সাথে এ নিয়ে আলোচনায় বসতে চাইছে
না। আলোচনায় বসবে না। এর কারণ হচ্ছে এই যুদ্ধ বন্ধ না হলে এই আলোচনা আলোচনা খেলায় সে নামবে না। সে পাল্টা আক্রমণ করবে এবং সেটা করছে। আজকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছে যে আমেরিকা ইরানের সাথে যোগাযোগ করছে একটা আলোচনার জন্য এবং যে জিনিসটি একেবারে বাস্তব সেটা হচ্ছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে পশ্চিমা বিশ্বের অর্থাৎ ইউরোপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হচ্ছে। সেই বৈঠকে ইউরোপের বাঘা বাঘা দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আসছে এবং তাদের বক্তব্য তাদের ধারণা, তাদের আশা, তাদের প্রত্যাশা হচ্ছে যে ইরানের সাথে একটা রফা
দফা যেন হয়। একটা আলোচনা এবং বৈঠক যেন হয়। কিন্তু ইরান সেখানে একটা শর্ত দিয়েছে। শর্তটা হচ্ছে যে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু ইরানের যে ব্যালিস্টিক মিসাইল, হাইপারসোনিক মিসাইল এই সমস্ত যে মিসাইল প্রকল্প আছে সেগুলো নিয়ে কোন ধরনের আলোচনা ইরান করবে না। সুতরাং এর দ্বারা বোঝা যায় যে ইরানের মিসাইল ক্ষমতা ইরান ইসরাইলের বিরুদ্ধে দেখাচ্ছে এবং ইরান মনে করছে সেক্ষেত্রে সে যথেষ্ট পরিমাণে এখনো পর্যন্ত সফল। ইরান আরেকটা কাজ করছে যেই কাজটা এখন এই মুহূর্তে পুরো পশ্চিমা বিশ্বের জন্য মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে সেটা হচ্ছে
পুরো ইরান জুড়ে ব্যাপক পরিমাণে মানুষ রাস্তায় নেমে ইরানের বর্তমান সরকারের পক্ষে বিক্ষোপ করছে। এটার কারণ কি? কারণ হচ্ছে ইসরাইল পুরো পশ্চিমা বিশ্বকে দুটো জিনিস খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। একটা হচ্ছে ইরানের পরমাণু প্রকল্প শেষ করে দেব এবং ইরানের কাছ থেকে ইসরাইলের উপরে যে একটা ব্যাপক পরিমাণে ভীতি বা ব্যাপক পরিমাণে একটা আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে এই পরমাণু প্রকল্প নিয়ে সেই আতঙ্ক থেকে ইসরাইল মুক্তি পাবে। ইসরাইল হচ্ছে প্রতিমা দশক। তারা চায় ইসরাইল মুক্তি পাবে। আরেকটা হচ্ছে ইরানে রেজিম চেঞ্জ বা সরকার চেঞ্জ। বর্তমান যে সিস্টেম আছে এই
সিস্টেমকে ইসরাইল পুরোপুরি চেঞ্জ করতে চাচ্ছে। সেটা চেঞ্জ করার জন্য আমেরিকা এবং ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন ধরনের বিরোধীদের সাথে কখনো মোসাদের মাধ্যমে কখনো সরাসরি ডিপ্লোম্যাটিক ওয়েতে যোগাযোগ করছে। কিন্তু বিরোধীদের মধ্যেও কোন ঐক্য এখনো পর্যন্ত আমেরিকা ইসরাইল পশ্চিমারা তৈরি করতে পারছে না। যদিও ইরানের সরকারের বর্তমান যে রেজিম তাদের প্রতি জনগণের আস্থা এবং ভরসা এর আগে বিভিন্ন নির্বাচনে দেখা গেছে অনেকটাই কম। কিন্তু ইসরাইল যেভাবে ইরানে আক্রমণ করে ইরানের সাধারণ মানুষের উপরে ব্যাপক পরিমাণে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে তাতে ইরানের মানুষ মনে করছে এবং
ইরানের সরকারও সেটাকে সাপোর্ট দিচ্ছে যে এই সরকার যাই হোক তাদের পক্ষে দাঁড়ানো এখন তাদের মোরাল দায়িত্ব। এজন্য ইরানের বিভিন্ন শহরে বিরোধীদের যে একটা মানে পশ্চিমা বিশ্ব থেকে যে একটা বিরোধীদের মধ্যে একটা ক্ষোভ একটা কি বলে বিক্ষোপ তৈরি করে তাদেরকে রাস্তায় নামানো সরকারের বিরুদ্ধে যে পরিকল্পনা ছিল সেটার আগেভাগেই ইরানের সরকার তার লোকদেরকে রাস্তায় নামিয়েছে এবং বহু মানুষ হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ ইরানের রাস্তায় বিক্ষোপ করছে সরকারের পক্ষে সমর্থন জানাচ্ছে সুতরাং এটা ইসরাইলের যে দুটো পরিকল্পনা দুটো পরিকল্পনাই এখনো পর্যন্ত
