যেদিন তুমি আমার জীবন থেকে চলে গিয়েছিলে সেদিন এই খোলা আকাশটাও হয়ে পড়েছিল মেঘাচ্ছন্ন চারিদিকে শুধু প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা আর হাহাকারে ভরে গিয়েছিল চারপাশে যেন বিষাক্ত বাতাস বোঝাচ্ছে এই যেন আমার নিঃশ্বাসটাও বন্ধ করে দিচ্ছে রাতের আকাশে মায়াবী চাঁদার মায়াবী আলো সেও যেন নিশ্চুপ হয়ে আমার কান্না ভেজা চোখটির দিকে আলো দিয়ে যাচ্ছে আমার একাকি পথের সঙ্গী হয়ে সে যেন পাশে ছিল। এই চাঁদটাও তখন বুঝে গিয়েছিল তুমি ছাড়া আমি অন্ধকারে ডুবে গিয়েছি। কিন্তু তুমি পাসান প্রিয়। বুঝতেই পারোনি যে কতটা ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে এই ভিতরটা। আমার না তখন মনে হতো কি জানো? তুমি আমার দেহ থেকে আত্মাটা নিয়ে চলে গিয়েছো। তবে এখনো মনে হয় তুমি আমার আত্মাটা নিয়ে হারিয়ে গিয়েছো। মানুষের দেহ মরার আগে যদি আত্মাটা মরে যায় তখন কি সে বেঁচে থাকে? নাকি মন মরা হয়ে যায়? হু তবে আমারও তেমনটাই হয়েছে। এই মনের একপাশে তবু আড়াল থেকে চত্ত করে তোমাকে রেখে দিয়েছে। কেননা এই জনমে তুমি হয়তো আমার হবে না। তবে পরের জনমে যেন তুমি আমার এই হও। তখনো বলবো ভালোবাসি তোমায়। আজও আমি। কেউ একজন বলেছিল ভালোবাসার রং বদলায়। মাঝে মাঝে সেই রংটা বর্ণবিহীন ধূষর হয়ে যায়। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে পাশে থাকা। আর আমার কাছে ভালোবাসা মানে অস্তিত্বে মিশে থাকা। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে তোমাকে সময় দেয়া। অথচ আমার কাছে ভালোবাসা মানে তোমার সময়কে আপন করে নেয়া। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে অন্য মানুষটিকে নিজের করে নেয়া। আর আমার কাছে ভালোবাসা মানে নিজেকে উৎসর্গ করে দেয়া। তোমার মতে ভালোবাসার পরিণতি হবে সামাজিক সম্পর্ক। আর আমার মতে ভালোবাসার পরিণতি হবে আত্মা সম্পর্ক। তুমি ভাবো ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠুক। আর আমি ভাবি ভালোবাসার সম্পর্ক মন থেকে জন্ম নিক। তুমি চাও পারস্পরিক মেল বন্ধন আর আমি চাই তোমার বাবারা সারা বছর এক জামা পড়ে কাটে। কিন্তু মাঝে মাঝে বাজারের সবচেয়ে বড় মাছটা অনেক টাকা দিয়েই কিনে আনেন। এরপর মার ধমক খায়। কিন্তু তবুও তিনি খুশি। সবচাইতে বড় মাছটা কিনতে পারে। তিনি ঠিক শিশুর মতোই খুশি। তবুও একটা বয়স ছেলেদের ভাবায়। সেই বয়সের রূপকথা থাকে সবচাইতে বেশি। কিন্তু ধীরে ধীরে সমস্ত রূপকথা অনিশ্চিত হয়ে যায়। সে বয়সে বাবার পুড়িয়ে যাওয়া দেখে ছেলেদের কপালে ভাজ পড়ে। সে বয়সে বেলাবোজ শুনে প্রিয়তমা হারানোর ভয়ে ছেলেরা কুকরে পড়ে। কিন্তু এরপরও এরা রূপকথা বিশ্বাস করে। ভাবে হবে। সব হবে। ছেলেরা আগলে রাখার ক্ষমতা নিয়েই
জলবায়। তাই আগলে রাখতে এরা ভয় পায় না। কিন্তু আমি শেষমেষ সব আগলে রাখতে পারবো। তো এটা ভেবেই তাদের ভীষণ ভয় হয়। ভীষণ জীবন নিয়ে আমরা যতই পরিকল্পনা করি না কেন ভাগ্যে যা লেখা সেটাই ঘটে। শুধু চাইলেই কি আর হয়? কিছু জিনিস কপালেও থাকতে হয়। জীবনে যদি সত্যি মন থেকে কাউকে ভালোবেসে থাকো তাহলে তাকে হারিয়ে যেতে দিও না। কারণ চোখের জল হয়তো বুঝতে পারবে। কিন্তু হৃদয়ের কান্নার জল কক্ষনো বুঝতে পারবে না। সত্যিকার অর্থে যে ভালোবাসে সে হাজারটা ভুলের মাঝেও একটি কারণ খুঁজে বের করে। শুধুমাত্র সম্পর্কে টিকিয়ে রাখার জন্য। মানুষ এমন একটা প্রাণী যাকে বিশ্বাস বা অবিশ্বাস কোনটাই করা যায় না। বিশ্বাস করলেও ঠকতে হয় আর অবিশ্বাস করলেও ঠকতে হয়। একটা কথা মনে রেখো যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না তা অন্যকে উপদেশ দিও না। তুমি হয়তো কারো সৌন্দর্য দেখে তাকে ভালোবেসে ফেলতে পারো। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো। প্রকৃতপক্ষে তুমি তার চরিত্র নিয়ে বেঁচে থাকবে। সৌন্দর্য নিয়ে নয়। মানুষ যখন একা থাকে তখন সে নিজের চেয়েও তার প্রিয় মানুষের কথা বেশি চিন্তা করে। এটাই স্বাভাবিক। অবহেলা পাওয়ার পরে মানুষ বুঝতে পারে গুরুত্ব দেয়াটা একটু বেশি হয়ে গিয়েছিল।
বাস্তবতা হলো ভালোবাসার বদলে ভালোবাসা পাওয়ার সৌভাগ্য সবার হয় না। কিচ্ছু হবে না। এটি বলে হাল ছেড়ে দেয়া উচিত না। কারণ মানুষ মারা যাবে জেলেও কিন্তু বাঁচার জন্য আজই বোন চেষ্টা করে। যাকে যতটা তুমি মূল্য দেবে সে তোমাকে তার চাইতে বেশি আরো সস্তা ভাববে। হ্যাঁ এটাই বাস্তবতা। ভিক্ষুকের মত কারো কাছে ভালোবাসা না চেয়ে নিজেকে যোগ্য করে তোলো। তখন দেখবে আশেপাশে ভালোবাসার মানুষের অভাব নেই। যে তোমাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে ভালোবাসে মনে করো। যে তোমাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে ভালোবাসে মনে রেখো। সেই তোমাকে সারাজীবন আগলে রাখতে পারবে। হ্যাঁ এটাই সত্যি। প্রতিটি ব্যর্থ প্রেমিক আশা করে ভালো থাকুক সেই মানুষটা যাকে ঘিরে তার পুরো শহরটা একজন আলোকিত করেছিল। চরিত্রবান ব্যক্তির কাছে তার স্ত্রী ও দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর নারী। [মিউজিক] অবহেলা এবং কষ্ট দুটোই মানুষকে পাথর করে ফেলে। অনেক সময় পরিচয়টা অনলাইন হলেও ভালোবাসাটা সত্যিকার। মন দেখে ভালোবাসো ধন দেখে নয় গুণ দেখে প্রেম করো রূপ দেখে নয় রাতের বেলায় স্বপ্ন দেখো দিনের বেলা নয় একজনকেই ভালোবাসো 10 জনকে নয় আমি রাগ করি না কারণ আমি জানি আমার আগের মূল্য কারো কাছে নেই অন্য কারো হাতে তোমার সুখের দায়িত্ব দিও না সে হারিয়ে গেলে তোমার সুখ কেউ খুঁজে পাবে না সবাই দেখে বলে আমি ভালো আছি শুধু আমি জানি আমি কত কতটা কষ্টে আছে কেউ যে মানুষটা সবার খেয়াল রাখে তারই একদিন খেয়াল রাখার মত কেউই থাকে না। কিছু কিছু মানুষ এতটাই ভালো হয় যে অন্যের খুশির জন্য নিজের খুশিকে মাটি করে দেয়। কখনো ফিরে এসো না। কারণ আমার বদলে যাওয়ার রূপ তুমি সহ্য করতে পারবে না। কারো চোখের কোণে দু ফোটা জল দেখে নিজে কেঁদে ফেলার নামই হলো ভালোবাসা। কিছু কষ্টের পরিমাণ এত বেশি হয় যে না প্রকাশ করা যায় না আর না কাউকে বোঝানো যায় শুধু নীরবে চোখের জল ফেলতে হয় বড্ড বোকা ছিলাম
তাই মুখোশ গুলোকেই মুখ ভেবেছিলাম কি দরকার ছিল এত অভিনয় করার বলে দিলেই পারতে তোমাকে আর প্রয়োজন নেই জীবনে এমন একজনকে দরকার যে আমার মনের ফিলিংস গুলো বুঝবে তোমাকে ভালোবাসি কিনা এখনো সেটা জানিনা তবে এখনো সারারাত জেগে তোমার তোমার ফোনের অপেক্ষা করি। কিছু সম্পর্ক ভাঙ্গা গাধির মতো হয়। তাকে তুমি যতই সাজাও কষনো নিজের হবে না। তাকে বোঝানোর মত ক্ষমতা আমার নেই। তার আড়াল থেকেই ভালোবাসি। সবাইকে ভালোবাসা যায় না। আর যাকে ভালোবাসা যায় তাকে কষনো ভুলে থাকা যায় না। যার জন্য তোমার অন্তর পড়ে ছাই খোঁজ নিয়ে দেখো তার অন্তরেই তুমি নেই। তোর দেয়া কষ্টগুলো এখন অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। যারা বারবার অপমান সহ্য করেও একটা সম্পর্কে পড়ে থাকে তারা দুর্বল নয়। তারা একটু বেশি আদলে রাখতে চায়। তারা একটু বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ডিলিট যত তাড়াতাড়ি হয় ডাউনলোড তত তাড়াতাড়ি হয় না। সেটা অ্যাপ্লিকেশন হোক বা সম্পর্ক। জানতে খুব ইচ্ছে করে। যার কথা আমার এত মনে পড়ে তার কি আমার কথা একবারও মনে পড়ে? মন তাকে দাও যে তোমার মনটাকে নিজের চেয়েও বেশি যত্ন করে রাখবে। হয়তো তুমি আর আমি আজ অনেক দূরে। তবে সত্যি করে বলছি। আজও তোমাকে অনেক মিস করি। বাস্তবতা হচ্ছে আপনি যার জন্য কাঁদবেন সে আপনার গল্প অন্যের কাছে বলে হাসবে। মেয়েদের একটাই ভুল। তারা ছেলেদের গুছিয়ে বলা মিথ্যেগুলো খুব সহজেই বিশ্বাস করে ফেলে। শুধু একবার একা হয়ে দেখো। পৃথিবীতে কেউ কারোর নয়। জীবনে চলার পথে সবাই অভিনয় করে। কেউ ছোট স্বার্থের টানে, কেউবা আবেগের কারণে। একদিন তুমি এটা ভেবে আফসোস করবে যে তুমি আমাকে পেয়েও হারিয়ে ফেলেছো। ভেঙে পড়াটা জীবন নয়। ভেঙে পড়ার পর নিজেকে তৈরি করাটাই হচ্ছে আসু জীবন। তোমাকে ভালোবেসে আমি হেরে চাইনি। সত্যিকারের ভালোবাসা যে কষ্ট আছে তার প্রমাণ পেয়েছি। তিন শ্রেণীর মানুষের থেকে সবসময় দূরে থাকবেন। স্বার্থপর, মিথ্যাবাদী, বিশ্বাসঘাতক। মানুষ মানে না এমন জিনিস খুবই দুর্লভ। কারণ মানুষ হলো অভ্যাসের দাস। মানুষ চেষ্টা করলে সব সম্ভব। সবসময় এমন মানুষের সাথে থাকার চেষ্টা করো যে তোমাকে সম্মান দেবে। কারণ সম্মান ভালোবাসার থেকেও বেশি মূল্যবান। ভালোবাসা শব্দটি পূর্ণতা পায় বিশ্বাস শব্দটির কাছে যা সবাই অর্জন করতে পারে না। মেয়েদের সম্মান কি জিনিস ছেলেরা তখনই বুঝতে পারে যে যখন সে কোন মেয়ের বাবা হয়। নারীরা ঘরে থেকে সংসারের জন্য যতই ঘাটাখাটি করুক না কেন পুরুষদের একটা প্রশ্ন কোনদিনই যাবে না। সারাদিন ঘরে বসে কি করো? সকল মেয়েদের বলছি কিছু সময় বের করে নিজের জন্যও বাঁচো। কারণ তুমি সদ পরিশ্রম করলেও কেউ তোমায় বলবে না তুমি কাজ করে ক্লান্ত হয়ে গেছো। একটু বিশ্রাম করো। মেয়েরা খুব ভালো অভিনয় করতে পারে। কিসের কেউ নয় জানেন? হাজার কষ্টে থাকলেও হাসি মুখে থাকার অভিনয়। একজন নারী জীবনে সবচাইতে দামি অলংকার হচ্ছে তার স্বামী। বিপদে পড়লে কে আপন তারপর সেটা ভালো করেই চেনা যায়। জীবনে চলার পথে নিজের রাস্তাটায় নিজেই তৈরি করে নিতে হয়। যেখানে কেউ সাহায্য করবে না। বাস্তব জীবনটা বড়ই জটিল। ভালো থাকতে বলেছিলে। তাই আজও ভালোই আছে।
কিন্তু কখনো কি জানতে চেয়েছো? সত্যি কি ভালো আছে কিনা? ভালো আছে বলে নিজেকে মিথ্যাচারে জড়িয়েছে। অপেক্ষা করা সব অপেক্ষা করো। সময় একদিন সবার আসল চেহারা দেখিয়ে দিবে। বিশ্বাস থাকা ভালো। তবে অন্ধ বিশ্বাস করা উচিত নয়। একটা মেয়ে তার জীবনের প্রত্যেকটা সময় অন্যের জন্য বেঁচে থাকে। জন্মের পর বাবা-মায়ের জন্য, বিয়ের পর স্বামীর জন্য, সন্তান হওয়ার পর সন্তানের জন্য। আসলে মেয়েদের নিজের জীবনের কোন চাওয়াপাও থাকে না। সৌভাগ্যবান সেই যে কষ্টের সময় প্রিয় মানুষকে কাছে পায়। ফ্যামিলির দিকে তাকিয়ে নিজের ইচ্ছা আশাগুলো বিসর্জন
মাঝপথে ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলোর জন্য আমাদের আক্ষেপের শেষ থাকে না। প্রিয়জনেরা মাঝপথে হাত ছেড়ে দেয়ার পর আমরা ভীষণ ভাবে ভেঙে পড়ি। ধীরে ধীরে সবার কাছে থেকেও নিজেদের আড়াল করতে থাকি। ডুবতেই একাকিত্বের অন্ধকারে। আমি মনে করি কেউ একজন ছেড়ে গেছে বলে আমার জীবনটা রঙহীন হয়ে পড়ে থাকবে এমনটা নয়। কারো চলে যাওয়াতে অবহেলা করাতে বা সে আর আসবে না জেনেও অপেক্ষায় দুঃখ বিলাস করে নিজেকে গুটিয়ে রাখবো। এটা নিত্যন্ত অহেতুক একটা বিষয়। দিন শেষে আমরা সবাই একা। বন্ধু-বান্ধবদের সাথে আড্ডা শেষে বাড়ি ফেরার পথে আমাদের পাশ দিয়ে অনেক মানুষের চলাচল দেখি। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর আমরা নিজের রুমে নিজেরাই থাকি। একাই। কেউ তখন থাকে না। আবার পৃথিবীতে আসার আগে আমরা একাই আসি। যাওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয় না। শুধু মাঝখানের কিছু পথ আমাদের অনেক মানুষের সাথে দেখা হয়। তারা আমাদের প্রিয় মানুষ হয়ে ওঠে। আমাদের ভালো থাকা মন্দ থাকা একসময় তাদের সাথেই জুড়ে যায়। তারপর হঠাৎ যখন তারা আমাদের হাত ছেড়ে দেয় আমরা তখন ভেঙে পড়ি। আমাদের সাজানো গোছানো জীবন এলোমেলো রংহীন ফিকে হয়ে যায়। আমরা ধরেই নেই তাদের ছাড়া আমরা বাঁচবো না। নিজেকে সবার থেকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করি। অথচ শেষ অব্দি আমরা একা বাঁচতেই শিখে যাই। সে সময় আমাদের আর কারো অপেক্ষা বা আক্ষেপ থাকে না। জীবনের সংজ্ঞা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্নভাবে দিয়ে থাকে। আমি মনে করি ছেড়ে যাওয়া মানুষটার জন্য নিজের জীবনকে রংহীন না করে দক্ষ শিল্পীর মত জীবনের ফিকে পড়া ক্যানভাসকে আবারো রং তুলিতে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলাটাই জীবনের সংজ্ঞা তোমার অতীত ঘেটে বুঝতে পারলাম তোমার উপরটা যতটা সাজানো গোছানো ভেতরটা ঠিক ততটাই ক্ষতবিক্ষত কাচের মত টুকরো টুকরো হয়ে গেছে তোমার উপর চাইলেও আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয় একেবারে ভেঙে যাওয়া একটা মানুষ কিন্তু তুমি কি জানো প্রিয় এই ভাঙ্গা মানুষটাকেইযে চাই আমার
কারণ আমি জানি মন ভাঙ্গা মানুষগুলো আত্মাকে স্পর্শ করে ভালোবাসতে জানে তারা সহজে কাউকে কষ্ট দেয় না তারা কষ্টের মানে বুঝে সম্পর্ক কিভাবে টিকিয়ে রাখতে হয় এটাও জানে কিন্তু আমি জানি তোমার মনে তার জন্য যে জায়গাটা আছে তুমি তা কোনদিন কাউকে দিতে পারবে না আর আমি এটা কোনদিন চাইও না আমি চাই তোমার মনে আমার জন্য এক আলাদা জায়গা তৈরি হোক না তার থেকে কম না তার থেকে বেশি ঠিক অন্যরকম একটা সম্পর্ক যেখানে বিচ্ছেদ নামে কোন শব্দই থাকবে না থাকবে না কোন মিথ্যে আশ্বাস সেই সম্পর্কটা থাকবে দেহ তাগের শেষ অব্দি আর থাকবে একে অপরের প্রতি অটুট বিশ্বাস তাই বলছি প্রিয় আমার তোমাকে চাই জীবনের শেষ নিঃশ্বাস যে মানুষ যত বেশি আশা করবে সে মানুষ তত বেশি কষ্ট পাবে এটাই প্রকৃতির নিয়ম জীবনে যাকে পাওয়া হবে না নিয়তি তার সাথে সম্পর্কটা জড়িয়ে দেয় জীবনের সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় হয়তো আমারটাও তেমনিই। কল্পনার শহরে মনের আশা পূরণ হওয়া অনেক কঠিন। এই দুনিয়ায় কেউ আপন হয় না। কষ্ট পেলে রাতের ঘুমটাও পর হয়ে যায়। সব শিক্ষা বই থেকে পাওয়া যায় না। কিছু শিক্ষা জীবন থেকে অর্জন করে নিতে হয়। ভদ্র ব্যবহার করা উচিত। তবে কখনোই ভদ্র হওয়া উচিত না। কারণ কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ভদ্রতার ভাষা বোঝে না। মানুষ দুঃখ ভুলে যেতে পারে। কষ্ট ভুলে যেতে পারে। কিন্তু আপচনের থেকে পাওয়া বিশ্বাসঘাতকতা কখনোই ভুলতে পারে না। কিছু অবহেলা মানুষকে মরতে বাধ্য করে। কিন্তু অবহেলা মানুষকে বেঁচে থাকার নতুন উপায় শেখায়। তোমার জন্য মরতে চাই না। তোমাকে ভালোবেসে হাজার হাজার বছর বাঁচতে চাই। আগের চেয়েও অনেক বেশি চুপচাপ হয়ে গেছি আমি। এরপর হঠাৎ করেই একদিন হারিয়ে যাব। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি পারলাম না তোমার যোগ্য হতে। একটা সময় আপনার মনে হবে আপনি একা একসময় বোকা ছিলেন। প্রচুর পাগলামি করতেন। একটা মানুষ যারা আপনার জন্য ।বিন্দুমাত্র টান ছিল না সে মানুষটার জন্য আপনার পাগলামি করতেন প্রচুর। সে একটু দেরি করে রিপ্লাই দিলেও অভিযানে আপনার চোখ ভেজে যেত। তার খবর না পেলে অস্থির হয়ে যেতেন। না হওয়া খাওয়া ভুলেই যেতেন। কত কত পাগলামি করেছেন তা কেবল আপনিই জানেন। সে মানুষটা আপনার সিরিয়াসনেস দেখেও বিরক্ত হয়ে যেত। তাই না? অনেক বছর পর আপনার মনে হবে একটা ভুল মানুষের জন্য আপনি অনেকটা সময়ে আবেগ ভালোবাসা নষ্ট করে ফেলেছেন। ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে সব শেষ করে ফেলেছিলেন। আপনার বারবার মনে হবে কি বোকাটাই না ছিলাম আমি। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।ভালোবেসে ভালোবেসেছিলাম অনেক। সেদিন সে বলেছিল এর থেকে বেশি ভালোবাসা হয় না। প্রথম দেখাতেই সে আমাকে হাজারো মানুষের মাঝে কলিজা বলে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিল। তারপর থেকে ভালোবাসার পর বিয়ে। এমন ভালোবাসা ছিল যে একটি ব্রাশ দিয়ে দুজনে ব্রাশ করতাম। একটি প্লেটে দুজনেই খেতাম। দুজন দুজনকে খাইয়ে দিতাম। খাবারের মাঝে কপালে কিস দিতাম। একটু চুলের ঘ্রাণ নিতাম। একটু নাকের সাথে নাক মিলিয়ে ঘোষা দিতাম। একটি হাড্ডি দুজনের চিবিয়ে খেতাম। সে অসুস্থ হলে আমি ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। জোর করে সালে খাওয়াতাম। দুধ ডিম খাওয়াতাম। আমাকেও করতো। গোসল করিয়ে চুল শুকিয়ে সুন্দর করে আছড়ে দিতাম। যদিও ভালো আচড়াতে পারিনি। রাতে ঘুমাতে গেলে একটি মালিশে ঘুমাতাম। সে প্রথমে আমার ডান হাতে মাথা রেখে বুকে চুপচুপ করে ঘুমাতো। আমি কপালে কিস করে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ঘুম বাড়াতাম। ডান হাতে ব্যথা হয়ে গেলে বাম হাতে ঘুমাতাম। আমি চুল খুলে আমার নাকের উপরে রেখে ঘ্রাণ নিতাম। আমরা একটি দেহ ছিলাম দুজনে মিলে। একটি মিষ্টি দুজনে মুখে দিয়ে ভাগ করে খেতাম। একটা লেজ দুজনেই চুষে খেতাম। অসাধারণ ছিল আমাদের ভালোবাসা। কোন অভাব ছিল না কিছুতে। দুজনে নামাজ পড়তাম। দাঁড়ানোর আগে একটু ভরি দিতাম। কপালে কিস করতাম। নামাজ শেষ করে। বাঁচতেই শিখে যাই। সে সময় আমাদের আর কারো অপেক্ষা বা আক্ষেপ থাকে না। জীবনের সংজ্ঞা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্নভাবে দিয়ে থাকে। আমি মনে করি ছেড়ে যাওয়া মানুষটার জন্য নিজের জীবনকে রংহীন না করে দক্ষ শিল্পীর মত জীবনের ফিকে পড়া ক্যানভাসকে আবারো রং তুলিতে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলাটাই জীবনের সংজ্ঞা তোমার অতীত ঘেটে বুঝতে পারলাম তোমার উপরটা যতটা সাজানো গোছানো ভেতরটা ঠিক ততটাই ক্ষতবিক্ষত কাচের মত টুকরো টুকরো হয়ে গেছে তোমার উপর চাইলেও আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয় একেবারে ভেঙে যাওয়া একটা মানুষ কিন্তু তুমি কি জানো প্রিয় এই ভাঙ্গা মানুষটাকেইযে চাই আমার কারণ আমি জানি মন ভাঙ্গা মানুষগুলো আত্মাকে স্পর্শ করে ভালোবাসতে জানে তারা সহজে কাউকে কষ্ট দেয় না তারা কষ্টের মানে বুঝে সম্পর্ক কিভাবে টিকিয়ে রাখতে হয় এটাও জানে কিন্তু আমি জানি তোমার মনে তার জন্য যে জায়গাটা আছে তুমি তা কোনদিন কাউকে দিতে পারবে না আর আমি এটা কোনদিন চাইও না আমি চাই তোমার মনে আমার জন্য এক আলাদা জায়গা তৈরি হোক না তার থেকে কম না তার থেকে বেশি ঠিক অন্যরকম একটা সম্পর্ক যেখানে বিচ্ছেদ নামে কোন শব্দই থাকবে না থাকবে না কোন মিথ্যে আশ্বাস সেই সম্পর্কটা থাকবে দেহ তাগের শেষ অব্দি আর থাকবে একে
অপরের প্রতি অটুট বিশ্বাস তাই বলছি প্রিয় আমার তোমাকে চাই জীবনের শেষ নিঃশ্বাস যে মানুষ যত বেশি আশা করবে সে মানুষ তত বেশি কষ্ট পাবে এটাই প্রকৃতির নিয়ম জীবনে যাকে পাওয়া হবে না নিয়তি তার সাথে সম্পর্কটা জড়িয়ে দেয় জীবনের সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় হয়তো আমারটাও তেমনিই। কল্পনার শহরে মনের আশা পূরণ হওয়া অনেক কঠিন। এই দুনিয়ায় কেউ আপন হয় না। কষ্ট পেলে রাতের ঘুমটাও পর হয়ে যায়। সব শিক্ষা বই থেকে পাওয়া যায় না। কিছু শিক্ষা জীবন থেকে অর্জন করে নিতে হয়। ভদ্র ব্যবহার করা উচিত। তবে কখনোই ভদ্র হওয়া উচিত না। কারণ কিছু কিছু মানুষ আছে
যারা ভদ্রতার ভাষা বোঝে না। মানুষ দুঃখ ভুলে যেতে পারে। কষ্ট ভুলে যেতে পারে। কিন্তু আপচনের থেকে পাওয়া বিশ্বাসঘাতকতা কখনোই ভুলতে পারে না। কিছু অবহেলা মানুষকে মরতে বাধ্য করে। কিন্তু অবহেলা মানুষকে বেঁচে থাকার নতুন উপায় শেখায়। তোমার জন্য মরতে চাই না। তোমাকে ভালোবেসে হাজার হাজার বছর বাঁচতে চাই। আগের চেয়েও অনেক বেশি চুপচাপ হয়ে গেছি আমি। এরপর হঠাৎ করেই একদিন হারিয়ে যাব। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি পারলাম না তোমার যোগ্য হতে। একটা সময় আপনার মনে হবে আপনি একা একসময় বোকা ছিলেন। প্রচুর পাগলামি করতেন। একটা মানুষ যারা আপনার জন্য বিন্দুমাত্র টান ছিল না সে মানুষটার জন্য আপনার পাগলামি করতেন প্রচুর। সে একটু দেরি করে রিপ্লাই দিলেও অভিযানে আপনার চোখ ভেজে যেত। তার খবর না পেলে অস্থির হয়ে যেতেন। না হওয়া খাওয়া ভুলেই যেতেন। কত কত পাগলামি করেছেন তা কেবল আপনিই জানেন। সে মানুষটা আপনার সিরিয়াসনেস দেখেও বিরক্ত হয়ে যেত। তাই না? অনেক বছর পর আপনার মনে হবে একটা ভুল মানুষের জন্য আপনি অনেকটা সময়ে আবেগ ভালোবাসা নষ্ট করে ফেলেছেন। ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে সব শেষ করে ফেলেছিলেন। আপনার বারবার মনে হবে কি বোকাটাই না ছিলাম আমি। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।ভালোবেসে ভালোবেসেছিলাম অনেক। সেদিন সে বলেছিল এর থেকে বেশি ভালোবাসা হয় না। প্রথম দেখাতেই সে আমাকে হাজারো মানুষের মাঝে কলিজা বলে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিল। তারপর থেকে ভালোবাসার পর বিয়ে। এমন ভালোবাসা ছিল যে একটি ব্রাশ দিয়ে দুজনে ব্রাশ করতাম। একটি প্লেটে দুজনেই খেতাম। দুজন দুজনকে খাইয়ে দিতাম। খাবারের মাঝে কপালে কিস দিতাম। একটু চুলের ঘ্রাণ নিতাম। একটু নাকের সাথে নাক মিলিয়ে ঘোষা দিতাম। একটি হাড্ডি দুজনের চিবিয়ে খেতাম। সে অসুস্থ হলে আমি ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। জোর করে সালে খাওয়াতাম। দুধ ডিম খাওয়াতাম। আমাকেও করতো। গোসল করিয়ে চুল শুকিয়ে সুন্দর করে আছড়ে দিতাম। যদিও ভালো আচড়াতে পারিনি। রাতে ঘুমাতে গেলে একটি মালিশে ঘুমাতাম। সে প্রথমে আমার ডান হাতে মাথা রেখে বুকে চুপচুপ করে ঘুমাতো। আমি কপালে কিস করে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ঘুম বাড়াতাম। ডান হাতে ব্যথা হয়ে গেলে বাম হাতে ঘুমাতাম। আমি চুল খুলে আমার নাকের উপরে রেখে ঘ্রাণ নিতাম। আমরা একটি দেহ ছিলাম দুজনে মিলে। একটি মিষ্টি দুজনে মুখে দিয়ে ভাগ করে খেতাম। একটা লেজ দুজনেই চুষে খেতাম। অসাধারণ ছিল আমাদের ভালোবাসা। কোন অভাব ছিল না কিছুতে। দুজনে নামাজ পড়তাম। দাঁড়ানোর আগে একটু ভরি দিতাম। কপালে কিস করতাম। নামাজ শেষ করে জড়িয়ে নিতাম। একটু মুচকি হাসি দিতাম। কপালে কিস দিতাম। আরো কত কি। যেমন ছিল সম্মান তেমন ভালোবাসা তেমন রোমান্টিকতা। দুজনের ভেতরে কিছুতেই অভাব ছিল না। কিন্তু নিয়তির খেলা বোঝা বড়ই দেয়। আজ আর আমরা এক নেই। ভেঙে গেছে আমাদের সেই গড়ে ওঠা সবকিছু। আজ আমাদের সেই ভালোবাসা অভিযোগে পরিণত হয়েছে। সে আজ নিজেকে বদলে নিয়েছে। তার মনে আজ অন্যজনের বসবাস। আমারও কিছু ভুল ছিল। কিন্তু আমি আমার ভুলের জন্য হাঁটু গেড়ে তার সামনে বসেছিলাম। যা খুশি শাস্তি দাও তাও অন্য কারো হয়ও না। কিন্তু সে আমার বুকে সে রাত্রি ঘুমিয়ে অন্য কাউকে নিয়ে স্বপ্ন বলেছিল। আমার পাগলি আর আমার নেই আজ। সে অন্য ঘরে বাসা বেঁধেছে। কিন্তু আমি কি নিয়ে বাঁচবো? কই পাবো আমার পাগলিকে? কে এনে দেবে তাকে? আমি যে তাকে ছাড়া ঘুমাতেই পারিনা, খেতে পারিনা, চলতে পারি না। আজ থেকে কল দিলেও কথা বলার সময় নেই তার। কিন্তু অন্য কারো সাথে কথা বলার অনেক সময় তার। ভেঙে গেল সুখের খাঁচাটা। আজ আমি দিশেহারা। আমার বুকটা আজ ব্যথায় ভরপুর। আমি মেরে নিতে পারছি না। আমি থাকতে পারছি না তাকে ছাড়া। কিন্তু আমার শূন্য এই জায়গাটা কি পূরণ করবে? কাউকে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে যখন অবহেলিত হচ্ছো তখন সেই মানুষটাকে মূল্য দেয়া বন্ধ করে দাও। তোমার যেখানে মূল্য নেই সেখানে মূল্য দেয়া বোকা আমি। যে মানুষটা তোমাকে অবহেলা করছে, ইগনোর করছে, তুমি তখন তার অবহেলা কিংবা ইগনোরকে প্রশ্রয় দিও না। বরং তুমি তোমার মত করেই নিজেকে ব্যস্ত রাখো। এতে করে মানুষটা যেন বুঝতে পারে যে তুমি তাকে ছাড়া দিব্যে ভালো থাকতে পারো। অবহেলা কিংবা ইগনোরের মার্তা তখনই পেরে যায় যখন অপর মানুষটা বুঝে যায় যে তুমি তাকে ছাড়া অচ। অর্থাৎ তোমার পুরোটা দিন রাত তুমি তাকে নিয়েই পড়ে আছো। মানুষ তখনই অন্যকে তুচ্ছ ভাবা শুরু করে যখন তার কাছে অন্য কেউ নিজেকে বিলিয়ে দেয় ছোট করে দেয়। কেউ তোমাকে চাইলে অবহেলা করার সুযোগ পাবে না। যদি তুমি তাকে সেই সুযোগটা না দাও। তোমার প্রতি যে মানুষটা যতটুকু গুরুত্ব দেখাবে তোমারও সেই ততটুকু গুরুত্ব দেয়া উচিত। অতিরিক্ত গুরুত্ব দিলে মানুষটা তোমাকে গুরুত্বহীন ভাববে শুরু করবে। একদম। কারো কাছে অবহেলার পাত্র হওয়ার থেকে জীবন থেকেই সে মানুষটাকে মুছে ফেলা ভালো। যদিও এতে করে কিছুটা কষ্ট হবে কিন্তু কারো কাছে নিজেকে ধুকে ধুকে শেষ হয়ে যেতে হবে না। যে তোমাকে এখনই অবহেলা করছে সে পরে আরো বেশি করে অবহেলা করবে। যদি তুমি মানুষটাকে বেশি মূল্য দিতে থাকো। যে তোমার আকুতি মিলনতি বোঝে না তোমার মনের কষ্ট যার মনে বিন্দুমাত্র অনুভব হয় না সে মানুষটার যাই হোক তোমার মনের হাহাকার কোনদিনও বুঝবে না মানুষটা দিন শেষে তোমাকে ঠিক অবহেলার পাত্রই বানিয়ে যাবে কারো কাছে অবহেলার পাত্র হওয়াটা যেমন কষ্টের ঠিক তেমনিই লজ্জার বিষয় প্রয়োজনের চেয়ে তুমি যখন কাউকে অতিরিক্ত মূল্য দিবে তখন সে মানুষটা তোমাকে সস্তা ভাবতে শুরু করবে সেই সাথে নিজেকে কে অহংকারী মনে করবে। কারণ অতিরিক্ত মানুষ কোন কিছুই হজম করতে পারে না। হোক সেটা কেন কিংবা ভালোবাসা। জীবনে কারো উপর খুব বেশি ভরসা রাখতে নেই। কাউকে জীবনের সাথে খুব বেশি সিরিয়াসলি নিতে নেই। কারণ তুমি যখন কাউকে সিরিয়াসলি নিবে ঠিক তখনই মানুষটা বদলে যেতে শুরু করবে। কারণ মানুষের ধর্মই হলো সবটা পেয়ে গেলে বদলে যাওয়া। কখনো একটা ছেলে আর মেয়েকে একসাথে রাস্তায় হাঁটতে কিংবা রাস্তা পার হওয়ার সময় লক্ষ্য করলে দেখবেন যে রাস্তার যে পাশটায় গাড়ি ছেলেটা ওই পাশেই থাকে। ছেলেটা মেয়েটাকে দ্রুতগামী গাড়ি থেকে বাঁচিয়ে রাখে। ব্যাপারটা এমন নয় কিন্তু ছেলেটার মধ্যে জিনিসটা কাজ করে যে যদি কখনো গাড়ি এইদিকে আসে তবে যেন আগে আমাকে আঘাত করে। এই ব্যাপারটা ছেলেদের মধ্যে বিল্ট ইন ভাবে থাকে। সম্ভবত এই আগুনে রাখার ব্যাপারটাই রেসপন্সিবিলিটি। লোকমুখে শোনা যায় ছেলেরা নাকি আজীবনের শিশু হেরা বড় হয় না। কথাটা কিন্তু আসলেই সত্য। কারণ জীবনের প্রত্যেকটা বয়সেই ছেলেরা শিশুদের মত রূপকথায় বিশ্বাস করে। যেমন ধরুন আগামীকাল পরীক্ষা আর ছেলেটার পাহাড় সময় সিলেবাস বাকি। কিন্তু এরপরেও সে বিশ্বাস করে কোন এক দৈব বলে হয়তো সে এক রাতেই সিলেবাস শেষ করতে পারবে। মাসের 20 তারিখে বেতনের টাকা শেষ হলেও এরাভাবে প্যারা নেই। চালা
য় নিতে

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন