শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫

masum171 Amar_CPG

। আমাদের হতাশ করেন। এরকম কথাবার্তা অনেকে বলেন। কিন্তু বিষয়টা হচ্ছে গাজায় যে যুদ্ধটা গত তিন বছর ধরে চলছে দুই বছর কয় মাস? এই যুদ্ধ স্বাভাবিক কোন যুদ্ধ না। এটা স্বাভাবিক কোন আক্রমণ না। এটা স্বাভাবিক কোন পরিকল্পনার অংশ না। দেখুন এই আমরা আমাদের জীবদদশায় অথবা আমাদের স্বাভাবিকভাবে আমাদের মেধাশক্তি কম। আমরা আধুনিক যুগের ছেলেপেলে মোবাইলের যুগের ছেলেপেলে, টিকটক এর যুগের ছেলেপেলে আমাদের মেধা হচ্ছে দুই মিনিটের মানে স্মরণ শক্তি আমরা পিছনের দিকে নাই তাকালাম। যদি আমাদের এই গত চার পাঁচ বছরে দুনিয়াতে যে কয়টা


যুদ্ধ হয়েছে বা এখনো চলছে সেগুলোর সাথে এই গাজার যুদ্ধের তুলনা করি। দেখুন ইসরাইল ইসরাইল গাজা যুদ্ধ শুরুর সমসাময়িক সময়ে আরো অনেকগুলো যুদ্ধ সুদানে চলছে তারপরে হচ্ছে আফ্রিকায় কয়েকটা দেশে হচ্ছে তারপরে ইউরোপে হচ্ছে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ এরকম অনেক দেশে যুদ্ধ সংঘাত পাকিস্তান ভারত যুদ্ধ আমরা এই গাজার যুদ্ধটাকে অনেক সময় শুধুমাত্র ফিলিস্তিনিদের উপরে ইসরাইলিদের আক্রমণ হিসেবে দেখি অথবা শুধুমাত্র মুসলিম ইয়াহুদি সংঘর্ষ হিসেবে দেখি মুসলমানদের উপর আক্রমণ মুসলমানদের উপরে যদি আক্রমণ হয় পাকিস্তানেও তো মুসলমানদের উপর আক্রমণ


সেখানে কেন আমেরিকায় এসে থামাতে হবে ইউরোপে এসে থামাতে হবে এটা চলবে না এ মোদি তুমি আক্রমণ করিও না সেখানে পাকিস্তানের উপর সেখানে থামানো হচ্ছে সুদানে মুসলমানদের উপর আক্রমণ সেখানে থামানো হচ্ছে থামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে সোমালিয়াতে আফ্রিকার আরো কিছু দেশে কিন্তু এই গাজা ভূখন্ডের এটা কেউ থামাতে আসছে না হ্যা চোখের সামনে অনেককেই আমরা দেখছি যে কেউ কেউ হচ্ছে এই যুদ্ধের বিরোধিতা করেছে নিন্দা করেছে করা ভাষায় নিন্দা করেছে একেবারে ক্ষেপিয়ে তুলেছে কেউ কেউ হচ্ছে দু চারটা মিসাইল টিসাইল মেরেছে কিন্তু কার্যকরভাবে যাদের হাতে ক্ষমতা যারা


থামাতে পারে যারা থামিয়েছে বিভিন্ন জায়গার যুদ্ধ তারা এই যুদ্ধ থামানোর জন্য কোন ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি। দেখুন গাজা ভূখন্ডে মানুষ যেভাবে মারা হচ্ছে যেই পদ্ধতিতে। বিশ্বে গত অন্তত 20 বছরে এমন কোন দেশে এই পদ্ধতিতে সারা বিশ্বের চোখের সামনে এই স্টাইলে মানুষ মারা হয়নি। তো সারা বিশ্বের চোখের সামনে এই স্টাইলে মানুষ মারার পরে কেউ কার্যত কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। যেমন ধরুন ট্রাম্পের কথা কি ছিল ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে যে বিশ্বে বড় ধরনের একটা বিশ্বকে বড় ধরনের একটা পরমাণু যুদ্ধ থেকে বাঁচিয়েছেন। যেই পরমাণু যুদ্ধ হলে হাজার


হাজার মানুষ মানা যেত। তো ভারত পাকিস্তানের হাজার হাজার মানুষের জন্য তার এত টান, এত প্রেম, এত ভালোবাসা। ফিলিস্তিনে তো হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। মারা গেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছে। সেখানের প্রেম কোথায়? সেই ভালোবাসা কোথায়? ঠিক একইভাবে দেখবেন যে কোন একটা জায়গাতে কোন একটা দেশে একটা মানুষ মারা যাচ্ছে, পাঁচটা মানুষ মারা যাচ্ছে। একটা ভূমিকম্প হচ্ছে ভূমিধস হচ্ছে ব্যাপকভাবে হচ্ছে ইউরোপ পশ্চিমা বিশ্ব মুসলিম বিশ্ব সেখানে ত্রাণ ট্রাান নিয়ে তার হচ্ছে লোকজন পাঠিয়ে অবস্থা খারাপ গাজায় ত্রাণ পাঠাচ্ছে ঠিকই ত্রাণ পৌঁছতেছে না এক


দ্বিতীয় হচ্ছে যারা যেটুকু পৌঁছতেছে সেটুকু হচ্ছে এইভাবে পৌঁছতেছে যে ফিলিস্তিনিদের তো আমরা আগে হচ্ছে তাদের বাসায় বাসায় গিয়ে মারতে হতো তাহলে এখন সেটার দরকার নেই আমরা ধরি না মাঝে মাঝে যে খাব চাপিয়ে দিয়ে তারপর মুরগিকে ধরে ঠিক সেইভাবে হচ্ছে ফিলিস্তিনিদেরকে মারতেছে এবং এই যে মারা গুলো এই যে মারা হচ্ছে এটা কিন্তু সবার চোখের সামনে হচ্ছে সবার চোখের সামনে এখন এটা নিয়ে যে কথাবার্তাগুলো আসতেছে নিন্দা করতেছে এমন করতে এটুকু তো হবেই এটুকু না হলে কি হয় নাকি এখন এই যুদ্ধ কেন থামবে না? দেখুন গাজা ভূখন্ডে যেটা চলছে, যে যুদ্ধ চলছে এই


যুদ্ধ যদি সত্যি সত্যি কারো থামানোর ইচ্ছা থাকতো তাহলে তো আজকে এসে সে কেন থামাবে? সে তো আরো এক বছর আগেও থামাতে পারতো বা দেড় বছর আগে। দু বছর আগেও তো থামাতে পারতো। এই যে থামানো যুদ্ধ থামাতে হবে থামাতে হবে। এই যে বিষয়টা এটা নিয়ে তো আলোচনা গত দুই তিন বছর ধরে। যুদ্ধই যদি থামাতে হয় এই অঞ্চলে যদি যুদ্ধই না থাকে সেটার একটা এবং প্রধান এবং একমাত্র উপায় হচ্ছে ইসরাইলকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করা। ইসরাইলকে রাজনৈতিক সাপোর্ট দেয়া বন্ধ করা। ডিপ্লোমেটিক সাপোর্ট দেয়া বন্ধ করা। কেন? এটার জ্বলন্ত প্রমাণ হচ্ছে ইউক্রেনে আমেরিকা


অস্ত্র দেয়া বন্ধ করেছে। এখন ইউক্রেনের কান্নাকাটি শুরু হয়ে গেছে। আমেরিকা যদি আমাকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করে এবং এটা যদি কন্টিনিউ হয় এ বছরের শেষে গিয়ে আমি আর কোন যুদ্ধই করতে পারবো না। ইউরোপ এটা কোন ব্যাপার না। ইউক্রেন বলছে সে নিজে ব্যাপক পরিমাণে অস্ত্র তৈরি করবে। তার অস্ত্র তৈরি করার জন্য ইউরোপের অনেক দেশ অনেক কোম্পানি তার সাথে এসে মোটামুটি ব্যাপক পরিমাণে একটা হচ্ছে মানে জোট বেঁধেছে। বন্ধুত্ব করেছে কোলাকুলি করছে। আসো আমরা এককটা অস্ত্র তৈরি করি। এখন আবার কোন কোন দেশ থেকে ব্যাপক পরিমাণে সে হচ্ছে ড্রোন


ট্রোন তৈরি করবে। কিন্তু তারপরেও আমেরিকার যে সাপোর্ট সেটা ইউক্রেনে বন্ধ করে দেওয়ার কারণে ইউক্রেন বেবা জায়গা খেয়ে গেছে। ইসরাইলে বাদ দেন আপনি বন্ধ করা। ব্যাপক পরিমাণে তো দিচ্ছেই। এমনকি বর্তমান এই যে নিজেকে হচ্ছে শান্তির কবুতর। শান্তির পায়রা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া। ট্রাম্প পর্যন্ত ইউক্রেনকে বলছে ইউক্রেন তোমাকে আমি অস্ত্র দিতে পারবো না। কারণ আমার কাছে অস্ত্র কম। এই অস্ত্র আমি এখন যেটুকু আছে এটা আমার ইসরাইলকে দিতে হবে। তো সেই পরিস্থিতি ছাড়াও আরো একটা বিষয় আছে সেটা হচ্ছে যেখানে পুরো আমেরিকা না শুধু সারা বিশ্ব


বলছে যে এখানে এই মধ্যপ্রাচ্যে যা ঘটছে শুধুমাত্র এবং একমাত্র ইসরাইলের ঘারতারামিক গোয়ারতমি এবং তার সেই গ্রেটার ইসরাইল রাষ্ট্র গঠনের জন্য ঘটছে। যদিও এই গ্রেটার ইসরাইল শুধুমাত্র ইসরাইলের নিজের না ইসরাইল অলরেডি এটার জন্য আমেরিকার মধ্যে ব্যাপক পরিমাণে তার পক্ষে কথা বলার লোক তৈরি করেছে তৈরি হয়েছে কথা বলছে কথা বলেছে এবং বলবে তো এই যে মধ্যপ্রাচ্যে বড় সমস্যা সেটার কারণ হচ্ছে এটা এটার কারণেই ইরানের উপরে এত আক্রমণ এটার কারণেই লেবাননের উপরে এটার কারণেই সিরিয়ার উপরে এটার কারণেই ইরাকের উপরে এটার কারণেই ইয়েমেনের উপরে এবং এটার


কারণেই আরো সব মুসলিম দেশগুলোর উপরে এখন এই গ্রেটার ইসরাইলের বিরুদ্ধে কে দাঁড়াচ্ছে? হ্যাঁ দাঁড়াচ্ছে। এই সমস্ত দেশের ছোট ছোট কিছু গ্রুপ দাঁড়াচ্ছে যে না আমার দেশকে আমি ভাঙতে দেব না। কিন্তু যেই সমস্ত গ্রুপ দাঁড়াচ্ছে তারাই দেখা গেল যে ওই দেশে আসলে এই দাঁড়ানোর মাধ্যমেই সে ওই দেশের মধ্যে একটা ভাঙ্গন তৈরি করছে। যদিও তার ইচ্ছা সেটা না যে আমি ভাঙ্গন তৈরি করব। এটা তার ইচ্ছা না। কিন্তু হয়ে যাচ্ছে। তো এর বাইরে কে দাঁড়াচ্ছে কেউ না। দেখুন একদিকে ইরানের সাথে যুদ্ধবিরোতির কথা চলছে তাই না? অন্যদিকে আমেরিকায় তার সিনেটরদের মধ্যে একটা বড়


অংশ তার কংগ্রেসের একটা অংশ আমেরিকার রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দিয়েছে যে এই ট্রাম্প আমরা ইরানের ওই পরমাণু কেন্দ্র পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করার জন্য যে বিমান এবং যে অস্ত্র ব্যবহার করেছি যেটা বিশ্বে আর কারো কাছে নাই অত নিচে গিয়ে আক্রমণ করে ধ্বংস ংশ করার বা ওখানে গিয়ে তারপরে বিস্ফোরণ ঘটানোর যে মিসাইল সেটা আর কারো কাছে নাই। এটা শুধুমাত্র আমেরিকার কাছে ছিল এবং ইজরাইল যখন চেয়েছে তখন তুমি জাস্ট লোক দেখানোর জন্য পাঠিয়ে কিছু লোক কিছু জায়গায় আক্রমণ করেছো। এটা এখন আর করার দরকার নাই। তুমি বরং সরাসরি এই জিনিসগুলো ইসরাইলকে দিয়ে দাও।


মানে এখানে অস্ত্রবিরোতি তো দূরের কথা। যুদ্ধবিরোধি তো দূরের কথা। একটা যুদ্ধবাজ সিরিয়াস টাইপের একটা যুদ্ধবাজ রাষ্ট্রকে সবচাইতে ডেঞ্জারাস অস্ত্রগুলো দেয়ার জন্য যেটা তার কাছে নাই তৈরি করতে পারছে না সেইটা দেয়ার জন্য ট্রাম্পের কাছে চিঠি দিয়েছে এবং হয়তোবা এটা পাশ হয়ে যাবে তো আপনি সেখানে কিসের যুদ্ধবিরোতির কথা বলছে আবার ধরুন এই অঞ্চলে যুদ্ধ হবে না যুদ্ধবিরোতির দিকে যাবে ট্রাম্প তো এটাই বলছে যে আমি হচ্ছে শান্তির পায়রা সেখানে কেন ব্যাপক পরিমাণে অস্ত্র পাঠাচ্ছে শুধুমাত্র ইসরাইলে না আশেপাশে যতগুলো আমেরিকার দ্বীপটিপ যা আছে সেগুলোতে সে


যুদ্ধজাহাজ বিমান বাহির রণতরী লেটেস্ট টেকনোলজির বিমান এইটা সেটা পাঠাচ্ছে হ্যাঁ মাঝে মাঝে খবর হচ্ছে আমেরিকার কিছু পত্রপত্রিকায় যে আমেরিকার অস্ত্র তেমন বেশি নাই অস্ত্র তৈরি হচ্ছে না যতটুকু তৈরি করতেছে তাতে হচ্ছে না এবং সে সবার কাছে অস্ত্র বিক্রি করবে না। কিন্তু ইসরাইলের ক্ষেত্রে কোন কথা নাই। দেখুন আমেরিকা ইসরাইলকে অস্ত্র দিচ্ছে। ডিপ্লোম্যাটিক সাপোর্ট দিচ্ছে। সামরিক সাপোর্টও দিচ্ছে। শুধু তাই না গাজা ভূখন্ডে এই যে মানুষ মারছে, ত্রাণ নিতে আসা মানুষ যে মারছে এটা শুধু ইসরাইল মারছে না। আমেরিকার কন্ট্রাক্টররা


কন্ট্রাক্টর কি জিনিস? খবরে আসছে আমেরিকার কন্ট্রাক্টররা গাজায় ফিলিস্তিনি মানুষ মারছে গুলি করে মারছে যারা ত্রাণ নিতে আসছে তাও আবার কি একজনে মারছে আরেকজনে আবার দূর থেকে বলছে আরে ব্যাটা পারলো না মাথাটা মারতে পারল না পল যে বুকে এটা হইলো নাকি মাথায় মারতে হবে এরা কিন্তু কন্ট্রাক্টর কিসের কন্ট্রাক্টর কির কন্ট্রাক্টর কি কন্ট্রাক্টর খবর আসছে কন্ট্রাক্টর আমি বলি ভাড়াটে আমেরিকার ভাড়াটে মানে ভাড়াটে বলতে হচ্ছে মার্চেন্ডারিজ বলে তো ভাড়াটে সৈন্য আমেরিকা থেকে ইসরাইল টাকা দিচ্ছে বা আমেরিকার কোন কোম্পানি টাকা দিচ্ছে তাদের


লোকজন এখানে এসে সিভিল ড্রেসে নিজেকে কখনো কন্ট্রাক্টর নিজেকে কখনো ত্রাণকর্মী নিজেকে কখনো বিভিন্ন টাইপের জিনিস দেখে ফিলিস্তিনিদেরকে মারছে ইসরাইল একা হচ্ছে না তারপরে শুধু ফিলিস্তিনিদের ইরানে একই জিনিস এবং এখন আমেরিকার উপরে ইসরাইল চাপ দিচ্ছে যে আমি লেবাননকে যেভাবে একটা ভঙ্গুর রাষ্ট্র করে লেবাননের আকাশকে পুরোপুরি একটা হচ্ছে আমার নিয়ন্ত্রণ। লেবাননের আকাশ এখন কার নিয়ন্ত্রণ? ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণ। ইসরাইল যদি বলে যে লেবাননের আকাশে এই বিমানটা ঢুকবে না। সেই বিমান ঢুকবে না। কারণ কি? কারণ হচ্ছে লেবাননের আকাশে তার আকাশকে


নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার নাই। এবং ইসরাইলের যুদ্ধবিমান ইসরাইলের ড্রোন ইসরাইলের যা ইচ্ছা তাই লেবাননের আকাশে ইচ্ছামত ঘুরতে পারে এবং সেটা লেবানন বসে বসে এরকম দেখবে আকাশের দিকে তাকিয়ে যে এগুলো ঘুরছে উড়ছে কিছু করতে পারবে না। ইরানের এখন কিছু এয়ার ডিফেন্স আছে যেটার কারণে মোটামুটি হচ্ছে মনে করা হয় যে পুরোপুরি স্বাধীনভাবে উড়তে পারবে না। কিন্তু ইসরাইলের কথা হচ্ছে আমি উড়তে পারি। এখন ইসরাইল আমেরিকাকে বলছে যে আমি লেবানন স্টাইলে ইরান চাই। মানে আমেরিকাকে বলছে এই আমেরিকা তুমি লেবাননকে আমাকে যেভাবে দিয়ে দিয়েছো এখন


সিরিয়াকে যেভাবে দিয়ে দিবা সেইভাবে আমি ইরানকেও চাই তুমি আমাকে দিয়ে দাও কি ইরানের আকাশ থাকবে আমার নিয়ন্ত্রণে আমি যখন ইচ্ছায় ইরানের আকাশে বিমান ওড়াবো যখন ইচ্ছা ইরানের আকাশে ড্রোন ওড়াবো যখন ইচ্ছা ইরানের যে জায়গায় ইচ্ছা আমি আক্রমণ করব ইরানের মধ্যে আমার কথায় চলবে এরকম ইসরাইলপন্থী কয়েকটা গ্রুপ বের হবে তারপরে তারা অন্য গ্রুপদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। এরকম ভাবে একটা ইরানকে ভেঙে ছুড়ে একটা ই করব। এখন এই খবরগুলো আসার পরে দেখবেন যে বড় বড় গলায় অনেকে বলবে না এটা সঠিক না। ওটা সঠিক না। এটা হচ্ছে না ওটা হচ্ছে না।


আমেরিকা থেকে। কিন্তু দেখবেন যে তলে তলে তারা এটার আজকে যেটা বলতেছে সেটা হয়তোবা পাঁচ বছর পরে সেই দিকে তারা যাবে যেতে চাইবে। তো এই যে কাজগুলো এই যে পরিকল্পনাগুলো এই পরিকল্পনাগুলোর বিরুদ্ধে কোন একটা দেশ পশ্চিমা দেশ দাঁড়াচ্ছে দাঁড়াচ্ছে না কেউ দাঁড়াচ্ছে না দুই একটা দেশের কিছু রাজনীতিবিদ কথা বলছে ইউরোপের কিছু দেশের রাজনীতিবিদরা কথা বলছে যারা যাদের আসলে এই ডিসিশন মেকিং এ কোন বড় ধরনের পদক্ষেপ নাই শুধু ইউরোপের কথা কেন সৌদি আরব আরব দেশগুলো মুসলিম দেশগুলো তুরস্ক ইরানে যখন আক্রমণ হয় তখন সেই আক্রমণের সময়ে ইসরাইলকে


সব ধরনের তথ্য সরবরাহ করে সৌদি আরবে। এই খবর শুনে আপনি কি করবেন? সেই ইরা সেই সৌদি আরবের সাথে ইরান গতকালকে বলছে যে আমরা সৌদির সাথে সম্পর্ক ভালো করতে চাই। ইসরাইলের পত্রিকা খবর বের করছে যে সৌদি আরব আমাদের কাছে এই তথ্য দিছে। এখানে অবশ্য একটা বিষয় আছে এরকমও হতে পারে যে ইসরাইলের পত্রিকা আসলে ইরান গতকালকে যেটা বলছে যে আমি সৌদির সাথে সম্পর্ক ভালো করতে চাই সেটার বিরুদ্ধে হয়তো এটা প্রচার করতে পারে। কিন্তু সৌদি আরব এরকম কাজ যে করতে পারে সেটার কিন্তু অনেক ভুরি ভুরি প্রমাণ আছে। ইরানে আক্রমণ হচ্ছে। ইসরাইলের বিমানগুলোকে


তথ্য দেয়া, রাডার দেয়া, রাডার থেকে তথ্য দেয়া। তারপরে হচ্ছে সেখানে কি বলে নিরাপত্তা দেয়া এবং ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গার তথ্য দেয়া। এখন প্রশ্ন করতে পারেন ভাই এটার জন্য সৌদি আরবের তো দরকার নাই। ইসরাইল নিজেই জানে এবং ইসরাইলের ইরানের মধ্যে যে পরিমাণ গোয়েন্দা যে পরিমাণ শত শত হাজার হাজার। তাদের তো আর সৌদি আরবের দরকার নাই। ওদিকে আমেরিকা তো তার সবকিছু নিয়েই আছে। আমেরিকার যে গোয়েন্দা বিমান বড় টাইপের গোয়েন্দা বিমান। যেই গোয়েন্দা বিমান ধরুন পুরো যুদ্ধ বিমানগুলোকে কন্ট্রোল করে গোয়েন্দা বিমান বড় একটা গোয়েন্দা বিমান


আকাশে উড়ে যেটাকে আপনি বলতে পারেন যে যুদ্ধ পরিচালনার হেডকোয়ার্টার সেই যুদ্ধ পরিচালনার হেডকোয়ার্টার নিয়ে সে আকাশে থাকে বিভিন্ন যুদ্ধবিমানকে বলে যে তুমি এই লোকেশনে যাও এখানে যাও এটা করো এটা করো এভাবে করো ওভাবে করো মানে সে সেখান থেকে সবকিছু নিয়ে তো সেটা ইরানের আকাশে তারপরে তো আর কারো দরকার নাই কিন্তু তারপরেও এই যে বিষয়গুলো এগুলো তো সিম্পল কোন বিষয় না সিম্পল কোন বিষয় না এখানে এখানে বড় প্ল্যানের অংশ হিসেবে এই জিনিসগুলো চলছে এবং এই প্ল্যানে সবাই সবাই এই প্ল্যানের মোটামুটি একটা সাপোর্টার যে ঠিক আছে এই প্লানে আমরা মোটামুটি


স্বাক্ষর করে নিলাম না আমরা এটাতে একমত হ্যা এই প্ল্যান কতদিনে বাস্তবায়ন হবে ছয় মাসে হতে পারে দুই বছর হতে পারে পাঁচ বছর হতে পারে প্লানটা কি ইসরাইলের জন্য হুমকি হবে এরকম দেশে কোন দেশ এখানে থাকবে না এবং যারা থাকবে যারা শক্তিশালী হতে চাবে যারা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে চাইবে যারা রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে চাইবে তাদের ইসরাইলের কাছে মাথা নত করে বায়াত গ্রহণ করে তারপরে চলতে হবে এবং ইসরাইলের এই যে সম্প্রসারণ নীতি এই সম্প্রসারণ নীতিতে যত মানুষ মারা যাক সেটা জায়েজ। শুধু জায়েজ না সেটা হচ্ছে ফরজ। এই ফরজ কাজের বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়াবে না।


এভেঞ্জেলিকরা, খ্রিস্টানরা, ইয়াহুদিরা, জায়নবাদীরা, জায়নবাদী মুসলিমরা এটার বিরুদ্ধে আমাদের ধারানোর কোন দরকার নেই। এবং ওই মৃত্যুটা আপনি যখন দেখবেন হোক সেটা সাধারণ মানুষ, হোক সেটা শিশু, হোক সেটা মানে মৃত্যুর সজ্যায় ছটফট করা একটা নিষ্পাপ মানুষ। সেটা দেখে তারা উল্লাস করবে। কষ্ট তো দূরের কথা তারা উল্লাস করবে এবং এই উল্লাস যেন বহুদিন ধরে চলে সেটারও ব্যবস্থা করবে। না হয় একজন নারী হিসেবে একটা মানুষ কিভাবে বলে যে গাঁজা ভূখন্ডে যে পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞ চলেছে এবং এই ধ্বংসযজ্ঞের নিচে এই যে ধ্বংসের স্তুপ এটার নিচে যে পরিমাণ


মানুষ মারা গেছে চাপা পড়ে সেটা দেখে আমি গর্বিত এবং আমি মনে করি আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আগামী 100 বছর ধরে এটা নিয়ে গর্ব করবে একজন নারী এটা কোন ভিত্তিতে কিসের ভিত্তিতে কোন ব্রেন থেকে কোন চিন্তা থেকে বলে এবং একজন নারী না আপনি দেখবেন এটাকে আস্তে আস্তে জেনারালাইজ করবে। এটাকে আস্তে আস্তে হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে যে হ্যাঁ এটাই তো বাস্তব। এটা হতেই পারে। এরকম একটা লেভেলে নিয়ে যাবে। এখন এটার ফিউচার কি? যদি এই প্রশ্ন আসে। ফিউচার হচ্ছে এই অঞ্চলে বড় মানের একটা যুদ্ধ। এবং সেই যুদ্ধটা শুধুমাত্র যে হচ্ছে কোন একটা রাষ্ট্র


নিজেকে বাঁচানোর জন্য কোন একটা দেশ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য সেরকম না। সেই যুদ্ধটা এখানে বড় মানের একটা ধর্মযুদ্ধ। যদিও এখন আসলে যেটা চলছে এটা একটা ধর্মযুদ্ধ। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মুসলিম দেশগুলো এটাকে ধর্মযুদ্ধ হিসেবে মানছে না। যারা অন্যপক্ষে আছে তারা কিন্তু তাদের কথাবার্তা আলোচনা, বক্তব্য, বক্তৃতা, ইন্টার্নাল আলোচনা, এক্সটার্নাল আলোচনা, ওপেন ডিসকাশন সবকিছুতে তারা কিন্তু মোটামুটি এটা স্পষ্ট করছে যে তারা একটা ধর্মযুদ্ধ চালাচ্ছে। যেমন তারা বলছে যে বাইবেলে আছে ইসরাইলকে রক্ষা করতে হবে। তারপরে হচ্ছে ইসরাইলকে রক্ষা করলে


গড তাকে রক্ষা করবে। ইসরাইলের প্রতি ভালোবাসা দিলে ঈশ্বর তাকে ভালোবাসবে। এই ধরনের যে ব্যাপক প্রচার এই প্রচার কিন্তু মানে একজন রাজনীতিবিদ এসে সামনে বলছে এবং সে সেটাকে গর্বের সাথে বলছে সে সেটাকে মানে এত স্ট্রেস দিয়ে বলছে যে আপনি যদি তাকে প্রশ্ন করেনও তাকে যদি মানে বারবার প্রশ্ন করেন হয় না যে ভুলে একটা বলে ফেললাম। আচ্ছা প্রশ্ন দ্বিতীয়বার করছে আচ্ছা ঠিক আছে ভাই এটা আসলে এইভাবে না সেরকম না সে সেটার উপরে স্ট্রেস দিয়ে বলছে যে হ্যাঁ এটাই তো একজন রাজনীতিবিদ দু চারজন লোক টেলিভিশনের সামনে এসে যেভাবে বলছে তার


মানে হচ্ছে যে এটা ব্যাপকভাবে এটা শিখানো হচ্ছে জেনারেশনের পর জেনারেশন লোক তৈরি করা হচ্ছে এটার জন্য যে তুমি যদি বেঁচে থাকো তোমার দায়িত্ব হচ্ছে ইসরাইল রাষ্ট্রটাকে রক্ষা করা এবং এটার মাধ্যমে তুমি দুনিয়া এবং আখেরাত উভয় পাবা তো তারা সেই কাজ করছে। কিন্তু এপক্ষের এপক্ষের শুধুমাত্র ফিলিস্তিনে যারা আছে তারা বলছে যে আমরা যেটা করছি সেটা হচ্ছে আমাদের দিক থেকে ধর্মযুদ্ধ। কিন্তু এর বাইরে যারা আছে এদের কথা হচ্ছে ঠিক আছে। ওটা হচ্ছে ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধ। ইসরাইল গাজা যুদ্ধ। সেখানে সাধারণ মানুষ মারা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ মারা যাচ্ছে। আমরা


এদিক থেকে এটাকে দেখছি। এটার বিরুদ্ধে আছি। এত বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠী আমরা বলি মুসলিম দেশ আমরা মাঝে মাঝে বলি মুসলিম বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছেন আমিও মাঝে মাঝে বলি মুসলিম বিশ্ব কিন্তু মুসলিম বিশ্ব কোথায় তো এই যে পরিস্থিতি এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একটাই উপায় সেটা হচ্ছে এই উপায়টা হচ্ছে যে আপনার এখানে যেইদিন মুসলিম বিশ্ব মনে করবে যে এটা হচ্ছে একটা ধর্মযুদ্ধ এটার দায় দায়িত্ব শুধুমাত্র ফিলিস্তিনিদের জন্য উপরে না সবার উপরে এবং সবার এটার জন্য এটার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে সেইদিন দেখবেন যে এখানে একটা বড় ধরনের যুদ্ধ বাধবে এবং সেই যুদ্ধের পরে


এটার সমাধান হবে্যা এখন সেই যুদ্ধের জন্য কে কতটুকু প্রস্তুত তারা প্রস্তুত ব্যাপকভাবে প্রস্তুত তারা তাদের কোম্পানিগুলো নিয়ে প্রস্তুত খাবার ডেলিভারি কোম্পানি থেকে শুরু করেন কোম্পানি আপনার সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানি ইন্টারনেট স্টারলিংক ইন্টারনেট ওয়েব এআই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তারপরে হচ্ছে স্যাটেলাইট ভিত্তিক যত প্রযুক্তি আছে এরপরে হচ্ছে অর্থনৈতিক যত মেকানিজম আছে তারা সবকিছু নিয়ে প্রস্তুত তারা আপনার ব্রেনগুলো কিনে নিয়ে সেগুলোকে তার খাঁচার মধ্যে রেখে সেগুলোকে ব্যবহার করছে সেই দিক দিয়েও প্রস্তুত আপনি কোন দিক দিয়ে প্রস্তুত


বক্তব্যে আমরা আছি যথেষ্ট পরিমাণে প্রস্তুত জজবা আমাদের ইয়াজ আছে কিন্তু কি আছে আপনার হাতে আপনার চাকরিটা পর্যন্ত আপনার হাতে না এবং সেটা হারানোর ভয়ে আমরা অনেক কিছু করতে পারি তো এজন্য বললাম যে শুরুতে যে প্রশ্নটা করলাম গাজায় যুদ্ধবিরোতি কেন সম্ভব না? একটা যুদ্ধবিরোধী যুদ্ধবিরোতি টাইপের কিছু একটা জিনিস হবে। কিছুদিনের জন্য এটা চলবে। কেউ কেউ এটা নিয়ে হচ্ছে নোবেল পুরস্কার পাবে। কোন কোন দেশ এটা নিয়ে যথেষ্ট পরিমাণে নিজেকে প্রচারপসার ঘটাবে যে আমি এটার পিছনে কাজ করেছি। কাতার বলবে আমি কাজ করেছি। তুরস্ক বলবে আমি কাজ করেছি। ইরান


বলবে আমি এটার জন্য জিহাদ করেছি। তারপরে ওই আখেরে গিয়ে আবারও এই জিনিস সেই জায়গায় চলবে। এই ত্রাণ কর্মীরা এসে এই কনস্ট্রাকশন কর্মীরা এসে এই আমেরিকার বিভিন্ন ধরনের কোম্পানির যে সমস্ত হচ্ছে ভাড়াটে লোকজন আছে তারা এসে ইসরাইলের সেনাবাহিনী এসে ফিলিস্তিনিদের মারবে। শুধু ফিলিস্তিনিদের না এর আশেপাশে যারা আছে আগামীকালকে যদি এই যুদ্ধ বন্ধ হয় পরশুদিন দেখবেন যে এটা চলছে কোথাও না কোথাও চলছে। এবং এটার বিরুদ্ধে যে কেউ দাঁড়াচ্ছে কেউ না কেউ দাঁড়াচ্ছে না। অনেকের দাঁড়ানোর ক্ষমতা নেই। অনেকের দাঁড়ানোর ইচ্ছা নেই। অনেকে আবার দাঁড়ানোর মত করে দেখে


দাঁড়াচ্ছে না। আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেন যে ভাই আপনি প্রত্যেকদিন বলেন না কেন? প্রত্যেকদিন লাইভে আসেন না কেন? আমি অনেক সময় লাইভে এসে ছয় মাসে যা বলা সেটা একদিনে বলে দেই। যে কারণে আসলে মাঝে মাঝে মনে হয় যে এক কথা আর কতবার বলব বারবার কি বলব অনেক সময় এরকম হয় যে আগামী ছয় মাস বসে যেই কথাগুলো বলব আমরা সেগুলো তো একদিনে বলে দি প্রত্যেকদিন এটা হচ্ছে ওটা হচ্ছে ব্রেকিং আসতেছে কিন্তু ঘটনা তো ওই জায়গায় ঘটনা আপনি যদি হচ্ছে বৃহৎ পরিসরে দেখেন দেখবেন এইভাবে এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অনেকের সাথে আমার কথা হয়েছে অনেকের সাথে ক্লাস


হয়েছে অনেকের সাথে হচ্ছে তর্ক হয়েছে অনেকে তাদের মত করে বলেছে যে হচ্ছে এটা এরকম ওইটা ওরকম ওইটা ওরকম আপনি এইটাকে এইভাবে দেখছেন ওরাওরকম ভাবে দেখছি আমি এইভাবে দেখছি দেখতে পারেন ভাই দেখতে পারেন কোন সমস্যা নেই কিন্তু ঘটনাগুলো যেভাবে ঘটছে যেভাবে যাচ্ছে তাতে খুব সহজে এটা শেষ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই এবং এটা শেষ হওয়ার জন্য যেটা দরকার সেটা হচ্ছে কোন একটা দেশের আমি এটা বিশ্বাসই করি এটা আমার কাছে মনেই হয় না যে পুরো মুসলিম বিষয়ে এক হয় একটা এটা সম্ভব না এটা হয় নাই কখনো কোন একটা দেশ মোটামুটি লেভেলের শক্তিশালী হয়ে ব্যাপক


পরিমাণে সাহস নিয়ে তাও বলবে যে আমি ঝাপায় পড়লাম তোমরা যদি থাকো আসো তখন দেখবে যে পাঁচ সাতটা দেশ এমনিতেই দৌড়ে আসবে আর পাঁচ সাতটা দেশ আসলে হবে বেশি লাগে না সেই দেশটা কে সেই দে

শটা কে হবে সেই নেতাটা কে হবে এটাই হচ্ছে দেখার বিষয় আজ তাহলে শেষ করছি।

কোন মন্তব্য নেই:

চলার পথে আমার গল্প..masum171

  ভাইয়া, আমি যাকে ভালোবাসি, তার পরিবার অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। আমি ওকে ছাড়া বাঁচবো না। —   ঠিক আছে। আগে বলো, কিসে পড়ো তুমি? — এ...