পর্যন্ত এখানে এসে আটকে আছে এবং আমেরিকার পশ্চিমা বিশ্ব ইসরাইলের পরিকল্পনায় তারা যে পা ফেলতে যাচ্ছে বা ফেলতে চাইছে সেখানেও এখন তাদের নতুন করে হিসাব নিকাশ করতে হবে। গত রাতেও ইরান আক্রমণ করেছে এবং সেই আক্রমণে ইসরাইলের টেকনোলজির যে এলাকাগুলো সেগুলোতে ব্যাপক পরিমাণে আক্রমণ হয়েছে। সেখানে মাইক্রোসফট এর যে প্রধান একটা অফিস সেই অফিসের পাশে আক্রমণ হয়েছে। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে মাইক্রোসফট অফিসের পাশে অন্যান্য টেকনোলজির কোম্পানিগুলোর অফিস ছিল সেগুলোতে আক্রমণ হয়েছে। ইসরাইল আবার ইরানের হাসপাতালে আক্রমণ করেছে। সবচেয়ে আরেকটা
গুরুত্বপূর্ণ খবর হয়তো এটার উপরেই একটা ভিডিও করা যায় সেটা হচ্ছে গত রাতে একটা সময়ে ইরান থেকে মাত্র একটা মিসাইল ছড়া হয়েছে বুঝেন নাই তাই না ইরান থেকে বিভিন্ন সময়ে ইসরাইলে মিসাইল নিক্ষেপ করা হয় কখনো ঝাঁকে ঝাঁকে কখনো 40 টা 50 টা মিসাইল নিক্ষেপ করা হয় কখনো আবার কম মিসাইল নিক্ষেপ করা হয় 10টা 15 টা 20 টা এগুলো নিক্ষেপ করলে ইসরাইল সেগুলোকে ঠেকানোর চেষ্টা করে। তার এয়ার ডিফেন্স দিয়ে সে ঠেকানোর চেষ্টা করে। প্রথম দিকে সে যত পরিমাণ ঠেকাতে পেরেছিল পারসেন্টেজ হিসেবে ধরুন 100 টা নিক্ষেপ করলে 80 টা ঠেকাতো 20 টা আঘাত করতো। তারপরে সেটার
পরিমাণ সেই ঠেকানোর পরিমাণটা আস্তে আস্তে কমেছে। অর্থাৎ ধরুন পরবর্তীতে 100টা অনেক কম নিক্ষেপ করছে। কিন্তু আমি পারসেন্টেজ হিসাব বলি। পরবর্তীতে দেখা গেল যে 100 টা নিক্ষেপ করলে 50 টা ঠেকাতে পেরেছে। 50 টা আঘাত করছে। এরপরে দেখা গেছে 100 টা নিক্ষেপ করলে 80 টা আঘাত করছে। 20 টা ঠেকাতে পেরেছে। এরকম একটা অবস্থায় গিয়েছে। যদিও ইরান তার মিসাইলের পরিমাণ কমিয়েছে। গত রাতে যেটা হয়েছে ইরান থেকে একসময়ে একটা মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরাইল সে নিক্ষেপটি সে মিসাইলটি ঠেকাতে পারেনি। এটাও কিন্তু একটা বড় ধরনের ইতিহাস। ইসরাইলের এই যে সামরিক শক্তির ক্ষেত্রে
এবং এই যে ঠেকাতে না পারা এবং ইসরাইলের যে পাল্টা হামলাগুলো করা সেই পাল্টা হামলার পরিমাণও কমেছে। কেন কমেছে? ইসরাইলের কি অস্ত্রশস্ত্র কমে গেছে? ইসরাইলের কি যুদ্ধবিমান সব ইরান ধ্বংস করেছে? ইসরাইলের কি মিসাইল লঞ্চার সব ইরান ধ্বংস করেছে? ইসরাইলের কি ড্রোন সব ইরান ধ্বংস করেছে? না সেটার জন্য না ইসরাইল এই যুদ্ধে অভূতপূর্ণ অপ্রত্যাশিত বেহিসেবে হিসাবের বাইরে ব্যাপক পরিমাণে অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে সেটা যদি হিসেব করা হয় ভালোভাবে এখনো যদিও হিসাব করা হয়নি তাতে প্রায় কয়েকশো বিলিয়ন হয়তোবা ট্রিলিয়নের
কাছাকাছি বা ট্রিলিয়নও ছাড়িয়ে যেতে পারে মাত্র এই ছয় দিনের যুদ্ধে কিভাবে আমি বলি শুধুমাত্র ইসরাইলের স্টক এক্সচেঞ্জে যে গত দুইদিন আগে হামলা হলো সেই হামলায় শুধুমাত্র স্টক এক্সচেঞ্জের হামলায় হিসাব করা হয়েছে ইসরাইলের ক্ষতি 480 বিলিয়ন ডলারেরর কাছাকাছি 480 বিলিয়ন ডলার ইসরাইল আমেরিকার কাছ থেকে বছরে পায় ধরা হয় যেত তিন সাড়ে তিনচার পা বিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক সাপোর্ট যেটা পায় অস্ত্রশস্ত্র পায় ইসরাইলের বিভিন্ন বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্নভাবে সাপোর্ট পায় সেটা ভিন্ন জিনিস। একদিনে স্টক এক্সচেঞ্জের ক্ষতি। এরপরে ইসরাইলের
যুদ্ধবিমানগুলো ওড়াতে ইসরাইলের যুদ্ধবিমানগুলো উড়িয়ে ইসরাইল যেভাবে এই হামলা চালাচ্ছে এবং সেই হামলার বিপরীতে আবার ইরান থেকে যে হামলাগুলো করা হচ্ছে একটু আগে হয়তো আপনারা ভিডিওতে দেখেছেন যে ইরানের একটা ড্রোন ভূপাতিত করতে ইসরয়েল তার এফ এফ6 যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে। অর্থাৎ একটা ড্রোন যেই ড্রোনটার দাম ধরুন আপনি কথার কথা 5000 ডলার। ইরানের ড্রোনের দাম আরো কম। কারণ ইরান আরো কম মূল্যের ইকুইপমেন্ট দিয়ে তার ড্রোন তৈরি করে। কারণ সেই ধরনের টেকনোলজি বা সেই ধরনের সুযোগ তার নেই। সেরকম একটা ড্রোনকে আঘাত করে মাটিতে নামাতে এফ6 যুদ্ধবিমান
ওড়াচ্ছেন। সেই যুদ্ধবিমান থেকে মিসাইল ছুড়ছেন। সেই মিসাইল এই ড্রোনকে আঘাত করছে। ড্রোন মাটিতে নামছে। কত টাকা খরচ? একটা এফ স যুদ্ধবিমান একবার ওড়াতে কি পরিমাণ খরচ হয়? ধারণা করা হয় যে ইসরাইলের এই যুদ্ধ এই যে ছয় দিন যুদ্ধ চলছে প্রত্যেকদিন এই যুদ্ধ পরিচালনা করতে শুধুমাত্র তার বিমান এবং মিসাইলের যে খরচ সেটা হচ্ছে 200 মিলিয়ন ডলারের বেশি শুধুমাত্র এটার জন্য। তো এই 200 মিলিয়ন ডলার কে যদি আপনি ছয় দিনে গুণ দেন কত আসে? তারপরে হচ্ছে ইরান যেই সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি করেছে ইসরাইলে সেটার হিসাব যদি ধরেন ইসরাইল থেকে এর বাইরে যে সমস্ত অর্থনৈতিক
ক্ষতি প্রচুর ইসরাইলিদের দেশের বাইরে চলে যাওয়া টুরিস্টদের পালিয়ে যাওয়া ইসরাইল থেকে বিভিন্ন দেশের ডিপ্লোম্যাটদের চলে যাওয়া ইসরাইলের আকাশে বিভিন্ন দেশ থেকে আকাশ সীমা দিয়ে যুদ্ধবিমান চলাচল না করা ইসরাইলের সাধারণ মানুষের জীবনে একটা স্থবের পরিস্থিতি চলে আসা। এই সবকিছু মিলিয়ে ইসরাইলের যে ক্ষতি ইসরাইল এখন নতুন করে হিসাব করছে এই ক্ষতি কমিয়ে কিভাবে ইরানের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে। কারণ এভাবে যদি সে কন্টিনিউ করে এবং এই যুদ্ধ যদি বহুদিন ধরে চলে এবং আমেরিকা ট্রাম্প যেভাবে বলছে যে আমি দুই সপ্তাহ পরে আসবো বা দুই
সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেব সে যদি দুই সপ্তাহ একেবারে শেষ দিন গিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় অর্থাৎ আরো 14 দিন যদি বা 13 দিন যদি ইসরাইলের এই স্টাইলে তার যুদ্ধ পরিচালনা করতে হয় তাহলে দেখা যাবে যে এটা কয়েক ট্রিলিয়ন হয়ে যেতে পারে এটার খরচ। সুতরাং ইরানের কৌশল গতকালকে এই কৌশলগুলো নিয়ে আলোচনা করছিলাম। ইরানের কৌশল আর ইসরাইলের কৌশলটা ছিল ভিন্ন। ইসরাইল চেয়েছে ধুমধাম আক্রমণ করে সেন্টারে আক্রমণ করে তারপরে হচ্ছে পশ্চিমাদের সাপোর্ট নিবে। সে আক্রমণে ব্যাপক সফলতা দেখাবে। ইরানের সরকার পরিবর্তনে এই হচ্ছে হচ্ছে অবস্থায়
যাবে। ইরানের মধ্য থেকে কিছু মানুষকে ফুসলিয়ে দিয়ে ইরানের বাইরে বিরোধীদেরকে সেটার সাথে যুক্ত করে সেখানে ব্যাপক পরিমাণে নাশকতা করে সাইবার আক্রমণ করে ইন্টারনেট বন্ধ করে বিরোধীদের জন্য ইন্টারনেট স্টারলিংক ওপেন করে দিয়ে একটা এমন পরিস্থিতি যে ইরান এখনই পড়ে যাচ্ছে ইসরাইল তখন আমেরিকা এবং পশ্চিমাদের সাপোর্ট পেত সেটা হয়নি হ্যা এখন বলতে পারেন যে আপনি ইসরাইলের যে হিসাব নিকাশ করলেন ইরানের হিসাব নিকাশটা তো করলেন না। ইরানের পরমাণু এবং ইরানের ড্রোন এবং মিসাইলের আক্রমণে যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সেটা অবশ্যই এবং অবশ্যই ইসরাইলের চেয়ে
কম। কারণ ইরান কোন যুদ্ধবিমান ওড়ায়নি। ইরান মিসাইল ব্যবহার করছে। ইরান পরমাণু এই ড্রোন ব্যবহার করেছে। সুতরাং এই মিসাইল আর ড্রোন ব্যবহার করা। মিসাইল ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে যেটা এসেছে যে খুব বেশি সে তার হাইপারসোনিক মিসাইল ব্যবহার করেনি এবং সে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার অনেকে যেটা বলছেন যে তার ইনভেন্টরে থাকা পুরাতন মিসাইলগুলো ব্যবহার করছে তার নিজস্ব তৈরি কালিকাজে ড্রোনগুলো ব্যবহার করছে। সুতরাং সেইদিক থেকে তার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম। আবার ইসরাইল ইরানের যে সমস্ত স্থাপনায় আক্রমণ করেছে সেটার দিক থেকে
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তার চেয়েও বড় জিনিস হচ্ছে ইরানের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে ইরানের এই যে প্রায় 15 জনের মত পরমাণু বিজ্ঞানী হত্যা করেছে ইসরাইল এবং ইরানের সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরকে সেনাপ্রধান সহ ইরানের বিপ্লবীগার্ডের প্রধান সহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরকে হত্যা করেছে ইসরাইল। এটা হচ্ছে ইরানের সবচেয়ে বড় ক্ষতি। এখন দেখুন এই ক্ষতির হিসেবে যেটা করতে হয় সেটা হচ্ছে দখলদারদের ক্ষতি কম হয়। যদি কেউ অন্য দেশে এসে আক্রমণ করে তাহলে আক্রান্ত দেশের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়। আর সেই আক্রমণ ঠেকাতে আত্মসমর্প কি
বলে আত্মপক্ষ সমর্থন করে সে আত্মরক্ষার্থে যে পাল্টা আক্রমণ করে সেটাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই কম হয়। যেমন এটাকে যদি আমরা রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের সাথেও তুলনা করি রাশিয়া ইউক্রেনের যে পরিমাণ ক্ষতি করেছে ইউক্রেন তো রাশিয়ার মধ্যে সে পরিমাণ আক্রমণ করেনি। ইউক্রেন নিজেকে এই রাশিয়ার আক্রমণ থেকে ঠেকাতে এবং রাশিয়ার ইউক্রেনের মধ্যে যে রাশিয়ার সৈন্যরা ঢুকেছে তাদের উপরে পাল্টা আক্রমণ করে রাশিয়ার ক্ষতি করেছে। সেদিক থেকে রাশিয়ার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বাভাবিকভাবে ইউক্রেনের থেকে কম। যাই হোক এবারে আসি আসল আলোচনায়। আজকে আমরা যেই
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি যে ইরান এখন এমন একটা পর্যায়ে এসেছে যেই পর্যায় থেকে তার বাঁচার সম্ভাবনা কম। বাঁচার সম্ভাবনা বলতে ইরান বর্তমান যেই অবস্থায় আছে সেই অবস্থায় ফিরে আসার সম্ভাবনা কম। যেহেতু পশ্চিমা বিশ্ব পুরো ইউরনের ইরানের উপরে একেবারে আমেরিকার সাথে একত্র হয়ে চাপ দিয়ে ধরে রাখছে সেই ক্ষেত্রে ইরান কেন ইসরাইলের পরমাণু প্রকল্পে বা পরমাণু অস্ত্রগুলোতে আক্রমণ করে না আক্রমণ করছে না দেখুন এক্ষেত্রে আমরা অনেকগুলো কারণ সামনে নিয়ে আসতে পারি তবে আমরা মনে করি যে পাঁচটা কারণে ইরান আক্রমণ করছে না সেই
আক্রমণ সেই কারণে যাওয়ার আগে আমরা ইসরাইলের পরমাণু অস্ত্র আছে কিনা ইসরাইল এখনো পর্যন্ত হ্যাঁ না কিছু বলেনি। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক গবেষণা এবং এই পরমাণু নিয়ে যে সমস্ত সংস্থার রিপোর্ট তৈরি করে তাদের রিপোর্টে বলা হচ্ছে ইসরাইলের কাছে কমপক্ষে 100 টি পরমাণু অস্ত্র আছে। কোন কোন ক্ষেত্রে আপনারা দেখবেন যে এই 100র কাছে আসে না। কখনো 99 বলে, কখনো 96 বলে, কখনো 98 বলে, কখনো 92, কখনো 90। অর্থাৎ 90 থেকে 99 এর মাঝখানে থাকে। 100 তে আসতে চায় না। সংখ্যাটা বেশি। তিনটা সংখ্যা সেখানে পাশাপাশি বসাতে হয়। কিন্তু কেউ কেউ মনে করছেন যে
ইসরাইলের কাছে 100 না বরং 300 পরমাণু অস্ত্র আছে। 300 পরমাণু অস্ত্র আছে। এর মধ্যে কিছু কিছু হচ্ছে ট্যাকটিক্যাল পরমাণু অস্ত্র। অর্থাৎ ছোট আকারে এবং স্বল্প পরিসরে আঘাত হেনে ক্ষতি করার মত পরমাণু অস্ত্র। এগুলো আমেরিকার কাছ থেকে আনা বা আমেরিকার কাছ থেকে দেয়া। এখন এই পরমাণু অস্ত্র আনা এবং এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইসরাইল কোন ধরনের আন্তর্জাতিক যে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার আইন সেটা স্বাক্ষর করেনি এখনো পর্যন্ত। বিশ্বে বহু দেশ আছে যাদের হাতে কোন পরমাণু অস্ত্র নাই। এমনকি পরমাণু ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পও নাই। সেই সমস্ত দেশ পর্যন্ত এই
পরমাণু অস্ত্র কোনদিনও সে তৈরি করবে না ব্যবহার করবে না এই ক্ষেত্রে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু ইসরাইলের কাছে পরমাণু অস্ত্র থাকার প্রমাণ থাকার পরেও ইসরাইল পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার ক্ষেত্রে কোন সই স্বাক্ষর করেনি যাক গেল এটা এখন কেন ইরান ইসরাইলের পরমাণু অস্ত্রে আক্রমণ করছে না এক নম্বর হচ্ছে এক নম্বর হচ্ছে ইরান আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থা এবং জাতিসংঘের যে পরমাণু ব্যবহার না করার আইন সেটাই স্বাক্ষরকারী একটা দেশ। একই দিক থেকে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করা এবং পরমাণু অস্ত্রে আঘাত না করা। কারণ পরমাণু তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে যেন না পড়ে।
পরমাণু অস্ত্রের কারণে যেন গণবিধ্বংসী কোন ঘটনা না ঘটে সেটাই হচ্ছে মূলত এই পরমাণু চুক্তির মূল বিষয়। সুতরাং ইরান মনে করছে যে এই মুহূর্তে সে যদি আগে বাড়িয়ে ইসরাইলের পরমাণু প্রকল্পে আক্রমণ করে এবং সেখান থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র ইসরাইলের ইহুদিরাই না ইসরাইলের সাথে সেখানের ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের আশপাশে দেশের ব্যাপক পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। দ্বিতীয় হচ্ছে এই ধরনের একটা পরমাণু প্রকল্পে আক্রমণ হলে ইরান এখন যেভাবে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো ছাড়া কিছু দেশ ছাড়া সে এখন যেভাবে মানবতাকামী বিশ্বের
সাপোর্ট পাচ্ছে সেই সাপোর্টটা সে পাবে না আন্তর্জাতিকভাবে সে দোষী সাব্যস্ত হবে এবং আন্তর্জাতিক আদালতে তাকে দাঁড় করানো হতে পারে। আরেকটা হচ্ছে ইরান ইসরাইলের এই পরমাণু প্রকল্পে আক্রমণ করার চেয়ে এই মুহূর্তে মনে করছে ইরান যে এই পরমাণু ইসরাইলের এই পরমাণু অস্ত্রে আক্রমণ করার আগে ইরান মনে করছে ইসরাইল এই পরমাণু নিয়ে যে সমস্ত গবেষণা চালাচ্ছে যেই সমস্ত ল্যাবরেটরি আছে যেই সমস্ত সাইন্টিফিক গবেষণাগার আছে সেগুলোতে ইরান আক্রমণ চালানোটাকে আরো বেশি শ্রেয় মনে করছে এবং সেজন্য আপনারা দেখবেন যে ওয়াইজম্যান নামে একটা ইসরাইলের পরমাণু
গবেষণা কেন্দ্র সাইন্টিফিক গবেষণা কেন্দ্র যদিও তারা বলছে সেখানে আক্রমণ করেছে এবং এই ধরনের আরো অনেক জায়গায় ইরান আক্রমণ করার পরিকল্পনা করছে বিভিন্ন সময় বলছে ইরান যে এই এলাকা ছেড়ে যাও ওই এলাকা ছেড়ে যাও এই শহর ছেড়ে যাও এই শহরে আমরা আক্রমণ করব যেই শহরগুলো এই ধরনের কাজগুলো হচ্ছে। এরপরে আরেকটা জায়গা হচ্ছে যে ইরান এই মুহূর্তে ইসরাইলের যে সমস্ত জায়গায় আক্রমণ করছে যেই সমস্ত জায়গা ইসরাইলের কম নিরাপদ ইসরাইল যে সমস্ত জায়গায় তার নিরাপত্তা সিস্টেম একেবারে পুরোপুরি ব্যাপক পরিমাণে শক্তিশালী করেনি সেই সমস্ত
জায়গায় আক্রমণ করছে। স্বাভাবিকভাবেই ইসরাইলের যেখানে এই পরমাণু অস্ত্রগুলো রাখা সেখানে অবশ্যই ইসরাইল এবং আমেরিকা তার নিরাপত্তা বলয়কে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নিশ্চিত্র করার জন্য নিশ্ছি্র করার জন্য ব্যাপক পরিমাণে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সেখানে অবশ্যই রেখেছে। যে কারণে ইরান এখন আক্রমণ করলেই যে সেখানে ব্যাপক পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হবে সেটা ইরান মনে করছে না এবং সেখানে আক্রমণের আগে ইরান ইসরাইলে আরো ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে দুর্বল করে সেখানে হয়তোবা আক্রমণ করতে পারে। আরো একটা বিষয় হচ্ছে ইরানের যে গোয়েন্দা তথ্য ইরানের যে
টেকনোলজিক শক্তি ইরানের যে অস্ত্রের শক্তি সেগুলো এই পরমাণু প্রকল্প এই পরমাণু অস্ত্রগুলো পুরোপুরি খুঁজে পেতে এবং সেগুলোর এক্স্যাক্ট লোকেশন নির্ধারণ করে সেগুলো আক্রমণ করতে সক্ষম নাও হতে পারে। বুঝাতে পারলাম কিনা? অর্থাৎ ইরান এখানে গোয়েন্দা দিক থেকে এবং টেকনোলজির দিক থেকে দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর সর্বশেষ যেটা সেটা হচ্ছে ইরান এখনো চাইছে যে কোন ধরনের পরমাণুকে টাচ না করে। না ইসরাইলের না ইরানের। পরমাণুকে টাচ না করে। এই যে হামলা পাল্টা হামলা রিএকশন অ্যাকশন রিএকশন চলছে এটাকে প্রশমিত করার পথ উন্মুক্ত রাখতে চাইছে ইরান। ইরান এখনো
চাইছে যে ডিপ্লোম্যাটিক ওয়েতে এই সমস্যার সমাধান হোক এবং সেটার জন্য পথ খোলা থাকুক। পরমাণু প্রকল্পে আক্রমণ হচ্ছে একেবারে সর্বশেষ পরিস্থিতি। যে এখন আমার আর কোন পথ খোলা নাই। সুতরাং এখানে আমি আক্রমণ করি। সেটা হচ্ছে সর্বশেষ অবস্থা। এই কারণে আমরা মনে করি বা ধারণা করা হয় যে ইরান ইসরাইলের পরমাণু প্রকল্পে আক্রমণ করছে না। পাঁচটা কারণ আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। এর বাইরে যদি আপনাদের কাছে কোন তথ্য থাকে কোনভাবে আপনারা যদি শেয়ার করতে চান আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। এখানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের বিষয় নিয়ে বারবার প্রশ্ন আসছে। আমি গতকালও
বলেছি পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সাথে ট্রাম্পের যে কথা হয়েছে এটাকে দুইভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। একটা হচ্ছে ট্রাম্প পাকিস্তানকে এই ইরান ইসরাইল যুদ্ধে ইরান থেকে দূরে রাখতে চাইছে। সেটার জন্য পাকিস্তানকে কিছু প্রলোভন দিয়েছে। দ্বিতীয় হচ্ছে পাকিস্তান আমেরিকার সাথে আলোচনা করে ট্রাম্পকে ইসরাইলের এই যুদ্ধে জড়ানো থেকে দূরে রাখতে চাইছে। যে কারণে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সাথে বৈঠকের পর ট্রাম্প বলছে যে আমি দুই সপ্তাহ সময় নিচ্ছি। এটাকে আপনি দুই দিক থেকে মূল্যায়ন করতে পারেন। যদি আপনি পাকিস্তানের পক্ষে হন তাহলে দ্বিতীয় যে
মূল্যায়নটা সেটাকে সামনে নিয়ে আসতে পারেন। যে দেখো পাকিস্তানের সাথে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সাথে আলোচনার পরেই কিন্তু ট্রাম্প বলেছে যে আমি দুই দুই সপ্তাহ সময় নিচ্ছি। অর্থাৎ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কোনভাবে ট্রাম্পকে কিছু সিনারিও দিয়েছেন এবং সেই সিনারিওর ভিত্তিতে ট্রাম্প মনে করছে এই যুদ্ধে আমেরিকার জড়ানো ঠিক হবে না। আবার দ্বিতীয়টাও হতে পারে। মানে প্রথমটাও হতে পারে যে এই যুদ্ধে ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত জড়াবে ইসরাইলের সাথে। কিন্তু পাকিস্তান যেন এই যুদ্ধে না জড়ায় ইরানের সাথে। সেজন্য পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে
বিভিন্ন ধরনের সাপোর্ট দেওয়া। ইরানের ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে সাপোর্ট দেওয়া। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে অর্থনৈতিক সাপোর্ট দেওয়া এবং আফগানিস্তানে পাকিস্তানের আরো বেশি একটা তালেবানের উপরে কর্তৃত্ব নিয়ন্ত্রণ যেটা একটা সময় ছিল সেটা আবার পুনরায় ফিরে দেওয়া ফিরিয়ে দেওয়া এরকম কিছু হতে পারে আমি জানিনা যেহেতু জানিনা সেহেতু এই দুই ধরনের ইকুয়েশন আপনাদের সামনে নিয়ে আসলাম এর বাইরে পাল্টাপাল্টি হামলা পাল্টা হামলা এটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে ইরান বলছে যে ইসরাইলের ধ্বংসের আগে সে থামবে না। ইরান বলছে যে ইসরাইল যদি এই যুদ্ধ থামায়
তাহলেই ইরান আলোচনায় বসবে। ইরান বলছে যে ইসরাইলের সেনাবাহিনীর প্রধান বা ইসরাইলের সরকার পরিবর্তনের জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। এগুলো রাজনৈতিক বক্তব্য। একপক্ষ যে বক্তব্য দেয় সেটার রিয়াকশনে অন্যপক্ষ বক্তব্য দেয়। বিশেষ করে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর প্রতিরক্ষামন্ত্রী যে উগ্র টাইপের বক্তব্য দিচ্ছে সেটা কখনোই কোন যুদ্ধে এই ধরনের বক্তব্যগুলো আসে না। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে এই পশ্চিমা বিশ্বে বিশেষ করে একসময় আমেরিকারও এরকম কয়েকজন ছিল যারা হচ্ছে এই যুদ্ধের সময়ে তার নিজের সাপোর্টে যারা আছে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ
রাখতে অনেক বড় বড় হাকডাক দেয়। এরকম হাকডাক ইসরাইল এখন ব্যাপকভাবে দিচ্ছে। ইরানও যে কম দিচ্ছে তা না ইরানও চেষ্টা করছে এবং যেগুলো বললাম যে আজকে ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল ওইটা এখন এর মধ্যে আবার সবাই কিন্তু যার যার ক্ষেত্রে এডভারটাইজমেন্টেরর কাজ করছে এমানুয়েল ম্যাক্রন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এই সুযোগে বলছে যে এই সুযোগে হচ্ছে আমার রাফায়েলের একটা প্রমোশন একটা বিজ্ঞাপন দরকার তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে টুইটার এ রাফাল ইজ কলিং মোবাইল লেখছে রাফাল ইজ কলিং এবং দেখছে যে এই ইউরোপ এই ইউরোপের বন্ধুরা তোমাদেরকে
আমার এই যুদ্ধবিমান কল দিচ্ছে তোমরা কল রিসিভ করো তোমাদের যদি বাঁচতে হয় তাহলে এখন দ্রুত আমার এই যুদ্ধবিমান তোমাদের কেনা দরকার সেখানে আবার পাকিস্তানের অনেক বলছে যে আসলে ভারত তো তোমার এই কল রিসিভ করে তারপরে হচ্ছে পাকিস্তানের কাছে এফবি টাইপের মার খেয়েছে আর কত কে রিসিভ করবে কল যাই হোক এভাবে বিভিন্ন দেশ এই মুহূর্তে তার অস্ত্রের যে শক্তি সেটার বিজ্ঞাপনও চালাচ্ছে। তুরস্ক একইভাবে এই ধরনের তার নিজস্ব অস্ত্রের বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে। যেই তুরস্কের কান ফাইটার জেট আসতে এখনো পর্যন্ত সময় লাগবে কমপক্ষে পাঁচ থেকে সাত
বছর সেটার এখনই কিন্তু এডভারটাইজমেন্ট ব্যাপকভাবে চালাচ্ছে তুরস্ক। তুরস্কের যে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলো এখনো পর্যন্ত সেনাবাহিনীর কাছে আসে নাই। এখনো যেগুলোর কাজবাদ চলছে যেগুলো আসবে বা কিছু কিছু এসেছে ব্যাপক পরিমাণ আসেনি সেগুলো নিয়েও ব্যাপক পরিমাণে এখন দেশের মধ্যে প্রচার প্রচারণা চলছে কারণ হচ্ছে বিভিন্ন দেশ এই যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পরে আস্তে আস্তে সব দেশের সাধারণ মানুষ আসলে ভয়ের মধ্যে ভীতির মধ্যে আছে যে কি অবস্থা হয় পরবর্তী টার্গেট কে হয় এরকম একটা যুদ্ধ যদি অন্য কোন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে আমাদের কি
অবস্থা হবে এই যে একটা প্রশ্ন এবং সবার মধ্যে যে একটা উৎকণ্ঠা এটার জন্য সব দেশ তার নিজের জনগণকে শান্ত করার জন্য তার সামরিক শক্তিকে হেবি টাইপের হাইফাই টাইপের তুলে ধরার চেষ্টা করছে। আমাদের অমুক আছে সমুক আছে আমরা এতটা নিরাপদ আমাদের উপরে কেউ চোখ তুলে দাগানোর সাহস পাবে না সুযোগ পাবে না এইরকমভাবে তার নিজস্ব জনগণকে সে কি বলে সাপোর্ট দিচ্ছে। এখন আরো একটা প্রশ্ন আরো একটা প্রশ্ন আসছে এটা খুব সম্ভবত বিভিন্ন জায়গা থেকে আপনারা দেখেছেন যে উত্তর কোরিয়া থেকে কিম জং উত্তর কোরিয়া থেকে সে মিসাইল ছুড়েছে ব্যাপক পরিমাণে মিসাইল
ছুড়েছে এবং এটাকে এই মুহূর্তে এমন একটা খবর আকারে দেখানো হয়েছে যে উত্তর কোরিয়া মিসাইল ছুড়ে ইসরাইলের মোটামুটি ঝাজড়া করে দিছে উত্তর কোরিয়া তো সবসময় মিসাইল ছুড়ে এক সপ্তাহ দেড় সপ্তাহ পরপরই কিন্তু সে মিসাইল নিক্ষেপ করে এবং সে মিসাইল নিক্ষেপ করার কিছু কিছু হয় তার নিজস্ব তৈরি যে সমস্ত মিসাইল আছে সেগুলোর পরীক্ষা। আবার কিছু কিছু হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার আশেপাশে দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, আমেরিকা এরা একত্রে বিভিন্ন সময় মহড়া করে। সেই মহড়াকে হুমকি দেওয়ার জন্য দক্ষিণ উত্তর কোরিয়া সে ওই তার দেশের আশেপাশে মিসাইল
নিক্ষেপ করে। এটার সাথে ইসরাইল এবং ইরানের কোন সম্পর্ক নেই। যদিও উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে ইরান ইরানের উপরে ইসরাইল যে আক্রমণ করছে এটা পুরোপুরি অন্যায়। ইসরাইলের এই আক্রমণ বন্ধ করা উচিত। ইসরাইল এখানে পুরোপুরি যুদ্ধাপরাধ করছে। ইসরাইল এখানে ফাইজলামি করছে। ইসরাইল এখানে এটা করছে সেটা করছে। এটা মোটামুটি উত্তর করে ইরানের পক্ষে ব্যাপকভাবে কথা বলেছি। কিন্তু যে জিনিসগুলো বাকি বিষয়গুলো সেটা হয়নি। আর কত বলব? ইরানের যে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটে সেখানে যদি রিয়াকশন হয় তাহলে ইসরাইলের সমস্যাটা কি? ইসরাইলের বহু সমস্যা আছে। এই জিনিস তো
আসলে একদিন আর দুইদিন না। রাষ্ট্র একদিন দুইদিনের কথা চিন্তা করে রাষ্ট্র কাজ করে না। ইরান চীন কি ইরানকে গোয়েন্দা, সাইবার অথবা অস্ত্র দিয়ে কোন সাহায্য করছে? এর কি অথেন্টিক নিউজ আছে? না। এর কোন অথেন্টিক নিউজ নাই। চীন ইরানকে গোয়েন্দা, সাইবার বা অস্ত্র দিয়ে কোন সাহায্য করছে কিনা? এ ব্যাপারে কোন অথেন্টিক নিউজ নাই। এই ইসের ক্ষেত্রেও এটা নেই। কি বলে? রাশিয়ার ক্ষেত্রেও এটা নেই। তবে রাশিয়া আস্তে আস্তে তার টোন একটু কঠিন করছে ইসরাইলের বিরুদ্ধে। ইরানের পক্ষে তার টোনটা একটু বাড়াচ্ছে। একটু আস্তে আস্তে শরটা উচ্চ করছে ইরানের পক্ষে। এবং রাশিয়া
বারবার বলছে যে ইসরাইল যেটা করছে এটা আইনের বিরুদ্ধে। ইরানের পরমাণু অস্ত্রে যদি আক্রমণ করা হয়, পরমাণু প্রকল্পে যদি আক্রমণ করা হয় তাহলে সেটা হবে বড় ধরনের একটা ভুল এবং সেটার ভয়াবহ ফলাফল এই অঞ্চলে আসবে। এখানে একেবারে শেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটা বলে শেষ করি। রাশিয়া বলছে ইরানের পরমাণু প্রকল্পগুলোতে বহু রাশিয়ান সাইন্টিস্ট কাজ করছে। বহু রাশিয়ান কাজ করছে। শত শত রাশিয়ান কাজ করছে। রাশিয়া তাদেরকে ফেরত নিচ্ছে না এবং তাদের উপরে যেন কোন ধরনের আক্রমণ না আসে। তাদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে। এটা রাশিয়া বলছে। তাদের প্রত্যেকের জীবনের
গুরুত্ব রাশিয়ার কাছে অনেক বেশি। অর্থাৎ রাশিয়া বলছে যে আমি ওই যে ইরানে যে পরমাণু প্রকল্পগুলো আছে সেগুলোতে আমার লোকজন আছে। সুতরাং এই আমেরিকা এই ইসরাইল তুমি যদি ওখানে আক্রমণ করো হিসাব নিকাশ করে আক্রমণ করবা। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এটা ইসরাইলের জন্য বড় একটা এটা ইরানের জন্য বড় একটা সাপোর্ট। এই কথা বলে শেষ করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
https://masumbillah171.blogspot.com/2025/06/operation-rising-vs.html

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন