শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫

Parts of southern Israel have been targeted by Iran as the conflict enters its eighth day

 Parts of southern Israel have been targeted by Iran as the conflict enters its eighth day. What you're seeing here is the latest



pictures. Sirens have been sur sounding in Burshiba and surrounding towns. Now the Israeli army says an interceptor missile was launched in response and there's also been heavy damage to an apartment building. Onor Alder joins us live now from Aman and she's reporting from there because the Israeli government has banned Alazer from reporting inside of Israel and occupied territories. Uh nor uh we're

seeing obviously these latest pictures. What more do we know though on the impact and the damage? Well, there hasn't been an official Israeli military statement yet, except for the comment to Israeli media that there seems to have been a malfunction in the inter interception system which led to the direct impact of that one missile we saw in Beer Shiva. There was extensive damage to u many buildings. Israelis posted on social media, damage to their windows and furniture. Uh five people were lightly injured, 30 uh were

reported to have been treated for panic. Uh but we don't know if this was a if Iran had launched one lone missile or or several and that others were intercepted. We're still waiting to hear uh or see an official statement from the Israeli army on that. But certainly this area, which is less densely populated than central uh Israel, seems to be in the crosshairs. We saw a significant uh volley yesterday uh around the same time uh that left a lot of damage in Soroka Hospital, the major hospital that serves

southern Israel serves a million people in that area. Right now only light injuries and that one impact that uh whose pictures have been cleared by the Israeli military sensor. Uh and Noralda um have we heard anything from the Israeli leadership? the uh Israeli forces on this latest attack, but also on the fact that President Donald Trump has said that he'll give himself two more weeks to decide whether he'll be involved in this conflict or not. Well, nothing on this attack, which as I said, we're still trying to figure out

if the if Iran had launched only one missile or several, but certainly on the comments made by D



onald Trump, and as we know, he's prolific. So, it's difficult to react to everything he says. The Israeli leadership is very careful uh not to upset him, not to seem to be in disagreement with him. So usually the line is we trust Donald Trump. He is the best friend that Israel has ever had. We thank Donald Trump for the military support that he gives Israel, the arament and the defense and the uh and

the assistance and interception. The Israeli prime minister yesterday said that even if Donald Trump decides not to engage actively in the Israeli uh uh bombardment of Iran, uh Israel would proceed on its own. It would continue to in his words uh defend itself. So there there is that caution to make sure not to upset him. While all the time commentary is is quite clear, Israel is working through back channels, through friends in the Republican party to pressure the administration as much as it can to move in that direction. We

even saw some uh posters and sign come up in Tel Aviv and other areas uh pleading with Donald Trump to give the order. Okay, thank you very much for the update on latest in Israel. 

ইরানের কৌশল: পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে ইসরাইলকে দুর্বল করা

 ইসরাইল এবং ইরানের যে যুদ্ধ সেটা এখন বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে ছড়িয়ে পড়েছে ডিপ্লোম্যাটিক ওয়েতে প্রায় সব দেশ এখন এটা নিয়েই আলোচনা করছে দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা থেকে শুরু করে দেশের টপ ডিপ্লোম্যাট অর্থাৎ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্যান্য কুটকৌশলীরাও চিন্তা করছে এই যুদ্ধে কার কতটুকু ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। যদি এই যুদ্ধ পুরোপুরি একটা পরমাণু যুদ্ধে রূপ নেয় তাহলে সেটা বিশ্ব গত 80 বছরে যে লেভেলে এসেছিল সেটা থেকে পুরোপুরি নতুন একটা রূপে চলে যাবে। পরমাণু যুদ্ধ বলতে এখানে এখন একটাই মাত্র অপশন দেখা যাচ্ছে সেটা হচ্ছে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় আমেরিকার পরমাণু হামলা চালানো। ইরানের ফরদো পরমাণু স্থাপনায় যেই সমস্ত হিসাব নিকাশ করা হচ্ছে আমেরিকার যে 80 মিটার গভীরে ঢুকে যেই বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে সেটাও যথেষ্ট হবে না মনে করা হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে শুধুমাত্র আমেরিকার ট্যাক্টিক্যাল পরমাণু বোমাই ধ্বংস করতে পারে সেই পরমাণু কেন্দ্রকে। কিন্তু সেটা যদি এই পরমাণু আঘাত করা হয় এবং সেখানে যদি ধ্বংসযজ্ঞ ছড়িয়ে পড়ে তাহলে শুধুমাত্র ইরান না ইরানের সাথে সাথে এই

অঞ্চলে এটার যে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়বে সেটার নেতিবাচক প্রভাব এবং এর দীর্ঘমেয়াদে সারা বিশ্বে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের যে একটা দরজা ওপেন হবে এবং সেই দরজা দিয়ে সবাই যে প্রতিযোগিতা শুরু করবে সেটা থেকে হয়তোবা পরবর্তীতে বিশ্বকে আটকাতে পারবে না। এটা নিয়েই মূলত ট্রাম্প এখন দোটানাতে আছে। দোদুল্যমান অবস্থায় আছে। কখনো বলছে আমি সিদ্ধান্ত নেব। কখনো বলছে ইসরাইল ইরানকে একেবারে নিষ্ক্রিয় করবে। পরমাণু নিষ্ক্রিয় করবে। কখনো বলছে আমেরিকা মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবে। শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প বলছে আমি দুই সপ্তাহ

অপেক্ষা করতে চাই। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে যে এখানে দুই সপ্তাহ অপেক্ষা আমেরিকা কেন করতে চায়? এর পেছনে আমেরিকার স্বার্থ কি? ইসরাইলের স্বার্থ কি? ইসরাইল তো চাইছে যত দ্রুত সম্ভব আমেরিকাকে এই যুদ্ধে জড়াতে। কারণ ইসরাইলের গত দুই দিনের আক্রমণের যে তীব্রতার খবর পাওয়া গেছে ইরানে সেটা কিন্তু শুরুর দিকের যে তীব্রতা ছিল সেটা থেকে অনেকটাই কম। এমনকি ইরানের আক্রমণের তীব্রতা গত দুই দিনে বিশেষ করে গতকাল এবং আজ রাতে যেভাবে বেড়েছে সেটার বিরুদ্ধে ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শুরুর দিকে যতটা কার্যকর ছিল এখন

ততটা কার্যকর না। সুতরাং এগুলো যদি চিন্তা করা হয়, হিসাব করা হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যায় যে ইসরাইল চাইছে যেকোনভাবেই হোক আমেরিকাকে এই যুদ্ধে জড়াতে। কিন্তু সবচেয়ে বড় খবর হচ্ছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন যে আমেরিকা তাদের সাথে যোগাযোগ করছে। যোগাযোগ করে তাদের কাছে ধরণা ধরছে যে এই যুদ্ধ বন্ধের একটা আলোচনায় বসো। কিছুদিন আগে আমরা কি শুনেছি? ট্রাম্প বলছে যে ইরান হোয়াইট হাউসে গিয়েছে এবং ধরণা ধরেছে আমেরিকার কাছে। ইরান কিন্তু সেটাকে নাকচ করেছে। ইরান বলছে এই যুদ্ধ চলাকালীন সে কারো সাথে এ নিয়ে আলোচনায় বসতে চাইছে

না। আলোচনায় বসবে না। এর কারণ হচ্ছে এই যুদ্ধ বন্ধ না হলে এই আলোচনা আলোচনা খেলায় সে নামবে না। সে পাল্টা আক্রমণ করবে এবং সেটা করছে। আজকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছে যে আমেরিকা ইরানের সাথে যোগাযোগ করছে একটা আলোচনার জন্য এবং যে জিনিসটি একেবারে বাস্তব সেটা হচ্ছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে পশ্চিমা বিশ্বের অর্থাৎ ইউরোপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হচ্ছে। সেই বৈঠকে ইউরোপের বাঘা বাঘা দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আসছে এবং তাদের বক্তব্য তাদের ধারণা, তাদের আশা, তাদের প্রত্যাশা হচ্ছে যে ইরানের সাথে একটা রফা

দফা যেন হয়। একটা আলোচনা এবং বৈঠক যেন হয়। কিন্তু ইরান সেখানে একটা শর্ত দিয়েছে। শর্তটা হচ্ছে যে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু ইরানের যে ব্যালিস্টিক মিসাইল, হাইপারসোনিক মিসাইল এই সমস্ত যে মিসাইল প্রকল্প আছে সেগুলো নিয়ে কোন ধরনের আলোচনা ইরান করবে না। সুতরাং এর দ্বারা বোঝা যায় যে ইরানের মিসাইল ক্ষমতা ইরান ইসরাইলের বিরুদ্ধে দেখাচ্ছে এবং ইরান মনে করছে সেক্ষেত্রে সে যথেষ্ট পরিমাণে এখনো পর্যন্ত সফল। ইরান আরেকটা কাজ করছে যেই কাজটা এখন এই মুহূর্তে পুরো পশ্চিমা বিশ্বের জন্য মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে সেটা হচ্ছে

পুরো ইরান জুড়ে ব্যাপক পরিমাণে মানুষ রাস্তায় নেমে ইরানের বর্তমান সরকারের পক্ষে বিক্ষোপ করছে। এটার কারণ কি? কারণ হচ্ছে ইসরাইল পুরো পশ্চিমা বিশ্বকে দুটো জিনিস খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। একটা হচ্ছে ইরানের পরমাণু প্রকল্প শেষ করে দেব এবং ইরানের কাছ থেকে ইসরাইলের উপরে যে একটা ব্যাপক পরিমাণে ভীতি বা ব্যাপক পরিমাণে একটা আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে এই পরমাণু প্রকল্প নিয়ে সেই আতঙ্ক থেকে ইসরাইল মুক্তি পাবে। ইসরাইল হচ্ছে প্রতিমা দশক। তারা চায় ইসরাইল মুক্তি পাবে। আরেকটা হচ্ছে ইরানে রেজিম চেঞ্জ বা সরকার চেঞ্জ। বর্তমান যে সিস্টেম আছে এই

সিস্টেমকে ইসরাইল পুরোপুরি চেঞ্জ করতে চাচ্ছে। সেটা চেঞ্জ করার জন্য আমেরিকা এবং ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন ধরনের বিরোধীদের সাথে কখনো মোসাদের মাধ্যমে কখনো সরাসরি ডিপ্লোম্যাটিক ওয়েতে যোগাযোগ করছে। কিন্তু বিরোধীদের মধ্যেও কোন ঐক্য এখনো পর্যন্ত আমেরিকা ইসরাইল পশ্চিমারা তৈরি করতে পারছে না। যদিও ইরানের সরকারের বর্তমান যে রেজিম তাদের প্রতি জনগণের আস্থা এবং ভরসা এর আগে বিভিন্ন নির্বাচনে দেখা গেছে অনেকটাই কম। কিন্তু ইসরাইল যেভাবে ইরানে আক্রমণ করে ইরানের সাধারণ মানুষের উপরে ব্যাপক পরিমাণে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে তাতে ইরানের মানুষ মনে করছে এবং

ইরানের সরকারও সেটাকে সাপোর্ট দিচ্ছে যে এই সরকার যাই হোক তাদের পক্ষে দাঁড়ানো এখন তাদের মোরাল দায়িত্ব। এজন্য ইরানের বিভিন্ন শহরে বিরোধীদের যে একটা মানে পশ্চিমা বিশ্ব থেকে যে একটা বিরোধীদের মধ্যে একটা ক্ষোভ একটা কি বলে বিক্ষোপ তৈরি করে তাদেরকে রাস্তায় নামানো সরকারের বিরুদ্ধে যে পরিকল্পনা ছিল সেটার আগেভাগেই ইরানের সরকার তার লোকদেরকে রাস্তায় নামিয়েছে এবং বহু মানুষ হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ ইরানের রাস্তায় বিক্ষোপ করছে সরকারের পক্ষে সমর্থন জানাচ্ছে সুতরাং এটা ইসরাইলের যে দুটো পরিকল্পনা দুটো পরিকল্পনাই এখনো পর্যন্ত

পর্যন্ত এখানে এসে আটকে আছে এবং আমেরিকার পশ্চিমা বিশ্ব ইসরাইলের পরিকল্পনায় তারা যে পা ফেলতে যাচ্ছে বা ফেলতে চাইছে সেখানেও এখন তাদের নতুন করে হিসাব নিকাশ করতে হবে। গত রাতেও ইরান আক্রমণ করেছে এবং সেই আক্রমণে ইসরাইলের টেকনোলজির যে এলাকাগুলো সেগুলোতে ব্যাপক পরিমাণে আক্রমণ হয়েছে। সেখানে মাইক্রোসফট এর যে প্রধান একটা অফিস সেই অফিসের পাশে আক্রমণ হয়েছে। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে মাইক্রোসফট অফিসের পাশে অন্যান্য টেকনোলজির কোম্পানিগুলোর অফিস ছিল সেগুলোতে আক্রমণ হয়েছে। ইসরাইল আবার ইরানের হাসপাতালে আক্রমণ করেছে। সবচেয়ে আরেকটা

গুরুত্বপূর্ণ খবর হয়তো এটার উপরেই একটা ভিডিও করা যায় সেটা হচ্ছে গত রাতে একটা সময়ে ইরান থেকে মাত্র একটা মিসাইল ছড়া হয়েছে বুঝেন নাই তাই না ইরান থেকে বিভিন্ন সময়ে ইসরাইলে মিসাইল নিক্ষেপ করা হয় কখনো ঝাঁকে ঝাঁকে কখনো 40 টা 50 টা মিসাইল নিক্ষেপ করা হয় কখনো আবার কম মিসাইল নিক্ষেপ করা হয় 10টা 15 টা 20 টা এগুলো নিক্ষেপ করলে ইসরাইল সেগুলোকে ঠেকানোর চেষ্টা করে। তার এয়ার ডিফেন্স দিয়ে সে ঠেকানোর চেষ্টা করে। প্রথম দিকে সে যত পরিমাণ ঠেকাতে পেরেছিল পারসেন্টেজ হিসেবে ধরুন 100 টা নিক্ষেপ করলে 80 টা ঠেকাতো 20 টা আঘাত করতো। তারপরে সেটার

পরিমাণ সেই ঠেকানোর পরিমাণটা আস্তে আস্তে কমেছে। অর্থাৎ ধরুন পরবর্তীতে 100টা অনেক কম নিক্ষেপ করছে। কিন্তু আমি পারসেন্টেজ হিসাব বলি। পরবর্তীতে দেখা গেল যে 100 টা নিক্ষেপ করলে 50 টা ঠেকাতে পেরেছে। 50 টা আঘাত করছে। এরপরে দেখা গেছে 100 টা নিক্ষেপ করলে 80 টা আঘাত করছে। 20 টা ঠেকাতে পেরেছে। এরকম একটা অবস্থায় গিয়েছে। যদিও ইরান তার মিসাইলের পরিমাণ কমিয়েছে। গত রাতে যেটা হয়েছে ইরান থেকে একসময়ে একটা মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরাইল সে নিক্ষেপটি সে মিসাইলটি ঠেকাতে পারেনি। এটাও কিন্তু একটা বড় ধরনের ইতিহাস। ইসরাইলের এই যে সামরিক শক্তির ক্ষেত্রে

এবং এই যে ঠেকাতে না পারা এবং ইসরাইলের যে পাল্টা হামলাগুলো করা সেই পাল্টা হামলার পরিমাণও কমেছে। কেন কমেছে? ইসরাইলের কি অস্ত্রশস্ত্র কমে গেছে? ইসরাইলের কি যুদ্ধবিমান সব ইরান ধ্বংস করেছে? ইসরাইলের কি মিসাইল লঞ্চার সব ইরান ধ্বংস করেছে? ইসরাইলের কি ড্রোন সব ইরান ধ্বংস করেছে? না সেটার জন্য না ইসরাইল এই যুদ্ধে অভূতপূর্ণ অপ্রত্যাশিত বেহিসেবে হিসাবের বাইরে ব্যাপক পরিমাণে অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে সেটা যদি হিসেব করা হয় ভালোভাবে এখনো যদিও হিসাব করা হয়নি তাতে প্রায় কয়েকশো বিলিয়ন হয়তোবা ট্রিলিয়নের

কাছাকাছি বা ট্রিলিয়নও ছাড়িয়ে যেতে পারে মাত্র এই ছয় দিনের যুদ্ধে কিভাবে আমি বলি শুধুমাত্র ইসরাইলের স্টক এক্সচেঞ্জে যে গত দুইদিন আগে হামলা হলো সেই হামলায় শুধুমাত্র স্টক এক্সচেঞ্জের হামলায় হিসাব করা হয়েছে ইসরাইলের ক্ষতি 480 বিলিয়ন ডলারেরর কাছাকাছি 480 বিলিয়ন ডলার ইসরাইল আমেরিকার কাছ থেকে বছরে পায় ধরা হয় যেত তিন সাড়ে তিনচার পা বিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক সাপোর্ট যেটা পায় অস্ত্রশস্ত্র পায় ইসরাইলের বিভিন্ন বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্নভাবে সাপোর্ট পায় সেটা ভিন্ন জিনিস। একদিনে স্টক এক্সচেঞ্জের ক্ষতি। এরপরে ইসরাইলের

যুদ্ধবিমানগুলো ওড়াতে ইসরাইলের যুদ্ধবিমানগুলো উড়িয়ে ইসরাইল যেভাবে এই হামলা চালাচ্ছে এবং সেই হামলার বিপরীতে আবার ইরান থেকে যে হামলাগুলো করা হচ্ছে একটু আগে হয়তো আপনারা ভিডিওতে দেখেছেন যে ইরানের একটা ড্রোন ভূপাতিত করতে ইসরয়েল তার এফ এফ6 যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে। অর্থাৎ একটা ড্রোন যেই ড্রোনটার দাম ধরুন আপনি কথার কথা 5000 ডলার। ইরানের ড্রোনের দাম আরো কম। কারণ ইরান আরো কম মূল্যের ইকুইপমেন্ট দিয়ে তার ড্রোন তৈরি করে। কারণ সেই ধরনের টেকনোলজি বা সেই ধরনের সুযোগ তার নেই। সেরকম একটা ড্রোনকে আঘাত করে মাটিতে নামাতে এফ6 যুদ্ধবিমান

ওড়াচ্ছেন। সেই যুদ্ধবিমান থেকে মিসাইল ছুড়ছেন। সেই মিসাইল এই ড্রোনকে আঘাত করছে। ড্রোন মাটিতে নামছে। কত টাকা খরচ? একটা এফ স যুদ্ধবিমান একবার ওড়াতে কি পরিমাণ খরচ হয়? ধারণা করা হয় যে ইসরাইলের এই যুদ্ধ এই যে ছয় দিন যুদ্ধ চলছে প্রত্যেকদিন এই যুদ্ধ পরিচালনা করতে শুধুমাত্র তার বিমান এবং মিসাইলের যে খরচ সেটা হচ্ছে 200 মিলিয়ন ডলারের বেশি শুধুমাত্র এটার জন্য। তো এই 200 মিলিয়ন ডলার কে যদি আপনি ছয় দিনে গুণ দেন কত আসে? তারপরে হচ্ছে ইরান যেই সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি করেছে ইসরাইলে সেটার হিসাব যদি ধরেন ইসরাইল থেকে এর বাইরে যে সমস্ত অর্থনৈতিক

ক্ষতি প্রচুর ইসরাইলিদের দেশের বাইরে চলে যাওয়া টুরিস্টদের পালিয়ে যাওয়া ইসরাইল থেকে বিভিন্ন দেশের ডিপ্লোম্যাটদের চলে যাওয়া ইসরাইলের আকাশে বিভিন্ন দেশ থেকে আকাশ সীমা দিয়ে যুদ্ধবিমান চলাচল না করা ইসরাইলের সাধারণ মানুষের জীবনে একটা স্থবের পরিস্থিতি চলে আসা। এই সবকিছু মিলিয়ে ইসরাইলের যে ক্ষতি ইসরাইল এখন নতুন করে হিসাব করছে এই ক্ষতি কমিয়ে কিভাবে ইরানের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে। কারণ এভাবে যদি সে কন্টিনিউ করে এবং এই যুদ্ধ যদি বহুদিন ধরে চলে এবং আমেরিকা ট্রাম্প যেভাবে বলছে যে আমি দুই সপ্তাহ পরে আসবো বা দুই

সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেব সে যদি দুই সপ্তাহ একেবারে শেষ দিন গিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় অর্থাৎ আরো 14 দিন যদি বা 13 দিন যদি ইসরাইলের এই স্টাইলে তার যুদ্ধ পরিচালনা করতে হয় তাহলে দেখা যাবে যে এটা কয়েক ট্রিলিয়ন হয়ে যেতে পারে এটার খরচ। সুতরাং ইরানের কৌশল গতকালকে এই কৌশলগুলো নিয়ে আলোচনা করছিলাম। ইরানের কৌশল আর ইসরাইলের কৌশলটা ছিল ভিন্ন। ইসরাইল চেয়েছে ধুমধাম আক্রমণ করে সেন্টারে আক্রমণ করে তারপরে হচ্ছে পশ্চিমাদের সাপোর্ট নিবে। সে আক্রমণে ব্যাপক সফলতা দেখাবে। ইরানের সরকার পরিবর্তনে এই হচ্ছে হচ্ছে অবস্থায়

যাবে। ইরানের মধ্য থেকে কিছু মানুষকে ফুসলিয়ে দিয়ে ইরানের বাইরে বিরোধীদেরকে সেটার সাথে যুক্ত করে সেখানে ব্যাপক পরিমাণে নাশকতা করে সাইবার আক্রমণ করে ইন্টারনেট বন্ধ করে বিরোধীদের জন্য ইন্টারনেট স্টারলিংক ওপেন করে দিয়ে একটা এমন পরিস্থিতি যে ইরান এখনই পড়ে যাচ্ছে ইসরাইল তখন আমেরিকা এবং পশ্চিমাদের সাপোর্ট পেত সেটা হয়নি হ্যা এখন বলতে পারেন যে আপনি ইসরাইলের যে হিসাব নিকাশ করলেন ইরানের হিসাব নিকাশটা তো করলেন না। ইরানের পরমাণু এবং ইরানের ড্রোন এবং মিসাইলের আক্রমণে যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সেটা অবশ্যই এবং অবশ্যই ইসরাইলের চেয়ে

কম। কারণ ইরান কোন যুদ্ধবিমান ওড়ায়নি। ইরান মিসাইল ব্যবহার করছে। ইরান পরমাণু এই ড্রোন ব্যবহার করেছে। সুতরাং এই মিসাইল আর ড্রোন ব্যবহার করা। মিসাইল ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে যেটা এসেছে যে খুব বেশি সে তার হাইপারসোনিক মিসাইল ব্যবহার করেনি এবং সে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার অনেকে যেটা বলছেন যে তার ইনভেন্টরে থাকা পুরাতন মিসাইলগুলো ব্যবহার করছে তার নিজস্ব তৈরি কালিকাজে ড্রোনগুলো ব্যবহার করছে। সুতরাং সেইদিক থেকে তার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম। আবার ইসরাইল ইরানের যে সমস্ত স্থাপনায় আক্রমণ করেছে সেটার দিক থেকে

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তার চেয়েও বড় জিনিস হচ্ছে ইরানের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে ইরানের এই যে প্রায় 15 জনের মত পরমাণু বিজ্ঞানী হত্যা করেছে ইসরাইল এবং ইরানের সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরকে সেনাপ্রধান সহ ইরানের বিপ্লবীগার্ডের প্রধান সহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরকে হত্যা করেছে ইসরাইল। এটা হচ্ছে ইরানের সবচেয়ে বড় ক্ষতি। এখন দেখুন এই ক্ষতির হিসেবে যেটা করতে হয় সেটা হচ্ছে দখলদারদের ক্ষতি কম হয়। যদি কেউ অন্য দেশে এসে আক্রমণ করে তাহলে আক্রান্ত দেশের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়। আর সেই আক্রমণ ঠেকাতে আত্মসমর্প কি

বলে আত্মপক্ষ সমর্থন করে সে আত্মরক্ষার্থে যে পাল্টা আক্রমণ করে সেটাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই কম হয়। যেমন এটাকে যদি আমরা রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের সাথেও তুলনা করি রাশিয়া ইউক্রেনের যে পরিমাণ ক্ষতি করেছে ইউক্রেন তো রাশিয়ার মধ্যে সে পরিমাণ আক্রমণ করেনি। ইউক্রেন নিজেকে এই রাশিয়ার আক্রমণ থেকে ঠেকাতে এবং রাশিয়ার ইউক্রেনের মধ্যে যে রাশিয়ার সৈন্যরা ঢুকেছে তাদের উপরে পাল্টা আক্রমণ করে রাশিয়ার ক্ষতি করেছে। সেদিক থেকে রাশিয়ার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বাভাবিকভাবে ইউক্রেনের থেকে কম। যাই হোক এবারে আসি আসল আলোচনায়। আজকে আমরা যেই

বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি যে ইরান এখন এমন একটা পর্যায়ে এসেছে যেই পর্যায় থেকে তার বাঁচার সম্ভাবনা কম। বাঁচার সম্ভাবনা বলতে ইরান বর্তমান যেই অবস্থায় আছে সেই অবস্থায় ফিরে আসার সম্ভাবনা কম। যেহেতু পশ্চিমা বিশ্ব পুরো ইউরনের ইরানের উপরে একেবারে আমেরিকার সাথে একত্র হয়ে চাপ দিয়ে ধরে রাখছে সেই ক্ষেত্রে ইরান কেন ইসরাইলের পরমাণু প্রকল্পে বা পরমাণু অস্ত্রগুলোতে আক্রমণ করে না আক্রমণ করছে না দেখুন এক্ষেত্রে আমরা অনেকগুলো কারণ সামনে নিয়ে আসতে পারি তবে আমরা মনে করি যে পাঁচটা কারণে ইরান আক্রমণ করছে না সেই

আক্রমণ সেই কারণে যাওয়ার আগে আমরা ইসরাইলের পরমাণু অস্ত্র আছে কিনা ইসরাইল এখনো পর্যন্ত হ্যাঁ না কিছু বলেনি। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক গবেষণা এবং এই পরমাণু নিয়ে যে সমস্ত সংস্থার রিপোর্ট তৈরি করে তাদের রিপোর্টে বলা হচ্ছে ইসরাইলের কাছে কমপক্ষে 100 টি পরমাণু অস্ত্র আছে। কোন কোন ক্ষেত্রে আপনারা দেখবেন যে এই 100র কাছে আসে না। কখনো 99 বলে, কখনো 96 বলে, কখনো 98 বলে, কখনো 92, কখনো 90। অর্থাৎ 90 থেকে 99 এর মাঝখানে থাকে। 100 তে আসতে চায় না। সংখ্যাটা বেশি। তিনটা সংখ্যা সেখানে পাশাপাশি বসাতে হয়। কিন্তু কেউ কেউ মনে করছেন যে

ইসরাইলের কাছে 100 না বরং 300 পরমাণু অস্ত্র আছে। 300 পরমাণু অস্ত্র আছে। এর মধ্যে কিছু কিছু হচ্ছে ট্যাকটিক্যাল পরমাণু অস্ত্র। অর্থাৎ ছোট আকারে এবং স্বল্প পরিসরে আঘাত হেনে ক্ষতি করার মত পরমাণু অস্ত্র। এগুলো আমেরিকার কাছ থেকে আনা বা আমেরিকার কাছ থেকে দেয়া। এখন এই পরমাণু অস্ত্র আনা এবং এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইসরাইল কোন ধরনের আন্তর্জাতিক যে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার আইন সেটা স্বাক্ষর করেনি এখনো পর্যন্ত। বিশ্বে বহু দেশ আছে যাদের হাতে কোন পরমাণু অস্ত্র নাই। এমনকি পরমাণু ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পও নাই। সেই সমস্ত দেশ পর্যন্ত এই

পরমাণু অস্ত্র কোনদিনও সে তৈরি করবে না ব্যবহার করবে না এই ক্ষেত্রে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু ইসরাইলের কাছে পরমাণু অস্ত্র থাকার প্রমাণ থাকার পরেও ইসরাইল পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার ক্ষেত্রে কোন সই স্বাক্ষর করেনি যাক গেল এটা এখন কেন ইরান ইসরাইলের পরমাণু অস্ত্রে আক্রমণ করছে না এক নম্বর হচ্ছে এক নম্বর হচ্ছে ইরান আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থা এবং জাতিসংঘের যে পরমাণু ব্যবহার না করার আইন সেটাই স্বাক্ষরকারী একটা দেশ। একই দিক থেকে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করা এবং পরমাণু অস্ত্রে আঘাত না করা। কারণ পরমাণু তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে যেন না পড়ে।

পরমাণু অস্ত্রের কারণে যেন গণবিধ্বংসী কোন ঘটনা না ঘটে সেটাই হচ্ছে মূলত এই পরমাণু চুক্তির মূল বিষয়। সুতরাং ইরান মনে করছে যে এই মুহূর্তে সে যদি আগে বাড়িয়ে ইসরাইলের পরমাণু প্রকল্পে আক্রমণ করে এবং সেখান থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র ইসরাইলের ইহুদিরাই না ইসরাইলের সাথে সেখানের ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের আশপাশে দেশের ব্যাপক পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। দ্বিতীয় হচ্ছে এই ধরনের একটা পরমাণু প্রকল্পে আক্রমণ হলে ইরান এখন যেভাবে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো ছাড়া কিছু দেশ ছাড়া সে এখন যেভাবে মানবতাকামী বিশ্বের

সাপোর্ট পাচ্ছে সেই সাপোর্টটা সে পাবে না আন্তর্জাতিকভাবে সে দোষী সাব্যস্ত হবে এবং আন্তর্জাতিক আদালতে তাকে দাঁড় করানো হতে পারে। আরেকটা হচ্ছে ইরান ইসরাইলের এই পরমাণু প্রকল্পে আক্রমণ করার চেয়ে এই মুহূর্তে মনে করছে ইরান যে এই পরমাণু ইসরাইলের এই পরমাণু অস্ত্রে আক্রমণ করার আগে ইরান মনে করছে ইসরাইল এই পরমাণু নিয়ে যে সমস্ত গবেষণা চালাচ্ছে যেই সমস্ত ল্যাবরেটরি আছে যেই সমস্ত সাইন্টিফিক গবেষণাগার আছে সেগুলোতে ইরান আক্রমণ চালানোটাকে আরো বেশি শ্রেয় মনে করছে এবং সেজন্য আপনারা দেখবেন যে ওয়াইজম্যান নামে একটা ইসরাইলের পরমাণু

গবেষণা কেন্দ্র সাইন্টিফিক গবেষণা কেন্দ্র যদিও তারা বলছে সেখানে আক্রমণ করেছে এবং এই ধরনের আরো অনেক জায়গায় ইরান আক্রমণ করার পরিকল্পনা করছে বিভিন্ন সময় বলছে ইরান যে এই এলাকা ছেড়ে যাও ওই এলাকা ছেড়ে যাও এই শহর ছেড়ে যাও এই শহরে আমরা আক্রমণ করব যেই শহরগুলো এই ধরনের কাজগুলো হচ্ছে। এরপরে আরেকটা জায়গা হচ্ছে যে ইরান এই মুহূর্তে ইসরাইলের যে সমস্ত জায়গায় আক্রমণ করছে যেই সমস্ত জায়গা ইসরাইলের কম নিরাপদ ইসরাইল যে সমস্ত জায়গায় তার নিরাপত্তা সিস্টেম একেবারে পুরোপুরি ব্যাপক পরিমাণে শক্তিশালী করেনি সেই সমস্ত

জায়গায় আক্রমণ করছে। স্বাভাবিকভাবেই ইসরাইলের যেখানে এই পরমাণু অস্ত্রগুলো রাখা সেখানে অবশ্যই ইসরাইল এবং আমেরিকা তার নিরাপত্তা বলয়কে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নিশ্চিত্র করার জন্য নিশ্ছি্র করার জন্য ব্যাপক পরিমাণে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সেখানে অবশ্যই রেখেছে। যে কারণে ইরান এখন আক্রমণ করলেই যে সেখানে ব্যাপক পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হবে সেটা ইরান মনে করছে না এবং সেখানে আক্রমণের আগে ইরান ইসরাইলে আরো ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে দুর্বল করে সেখানে হয়তোবা আক্রমণ করতে পারে। আরো একটা বিষয় হচ্ছে ইরানের যে গোয়েন্দা তথ্য ইরানের যে

টেকনোলজিক শক্তি ইরানের যে অস্ত্রের শক্তি সেগুলো এই পরমাণু প্রকল্প এই পরমাণু অস্ত্রগুলো পুরোপুরি খুঁজে পেতে এবং সেগুলোর এক্স্যাক্ট লোকেশন নির্ধারণ করে সেগুলো আক্রমণ করতে সক্ষম নাও হতে পারে। বুঝাতে পারলাম কিনা? অর্থাৎ ইরান এখানে গোয়েন্দা দিক থেকে এবং টেকনোলজির দিক থেকে দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর সর্বশেষ যেটা সেটা হচ্ছে ইরান এখনো চাইছে যে কোন ধরনের পরমাণুকে টাচ না করে। না ইসরাইলের না ইরানের। পরমাণুকে টাচ না করে। এই যে হামলা পাল্টা হামলা রিএকশন অ্যাকশন রিএকশন চলছে এটাকে প্রশমিত করার পথ উন্মুক্ত রাখতে চাইছে ইরান। ইরান এখনো

চাইছে যে ডিপ্লোম্যাটিক ওয়েতে এই সমস্যার সমাধান হোক এবং সেটার জন্য পথ খোলা থাকুক। পরমাণু প্রকল্পে আক্রমণ হচ্ছে একেবারে সর্বশেষ পরিস্থিতি। যে এখন আমার আর কোন পথ খোলা নাই। সুতরাং এখানে আমি আক্রমণ করি। সেটা হচ্ছে সর্বশেষ অবস্থা। এই কারণে আমরা মনে করি বা ধারণা করা হয় যে ইরান ইসরাইলের পরমাণু প্রকল্পে আক্রমণ করছে না। পাঁচটা কারণ আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। এর বাইরে যদি আপনাদের কাছে কোন তথ্য থাকে কোনভাবে আপনারা যদি শেয়ার করতে চান আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। এখানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের বিষয় নিয়ে বারবার প্রশ্ন আসছে। আমি গতকালও

বলেছি পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সাথে ট্রাম্পের যে কথা হয়েছে এটাকে দুইভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। একটা হচ্ছে ট্রাম্প পাকিস্তানকে এই ইরান ইসরাইল যুদ্ধে ইরান থেকে দূরে রাখতে চাইছে। সেটার জন্য পাকিস্তানকে কিছু প্রলোভন দিয়েছে। দ্বিতীয় হচ্ছে পাকিস্তান আমেরিকার সাথে আলোচনা করে ট্রাম্পকে ইসরাইলের এই যুদ্ধে জড়ানো থেকে দূরে রাখতে চাইছে। যে কারণে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সাথে বৈঠকের পর ট্রাম্প বলছে যে আমি দুই সপ্তাহ সময় নিচ্ছি। এটাকে আপনি দুই দিক থেকে মূল্যায়ন করতে পারেন। যদি আপনি পাকিস্তানের পক্ষে হন তাহলে দ্বিতীয় যে

মূল্যায়নটা সেটাকে সামনে নিয়ে আসতে পারেন। যে দেখো পাকিস্তানের সাথে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সাথে আলোচনার পরেই কিন্তু ট্রাম্প বলেছে যে আমি দুই দুই সপ্তাহ সময় নিচ্ছি। অর্থাৎ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কোনভাবে ট্রাম্পকে কিছু সিনারিও দিয়েছেন এবং সেই সিনারিওর ভিত্তিতে ট্রাম্প মনে করছে এই যুদ্ধে আমেরিকার জড়ানো ঠিক হবে না। আবার দ্বিতীয়টাও হতে পারে। মানে প্রথমটাও হতে পারে যে এই যুদ্ধে ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত জড়াবে ইসরাইলের সাথে। কিন্তু পাকিস্তান যেন এই যুদ্ধে না জড়ায় ইরানের সাথে। সেজন্য পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে

বিভিন্ন ধরনের সাপোর্ট দেওয়া। ইরানের ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে সাপোর্ট দেওয়া। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে অর্থনৈতিক সাপোর্ট দেওয়া এবং আফগানিস্তানে পাকিস্তানের আরো বেশি একটা তালেবানের উপরে কর্তৃত্ব নিয়ন্ত্রণ যেটা একটা সময় ছিল সেটা আবার পুনরায় ফিরে দেওয়া ফিরিয়ে দেওয়া এরকম কিছু হতে পারে আমি জানিনা যেহেতু জানিনা সেহেতু এই দুই ধরনের ইকুয়েশন আপনাদের সামনে নিয়ে আসলাম এর বাইরে পাল্টাপাল্টি হামলা পাল্টা হামলা এটা হচ্ছে সেটা হচ্ছে ইরান বলছে যে ইসরাইলের ধ্বংসের আগে সে থামবে না। ইরান বলছে যে ইসরাইল যদি এই যুদ্ধ থামায়

তাহলেই ইরান আলোচনায় বসবে। ইরান বলছে যে ইসরাইলের সেনাবাহিনীর প্রধান বা ইসরাইলের সরকার পরিবর্তনের জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। এগুলো রাজনৈতিক বক্তব্য। একপক্ষ যে বক্তব্য দেয় সেটার রিয়াকশনে অন্যপক্ষ বক্তব্য দেয়। বিশেষ করে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর প্রতিরক্ষামন্ত্রী যে উগ্র টাইপের বক্তব্য দিচ্ছে সেটা কখনোই কোন যুদ্ধে এই ধরনের বক্তব্যগুলো আসে না। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে এই পশ্চিমা বিশ্বে বিশেষ করে একসময় আমেরিকারও এরকম কয়েকজন ছিল যারা হচ্ছে এই যুদ্ধের সময়ে তার নিজের সাপোর্টে যারা আছে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ

রাখতে অনেক বড় বড় হাকডাক দেয়। এরকম হাকডাক ইসরাইল এখন ব্যাপকভাবে দিচ্ছে। ইরানও যে কম দিচ্ছে তা না ইরানও চেষ্টা করছে এবং যেগুলো বললাম যে আজকে ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল ওইটা এখন এর মধ্যে আবার সবাই কিন্তু যার যার ক্ষেত্রে এডভারটাইজমেন্টেরর কাজ করছে এমানুয়েল ম্যাক্রন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এই সুযোগে বলছে যে এই সুযোগে হচ্ছে আমার রাফায়েলের একটা প্রমোশন একটা বিজ্ঞাপন দরকার তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে টুইটার এ রাফাল ইজ কলিং মোবাইল লেখছে রাফাল ইজ কলিং এবং দেখছে যে এই ইউরোপ এই ইউরোপের বন্ধুরা তোমাদেরকে

আমার এই যুদ্ধবিমান কল দিচ্ছে তোমরা কল রিসিভ করো তোমাদের যদি বাঁচতে হয় তাহলে এখন দ্রুত আমার এই যুদ্ধবিমান তোমাদের কেনা দরকার সেখানে আবার পাকিস্তানের অনেক বলছে যে আসলে ভারত তো তোমার এই কল রিসিভ করে তারপরে হচ্ছে পাকিস্তানের কাছে এফবি টাইপের মার খেয়েছে আর কত কে রিসিভ করবে কল যাই হোক এভাবে বিভিন্ন দেশ এই মুহূর্তে তার অস্ত্রের যে শক্তি সেটার বিজ্ঞাপনও চালাচ্ছে। তুরস্ক একইভাবে এই ধরনের তার নিজস্ব অস্ত্রের বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে। যেই তুরস্কের কান ফাইটার জেট আসতে এখনো পর্যন্ত সময় লাগবে কমপক্ষে পাঁচ থেকে সাত

বছর সেটার এখনই কিন্তু এডভারটাইজমেন্ট ব্যাপকভাবে চালাচ্ছে তুরস্ক। তুরস্কের যে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলো এখনো পর্যন্ত সেনাবাহিনীর কাছে আসে নাই। এখনো যেগুলোর কাজবাদ চলছে যেগুলো আসবে বা কিছু কিছু এসেছে ব্যাপক পরিমাণ আসেনি সেগুলো নিয়েও ব্যাপক পরিমাণে এখন দেশের মধ্যে প্রচার প্রচারণা চলছে কারণ হচ্ছে বিভিন্ন দেশ এই যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পরে আস্তে আস্তে সব দেশের সাধারণ মানুষ আসলে ভয়ের মধ্যে ভীতির মধ্যে আছে যে কি অবস্থা হয় পরবর্তী টার্গেট কে হয় এরকম একটা যুদ্ধ যদি অন্য কোন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে আমাদের কি

অবস্থা হবে এই যে একটা প্রশ্ন এবং সবার মধ্যে যে একটা উৎকণ্ঠা এটার জন্য সব দেশ তার নিজের জনগণকে শান্ত করার জন্য তার সামরিক শক্তিকে হেবি টাইপের হাইফাই টাইপের তুলে ধরার চেষ্টা করছে। আমাদের অমুক আছে সমুক আছে আমরা এতটা নিরাপদ আমাদের উপরে কেউ চোখ তুলে দাগানোর সাহস পাবে না সুযোগ পাবে না এইরকমভাবে তার নিজস্ব জনগণকে সে কি বলে সাপোর্ট দিচ্ছে। এখন আরো একটা প্রশ্ন আরো একটা প্রশ্ন আসছে এটা খুব সম্ভবত বিভিন্ন জায়গা থেকে আপনারা দেখেছেন যে উত্তর কোরিয়া থেকে কিম জং উত্তর কোরিয়া থেকে সে মিসাইল ছুড়েছে ব্যাপক পরিমাণে মিসাইল

ছুড়েছে এবং এটাকে এই মুহূর্তে এমন একটা খবর আকারে দেখানো হয়েছে যে উত্তর কোরিয়া মিসাইল ছুড়ে ইসরাইলের মোটামুটি ঝাজড়া করে দিছে উত্তর কোরিয়া তো সবসময় মিসাইল ছুড়ে এক সপ্তাহ দেড় সপ্তাহ পরপরই কিন্তু সে মিসাইল নিক্ষেপ করে এবং সে মিসাইল নিক্ষেপ করার কিছু কিছু হয় তার নিজস্ব তৈরি যে সমস্ত মিসাইল আছে সেগুলোর পরীক্ষা। আবার কিছু কিছু হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার আশেপাশে দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, আমেরিকা এরা একত্রে বিভিন্ন সময় মহড়া করে। সেই মহড়াকে হুমকি দেওয়ার জন্য দক্ষিণ উত্তর কোরিয়া সে ওই তার দেশের আশেপাশে মিসাইল

নিক্ষেপ করে। এটার সাথে ইসরাইল এবং ইরানের কোন সম্পর্ক নেই। যদিও উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে ইরান ইরানের উপরে ইসরাইল যে আক্রমণ করছে এটা পুরোপুরি অন্যায়। ইসরাইলের এই আক্রমণ বন্ধ করা উচিত। ইসরাইল এখানে পুরোপুরি যুদ্ধাপরাধ করছে। ইসরাইল এখানে ফাইজলামি করছে। ইসরাইল এখানে এটা করছে সেটা করছে। এটা মোটামুটি উত্তর করে ইরানের পক্ষে ব্যাপকভাবে কথা বলেছি। কিন্তু যে জিনিসগুলো বাকি বিষয়গুলো সেটা হয়নি। আর কত বলব? ইরানের যে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটে সেখানে যদি রিয়াকশন হয় তাহলে ইসরাইলের সমস্যাটা কি? ইসরাইলের বহু সমস্যা আছে। এই জিনিস তো

আসলে একদিন আর দুইদিন না। রাষ্ট্র একদিন দুইদিনের কথা চিন্তা করে রাষ্ট্র কাজ করে না। ইরান চীন কি ইরানকে গোয়েন্দা, সাইবার অথবা অস্ত্র দিয়ে কোন সাহায্য করছে? এর কি অথেন্টিক নিউজ আছে? না। এর কোন অথেন্টিক নিউজ নাই। চীন ইরানকে গোয়েন্দা, সাইবার বা অস্ত্র দিয়ে কোন সাহায্য করছে কিনা? এ ব্যাপারে কোন অথেন্টিক নিউজ নাই। এই ইসের ক্ষেত্রেও এটা নেই। কি বলে? রাশিয়ার ক্ষেত্রেও এটা নেই। তবে রাশিয়া আস্তে আস্তে তার টোন একটু কঠিন করছে ইসরাইলের বিরুদ্ধে। ইরানের পক্ষে তার টোনটা একটু বাড়াচ্ছে। একটু আস্তে আস্তে শরটা উচ্চ করছে ইরানের পক্ষে। এবং রাশিয়া

বারবার বলছে যে ইসরাইল যেটা করছে এটা আইনের বিরুদ্ধে। ইরানের পরমাণু অস্ত্রে যদি আক্রমণ করা হয়, পরমাণু প্রকল্পে যদি আক্রমণ করা হয় তাহলে সেটা হবে বড় ধরনের একটা ভুল এবং সেটার ভয়াবহ ফলাফল এই অঞ্চলে আসবে। এখানে একেবারে শেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটা বলে শেষ করি। রাশিয়া বলছে ইরানের পরমাণু প্রকল্পগুলোতে বহু রাশিয়ান সাইন্টিস্ট কাজ করছে। বহু রাশিয়ান কাজ করছে। শত শত রাশিয়ান কাজ করছে। রাশিয়া তাদেরকে ফেরত নিচ্ছে না এবং তাদের উপরে যেন কোন ধরনের আক্রমণ না আসে। তাদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে। এটা রাশিয়া বলছে। তাদের প্রত্যেকের জীবনের

গুরুত্ব রাশিয়ার কাছে অনেক বেশি। অর্থাৎ রাশিয়া বলছে যে আমি ওই যে ইরানে যে পরমাণু প্রকল্পগুলো আছে সেগুলোতে আমার লোকজন আছে। সুতরাং এই আমেরিকা এই ইসরাইল তুমি যদি ওখানে আক্রমণ করো হিসাব নিকাশ করে আক্রমণ করবা। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এটা ইসরাইলের জন্য বড় একটা এটা ইরানের জন্য বড় একটা সাপোর্ট। এই কথা বলে শেষ করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।


Al Jazeera

https://masumbillah171.blogspot.com/2025/06/operation-rising-vs.html

 http://masumonthego.art.blog

https://youtube.com/@masum171


বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫

হাজার ছবির ভিড়ে নেই একটাও আমার বাবার. masum171

আমার ফোনের গ্যালারিতে শত শত মানুষের ছবি। কেউ বন্ধু, কেউ অচেনা, আবার কারো নামই মনে নেই। আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি আসা মানেই ফোনে সেভ হয়ে যায়, মনে থাক বা না থাক।😭

কিন্তু জানো, এই ফোনটা আমি কিনেছি বাবার দেওয়া হাজার টাকায়। সেই হাজার টাকা, যা তিনি নিজের প্রয়োজন না মিটিয়ে আমাকে দিয়েছিলেন—বাবা, তোর জন্য যা করি, তুই শুধু ভালো থাকলেই হল একটা ভালো ফোন কিনি বলে। অথচ আজ সেই ফোনে বাবার একটা ছবিও নেই। কিংবা থাকলেও তাঁর মুখটা সময়ের ধুলোয় ঝাপসা হয়ে গেছে মেমোরির কোণায়। 😭

এটা শুধু ‘ছবি নেই’ বললে কষ্টের গভীরতা বোঝানো যাবে না। এটা এমন এক শূন্যতা, যা কোনো মেগাপিক্সেল ভরতে পারে না, কোনো ক্যামেরা বন্দি করতে পারে না।😭
আমি কতজনকে স্মৃতি বানালাম, কিন্তু যিনি আমার প্রথম ও শেষ ঠিকানা, তাঁর একটি মুহূর্তও ধরে রাখলাম না। এখন ফোনে হাত বুলালেই চোখে পানি আসে... বাবা, তোমাকে একটা ছবি তোলার সময়ও দিলাম না..😭
আমি এখন হাজার মানুষের মধ্যে থেকেও বাবাকে খুঁজি—একটা ছবিতে, একটা মুহূর্তে, একটা স্পর্শে। কিন্তু কিছুই নেই। শুধু একটা আফসোস, একটা হাহাকার, আর একটা দীর্ঘশ্বাস…😭

আজ যদি বাবার সেই হাসিটা, কিংবা চুপচাপ বসে থাকা ছবিটাও থাকত, তাহলে হয়তো রাতের বেলাতেও মনে হতো—বাবা আমার সাথেই আছেন।😭

শুধু বলবো, যারা বাবা-মায়ের সাথে আছেন, দয়া করে একটা ছবি তুলুন। আজ না হয় কাল, সময় কিন্তু কারো জন্য থেমে থাকবে না।😭

কারণ—হাজার মানুষের ছবি থাকার চেয়ে, বাবার একটা ছবির মূল্য অনেক অনেক বেশি…

আন্তর্জাতিক মুদ্রা।।। international money system

 বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম আমরা আল্লাহর মহিমান্বিত নামে শুরু করছি আমরা তার প্রশংসা ও গুণগান করছি যেভাবে তার প্রশংসা ও গুণগান করা উচিত এবং আমরা তার সকল সম্মানিত রাসূলদের উপর শান্তি ও করুণা বর্ষণের জন্য দোয়া করছি আমাদের পিতা আদম আলাইহিস সালাম আমাদের পিতা ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম মূসা আলাইহিস সালাম ঈসা আলাইহিস সালাম এবং তার মাতা মহিমান্বিনেতা নারী মরিয়ম আলাইহিস সালামের উপর এবং তাদের সকলের শেষে বরকতময় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর ভাই বোন এবং বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু এবং আপনাদের সবাইকে শুভ অপরাণ্য। আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় হলো ইসলাম আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা এবং অর্থের ভবিষ্যৎ। আমি প্রায় 10 বছর নিউইয়র্কে বসবাস করেছি। এবং আমি মেথডিস্ট চার্চ থেকে একটি আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। তারা চেয়েছিলেন আমি মেথডিস্ট পাদ্রীদের একটি সম্মেলনে ভাষণ দেই। তাই আমি আমার ফোর্ড এস্কর্ট গাড়িটি চালিয়ে পোকনোজের পাহাড়ের দিকে গেলাম। আমার মনে হয় জায়গাটার নাম এটাই এবং অবশেষে সম্মেলন কেন্দ্রটি খুঁজে পেলাম। সেখানে 200 জনেরও বেশি পাদ্রী উপস্থিত ছিলেন। আমি জানি সেখানে কিছু আরব ছিলেন। আফ্রিকা থেকেও কিছু থাকতে পারেন। তবে

বেশিরভাগই ছিলেন ইউরোপীয় পাদ্রী এবং আমি আমার ভাষণ দিলাম। তাদের কাছে ইসলামের পরিচয় তুলে ধরলাম। যখন প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হলো একজন বয়স্ক পাদ্রী তার হাতে কোরআন নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন আমি মনে মনে বললাম হায় আল্লাহ এটা তো বিপদ তিনি আমাকে বললেন শেখ আপনি খুব সুন্দর একটি ভাষণ দিয়েছেন এবং আমাদের প্রতি খুব বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেছেন আমরা এর প্রশংসা করি কিন্তু আপনার বইয়ে বলা হয়েছে খ্রিস্টানদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না আপনি কি এটা ব্যাখ্যা করতে পারেন তিনি কোরআনের সূরা আল মায়েদাহ এর কথা বলছিলেন আমি আজকের বক্তৃতাটি এভাবেই শুরু. করতে চেয়েছি কারণ কোরআনের এই আয়াতটি অর্থ অর্থব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত। কোরআনের আয়াতে বলা হয়েছে এটি পাঁচ নম্বর সূরা এবং আয়াতটি সম্ভবত 51 নম্বর। তোমরা যারা এক আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছ তোমরা ইহুদিদের এবং খ্রিস্টানদের বন্ধু ও মিত্র হিসেবে গ্রহণ করো না। এবং যেহেতু আমরা ভুল পদ্ধতি ব্যবহার করি ভুল পদ্ধতির কারণে আপনি প্রায় প্রতিটি কোরআনের কপি খুললেই দেখবেন আয়াতের ব্যাখ্যায় ধরে নেওয়া হয়েছে যে এই আয়াতে সমস্ত খ্রিস্টান এবং সমস্ত ইহুদিদের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু যখন আমরা সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পুরো কুরআন দেখি আমরা বুঝতে. পারি এটা সম্ভব নয়। কারণ কুরআনের অন্য জায়গায় আল্লাহ খ্রিস্টানদের সম্পর্কে বলেছেন আগামী দিনে তোমরা দেখবে যে তারাই ভালোবাসা ও স্নেহের দিক থেকে তোমাদের সবচেয়ে কাছের হবে। এটি পাঁচ নম্বর সূরার প্রায় 82 নম্বর আয়াতের কাছাকাছি কোথাও থাকবে। সুতরাং এটি সমস্ত ইহুদি এবং সমস্ত খ্রিস্টানদের সম্পর্কে বলা হতে পারে না। তাই এখন সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করে আমরা প্রশ্ন করি আচ্ছা, যদি আয়াতটি সমস্ত ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের সম্পর্কে না বলে, তাহলে কোন ইহুদি এবং কোন খ্রিস্টানদের কথা বলা হচ্ছে? এবং উত্তরটি ঠিক তার পরের শব্দগুলোতেই রয়েছে। মনোযোগ দিয়ে শুনুন।এমন ইহুদি এবং এমন খ্রিস্টানদের বন্ধু ও মিত্র হিসেবে গ্রহণ করো না যারা নিজেরা একে অপরের বন্ধু ও মিত্র। ও কিন্তু খ্রিস্টান এবং ইহুদিরা তো কখনো বন্ধু ও মিত্র ছিল না, খ্রিস্টানরা ইহুদিদেরকে স্বয়ং যীশু হত্যা করার মত চরম অপরাধে অভিযুক্ত করেছিল, এবং তাদের মধ্যে এতটাই ঘৃণা ছিল, সুতরাং কোরআন এমন একটি সময়ের ভবিষ্যৎবাণী করছে যা আসতে চলেছে, যখন একটি রহস্যময় মীমাংসা ঘটবে এবং একটি ইহুদি খ্রিস্টান বন্ধুত্ব এবং ইহুদি খ্রিস্টান জোটের উদ্ভব হবে। এবং তারপর সেই ইহুদি খ্রিস্টান জোটের সাথে বন্ধুত্ব ও মিত্রতা করতে নিষেধ করার পর আয়াতটিতে বলা হয়েছে।তোমাদের মধ্যে যে কেউ তাদের দিকে বন্ধুত্ব ও মিত্রতার জন্য ঝুকবে আমি আশা করি আজ আমাদের এখানে কোন সৌদি নেই তাই না তোমাদের মধ্যে যে কেউ তাদের দিকে বন্ধুত্ব ও মিত্রতার জন্য ঝুকবে তোমরা আর আমাদের অন্তর্ভুক্ত নও তোমরা এখন তাদের অন্তর্ভুক্ত এর মানে হলো যখন তুমি মারা যাবে এবং কবরে যখন ফেরেশতা তোমাকে প্রশ্ন করতে আসবে তুমি জানতে পারবে যে তোমাকে মুসলিম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না তোমাকে এখন ইহুদিষ্ট জোটের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। ইন্নাল্লাহালা ইয়াহদিল কামাজালিমিন। এবং তারপর আয়াতটি এই শব্দগুলো দিয়ে শেষ হয় যে নিশ্চয়ই।।

আল্লাহ এমন এক জাতিকে পথ দেখান না যারা জালিম যা ইঙ্গিত করে যে সেই ইহুদি খ্রিস্টান জোটের ট্রেডমার্ক হবে জুলুম এবং নিপীড়ন। এখন বিশ্বে আমাদের যে অর্থব্যবস্থা রয়েছে এখন বিশ্বে আমাদের যে আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা রয়েছে তা তৈরি করেছিল সেই ইহুদি খ্রিস্টান জোট যা আজ জায়নবাদী ইহুদি খ্রিস্টান জোট হিসেবে পরিচিত। সমস্ত খ্রিস্টানরা সেই জোটের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং সমস্ত ইহুদিরাও সেই জোটের অন্তর্ভুক্ত নয়। সুতরাং যে ইহুদী সেই জোটের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে খ্রিস্টান সেই জোটের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং আমাদের দিকে বন্ধুত্ব ও সম্মানের সাথে আসে আমাদের

অধিকার আছে ইহুদি, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ এবং বিশ্বের বাকি যে কেউ সম্মান দেখা এবং বন্ধু হতে চায় তাদের প্রতি বন্ধুত্ব ও মিত্রতার সাথে সাড়া দেওয়ার। কিন্তু সেই ইহুদি খ্রিস্টান জোটের প্রতি নয় যারা জায়নবাদী। এই ইহুদি খ্রিস্টান জোটি আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতাকে শক্তিশালী করেছিল যা তখন সেই রহস্যময় শক্তি ব্যবহার করে বাকি অই ইউরোপীয় বিশ্বকে উপনিবেশ বানিয়েছিল এবং যখন তারা উপনিবেশ স্থাপন করেছিল সাবধানে লক্ষ্য করুন যে তারা কিছু নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান স্থাপন না করে কখনোই উপনিবেশের অবসান ঘটায়নি ইতিহাস জুড়ে

সমস্ত মানবজাতি সোনা এবং রুপাকে টাকা হিসেবে ব্যবহার করতো হ্যাঁ কিছু প্রতারক ছিল সাধারণত সরকারগুলো যারা সোনা এবং রুপার মধ্যে খাদ মেশানো শুরু করত যাতে তারা আরো বেশি টাকা তৈরি করতে পারে। তাই আপনি একশোট বা 99% রুপা দিয়ে শুরু করেন এবং তারপর কোন রাজা এসে তার টাকার পরিমাণ বাড়াতে চায় তাই সে এটাকে 90 পার্সেন্ট করে তারপর 80 পার্সেন্ট করে যতক্ষণ না অবশেষে আপনি 0.2% রূপায় এসে পৌঁছান এবং বাকি সবটাই নকল। সুতরাং হ্যাঁ, যখন আমাদের সোনা এবং রুপা টাকা হিসেবে ছিল তখনও প্রতারক ছিল। কিন্তু এমন অনেকেও ছিলেন যারা টাকার বিশুদ্ধতা বজায় রেখেছিলেন।

যেমন উদাহরণস্বরূপ উসমানীয় ইসলামী সাম্রাজ্য যাদের বাজারে পুলিশ কর্মকর্তা ছিল এবং বাজারের পুলিশ কর্মকর্তারা মুদ্রার ওজন এবং বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য সেখানে থাকতো এবং যদি আপনাকে বাজারে একটি নকল মুদ্রাসহ ধরা হতো আপনার বিচার বাজারেই হতো এবং দোষী সাব্যস্ত হলে আপনাকে সেখানেই বাজারেই শাস্তি দেয়া হতো। হয়তো এই কারণেই নিউইয়র্কের বিংহেমটনের স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা যারা বাজার নিয়ে গবেষণা করেছিলেন এই সিদ্ধান্তে এসেছিলেন যে বিশ্ব শেষ যে মুক্ত ও ন্যায্য বাজারটিকে দেখেছিল তা ছিল উসমানীয় ইসলামী সাম্রাজ্যের বাজার। কিন্তু যখন ইউরোপ

উপনিবেশ স্থাপন করল তারা যা করেছিল তা হলো বাজার থেকে সোনা ও রুপার মুদ্রা সরিয়ে ফেলা যা হাজার হাজার বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল এবং তারা এর পরিবর্তে তাদের তৈরি করা নতুন টাকা চালু করল এবং আজকের বক্তৃতাটি আপনাদেরকে সেই নতুন ইউরোপীয় টাকা সম্পর্কে বর্ণনা করার জন্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে বিজয়ীরা যুদ্ধের জয়ীরা বাকি বিশ্বকে তাদের সাথে নিউইয়র্কের ব্রেটন উডসে একটি সম্মেলনে যোগদান দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায় একটি নতুন আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা তৈরি করার জন্য এবং যারা এই বিষয়টি নিয়ে আরো গবেষণা করতে চান তাদের জন্য এটি আকর্ষণীয়

হবে সেই সম্মেলনের নথিগুলো খুঁজে বের করে সেগুলো পড়া ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্মেলনটিতে আধিপত্য বিস্তার করেছিল ফ্রান্স সেখানে ছিল এবং ফ্রান্সের চিন্তাভাবনা ভালো ছিল হার ফ্রান্সকে ভালো চিন্তার জন্য কৃতিত্ব দিতে হবে কিন্তু সেই সম্মেলনে ফ্রান্সকে দাবিয়ে রাখা হয়েছিল এবং তাই এটি সত্যিই একটি অংলো আমেরিকান সম্মেলন হয়ে উঠেছিল। আমেরিকানদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মিস্টার হোয়াইট নামের একজন ব্যক্তি এবং অবশ্যই ব্রিটিশদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জন মেনার্ট কেন্স এবং তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে নতুন অর্থব্যবস্থা

ইউরোপীয় কাগজের টাকা বা কাগজের মুদ্রার উপর ভিত্তি করে হবে যাকে কখনো কখনো ফিট মানি বলা হয় তার সাথে সোনার কিছু সংযোগ থাকতে হবে এবং ফলস্বরূপ সততার সাথে সংযোগ থাকতে হবে যখন সোনার সাথে একটি সংযোগ থাকে তখন কিছুটা সততা এবং যেহেতু ব্রিটেনের সূর্য অস্ত যাচ্ছিল এবং ব্রিটিশ সূর্যের জয়গানিতে একটি নতুন সূর্য উদিত হয়েছিল। স্টার্লিং পাউন্ড যা আগে বিশ্বের আন্তর্জাতিক মুদ্রা ছিল এবং লন্ডন যা বিশ্বের আর্থিক রাজধানী ছিল তা এখন প্রতিস্থাপিত হলো এবং মার্কিন ডলারকে বেছে নেওয়া হলো। এবং তাই ওয়াশিংটন এখন আন্তর্জাতিক আর্থিক রাজধানীতে পরিণত হলো।শোনার সাথে সংযোগটি ছিল যে মার্কিন ডলার রিডিমেবল হবে। রিডিম করার মানে হলো আপনি কাগজটি নিয়ে সেটিকে সোনায় রূপান্তরিত করতে পারবেন। রিডিমেবল মার্কিন ডলার সোনায় রিডিমেবল ছিল এবং তারা এক আউন্স সোনার জন্য 35 মার্কিন ডলার হার নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু আপনি এবং আমি আমাদের ডলার সোনায় রিডিম করতে পারতাম না। শুধুমাত্র সরকার শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো তা করতে পারতো। এবং তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রতি 35 ডলার কে 1 আউন্স সোনায় রূপান্তরিত করতে বাধ্য ছিল। আন্তর্জাতিক চুক্তি ব্যবস্থার

অন্যতম প্রধান স্তম্ভকে বলা হয় প্যাকটা সান্ট সারবান্দা। অর্থাৎ চুক্তির বাধ্যবাধকতা অবশ্যই সম্মান করতে হবে এবং এটি কোরআনের সূরা আল মাইদা। পাঁচ নম্বর সূরার প্রথম আয়াত। যখন তুমি তোমার কথা দাও তোমাকে তোমার কথা রাখতেই হবে এবং তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তাদের কথা রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল যখনই কোন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার চাইবে প্রতি আউন্স 35 ডলারে মার্কিন ডলারকে সোনায় রূপান্তর করে দেবে এবং এটি বিশ্বকে দেখানোর জন্য করা হয়েছিল যে এই অর্থব্যবস্থার কিছুটা সততা আছে কারণ সোনার সাথে একটি সংযোগ ছিল বিশ্বের বাকি সব কাগজের টাকার কি হবে ফরাসি ফ্রায়ের কি হবে জার্মান মার্ক পাকিস্তানি রুপি মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত সিঙ্গাপুর ডলার ব্রুনাই ডলারের কি হবে চুক্তিটি ছিল যে বিশ্বের অন্যান্য সমস্ত মুদ্রা কাগজের মুদ্রা তাদের মূল্য ডলারের সাথে তাদের সংযোগের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে সুতরাং আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের মূল্য কত আপনি উত্তর দেবেন না যে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত এক আউন্স সোনার জন্য এত রিঙ্গিত না ফ্যার শুধুমাত্র আমেরিকার সেই সম্মান আছে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত এক ডলারের জন্য 3.04 চার রিঙ্গিত মূল্য এটাই উত্তর। আবার আপনি।রিঙ্গিতের মূল্য ফ্রান্সের ফ্রা রূপান্তর করেও বলতে পারবেন না। কারণ এই অর্থব্যবস্থাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বে নতুন শাসক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ব্রিটেনকে প্রতিস্থাপন করার জন্য। সুতরাং এটি কেবল অর্থনীতি ছিল না। এটি কেবল মুদ্রা অর্থনীতি ছিল না। এটি রাজনীতিও ছিল। এটি বিশ্ব রাজনীতিও ছিল। এটি এমন একটি অর্থব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছিল যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের শাসক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। সেই সম্মেলন থেকে যাকে ব্রেটনউডস সম্মেলন বলা হয় ব্রেটনউডস চুক্তিটি উঠে আসে। এবং আপনি

যদি অর্থ বা মুদ্রা অর্থনীতির ছাত্র হন আপনাকে অবশ্যই সেই ব্রেটন উডস চুক্তিটি অধ্যয়ন করতে হবে। সেই ব্রেটনউডস চুক্তি থেকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের এমন নিয়ম ছিল যা প্রত্যেক সদস্য রাষ্ট্রকে তহবিলে জমা দিতে বাধ্য করত মনোযোগ দিয়ে শুনুন আপনার সমস্ত সোনার মজুদের 25 শতাংশ পাকিস্তানের কাছে থাকা সমস্ত সোনার 25 শতাংশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে পৌঁছে দিতে হবে প্রথমত এই ধারণা তৈরি করা হয়েছিল যে এই অর্থব্যবস্থা সোনার উপর ভিত্তি করে তৈরি সোনা সেখানে আছে প্রকৃত ঘটনা ছিল তারা জানতে চেয়েছে ছিল আপনার কাছে কত সোনা আছে? এক নম্বর এবং দুই নম্বর তাদের একটি কৌশল ছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চুক্তির অনুচ্ছেদগুলি মনোযোগ দিয়ে শুনুন। সোনাকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল। কেন? মেঘের নিচে এবং সূর্যের নিচে এমন কেউ কি আছে যে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে? যখন এই দেশের ডক্টর মাহাথীর প্রায় 10 বছর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, অন্তত সরকার থেকে সরকারি লেনদেনের জন্য সোনা ব্যবহার করা ভালো হবে। তিনি জানতেন না কাউকে তাকে জানাতে হয়েছিল যে আন্তর্জাতিক আইনে সোনাকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার নিষিদ্ধ করে

কেন? উত্তরটি ছিল যদি আপনি সোনা এবং রুপাকে বাজারে থাকতে দেন তাহলে কাগজের উপর ভিত্তি করা এই অর্থব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। কারণ কাগজের মূল্য কমে যাওয়ার অভ্যাস আছে। এই কারণে এটি তৈরি করা হয়েছিল। কাগজের টাকার মূল্য কমতে থাকে। এভাবে আপনাকে ঠকানো হয় এবং তাই সোনাকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হয়েছিল। তখন খ্রিস্ট ধর্মের পন্ডিতেরা কোথায় ছিলেন? তখন ইহুদি ধর্মের পন্ডিতেরা কোথায় ছিলেন? হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের পন্ডিতেরা কোথায় ছিলেন? এবং পরিশেষে ইসলামের পন্ডিতেরা কোথায় ছিলেন? সম্ভবত আপনারা জানেন বিরিয়ানি খাচ্ছিলেন, শরবত পান করছিলেন?

কারণ এখানে দিনের আলোর মত স্পষ্ট এমন কিছু ছিল যা তাদের চিন্তিত করা উচিত ছিল। কুরআন। কুরআন শোনাকে দিনারকে মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। দিনার শব্দটি কুরআনে আছে। কুরআন রূপাকে মুদ্রা হিসেবে বোঝাতে দিরহাম শব্দটি ব্যবহার করেছে। এবং নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্টভাবে স্পষ্টভাবে দিনার এবং দিরহাম, সোনা এবং রুপাকে মুদ্রা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। যদি আল্লাহ যদি আল্লাহ কিছু হালাল করে থাকেন এবং আপনি সেটাকে হারাম বা নিষিদ্ধ করেন তাহলে সেটা শুধু একটি সাধারণ পাপ নয়। না একটি পাপ আছে শুধুমাত্র একটি পাপ যা আল্লাহ কখনো ক্ষমা করবেন না| আর তা হলো শিরক আরবি শব্দটি হলো শিরক এবং কুরআনের সূরা আত তাওবায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটা শিরক আল্লাহ যা হালাল করেছেন তা হারাম করা অথবা আল্লাহ যা হারাম করেছেন তা হালাল করা এবং তাই সোনাকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা শিরকের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু ইসলামের পন্ডিতেরা 1944 সালে এটি লক্ষ্য করেননি। কারণ আপনারা জানেন বিরিয়ানি আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো যে 1944 সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রায় 70 বছর কেটে গেছেএবং ইসলামী জ্ঞান জগৎ ব্যর্থ হয়েছে এবং শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এটা স্বীকার করা লজ্জাজনক যে এটি শিরক। শুধু এটি শিরকি নয় বরং এই নতুন টাকা কে তৈরি করেছে? এই নতুন টাকা তৈরির কারিগর কারা? যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বে একটি সুবিধাজনক অবস্থান দেয়ার জন্য এটি তৈরি করেছে? উত্তর: ইহুদি খ্রিস্টান জায়নবাদী জোট। জায়নবাদী আন্দোলন 18 শো 97 সালে তৈরি হয়েছিল এবং কুরআন আপনাকে তাদের সাথে বন্ধুত্ব ও মিত্রতা করতে নিষেধ করেছে। এবং তবুও আজ সমগ্র ইসলামী বিশ্ব, সমগ্র ইসলামী বিশ্ব, সমগ্র খ্রিস্টান বিশ্ব, সমগ্র

ইহুদি বিশ্ব, প্রকৃতপক্ষে সমগ্র বিশ্ব এই নতুন অর্থব্যবস্থায় শোষিত হয়েছে। খুব খুব খুব কম লোকই সচেতন যে এটি কেবল নিষিদ্ধ। এটি হারামই নয়। এটি শির্ক বটে। বরং এটি আপনাকে ঠকানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। আপনারা অনুগ্রহ করে আমাকে আরো একবার কোরআনের কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য ক্ষমা করবেন আপনাদেরকে এখন জ্ঞানের একটি শাখার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য যাকে বলা হয় স্কেটোলজি। স্ক্যাটোলজি হলো শেষ সময়ের অধ্যায়ন এবং এটি জ্ঞানের এমন একটি শাখা যা আধুনিক যুগ পর্যন্ত আয়ত্ত করা সম্ভব ছিল না। তাই আমাদের কাছে ইসলামী স্ক্যাটোলজির কোন বই নেই। কোন ক্লাস নেই।না এই যুগ পর্যন্ত এটি অধ্যায়ন করা সম্ভব ছিল না এবং এটিই সেই যুগ যখন ঘটনাগুলো ঘটছে যখন ফেরাউন আপনারা মিশরের ফেরাউনকে চেনেন ডুবে যাচ্ছিল কোরআন আমাদের বলে যে জলের নিচে কি ঘটেছিল যে সে ইসরাইলি জনগণের এক আল্লাহর উপর তার বিশ্বাস ঘোষণা করেছিল কিন্তু এর আগে সে ঘোষণা করছিল আমি সর্বোচ্চ প্রভু কিন্তু যখন সে মারা যাচ্ছিল সে বুঝতে পারল সে ঈশ্বর নয় তাই সে বনী ইসরাইল ইসরাইলি জনগণের ঈশ্বরের উপর তার বিশ্বাস ঘোষণা করেছিল কোরআন এখন 10 নম্বর সূরা সূরা ইউনুসে এর জবাব দিয়েছে এবং এটি সূরার শেষের দিকে থাকবে যেখানে আল্লাহ বলেন এখন ফেরাউন এখন তুমি তোমার

বিশ্বাস ঘোষণা করতে যাচ্ছো এবং এর আগে তুমি একগোয়েভাবে প্রত্যাখ্যান ও বিদ্রোহের অবস্থায় ছিলে এবং তুমি ফাসাদ করছিলে অর্থাৎ মানুষের উপর অত্যাচার করছিলে আজ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আল্লাহ বলেন আজ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তোমার শারীরিক দেহ সংরক্ষণ করার যাতে তোমার শারীরিক দেহ যখন এটি আবিষ্কৃত হবে যখন এটি ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় আবার আবির্ভূত তখন এটি একটি নিদর্শন হবে। একটি নিদর্শন হবে এমন এক জাতির জন্য যারা তোমার পরে আসবে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ আমাদের নিদর্শন সম্পর্কে উদাসীন। এটিই সেই আয়াত। ফেরাউনের দেহ 1897 থেকে 1898 সালের মধ্যে।

ভিক্টর লোরেট দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছিল এবং জায়নবাদী আন্দোলন একই বছরে একই বছরে তৈরি হয়েছিল। এবং তাই যখন কুরআন বলে যে যখন ফেরাউনের দেহ আবিষ্কৃত হবে এটি তোমার পরে আসা একটি জাতির জন্য একটি নিদর্শন উত্তরটি হল কুরআন ইহুদি খ্রিস্টান জায়নবাদী জোটের কথা বলছে সেই নিদর্শনটি কি নিদর্শনটি হল যে সত্য ও মিথ্যার মধ্যে অহংকারী শক্তি এবং পবিত্র জগতের মধ্যে ফেরাউন ও মুসার মধ্যে যেই মহাকাব্যিক সংঘাতটি সেই সময় ঘটেছিল এবং যা ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে শেষ হয়েছিল যখন আল্লাহ মুসা আলাইহিস সালামকে বলেছিলেন তোমার লাঠিটি।

নাও এবং জলের উপর আঘাত করো এবং জল বিভক্ত হয়ে গেল ওজফারকনাবিকুমুল বাহরাফজাইনাকুম এবং আমরা জলকে বিভক্ত করলাম এবং তোমরা নিরাপদে পার হতে পারলে আলা ফেরাউন এবং যখন ফেরাউন এবং তার সেনাবাহিনী পার হওয়ার চেষ্টা করল অনুমান করুন কি ঘটলো জল নেমে এল এবং তারা ডুবে গেল তারা মারা গেল একটি স্ক্যাটলজিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে ইঙ্গিত করে যে ইতিহাস সত্য ও মিথ্যার মধ্যে সেই মহাকাব্যিক সংঘাতের পুনরাবৃত্তি দিয়ে শেষ হবে যদি আমি একটি ভালো শব্দ খুঁজে পেতাম ইতিহাস কিভাবে শেষ হবে যখন তারা তাকে ক্রুশে চড়ালো এবং তারপর তারা গর্ব করে বলল আমরা তাকে হত্যা

করেছি কারণ সে ক্রুশে আছে সে মৃত সে দাবি করেছিল যে সে মসিহ এই মরিয়মের পুত্র কিন্তু সে মৃত তাই সে মসিহ হতে পারে না কেন মসিহকে জেরুজালেম থেকে বিশ্ব শাসন করতে হবে এবং সত্য ও ন্যায়বিচারকে সমস্ত প্রতিদ্বন্দ্বী এবং সমস্ত অন্যায় ও অত্যাচারের উপর বিজয়ী হতে হবে এবং তাই তারা গর্ব করেছিল তারা যা জানতো না তা হলো না আল্লাহ কোরআনে বলেছেন তারা তাকে হত্যা করতে সফল হয়নি তারা তাকে ক্রুশবিদ্ধ করতেও সফল হয়নি আল্লাহ এটাকে সেরকম দেখিয়েছিলেন আল্লাহ তার আত্মা নিয়েছিলেন তার আত্মা নিয়েছিলেন তার আত্মা নিয়েছিলেন আমি এটি তিনবার পুনরাবৃত্তি

করেছি এবং যদি আল্লাহ তার আত্মা নিয়ে নেন কিন্তু সে নিহত হয়নি সে ক্রুশবিদ্ধ হয়নি এর অর্থ হলো গত রাতে আপনার সাথে যা ঘটেছিল গত রাতে আল্লাহ আপনার আত্মা নিয়েছিলেন এবং তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন কোরআন এ কথাই তাই আল্লাহ তার আত্মা নিয়েছিলেন যখন সে ক্রুশে ছিল এবং তাই তারা ভেবেছিল সে মৃত এবং আল্লাহ আত্মা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন যখন সেখানে কেউ ছিল না এবং তারপর তাকে উপরে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন সুতরাং সে মারা যায়নি কিন্তু আপনি এটি জানতে পারবেন না যদি না আপনি কোরআনের কাছে আসেন কিন্তু গল্পের শেষ এখানেই নয় সূরা আননিসার পরের।

আয়াতে বলা হয়েছে ওয়া ইনমিন আহলিল কিতাব তাদের মধ্যে কেউই রক্ষা পাবে না যারা প্রকৃত মসিহকে প্রত্যাখ্যান করেছে বরং যখন তিনি ফিরে আসবেন তার মৃত্যুর আগে তাদের প্রত্যেককে তার উপর বিশ্বাস করতেই হবে প্রত্যেককে তাই আমি নিউ জার্সির একটি সিনাগ ছিলাম এবং সমাবেশে কয়েকশো ইহুদি ছিল এবং আমি তাদের সাথে কথা বলছিলাম এবং যখন আমি এটি উল্লেখ করলাম যে যখন ঈসা ফিরে আসবেন কারণ তিনি মারা যাননি আপনাদের সকলকেই তাকে প্রকৃত মসিহ হিসেবে বিশ্বাস করতেই হবে বক্তৃতা শেষ হওয়ার পর তারা সবাই আমাকে ঘিরে ধরল এবং আমি মাঝখানে এবং তারা আমার কাছে দাবি করছিল শত্রুতা করে।

নয় বিনয়ের সাথে কিন্তু আন্তরিকভাবে কেন আমাদের এমন কিছুতে বিশ্বাস করতে হবে যা আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি কেন আমাদের বলুন কেন কল্পনা করুন আমি কয়েকশো ইহুদি দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং তারা একটি উত্তর দাবি করছে উত্তরটি হল সেই সেই মুহূর্তে যখন ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ ঘটবে, পর্দাগুলো সরিয়ে দেওয়া হবে। এবং আপনি সত্য দেখতে পারবেন। আর এভাবেই ইতিহাস শেষ হবে। জেরুজালেম থেকে বিশ্ব শাসনকারী কাউকে থাকতে হবে। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে তার আগে একজন ভন্ড মসিহ আসবে। এবং ভন্ড মসিহকে অবশ্যই জেরুজালেম থেকে।

শাসন করতে হবে। আর এ কারণেই তারা চেয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই অর্থব্যবস্থার শাসক রাষ্ট্র হয়ে উঠুক। আমরা এখন এই অর্থব্যবস্থার সন্দেহজনক চরিত্র দেখতে পাচ্ছি। যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষমতা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি। এবং পরে যখন আমরা পেট্রোলার সম্পর্কে কথা বলব, আপনি দেখতে পাবেন সিস্টেমটি কিভাবে কাজ করছে। আপনি এখন দেখতে পাচ্ছেন কিভাবে সিস্টেমটি এই অর্থব্যবস্থার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের বাকি অংশের উপর ক্ষমতা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এবং তারপর সেই ক্ষমতা একটি তৃতীয় শাসক রাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে যা।

আবির্ভূত হতে চলেছে ইসরাইল। সুতরাং যখন ইসরায়েল বিশ্ব শাসন করবে, আপনার একটি নতুন অর্থব্যবস্থা থাকবে, কাগজ চলে যাবে, সব হবে ইলেকট্রনিক টাকা এবং তারপর ব্যাংকিং ব্যবস্থা সরকারগুলোর কাছ থেকে দায়িত্ব নেবে। কিন্তু আমরা এই অর্থব্যবস্থার সন্দেহজনক চরিত্র প্রমাণ দেখতে পাচ্ছি। যখন 1933 সালে মার্কিন সরকার ফেডারেল রিজার্ভের নির্দেশে সোনাকে আইনসম্মত মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য আইন প্রণয়ন করে। আপনি কেন এমন করবেন? কারণ সিস্টেমে কিছু ঘাপলা আছে। যদি সিস্টেমে ঘাপলা থাকে আপনাকে অবশ্যই সোনার দিকে ঝুঁকতে হবে। কারণ সোনা স্থিতিশীলতা

ফিরিয়ে আনবে। যেকোনো আর্জেন্টাইনকে জিজ্ঞেস করুন এবং সে আপনাকে তা বলে দেবে। মার্কিন সরকার সোনাকে আইনসম্মত মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল। এক নম্বর 1933। দুই নম্বর যদি একটি নির্দিষ্ট তারিখের পরে আপনার কাছে সোনা পাওয়া যেত আপনাকে 10,000 মার্কিন ডলার জরিমানা করা হতো অথবা আপনাকে ছয় মাস জেলে কাটাতে হতো। কেন এই কঠোর ব্যবস্থা? আপনাকে আপনার সোনা নিয়ে সরকারকে দিতে হতো এবং সরকার আপনাকে তার পরিবর্তে প্রতি আউন্স 20 ডলারে কাগজ দিত। সুতরাং সমস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সোনা আঙ্কেল স্যামের কাছে হস্তান্তর

করতে হয়েছিল। যারা চালাক ছিল তারা তাদের সোনা সুইজারল্যান্ডে পাঠিয়ে দিয়ে বেঁচে গিয়েছিল। মার্কিন সরকার সমস্ত সোনা নেওয়ার পর 1934 সালের জানুয়ারিতে তারা ডলারের অবমূল্যায়ন করে। ওটা আবার কি? আমাদের আগে এই শব্দটি ছিল না অবমূল্যায়ন। আমরা ভাবতাম মূল্য স্থিতিশীল। মূল্য এক আল্লাহ দ্বারা তৈরি। আপনি কিভাবে টাকার অবমূল্যায়ন করতে পারেন? হ্যাঁ আপনি পারেন যখন আপনি অন্তর্নিহীত মূল্যযুক্ত টাকা সোনা এবং রুপা ব্যবহার করা বন্ধ করেন| এবং আপনি এটিকে এমন টাকা দিয়ে প্রতিস্থাপন করেন যার কোন অন্তর্নিহিত মূল্য নেই তখন

আপনি অবমূল্যায়ন করতে পারেন। সুতরাং আমরা এখন সিস্টেমটিকে কাজ করতে দেখছি। মার্কিন সরকার মার্কিন ডলারের অবমূল্যায়ন করে প্রতি আউন্স সোনা 20 ডলার থেকে 35 ডলারে নামিয়ে আনে। এবং তারপর তারা সোনাকে আইনসম্মত মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আইনটি সরিয়ে দেয়। তাই সমস্ত আমেরিকা তাদের সোনা ফিরিয়ে কেনার জন্য ছুটে যায়। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় যদি আপনি 100 টি একাউন্স সোনার মুদ্রা পরিবর্তন করে 2000 মার্কিন ডলার পেয়ে থাকেন এবং এখন আপনি সেই 2000 মার্কিন ডলার নিয়ে আপনার সোনা ফিরিয়ে কিনতে যান অনুমান করুন আপনি কতগুলো সোনার মুদ্রা

পেয়েছেন। আমার মনে হয় এটি প্রায় 57 বা 58 টি হবে। আপনার টাকা কোথায় গেল? কে নিল? এই ক্ষেত্রে এটা বোঝা খুব সহজ যে টাকাটা আঙ্কেল স্যামের পকেটে। জমাগনের সম্পদের 43% সরকার অন্যায়ভাবে অর্জন করেছে। যার মানে ফেডারেল রিজার্ভ শুধুমাত্র টাকার অবমূল্যায়ন করার এই সহজ উপায়ের মাধ্যমে। তখন থেকে বিশ্বজুড়ে এটাই ঘটে আসছে এবং এটি প্রথম ছিল না আমার মনে হয় এটাকে পঞ্জি স্কিম বলা হয় এই অর্থব্যবস্থা। এই অর্থব্যবস্থা এই পঞ্জি স্কিম ইতিহাসে অনেক অনেক মানুষ চেষ্টা করেছে। চীনারা এটা চেষ্টা করেছিল। যে কেউ এই পঞ্জি স্কিম চেষ্টা করেছে সে শেষ

পর্যন্ত হেরেছে। এটি সব সময় ভেঙে পড়েছে। সবসময় ভেঙে পড়েছে। এই নির্দিষ্ট পঞ্জি স্কিমটি কাঁপতে শুরু করে যখন ফ্রান্স সার্সডি গোলের অধীনে সিদ্ধান্ত নেয় যে এটি অন্যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের কাছে থাকা সোনার চেয়ে বেশি কাগজ ছাপছে। যদি আপনি আপনার একাউন্টে থাকা টাকার চেয়ে বেশি চেক ইস্যু করতেন তবে তা প্রতারণামূলক হতো প্রতারণামূলক এবং এর জন্য আপনি জেলে যেতে পারতেন এবং মার্কিন সরকার ঠিক তাই করছিল। অন্য কোন সরকার তা করতে পারতো না শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা ভিয়েতনাম যুদ্ধের খরচ চালাচ্ছিল শুধু কাগজ ছেপে ছেপে আর ছেপে। এবং সাজস ডিগল বেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন কারণ ফরাসিরা অর্থব্যবস্থার অন্নাজ্যে প্রকৃতি বুঝতে পারছিল। সাজ গল ফরাসি জাতীয় পরিষদে উঠে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন যেখানে তিনি অর্থব্যবস্থা বিশ্লেষণ করেন এবং দেখান যে এই অর্থ ব্যবস্থা কেবল প্রতারণামূলকই ছিল না বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের বাকি অংশের উপর একটি অন্নাজ্য সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। তারপর তিনি এমন কিছু করতে শুরু করেন যা সিস্টেমকে নাড়িয়ে দেয়। ডলারকে সোনায় রূপান্তর করা শুরু করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটা মোটেও পছন্দ করেনি। কারণ

যদি ফরাসিরা এটা করতে পারে তাহলে সৌদি আরবও লাইনে যোগ দিতে পারে এবং কুয়েতও লাইনে যোগ দিতে পারে এবং আরো অনেক দেশ এবং যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সমস্ত কাগজের জন্য শোনা ছিল না তাই পুরো বিষয়টি ভেঙে পড়তো। ডিগল মারা যান। প্রথমে তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল এবং তারপর তিনি মারা যান। কিন্তু যারা ফ্রান্সের ডিগলের স্থলাভিষিক্ত হন এবং আমি তাদের অনেক প্রশংসা করি তারা এই ব্যবস্থাটি এই নীতিটি চালিয়ে যান এবং কতই না ভালো হতো যদি মালয়েশিয়ায় এমন কেউ থাকতো যারা ডক্টর মাহাতীর যা শুরু করেছিলেন তা চালিয়ে যেতে

পারতো সুতরাং 1971 সালের আগস্টে ফরাসিরা আবারও আসে আরো একবার রিচার্ড নিক্সন তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তারা বলল হাই আঙ্কেল স্যাম আপনি কি আছেন তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত নিন এবং আমরা শোনা চাই নিক্সন সেই সপ্তাহন্তে ক্যাম ডেভিডে অবসর যাপন করতে যান। তারা সাধারণত তাই করে এবং তিনি বুঝতে পারেন যে খেলা শেষ। খেলা শেষ। পঞ্জি স্কিমটি ভেঙে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর কাগজের বিনিময়ে সোনা সরবরাহ চালিয়ে যেতে পারবে না এবং তাই তিনি বিশ্বের কাছে একটি ভাষণ দেন এবং বলেন, আমরা আমাদের কথা দিয়েছিলাম কিন্তু।

আমাদের কথা রাখার প্রয়োজন নেই। ইসলামে এমনটা হয় না যারা নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অনুসরণ করে তারা এমনটা করে না| একজন সত্যিকারের মুসলমানের বৈশিষ্ট্য একজন সত্যিকারের খ্রিস্টানের একজন সত্যিকারের ইহুদির একজন সত্যিকারের হিন্দুর একজন সত্যিকারের বৌদির বৈশিষ্ট্য হলো যে যখন সে কথা দেয় সে তার কথা রাখে এটাই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি প্যাকটা সান্টা সারভান্ডা চুক্তি অবশ্যই রক্ষা করতে হবে কিন্তু রিচার্ড নিক্সন তাই করেছিলেন তিনি ব্রেটনোরস চুক্তিটি ভঙ্গ করেন তিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের

বিধানগুলো পরিত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং তাই 1971 সালের সেপ্টেম্বর থেকে মার্কিন ডলার এক অনিশ্চিত অবস্থায় পড়ে যায়| কি হতে যাচ্ছে এই অর্থব্যবস্থাটি কি এখন ভেঙ্গে পড়বে ? আমার কাছে আপনাদের দেওয়ার জন্য কিছু আকর্ষণীয় খবর আছে। 1971 থেকে 1973 সাল পর্যন্ত আরব ইসরাইল যুদ্ধের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এবং জায়নবাদীরা বেড়ার উভয় পাশে ছিল যাতে যুদ্ধটি একটি সম্মানজনক ড্র দিয়ে শেষ হতে পারে। এবং সৌদি আরবের বাদশা ফয়সাল রহিমাহুল্লাহ 1967 সালে জেরুজালেম হারানোর পর থেকে কয়েক বছর ধরে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তিনি তেল বয়কট আরোপ করার হুমকি

দিচ্ছিলেন। হেনরি কিসিঞ্জার তেল বয়কটের কথা শুনে আনন্দিত হয়েছিলেন এবং হেনরি কিসিনজার ভাবছিলেন আমি এটাই চাই কারণ আমার আইএমএফ এর স্বর্ণমানের বিকল্প হিসেবে কিছু একটা দরকার। এবং তাই অস্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তার সাথে আমি কি এটাকে শয়তানি বুদ্ধিমত্তা বলব? তারা এর পরিকল্পনা করেছিল এবং তারা ফয়সালকে তেল বয়কট আরোপ করতে উৎসাহিত করেছিল এবং যুদ্ধ শুরু হওয়ার সাথে সাথে সৌদি আরব এটা অক্টোবর 1973 সৌদি আরব মার্কিং যুক্তরাষ্ট্রের উপর তেল বয়কট আরোপ করে এবং গ্যাসোলিন কেনার জন্য গাড়িগুলো মাইলের পর মাইল দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছিল কিন্তু কিসিনজার

হাসছিলেন। কিসিনজার হাসছিলেন কারণ তার পরিকল্পনা কাজ করছিল। তাই যুদ্ধটি একটি সম্মানজনক ড্র দিয়ে শেষ হওয়ার পর কিসিনজার দেখলেন এবং ওয়াল স্ট্রিট সহায়তা করল এবং মার্কিন ডলার পড়তে শুরু করল। এটি এক বছরে তার মূল্য 400% হারিয়ে ফেলে। যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন ডলার প্রতি আউট সোনার জন্য 40 ডলারে লেনদেন হচ্ছিল। এবং যুদ্ধের পরে মার্কিন ডলার এখন প্রতি আউট সোনার জন্য 160 ডলারে লেনদেন হচ্ছে। মার্কিন ডলারের এই ভয়াবহ পতন তেলের দামের উপর প্রভাব ফেলেছিল। সৌদিরা তাদের তেল ব্যারেল প্রতি তিন ডলারে বিক্রি করছিল কিন্তু মার্কিন ডলারের 400% পতনের সাথে

সৌদিরা এখন তাদের তেল ব্যারেল প্রতি 12 ডলারে বিক্রি করছে এবং সৌদিরা হাসছে তখন কি সিনঞ্জার তার চাল চাললেন অসাধারণ একেবারে অসাধারণ কিন্তু তার চাল সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদেরকে নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ইলমে আখিরুজ্জামান বা ইসলামী এস্কেটোলজির কাছে নিয়ে যাই। নবী বলেছিলেন যে শেষ দিনের অন্যতম নিদর্শন হল ফোরাত নদী যা ইরাকে অবস্থিত একটি সোনার পাহাড় উন্মোচন করবে এবং মানুষ সেই সোনা নিয়ে যুদ্ধ করবে এবং প্রত্যেক 100 জনের মধ্যে 99 জন নিহত হবে এবং প্রত্যেকে বলবে আমি সেই জন যে বেঁচে যাব যা ইঙ্গিত করে যে এটি

প্রচলিত যুদ্ধ নয় এটি পারমাণবিক যুদ্ধ প্রচলিত যুদ্ধে প্রতি 100 জনের মধ্যে 99 জন মারা যায় না কিন্তু সেখানে থাকা এক আল্লাহর ইবাদতকারী মুমিনদের এর সেই সোনা স্পর্শ করা উচিত নয়। সেই ভবিষ্যৎবাণীটি পূরণ হয়েছিল। এটি ধর্মীয় রূপক কথা এবং ধর্মীয় রূপককে ব্যাখ্যা করতে হয়। যেমন নবী বলেছিলেন যে দাজ্জাল একটি গাধার উপর চড়ে ভ্রমণ করবে। এবং গাধাটি মেঘের মত দ্রুত ভ্রমণ করবে এবং গাধাটির কানগুলো প্রশস্তভাবে প্রসারিত থাকবে। আমাদের সালাফি ভাইয়েরা আছেন যারা লিবিয়া সরকারকে ক্ষমতাচূত করতে ন্যাটোর সাথে যোগ দিয়েছিলেন এবং যারা এখন লিবিয়ায় মাছ

ধরছেন এবং এখন লিবিয়া ও সিরিয়ায় তাদের শাস্তি পাচ্ছেন এবং তারা বলেন যে যেহেতু আল্লাহ এবং তার রাসূল ব্যাখ্যা করেননি তাই আমাদের উড়ন্ত গাধার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আমাদের পদ্ধতি ভিন্ন। আমরা এটিকে ধর্মীয় রূপক হিসেবে স্বীকৃতি দিই এবং আমরা বলি এটি হল বিমান। উড়ন্ত গাধা হলো বিমান যার অর্থ দাজ্জাল আকাশ নিয়ন্ত্রণ করবে| একইভাবে সোনার পাহাড়ের ক্ষেত্রেও তারা বলে যে এটিকে আক্ষরিক অর্থে বুঝতে হবে এবং তাই আমাদের নদীর নিচ থেকে সোনার পাহাড় আসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আমরা বলি না যখন কিসিঞ্জার 1974 সালে ফয়সালের

কাছে যান তখন মঞ্চটি ইতিমধ্যেই প্রস্তুত ছিল ফয়সাল ইতিমধ্যেই হাসছিলেন কারণ মার্কিন ডলারের পতন আরবদের জন্য তেলের দাম বৃদ্ধিতে রূপান্তরিত হয়েছিল। কিসিঞ্জার বললেন, এটা তো সামান্য ব্যাপার। তিন ডলার থেকে 12 ডলার এটা সামান্য ব্যাপার। যার মানে মার্কিন ডলার নিচে নামতে পারে এবং যত নিচে নামবে তেলের দাম তত বাড়তে থাকবে এবং আপনারা কল্পনার চেয়ে অনেক বেশি ধনী হয়ে যাবেন এবং কিসিঞ্জার সত্যি কথা বলছিলেন তিনি সঠিক ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন যে এমন এক সময় আসবে যখন তার কিছু অনুসারী যাকাত

দিতে চাইবে কিন্তু তারা যাকাত গ্রহণ করার মত কাউকে খুঁজে পাবে না। যেমন কাতারে যদি না সে একজন বাংলাদেশী ড্রাইভার বা ফিলিপিন গৃহকর্মী বা ইন্দোনেশিয়ান দাস হয় তারা সবাই দাস। তারা সবাই দাস। তারা দাসের মজুরিতে কাজ করে তাই তারা দাস। আমাদের কন্যারা ইন্দোনেশিয়া থেকে আমাদের কন্যারা। সুতরাং আপনি গ্রহণ করার মত কাউকে খুঁজে পাবেন না। এবং এখানে ভবিষ্যৎবাণী পূর্ণতা ঘটতে যাচ্ছিল। কিসিঞ্জার বললেন, আমি আপনার কাছে শুধু একটি জিনিস চাই। এটুকুই এবং আপনি কল্পনাতীত ধনী হয়ে যাবেন এবং তিনি সত্যিই বলেছিলেন আপনাকে শুধু একটি ঘোষণা করতে হবে যে কেউ আপনার কাছ

থেকে মার্কিন ডলার ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে তেল কিনতে পারবে না ফয়সাল বললেন চুক্তি হয়ে গেল এটি একটি হারাম চুক্তি ছিল হারাম হারাম কারণ নবী আমাদের একটি মুক্ত বাজার দিয়েছিলেন এবং মুক্ত বাজার মানে আপনি সীমাবদ্ধ হতে পারবেন না হারাম কারণ মার্কিন ডলারের তখন কোন ভিত্তি ছিল না। এটি অনিশ্চিত অবস্থায় ছিল। কিন্তু ফয়সাল বললেন, চুক্তি হয়ে গেল এবং যখন ফয়সাল চুক্তি করলেন তখন আইএমএফ এর অর্থব্যবস্থা ইতিহাসে পরিণত হলো এবং একটি নতুন অর্থব্যবস্থা আবির্ভূত হলো যার নাম পেট্রো ডলার অর্থব্যবস্থা। এবং তাই তেলের একটি মহাসাগর, তেলের একটি মহাসাগর সোনার পাহাড়

হিসেবে কাজ করতে শুরু করল। এটি আমার মতামত এবং আপনাদের প্রতি ন্যায্য থাকার জন্য যখন আমি একটি মতামত দিই আপনাদের কখনোই তা গ্রহণ করা উচিত নয় যতক্ষণ না আপনারা নিশ্চিত হন যে এটি সঠিক এভাবেই আমি আমার শ্রোতাদের বুদ্ধিমত্তার প্রতি সম্মান জানাই বিষয়টি অধ্যয়ন করুন এখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন এবং এখানে আমার ব্যাখ্যা এবং তাই এখন একটি নতুন অর্থব্যবস্থা আবির্ভূত হলো যার নাম পেট্রো ডলার অর্থব্যবস্থা এবং মার্কিন ডলার হলো সোনার পাহাড় আগে তারা ভিয়েতনাম যুদ্ধে এর খরচ চালানোর জন্য কাগজ ছাপতে পারতো। কিন্তু এখন কোন সীমা

নেই। আপনি যত খুশি কাগজ ছাপতে পারেন। কোন সীমা নেই। আকাশই সীমা এবং আমি এই বিষয়ের এই অংশটি বোঝার জন্য ডক্টর মাহাথীরের কাছে লিনি। তার আর কাগজ ছাপে না। এটা খুব কষ্টসাধ্য। আপনার অনেক কাগজ লাগবে। অনেক কালি লাগবে। নিরাপত্তা ভ্যান লাগবে। এক জায়গায় থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য লোকবল লাগবে। ইত্যাদি খুব কষ্টসাধ্য। তারা কিউ ই নামে কিছু একটা তৈরি করেছে। কোয়ান্টিটেটিভ ইজিং কিউই এবং তাই তাদের যা করতে হবে ফ্রান্স এটা করতে পারে না। জার্মানি এটা করতে পারে না। ইতালি এটা করতে পারে না। ব্রিটেন এটা করতে পারে না। শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আপনি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংককে নির্দেশ দেন। ওবামা ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে নির্দেশ দেন। আমি আমি ভুল হতে পারি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি কিউই ওবামার সাথে শুরু হয়েছিল। আমি ভুল হতে পারি। আমি মনে করি না এটা জর্জ বুশের সাথে শুরু হয়েছিল। আমি ভুল হতে পারি এবং ফেডারেল রিজার্ভ একটি চেক লিখবে। এটুকুই সাত ট্রিলিয়ন ডলারের। আমি ভেবেছিলাম সাত ট্রিলিয়ন হলো সাত মিলিয়ন বিলিয়ন, কেউ আমাকে একটি ইমেইল পাঠিয়েছিল। শেখ আপনার গণিত ভুল সাত ট্রিলিয়ন সাত মিলিয়ন বিলিয়ন নয় এটি সাত বিলিয়ন বিলিয়ন সে আমাকে তাই বলেছিল।এবং ফেডারেল রিজার্ভ সেই চেকটি লিখে তারপর ব্যাংকিং সিস্টেমে পাঠাবে এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা এখন কয়েকটি ব্যাংকের সাথে একত্রিত হচ্ছে এবং তারা বাকি সবাইকে নিয়ন্ত্রণ করে যখন সেই চেকটি ব্যাংকিং সিস্টেমে পৌঁছায় তখন তা এখনো টাকা নয় না এটি কেবল একটি চেক কিন্তু যখন মিশর এখন আইএমএফ এর সাথে চার বিলিয়ন ডলারের ঋণের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে সেটা তো সামান্য ব্যাপার। যখন মিশর পরিশোধ করার জন্য আইনি নথিতে স্বাক্ষর করে এখন এটি টাকা তার আগে নয় এবং তাই তারা কোয়ান্টিটিভ ইজিং এর মাধ্যমে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে এমন এক

আর্থিক ও মুদ্রাগত ক্ষমতা দেওয়ার জন্য যা ইতিহাসে নজিরবিহীন। এটি মার্কিন ডলারের পতনের প্রস্তুতি। কারণ আমি বলেছিলাম যে মুসিতে জেরুজালেম থেকে শাসন করতে হবে। প্রথমে ভন্ড মসিহকে। আমাদের স্কেটোলজি আমাদের নবীর সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লামের একটি হাদিসের মাধ্যমে জানায় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিস্থাপন করার জন্য একটি শেষ শাসক রাষ্ট্র থাকতে হবে। আমি এই বইটি জেরুজালেম ইন দা কোরআন প্রায় 12 বছর আগে লিখেছিলাম। এখানে মালয়েশিয়ায় প্রকাশিত এবং এই বইয়ে আমি বলেছিলাম যে মার্কিন ডলার ভেঙে পড়বে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর বিশ্বের শাসক রাষ্ট্র

থাকবে না 12 বছর আগে। এবং ইসরাইল বিশ্বের পরবর্তী শাসক রাষ্ট্র হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিস্থাপন করবে। এটি ১২ বছর আগে লেখা হয়েছিল। এটি গত 12 বছর ধরে একটি বেস্ট সেলার হয়ে আছে। ইসরাইলকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিস্থাপন করতে হবে। যখন ব্রিটেন শাসক রাষ্ট্র ছিল তখন একটি অর্থব্যবস্থা ছিল। যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেনকে প্রতিস্থাপন করল তখন আরেকটি অর্থব্যবস্থা ছিল। এবং তাই যখন ইসরাইল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিস্থাপন করবে তখন একটি নতুন অর্থব্যবস্থা থাকতে হবে। আমি আপনাকে একটু আগেই ইঙ্গিত দিয়েছি মার্কিন ডলার ভেঙে

পড়তে চলেছে| এটি আসলে ইতিমধ্যেই ভেঙে পড়েছে| এখন এক আউ সোনার জন্য প্রায় 1800 মার্কিন ডলার| হ্যাঁ প্রায় 1800 যদি ইসরাইল ইরানকে আক্রমণ করে তাহলে মার্কিন ডলারের জন্য সেটাই শেষ দিন। যখন মার্কিন ডলার ভেঙে পড়বে আমি বিশ্বাস করি তারা যা করবে তা হলো এটিকে অচল করে দেবে। অর্থাৎ এটিকে আইনসম্মত মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। তাই আপনাকে আপনার ডলার নিয়ে মার্কিন সরকার আপনাকে যে নতুন টাকা দেবে তার সাথে রিডিম করতে হবে। অতীতে অনেক দেশই তা করেছে। তবে যখন আপনি আপনার মার্কিন ডলার নতুন সেই মুদ্রায় রিডিম করবেন আপনিডলারের পতন বিশ্বজুড়ে অর্থব্যবস্থায় প্রতিধ্বনিত হবে এবং যারা দুর্বল দুর্বল মুদ্রা ধরে রেখেছে যেমন পাকিস্তানি রুপি বাংলাদেশি টাকা ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া মিশরীয় পাউন্ড ইত্যাদি তারা মার্কিন ডলার ভেঙে পড়লে আতঙ্কের মধ্যে পড়বে এবং তারা তাদের কাগজের টাকা যত দ্রুত সম্ভব ফেলে দিতে চাইবে কারণ লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতি হবে এবং যখন তারা তাদের কাগজ ফেলে দেবে মুদ্রাস্ফীতি বহু গুণ বেড়ে যাবে এবং তাই সিস্টেমটি মাখনের মত সহজেই ভেঙে পড়বে এবং কেবল অদৃশ্য ও অধরা ইলেকট্রনিক টাকা নতুন অর্থব্যবস্থার জন্য পথ তৈরি করবে। একবার

একবার টাকা কেবল ইলেকট্রনিক টাকা হয়ে গেলে আপনার টাকা কোন ব্যাংকেই নিরাপদ নয়। আপনি কি আপনার টাকা ব্যাংক থেকে বের করতে পারবেন? না। আপনি পারবেন না। আপনি ব্যাংক থেকে আপনার টাকা বের করতে পারবেন না। কারণ বের করার মত কিছুই নেই। এটি কেবল ইলেকট্রনিক স্পন্ধন। আপনি যা করতে পারেন তা হলো এক একাউন্ট থেকে অন্য একাউন্টে টাকা স্থানান্তর করা। এবং কখনো কখনো আপনি আপনার একাউন্ট থেকে অন্য একাউন্টের টাকা স্থানান্তর করার পরিবর্তে কম্পিউটারে পারদর্শী কেউ আপনার কম্পিউটারে হ্যাক করে আপনার পাসওয়ার্ড পেয়ে যেতে পারে। হ্যাঁ।

আপনার পাসওয়ার্ড পেয়ে এবং তারপর আপনার ব্যাংকে ঢুকে আপনার ব্যাংক একাউন্ট থেকে মুরগি আর হাঁসের ভোজ খেতে পারে এবং সেসব পরিষ্কার করে দিতে পারে। এটা আসছে। আমি মনে করি আমরা সম্ভবত এর উদাহরণ ইতিমধ্যেই পেয়েছি। কিন্তু ব্যাংকিং ব্যবস্থা এটি গোপন রাখছে। তারা চায় না এটি জানাজানি হোক। সুতরাং কেবল ইলেকট্রনিক টাকা নতুন অর্থব্যবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এবং চোরেরা আপনার অজন্তেই আপনার টাকা চুরি করতে পারে। এবং যখন আপনার টাকা চুরি হয়ে যাবে কিছু সময় পর ব্যাংকগুলো বলবে যথেষ্ট হয়েছে আমরা আর এটি প্রতিস্থাপন করব না| আমি মনে

করি না যদি আপনার একাউন্টে কেবল 10 হাজার রিঙ্গিত থাকে তবে তারা আপনার পিছনে আসবে কিন্তু আপনি যদি একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হন তবে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে আমাদের পরবর্তী বক্তা সম্ভবত আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন যখন আপনি এই সংকটে মুখোমুখী হবেন আমার কি করা উচিত যদি আমার সব টাকা একটি ব্যা ব্যাংক একাউন্টে থাকে। প্রথমত তা বের করে নিন। সেখানে রেখে দেবেন না। এটি ব্যাংকের চেয়ে আপনার নিজের হাতে আসলে বেশি নিরাপদ। আপনি যদি মনে করেন এটি সেখানে নিরাপদ, তবে অপেক্ষা করুন এবং দেখুন কি আসছে। কিন্তু শেষ করার আগে

করি না যদি আপনার একাউন্টে কেবল 10 হাজার রিঙ্গিত থাকে তবে তারা আপনার পিছনে আসবে কিন্তু আপনি যদি একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হন তবে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে আমাদের পরবর্তী বক্তা সম্ভবত আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন যখন আপনি এই সংকটে মুখোমুখী হবেন আমার কি করা উচিত যদি আমার সব টাকা একটি ব্যা ব্যাংক একাউন্টে থাকে। প্রথমত তা বের করে নিন। সেখানে রেখে দেবেন না। এটি ব্যাংকের চেয়ে আপনার নিজের হাতে আসলে বেশি নিরাপদ। আপনি যদি মনে করেন এটি সেখানে নিরাপদ, তবে অপেক্ষা করুন এবং দেখুন কি আসছে। কিন্তু শেষ করার আগে

অর্থের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আরো কিছু বলার আছে। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড্রু ইউনিভার্সিটিতে ইহুদি, খ্রিস্টান এবং ইসলামের একটি আন্তধর্মীয় সংলাপে অংশ নিচ্ছিলাম। আমি ইসলামের জন্য একমাত্র বক্তা ছিলাম। এবং আমি সংখ্যায় কম ছিলাম। সেখানে অনেক রাব্বি এবং অনেক খ্রিস্টান মিনিস্টার ছিলেন। ওয়াও। কিন্তু সেই সময়ে ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের সাথে সংলাপ করা একটি খুব আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা ছিল। তাই এই সংলাপ চলাকালীন আমি বললাম যে যখন যীশু উপাসনালয়ে গিয়েছিলেন গসপেল বলে যে তিনি মুদ্রা বিনিময়কারীদেরকে দেখেছিলেন জনগণকে ঠকাতে এবং তিনি তাদের অভিশাপ দিয়েছিলেন

এবং তিনি তাদের টেবিল উল্টে দিয়েছিলেন এবং তাদের উপাসনালয় থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু ক্রিসমাসের সময় তারা যীশুর এই গল্প বলে না যখন তারা কেবল মেশ্রাবকের কথা বলে তাই আমি বললাম আমার মনে হয় না তারা মুদ্রা বিনিময়কারী আমার মনে হয় তারা সুদে টাকা ধার দিত। ওহ আমার ঈশ্বর। যখন আমি এটা বললাম রাব্বিরা হাসছিলেন মিনিস্টাররা হাসছিলেন আমরা তাকে এখন পেয়েছি। তাই একজন প্রধান রাব্বি হাসতে হাসতে উঠে দাঁড়ালেন এবং খুব নম্রভাবে আমাকে বললেন, না ইমরান তুমি ভুল করছো। আমি তোমাকে বলছি সঠিকটা কি? এবং তারপর তিনি আমাকে ব্যাখ্যা করলেন খুব

টাকা দিয়ে উপাসনালয়কে অর্থ প্রদান করতে পারতে না। কারণ সেই টাকা হারাম ছিল খোদাই করা মূর্তির কারণে। তাই মন্দির তার নিজস্ব মুদ্রা তৈরি করত এবং যখন লোকেরা মন্দিরে আসতো তাদের মুদ্রা বিনিময় কারীদের কাছে যেতে হতো এবং মুদ্রা বিনিময়কারীরা রোমান টাকার বিনিময়ে মন্দিরের টাকা দিত এবং সেই বিনিময়ের প্রক্রিয়ায় তারা তাদের ঠকাচ্ছিল এটাই সঠিক উত্তর ইমরান তাই আমি নম্রভাবে মাথা নত করে বললাম আমাকে সংশোধন করার জন্য ধন্যবাদ না জেনে না জেনে যে 20 বছর পরে তারা আমাকে যে সংশোধন করে দিয়েছিল তা আমার ইসলামী স্ক্যাটোলজিতে

আমাকে সাহায্য করতে আসবে ভন্ড মসিহ দাজ্জাল জেরুজালেম থেকে বিশ্ব শাসন করতে পারে না এবং ইহুদিদের তাকে প্রকৃত মসীহ হিসেবে গ্রহণ করাতে পারে না যদি ইসরাইল নকল টাকা ব্যবহার করে। না ইসরাইলকে সোনা ও রুপার মুদ্রা তৈরি করতে হবে এবং এই সোনা ও রুপার মুদ্রায় কোন খোদাই করা মূর্তি থাকবে না এবং তাই এখন আমি বুঝতে পারছি যে ইতিহাস সোনা ও রুপার মুদ্রাকে টাকা হিসেবে ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে শেষ হবে। কারণ ইসরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিস্থাপন করবে এবং বিশ্বের বাকি অংশ ইসরায়েলকে অনুসরণ করে সোনা ও রুপার মুদ্রাকে টাকা হিসেবে ফিরিয়ে আনতে বাধ্য

হবে। এটা আসছে। আমি জানিনা কত তাড়াতাড়ি হয়তো 20 বছর বা তার বেশি কিন্তু এটা আসছে এবং আমি যখন কথা বলছি এটা আশ্চর্যজনক যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক রাজ্য আছে যারা এখন হয় আইন প্রণয়ন করছে বা সোনা ও রূপাকে আইনসম্মত মুদ্রা করার জন্য তা করতে চলেছে। আমাদের পরবর্তী বক্তার সম্ভবত এ বিষয়ে আমার চেয়ে বেশি জ্ঞান আছে এবং তাই এখন আমরা ইসলাম আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা এবং অর্থের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের আলোচনা শেষ করছি যে এখন থেকে আমরা কাগজের টাকার পতন এবং ইলেকট্রনিক টাকার উত্থান আশা করতে পারি সমস্ত বিপদসহ। তারা কেবল আপনার

কম্পিউটারে একটি ইমেইল খুঁজে পাওয়ার কারণে আপনার একাউন্ট ফ্রিজ করে দিতে পারে। সন্ত্রাসী এটুকুই এবং তারা আপনার একাউন্ট ফ্রিজ করে দেয়। আপনি এ নিয়ে কিছুই করতে পারবেন না। আপনি আপনার একাউন্ট থেকে টাকা আগে থেকে বেরও করতে পারবেন না। না বের করার মতো কিছুই নেই। তাহলে কি করণীয়? আমরা জানি যে সোনা ও রূপা আসছে। কিন্তু ইসলামে আমরা বলি যে সোনা ও রুপা হলো টাকা। এটি শূন্য টাকা। এবং তাই আমরা এখন যা করি তা হলো আমাদের নকল ও প্রতারণামূলক এবং সম্পূর্ণ হারাম কাগজের টাকা পরিবর্তন করে তার পরিবর্তে সোনা ও রুপা পাওয়ার চেষ্টা।

করা এবং তারপর যতবার সম্ভব সোনা ও রুপা ব্যবহার করে কেনাবেচা করার চেষ্টা করা। আমি দুই সপ্তাহ আগে জুমার দিনে দে পালমা হোটেলে যে ভাষণ দিয়েছিলাম তা দিয়ে শেষ করি। আমি আমপাং পয়েন্টের ডে পালমা হোটেল কর্তৃপক্ষকে বলেছিলাম যারা গর্ব করে যে এটি মালয়েশিয়ার একমাত্র শরিয়া সম্মত হোটেল। আমি বললাম শুনুন দেপাল মা যদি কেউ আপনার হোটেলে থাকতে আসে এবং দিরহামে বিল পরিশোধ করার প্রস্তাব দেয় এবং আপনি বলেন যে আপনি এটি গ্রহণ করছেন না এক নম্বর আপনি একটি পাপ করছেন এবং দুই নম্বর আপনি আর শরীয়াস সম্মত নন। আমাদের পরিকল্পনা হলো

শহর থেকে বেরিয়ে যাওয়া গ্রাম তৈরি করা এবং আমাদের গ্রামগুলোতে আমাদের ছোট ছোট বাজার থাকবে। এবং আমাদের বাজারে আমরা নকল টাকা ব্যবহার করার অনুমতি দেবো না। না আমরা দিনার এবং দিরহাম ব্যবহার করব এবং নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের শিক্ষার উপর ভিত্তি করে যদি মদিনায় দিনার ও দিরহামের অভাব থাকতো তারা টাকা হিসেবে কি ব্যবহার করতো? বলুন আমাকে বলুন। খেজুর। মাশাআল্লাহ। আপনি উত্তর জানেন। খুরমা মদিনায় যদি দিনার ও দিরহামের অভাব থাকতো তারা খেজুরকে টাকা হিসেবে ব্যবহার করত। তারা গমকে টাকা হিসেবে ব্যবহার করত। তারা জবকে টাকা

শহর থেকে বেরিয়ে যাওয়া গ্রাম তৈরি করা এবং আমাদের গ্রামগুলোতে আমাদের ছোট ছোট বাজার থাকবে। এবং আমাদের বাজারে আমরা নকল টাকা ব্যবহার করার অনুমতি দেবো না। না আমরা দিনার এবং দিরহাম ব্যবহার করব এবং নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের শিক্ষার উপর ভিত্তি করে যদি মদিনায় দিনার ও দিরহামের অভাব থাকতো তারা টাকা হিসেবে কি ব্যবহার করতো? বলুন আমাকে বলুন। খেজুর। মাশাআল্লাহ। আপনি উত্তর জানেন। খুরমা মদিনায় যদি দিনার ও দিরহামের অভাব থাকতো তারা খেজুরকে টাকা হিসেবে ব্যবহার করত। তারা গমকে টাকা হিসেবে ব্যবহার করত। তারা জবকে টাকা

হিসেবে ব্যবহার করত। তারা লবণকে টাকা হিসেবে ব্যবহার করত। কেউ একজন মজা করে বলছিলেন, আপনি যদি যাবায় কাকেন এবং সোনা ও রুপা ফিরিয়ে আনতে চান এবং আপনার কাছে যথেষ্ট না থাকে আপনি টাকা হিসেবে কি ব্যবহার করবেন? উত্তরটি নাসি নয়। বারাস। বারাস। হ্যাঁ। সে চালকে টাকা হিসেবে ব্যবহার করবে। এবং আপনি যদি কিউবায় থাকেন এবং আপনি জানেন যে ফিদেল কাস্ট্রো আর সিগার খান না আপনি যদি কিউবায় থাকেন ক্যারিবিয়ান ডিপুঞ্জা কিউবায় যেখান থেকে আমি এসেছি এবং আপনি সুন্নাহ টাকা দিনার ও দিরহাম ফিরিয়ে আনতে চান এবং আপনার অভাব আছে সামনের শাড়ির লোকেরা উত্তর দেবেন না

আপনি টাকা হিসেবে কি ব্যবহার করবেন সামনের শাড়ির লোকেরা উত্তর দেবেন না হ্যাঁ আমাকে তামাক বলবেন না উত্তর চিনি গুলা সরকার কি এসে আপনাকে চাল ব্যবহার করতে নিষেধ করতে পারে ওহ কি হাস্যকর সরকার সরকার আজও আমাদের সোনা ও রুপা তৈরি করতেও আটকাতে পারে না। পরবর্তী বক্তা সোনা রুপা তৈরি করছেন। তাই আগামীকাল সরকার আপনাকে সোনা ও রুপা দিয়ে কেনাবেচা করা থেকে আটকাতে পারবে না। আমি দোয়া করি এবং আমি আপনাদেরকে আমার সাথে দোয়া করার জন্য অনুরোধ করছি যে একদিন আমরা সত্যিকারের মুদ্রা পুনরউদ্ধার করতে সক্ষম হব। আপনারা এই ছোট্ট পুস্তিকাটি আকর্ষণীয় মনে করতে

পারেন। দ গোল্ড দিনার এন্ড সিলভার দিরহাম। ইসলাম এন্ড দ ফিউচার অফ দা মানি। আমাদের কাছে এটি একটি লেকচার ডিভিডি হিসেবেও আছে। এগুলো সবই বাইরে আছে।


এখন, ইসরাইলের ইরানের উপর আক্রমণের ফলে কী ঘটেছে,

এখন, ইসরাইলের ইরানের উপর আক্রমণের ফলে কী ঘটেছে, তা ইসলামি অন্তঃকালতত্ত্বের (eschatology) দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করলে আমি মনে করি, আমরা ইতিহাসের এক মোড় ঘুরানোর মুহূর্তে এসে পৌঁছেছি। ইতিহাসের ধারা এখন পরিবর্তিত হচ্ছে। এক প্যাক্স আমেরিকানা (Pax Americana) যুগ, যা এতদিন ধরে চলছিল, সেটি এখন পেছনের দিকে সরে যাচ্ছে এবং চাইলেও বা না চাইলেও, ট্রাম্প তা বুঝুক বা না বুঝুক, তার জায়গা নিচ্ছে এক প্যাক্স জুডাইকা (Pax Judaica)—যেখানে ইসরাইল প্রকাশ্যে বিশ্বশক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করছে।

২৫ বছর আগে প্রকাশিত "জেরুজালেম ইন দ্য কুরআন" নামক বইটিতে আমরা এই তত্ত্বই উপস্থাপন করেছিলাম—প্যাক্স ব্রিটানিকা (Pax Britannica) কোন দুর্ঘটনাবশত বা শূন্য থেকে আসেনি। এটি ছিল তিনটি ধাপের একটি প্রক্রিয়া:

  1. প্যাক্স ব্রিটানিকা →
  2. প্যাক্স আমেরিকানা
  3. প্যাক্স জুডাইকা।

যার উদ্দেশ্য ছিল—ইসরাইলের নেতৃত্বে একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি জেরুজালেমে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করতে পারবে: "আমি মসিহ"

বিষয়টি রাজনৈতিক বিজ্ঞান বা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের পাঠ্যক্রমে শেখানো হয় না। কিন্তু এই বিষয়টি শেখানো উচিত। কারণ, সেই ব্যক্তি যখন বলবে “আমি মসিহ,” তখন যারা বুঝতে অক্ষম, তারা তাকে সত্যিকারের মসিহ বলে গ্রহণ করবে। কিন্তু ইসলামের জগৎ তাকে চিনবে দাজ্জাল হিসেবে, এবং খ্রিস্টানদের সেই অংশ যারা যীশুকে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি, তারাও তাকে Antichrist বলে চিনবে।


আমি লিখছি এই ভন্ড মুসলিম জাতির  ইসলামি পণ্ডিত সমাজের উদ্দেশ্যে, অহংকার নিয়ে নয় বরং এক ভদ্র ও পাণ্ডিত্যপূর্ণ পন্থায়। কুরআন নিজেই ঘোষণা করে যে এটি পরিপূর্ণ সত্য এবং সব কিছুর ব্যাখ্যা দেয়। যদি তাই হয়, তাহলে ইতিহাসের গতিপথ কি কুরআন ব্যাখ্যা করতে পারে না?


তবে মালয়েশিয়ার কিছু মসজিদে আমাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু তার পরিবর্তে আপনারা উত্তর দিন—কুরআন কি বলছে না যে এটি সব কিছুর ব্যাখ্যা দেয়? তাহলে বর্তমান বিশ্বে যা ঘটছে—বিশেষ করে ইসরাইলের এমন দুঃসাহসিক আচরণ, যা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদকেও তোয়াক্কা করছে না—এগুলো কি কুরআনের আলোকে বিশ্লেষণ করা যাবে না?


ইসরাইলের প্রকাশ্য, বিনা উসকানির ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা, পারমাণবিক কেন্দ্র এবং সামরিক স্থাপনার ওপর আক্রমণ, এমনকি ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার, চিফ অফ স্টাফ, ও শীর্ষ পারমাণবিক বিজ্ঞানীদের হত্যার ঘটনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে বিশ্বকে—ইসরাইল এখন শুধুমাত্র নিজের আইন মানবে।


এর অর্থ দাঁড়ায়—প্যাক্স জুডাইকা এসে গেছে।


আমরা ২৫ বছর আগে যে বইটিতে এই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলাম, সেটিই এখন বাস্তব হয়ে উঠছে।


ইরানের প্রতিক্রিয়া—কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া ছাড়া—অত্যন্ত সীমিত ছিল। পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান চুপ রয়েছে। সম্ভবত এখন থেকে ইরানের ওপর হামলা চালানো হবে যতক্ষণ না তারা পারমাণবিক শক্তি অর্জনের সক্ষমতা হারায়।


এটাই প্যাক্স জুডাইকার প্রথম প্রকাশ্য আত্মপ্রকাশ।


এখন প্রশ্ন হলো—ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে কাশ্মীরে যেসব সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে এবং ভারতের প্রতিক্রিয়া—এসব কি ইসরাইল দ্বারা পরিচালিত? কাশ্মীরের মুসলমানরা এটা বিশ্বাস করে এবং আমি বলছি—তোমরা হয়তো ঠিকই ভাবছো।


এর মানে দাঁড়ায়, ভারত ইসরাইলের একটি কৌশলগত মিত্র হিসেবে কাজ করছে।


আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—সিরিয়া ও ইরাকের আকাশপথ না খোললে ইসরাইল এত বড়সড় হামলা করতে পারত না। 'বোগাস জিহাদ' (ভুয়া জিহাদ) দ্বারা আসাদের শাসনব্যবস্থা ধ্বংস করে ইসরাইল সিরিয়ার আকাশপথ খুলে নিয়েছে।

এইভাবে ইসলামি অন্তঃকালতত্ত্ব (Islamic eschatology) দেখায়—প্যাক্স ব্রিটানিকা ও প্যাক্স আমেরিকানার উদ্দেশ্য ছিল পথ তৈরি করা প্যাক্স জুডাইকার জন্য। এখন জেরুজালেম নেতৃত্বে আসবে, আর ওয়াশিংটন, লন্ডন বা ইউরোপের কিছুই বলার থাকবে না।

এখন প্রশ্ন উঠছে—জাতিসংঘ কি বাঁচবে এই প্যাক্স জুডাইকার অধীনে?

ইরানের জন্য এর ভবিষ্যৎ কী?

পারমাণবিক শক্তি একটি কার্যকর প্রতিরোধক (deterrent)। যদি ইরানের কাছে পারমাণবিক প্রতিরোধ থাকত, ইসরাইল সাহস করে এমন হামলা করত না। কুরআন ৮:৬০ এ আল্লাহ বলেছেন:"তোমরা তাদের বিরুদ্ধে শক্তি সঞ্চয় করো, যাতে শত্রুরা তোমাদের আক্রমণ করতে সাহস না পায়।"

আমরা মনে করি এখন সময় এসেছে ইরান যেন তাদের আগের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করে। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে পারমাণবিক অস্ত্র হারাম হতে পারে, কিন্তু প্রতিরোধের শক্তি গড়ে তোলা ফরজ।


আমরা আশা করছি ইরান শেষপর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে, হয়তো রাশিয়ার সহায়তায়। কারণ, রাশিয়া কখনও প্যাক্স জুডাইকার কাছে মাথানত করবে না। গত দেড় বছরে গাজায় যে গণহত্যা হয়েছে, তার প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার অবস্থান সেটাই প্রমাণ করে।


তাই, ইরান হয়তো শেষ পর্যন্ত নিউক্লিয়ার নন-প্রোলিফারেশন চুক্তি (NPT) থেকে সরে দাঁড়াবে এবং রাশিয়ার সহায়তায় পারমাণবিক শক্তি অর্জন করবে।


আর যদি তা ঘটে, তাহলে ইসরাইলের জন্য পরিণতি হবে খুবই 

ভয়াবহ।


More info

sheikh imran hosein



বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫

Operation raijingk ইরান vs ইসরাইলের

 পরবর্তী টার্গেট তুরস্ক পরিণত হতে পারে পাকিস্তানের এবং ধারাবাহিকভাবে সৌদি সহ অন্যান্য ইসলামী মুসলিম যে দেশগুলো তারাও আসবে। তো এইটার ক্ষেত্রে আসলে মুসলমানদের করণীয় কি? তাদের যে শক্তি সেই শক্তির সামনে দাঁড়ানোর মতো মুসলমানদের নিজস্ব শক্তি তৈরি করার চিন্তা থাকতে হবে। যে আপনি শুধু আমেরিকা থেকে অস্ত্র কিনবেন সে অস্ত্রের সফটওয়্যারও তাদের কাছে। ঠিক আছে? সেটা আপনি নতুন করে সেই অস্ত্র তৈরির যে টেকনোলজি সেটাও সে আপনাকে দিবে না। আবার সে অস্ত্র যদি আপনি তার বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে চান সেটির।


অনুমতিও সে দিবে না। সে অস্ত্র যদি আপনি ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে চান সেটির অনুমতিও সে দিবে না। পাকিস্তানের কাছে আমেরিকা যে অস্ত্রগুলো বিক্রি করে সেটি যেন ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার না করা যায় সে শর্ত দিয়ে থাকে। তাহলে শুধু অস্ত্র কিনার প্রতি যদি নির্ভর করে আমি যে সামারিটা করতেছি যে বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির যুদ্ধ চলতেছে, জ্ঞানের যুদ্ধ চলতেছে। ইরানের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে শুধু এই কারণেই যে সে জ্ঞানের দিক থেকে তার পরমাণু বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক জ্ঞান অর্জন করে ফেলতেছে। এই কারণে আক্রমণ হচ্ছে জ্ঞানের যুদ্ধ। অতএব মুসলিম বিশ্বের যারা।


কান্ট্রি আছে আমাদের ছোট দেশ বাংলাদেশ তাদেরও আসলে শুধু চেতনা বিক্রি করা বাদ দিয়ে বা সেকুলার হওয়ার প্রতিযোগিতা বাদ দিয়ে তাদেরও মনোযোগ দেওয়া উচিত। যে কিভাবে তারা নিজস্ব প্রযুক্তি ডেভেলপ করবে। বর্তমান যে ফিফথ জেনারেশনের যে যুদ্ধগুলো পরিচালিত বা ফোর্থ এবং ফিফথ জেনারেশন যুদ্ধগুলো পরিচালিত হচ্ছে এই যুদ্ধগুলোতে ড্রোনের ভূমিকা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের ভূমিকা ঠিক আছে এবং সাইবার অ্যাটাকের ভূমিকা এগুলো তো আপনারা ভারত পাকিস্তান এবং বর্তমান ইসরাইল যুদ্ধে যারা মোটামুটি অবজার্ভ করেছেন তারা খুব ভালোভাবে জানেন এই প্রত্যেকটা সেক্টরে।


বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে বাংলাদেশের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বলতে কিছুই নেই বাংলাদেশের ড্রোন ব্যবস্থা বলতে কিছুই নেই বাংলাদেশের ফাইটার জেট আক্রমণ করবে ঠিক আছে বা মিসাইল সিস্টেম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করবে কিছুই নাই প্রত্যেকটাতে আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের পার্শ্ববর্তী কোন দেশ যদি আমাদের উপর আক্রমণ করে যেমনটা ইসরাইল ইরানের উপর করেছে তাহলে ইরানের যা অবস্থাতে হাজার গুণ খারাপ অবস্থায় বাংলাদেশের। আর আমাদের যুবসমাজ ব্যস্ত আছে কিসে? জুয়া, নেশা, মদ, খেলতা-তামাশা আর ইসরাইলের ইহুদিরা কিসে ব্যস্ত আছে? জ্ঞান, গবেষণা ঠিক আছে? নতুন নতুন প্রযুক্তি,।


জীবন দেওয়া প্রত্যেকটা ইসরাইলের নাগরিকের জন্য যুদ্ধের ট্রেনিং নেওয়া জরুরি। ফরজ। সবাইকে দুই বছরের জন্য যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে হয়। তারপরে তারা নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত থাকে যুদ্ধ শুরু হলে আবার তাদের একটিভ হতে হয় ঠিক আছে এটাই তাদের জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য আর আমাদের জীবনের কোন লক্ষ্য নেই কোন উদ্দেশ্য নয় আমদের নবী মহাম্মদ আমদের জন্য জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য দিয়ে গেছেন কিন্তু আমরা লক্ষ্যহীন উভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়াচ্ছি এবং আনপ্রোডাক্ট তথা কোন প্রকার প্রোডাক্টিভিটি ছাড়া শুধু এর গীবত করা মারামারি করা গন্ডগোল করা কোন প্রোডাক্টিভ।


কাজ নাই কোন গঠনমূলক কাজ নাই ঠিক আছে ফেসবুক YouTube টুইটার এ সময় নষ্ট করা কোন লাইফ স্টাইলের কোন টাইম ম্যানেজমেন্ট নাই যে আমার লাইফ স্টাইল কিভাবে হবে স্বাস্থ্যের প্রতি কোনো খোজ নাই যে আমি স্বাস্থ্য ঠিক রাখবো সময়কে কাজে লাগাবো টাইমকে ঠিকভাবে কাজে লাগাবো কিছুই নাই শুধু সময় নষ্ট এবং গাল গল্প গীবত তহমতের মাধ্যমে আমাদের সময় পার হয়ে যাচ্ছে অতএব ভাইয়েরা আমাদের জন্য করণীয় কি এদিন আমাদের সামনেও আসবে এবং সেই দিনের প্রস্তুতি হিসেবে আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি পড়াশোনা প্রোডাক্টিভ লাইফ সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং নিজ নিজ জায়গা।


থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে এটি মুক্তি এটা ছাড়া মুক্তির কোন রাস্তা নেই হ্যাঁ আমরা হয়তো শক্তি দিয়ে তাদের সাথে পারবো না কিন্তু শক্তির বিষয় আল্লাহ সুবহানাতালা যেটা বলে আমার বক্তব্য শেষ করব শক্তির বিষয়ে আল্লাহ সুবহানাতালা বলেছেন আদ জাতিকে যখন ধ্বংসের ঘোষণা আল্লাহ দিয়েছিলেন তখন আদ জাতি বলেছিল যে বর্তমান পৃথিবীতে আমাদের চাইতে শক্তিশালী কে আছে যেমন আজকে আমেরিকা ইসরাইল বলতে পারে যে সব টেকনোলজি তো তাদের কাছে পৃথিবীতে আর কারো কাছে কোন টেকনোলজি নেই যে দুই একটা মুসলিম দেশ তাদের কাছে টেকনোলজি কিনেছে সেগুলো।


তারা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারবে না সুতরাং তাদের চাইতে সুপার পাওয়ার পৃথিবীতে কেউই নাই এটি সত্য কথা। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতালা বলছেন আলাল্লাহ্লা মানুষেরা কি জানে না যে আমেরিকার ইসরাইল যদি সুপার পাওয়ার হয় তো আমেরিকার ইসরাইলকে কে সৃষ্টি করেছে? এই আমেরিকা আল্লাহ নিজে কোরআনে বলছে যে আমেরিকা এবং ইসরাইলকে যে আল্লাহ সৃষ্টি করেছে সে আল্লাহ তো তাদের চেয়ে শক্তিশালী। আমেরিকা এবং ইসরাইল যদি আজকের সকল জ্ঞান বিজ্ঞান এবং টেকনোলজির মালিক হয়ে শক্তিশালী হয় তো এগুলো সবগুলোর সৃষ্টিকর্তা হচ্ছেন আল্লাহ সুবহাতালা।


আমেরিকা এবং ইসরাইলের সৃষ্টিকর্তা এই টেকনোলজি ড্রোন এয়ার ডিফেন্স সবগুলো সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সুবহাতালা আল্লাহ হচ্ছেন তাদের চেয়ে শক্তিশালী আল্লাহ অবশ্যই অলৌকিক কিছু ঘটাতে পারেন ঘটাবেন ঘটান ঘটিয়ে থাকেন ভবিষ্যতেও ঘটাবেন কিন্তু তাদের জন্যই ঘটান যারা পাওয়ার যোগ্য ফেরাউনকে মুসা আলাইহি সালাতু সালাম তার শক্তি দিয়ে পরাজিত করবে এরকম কোন শক্তি মুসা আলাই সালাতু সালামের কাছে ছিল না এজন্য তাকে পালিয়ে যেতে হচ্ছিল কিন্তু আল্লাহ পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যতিক্রম অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়ে ফেরাউনকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। তো এরকমই কোন অলৌকিক।


ঘটনার মাধ্যমে আল্লাহ ধ্বংস করতে পারেন। কিন্তু সেটার জন্য যে চেষ্টা যে কনিষ্ঠতা যেখলাস সেটা কিন্তু আমাদের নাই। যে ত্যাগ সেটা কিন্তু আমাদের নাই। আমাদের যে ইউরোপীয় উপনিবেশ পুরো মুসলিম বিশ্বের সকল মুসলমানদের সমস্যা হচ্ছে উৎস হচ্ছে ইউরোপীয় উপনিবেশ। এই যে আফ্রিকায় যে সমস্যা ইব্রাহিম তোওড়ে ঠিক আছে। বুরকিনা ফাসুর যে আফ্রিকান মুসলমানদের উপর যে ফ্রান্সের যে উপনিবেশ ঠিক আছে যে আপনার টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় ব্যাংকেই রাখতে হবে অসংখ্য যে শর্তগুলো এটা দরকার আমরা আরেকদিন আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ তো এই যে উপনিবেশ আফ্রিকা।


উপনিবেশ বর্তমান পাকিস্তান ভারত এবং কাশ্মীরের দ্বন্দ্ব এটাও উপনিবেশের সৃষ্টি ফিলিস্তিন ইসরাইলের দ্বন্দ্ব এটাও উপনিবেশের সৃষ্টি এই 190 বছরের উপনিবেশ মুসলমানদেরকে এমন মুসলমানদের জীনের মধ্যে ব্লাডের মধ্যে এমনভাবে গোলামী কলোনিয়াল মাইন্ডসেট ঢুকিয়ে দিয়েছে যে মুসলমানেরা তাদের আত্মমর্যাদা আত্মসম্মান ভুলে গেছে। তাদের একটা টাকার জন্য মিথ্যা বলা একটা টাকা বেশি ইনকাম করার জন্য দুর্নীতি করা এটি তাদের মর্যাগত স্বভাব। ধোঁকা দেওয়া এটি তাদের মর্যাগত স্বভাব। এজন্য মুসলমানদের কিনে নেওয়া আমেরিকা এবং ইসরাইলের কাছে এক দুই মিনিটের ব্যাপার।।


এইযে ইরানের মধ্যে এত মুজাদের গোয়েন্দা কিভাবে? অর্থের কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়া। ঠিক আছে? আর অন্যদিকে একটা ইহুদি গোয়েন্দা যদি বুঝতে পারে সে ধরা পড়বে তাহলে সে বিষ পান করে মারা যাবে। কি পরিমাণ তার নিজের উপর আস্থা। ঠিক আছে? আর আমরা হচ্ছে আমাদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিব টাকার জন্য এই টাকার জন্য বিক্রি করে দিব এই মেন্টালিটি আমাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কিভাবে 190 বছরের গোলামীর মাধ্যমে তৈরি হয়েছে এজন্য আল্লামা ইকবাল বলেছেন সাবাক সাদাকাত সুজাত আদালত লিয়া জায়গা কাম দুনিয়া কি ইমামতকা যে মুসলমানেরা তোমরা সত্য বলা শিখো ন্যায়পরায়ণ আমানতদার।


হওয়া শিখো আত্মমর্যাদা সম্পন্ন আত্মবিশ্বাসী হওয়া শিখো নিজের দ্বীনের উপর কট্ট আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে আসা হীনমন্য না হওয়া সেকুলারিজম ডেমোক্রেসির মত যে ওয়ার্ল্ড ওয়ার্ডার যেগুলো আছে কেন্দ্রীয় বিশ্ব আইনের গ্লোবালাইজেশনের এগুলোকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া আস্তাগ করে নিক্ষেপ করা এবং নিজের দ্বীনের উপর অগাধ আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া এবং চেষ্টা করা এবং ত্যাগের মন মানসিকতা রাখা যখন আপনি আপনার সর্বোচ্চ চেষ্টা এবং সর্বোচ্চ ত্যাগ করবেন ইখলাসের সাথে তখন আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে তো সম্মানিত উপস্থিতি আমরা যদি আমাদের পুরো।


আলোচনার সামারি করি তাহলে আমরা এটি বলতে চাই যে ইরান এবং ইসরাইলের যে যুদ্ধ এটা পাওয়ার ডায়নামিক্স এটা কি বলে ওর নাম ইরান জেরুজালেমের খুব ভালো চাই, গাজার খুব ভালো চাই। এজন্য হামলা করতেছে অথবা ইসরাইল সৌদি পিয়ত কাতার বাহরাইনকে রক্ষা করবে ইরান থেকে এরকম কিছু না। তাদের উভয়েরই লক্ষ্য তারা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের শাসনকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এইজন্য একজন আরেকজনকে সহ্য করতে পারতেছে না। কেন? উভয় জ্ঞান বিজ্ঞান থেকে একজন আরেকজনের কাছাকাছি চলে আসতেছে। এইজন্য তাদের মধ্যে ফাইটটা লাজেম জরুরি ছিল। এটা হওয়ারই ছিল। এটা সংঘটিত।।


হয়ে গেছে। কিন্তু এখান থেকে আমাদের জন্য যে শিক্ষাগুলো নেওয়ার আছে, মুসলিম উম্মার জন্য যে শিক্ষাগুলো নেওয়ার আছে, সেই শিক্ষাগুলো তাদেরকে নিতে হবে এবং সেভাবেই সামনের পথ আমাদেরকে বাছাই করার চেষ্টা করতে। আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদের তৌফিক দান করুক। আল্লাহুম্মা আমিন। আশা করি আবার আপনাদের সাথে দেখা হবে ইনশাল্লাহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে। আসসালামু আলাইকুম


 ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। আর হ্যা একটা কথা বলতে ভুলে গেলাম। সেটি হচ্ছে আমাদের মাসিক আলী এতেসামে আপনারা নিয়মিত এরকম সমসাময়িক বিষয় আমাদের লেখনী সম্পাদকীয় 

সবকিছু পান এবং পেয়ে থাকেন।।।

নাসিরের ভয়ংকর রূপ


বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫

বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে ৫০ টার বেশি দেশে ভিসা ফ্রি ভ্রমণ টিপস্

যদি আপনি এখানে থাকেন, তাহলে সম্ভবত আপনি একজন বাংলাদেশী যিনি দূতাবাস/ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে ভিসা পেতে ঝামেলা ছাড়াই কোন দেশগুলিতে ভ্রমণ করতে পারেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন । আমি এই বিষয়ে উইকিপিডিয়া পৃষ্ঠা এবং অন্যান্য তথ্যসূত্রগুলিকে অবিশ্বাস্য বলে মনে করেছি, প্রায়শই এমন তথ্য থাকে যা হয় মিথ্যা অথবা ভালভাবে উল্লেখ করা হয়নি। যদি আপনি এই ধরণের উৎসের কারণে কম্বোডিয়া বা বলিভিয়ায় ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের আশা করে থাকেন, তাহলে এই লিঙ্কগুলি [1]_[2] ইঙ্গিত দেয় যে আপনার জন্য খারাপ খবর অপেক্ষা করছে।

ভালো খবর হল
1.গত 6 বছর ধরে আমি ৪টি মহাদেশে মাঝেমধ্যে ভ্রমণ করার সময় সক্রিয়ভাবে এই ধাঁধাটি নিজেই সমাধান করে চলেছি।
2. আমি আমার নোটগুলি একত্রিত করেছি যাতে আরও নির্ভরযোগ্য এবং স্বচ্ছ একটি উৎস (যাচাইযোগ্য তথ্যসূত্র সহ) তৈরি করা যায় যা আশা করি ভ্রমণ সমস্যায় ভুগছেন এমন সহকর্মী বাংলাদেশিদের জীবনকে আরও সহজ করে তুলবে।
এই পোস্টে, আমি প্রথমে সেই সমস্ত দেশের তালিকা দেব যেখানে আপনি তৃতীয় পক্ষের সাথে কোনও লেনদেন ছাড়াই অন-অ্যারাইভাল ভিসা অথবা ইলেকট্রনিক-ভিসা পেতে পারেন। এরপর, আমি এমন দেশ এবং অঞ্চলগুলির তালিকা দেব যেখানে আপনি বৈধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা বা শেনজেন ভিসা নিয়ে ভ্রমণ করতে পারেন (এই বিষয়ে আরও পরে)। পরিশেষে, আমি বছরের পর বছর ধরে দেখার সুযোগ পাওয়া কিছু জায়গা পরিদর্শনের জন্য পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত করব এবং কিছু ভ্রমণ পরিকল্পনা পরামর্শ দেব যা আমি আশা করি সহায়ক হবে

দাবিত্যাগ
1. কিছু দেশের ক্ষেত্রে, আমি যে উৎসগুলি উল্লেখ করেছি সেগুলি সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করিনি এবং তাদের নামের পাশে একটি ডাবল অ্যাস্টেরিস্ক “**” দিয়ে চিহ্নিত করেছি। আমি দৃঢ়ভাবে সুপারিশ করছি যে আপনি এই বিষয়ে অতিরিক্ত গবেষণা করুন এবং আপনার সেরা বিচারবুদ্ধি ব্যবহার করুন।
2. সকল দেশই আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, ব্যবস্থা করা থাকার ব্যবস্থা এবং ভ্রমণের সময় নিজেকে টিকিয়ে রাখার জন্য আর্থিক সক্ষমতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় নথি/তহবিল থাকতে বাধ্য করবে। ঠিক কী প্রয়োজন তা দেশ ভেদে ভিন্ন, তবে দূতাবাসের ওয়েবসাইটে তা উল্লেখ করা হবে। প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে স্পষ্টীকরণের প্রয়োজন হলে, আমি পরামর্শ দিচ্ছি যে আপনি সরাসরি সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করুন। অনুগ্রহ করে রিটার্ন টিকিট ছাড়া বা ” পর্যাপ্ত” ভ্রমণ তহবিল ছাড়া কোনও বিদেশী দেশে যাবেন না , কারণ আপনাকে সম্ভবত প্রবেশের সময় প্রত্যাখ্যান করা হবে অথবা আপনাকে প্রথমেই আপনার ফ্লাইটে উঠতে দেওয়া হবে না। এই পোস্টটি আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনার জন্য একটি শক্তিশালী গবেষণার সূচনা বিন্দু হিসেবে কাজ করার জন্য তৈরি। তবে আপনাকে চূড়ান্ত কাজটি করতে হবে 🙂
3. সময়ের সাথে সাথে ভিসা নীতিমালা পরিবর্তন হতে পারে
যদিও আমি এই ডকুমেন্টটি যতটা সম্ভব আপডেট রাখার চেষ্টা করব, আপডেটের জন্য কিছুটা বিলম্ব আশা করা হচ্ছে। দয়া করে নিশ্চিত করুন যে আপনি যে লিঙ্কগুলি শেয়ার করছেন সেগুলি অনুসরণ করে উৎসগুলি দুবার পরীক্ষা করে দেখুন এবং নিশ্চিত করুন যে কোনও পরিবর্তন হয়নি। আমি যে উৎসগুলি লিঙ্ক করেছি সেগুলিই আমি খুঁজে পেয়েছি তার মধ্যে সেরা। যদি আপনি আরও ভাল উৎস খুঁজে পান, তাহলে দয়া করে মন্তব্যে শেয়ার করুন এবং আমি এই পোস্টে প্রয়োজনীয় সম্পাদনা করব।
4. যদিও আমি এটি একত্রিত করার জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খ গবেষণা করেছি   এটি একটি বিস্তৃত তালিকা নাও হতে পারে আপনি যদি নিয়মিত বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে ভিসা ছাড়া কোনও দেশে ভ্রমণ করে থাকেন এবং তালিকায় এটি দেখতে না পান, তাহলে দয়া করে আমাকে জানান, এবং যদি সম্ভব হয়, তাহলে আপনার সংশোধন যাচাইকারী উৎসগুলির একটি লিঙ্ক দিন।

এবার মজার অংশে আসি। এখানে তালিকাগুলো দেওয়া হল!
যেসব দেশ আপনাকে অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রদান করে

এশিয়া + ওশেনিয়া
11.ভানুয়াতু** – কোনও সরকারি ওয়েবসাইট থেকে নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি, তবে এই সূত্রগুলি [1]_[2]_[3]

ক্যারিবীয় অঞ্চল
7.বার্বাডোস পৃষ্ঠার নীচে স্ক্রোল করুন এবং দুবার চেক করার জন্য জাতীয়তা লিখুন
9. ত্রিনিদাদ ও টোবাগো* * – বাংলাদেশিদের জন্য ভিসার প্রয়োজনীয়তা নিশ্চিত/অস্বীকারকারী সরকারি ওয়েবসাইট খুঁজে পাওয়া যায়নি, তবে এই রাজ্যের মতো তৃতীয় পক্ষের সংস্থাগুলিতে আমরা আগমনের সময় ভিসা পেতে পারি

আফ্রিকা
1. রুয়ান্ডা – পূর্ব আফ্রিকার পর্যটন ভিসা সম্পর্কে আরও পড়ুন (কেনিয়া, উগান্ডা এবং রুয়ান্ডায় সম্মিলিত প্রবেশাধিকারের অনুমতি দেয়), এবং টিকাদানের প্রয়োজনীয়তার দিকে মনোযোগ দিন।
2. উগান্ডা  – পূর্ব আফ্রিকার পর্যটন ভিসা সম্পর্কে আরও পড়ুন (কেনিয়া, উগান্ডা এবং রুয়ান্ডায় সম্মিলিত প্রবেশাধিকারের অনুমতি দেয়), এবং টিকাদানের প্রয়োজনীয়তার দিকে
5. কোমোরোস বিমান বন্দরের ওয়েবসাইট   বলা হয়েছে যে সকল জাতীয়তার জন্য আগমনের সময় ভিসা দেওয়া হয়
6.মাদাগাস্কার- এটি আসলেই কোনও সরকারী ওয়েবসাইট কিনা তা যাচাই করা যায়নি
9. কোনও সরকারি ওয়েবসাইট নিশ্চিতকরণ নেই, তবে একাধিক থ্রেড/উৎস থেকে জানা যায় যে সকল জাতীয়তার সকল নাগরিককে আগমনের সময় ভিসা দেওয়া হবে।
10. গিনি-বিসাউ ওয়েবসাইটটি বলে যে ই-ভিসা পাওয়া সম্ভব, কিন্তু  ই-ভিসা আবেদনের লিঙ্কটি বন্ধ রয়েছে।
 12. তগো 

ইলেকট্রনিক/অনলাইন ভিসা নিয়ে আপনি যেসব দেশে যেতে পারেন (পূর্বে আবেদন করতে হবে)
ই-ভিসা (গুলি) সম্পর্কিত প্রশ্নগুলির জন্য এবং বিভিন্ন দেশের জন্য আপনার কী প্রয়োজন তা পরীক্ষা করার জন্য এবং যদি আপনি কোনও পেশাদার তৃতীয় পক্ষের তথ্য যাচাই করতে চান, তাহলে আমি আইভিসার ওয়েবসাইট  (অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক) একটি সহায়ক উৎস হিসাবে খুঁজে পেয়েছি।
দ্রষ্টব্য: আপনার আগমনের তারিখের কতক্ষণ আগে আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে সেদিকে মনোযোগ দিন, কারণ এই সময়কাল বিভিন্ন দেশের জন্য পরিবর্তিত হয়।
7. জাম্বিয়া [1]_[2]
8. জিম্বাবুয়ে [1]_[2]
10. বেনিন বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা, রাজ্য নয়, তাই ধরে নিচ্ছি যে ই-ভিসার নির্দেশাবলী সকলের জন্য প্রযোজ্য।
16.মালয়েশিয়া সূক্ষ্মভাবে পড়ুন: “সন্দেহের ক্ষেত্রে, আবেদনকারীদের আরও নথি সরবরাহ করতে হতে পারে অথবা মালয়েশিয়া কনস্যুলেটের সাথে একটি সাক্ষাৎকার বা স্কাইপ সেশনের জন্য ডাকা হতে পারে”

বৈধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র/কানাডা/শেনজেন/ইইউ দেশ ভিসা নিয়ে আপনি যেসব দেশ/অঞ্চল পরিদর্শন করতে পারবেন

বাংলাদেশি হিসেবে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের একটি অজানা রহস্য হলো, যেসব দেশে সাধারণত আমাদের দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসা নিতে হয়, তারা যদি অন্য উন্নত দেশের বৈধ ভিসা থাকে, তাহলে সেই বিধিনিষেধ শিথিল করে। আমি ব্যক্তিগতভাবে বছরের পর বছর ধরে এই সতর্কতা থেকে সর্বাধিক সুবিধা পেয়েছি এবং বহু-প্রবেশকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং শেনজেন ভিসা ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং শেনজেন অঞ্চলের বাইরে প্রায় এক ডজন দেশ ভ্রমণ করেছি। এরপর, আমি তালিকাভুক্ত করব যে এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি কোন কোন দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন এবং কোন কোন ভিসায় ভ্রমণের জন্য আপনার প্রয়োজন। একক-প্রবেশকারীর পরিবর্তে কোন কোন দেশে বৈধ একাধিক-প্রবেশকারী শেনজেন ভিসা প্রয়োজন, সেদিকে বিশেষ মনোযোগ দিন।

দেশগুলো
1.মেক্সিকো  বৈধ কানাডা, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যে অথবা সেনজেন ভিসা
2. কোস্টারিকা- স্থায়ী বসবাস, ছাত্র ভিসা ইইউ সদস্যেদের কাজের 
4. বেলিজ=এটি পড়ুন : যদিও মনে হচ্ছে পনি বৈধ বহু-প্রবেশকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা বা শেনজেন ভিসা দিয়ে বেলিজে প্রবেশ করতে পারবেন তবে এর সাথে জড়িত বড় ধরণের লুকানো খরচ জড়িত থাকতে পারে। এই সূত্রগুলি [1]_[2] পরামর্শ দেয় যে বাংলাদেশিদের একক প্রবেশ ভিসার জন্য $250 USD ($500 BZD) এবং প্রবেশের সময় “প্রত্যাবাসন ফি” হিসাবে অতিরিক্ত $600 USD ($1200 BZD) দিতে হবে। আমি যখন লস অ্যাঞ্জেলেসের কনস্যুলেটে ফোন করি, তখন উত্তর দেওয়া মহিলা বলেন যে এই ফিগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে, আমি কখনও লিখিত বা ইমেলের মাধ্যমে কোনও নিশ্চিতকরণ পেতে পারিনি, এবং আইন সম্পর্কে আরও গবেষণা করেও কোনও অনুকূল ফলাফল পাওয়া যায়নি। যে কারণে আমি এখনও বেলিজে যাইনি।
8. যুক্তরাজ্য – এটি একটু অবাক করার মতো হতে পারে, তবে আপনি যদি (অন্যান্য প্রয়োজনীয়তার মধ্যে) অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করেন (অথবা যুক্তিসঙ্গত ভ্রমণের অংশ হিসেবে) এবং সেই দেশের জন্য একটি বৈধ ভিসা থাকে তবে আপনি যুক্তরাজ্যের ভিসা ছাড়াই যুক্তরাজ্যে ২৪ ঘন্টা  ট্রানজিটের অনুমতি পাবেন । অনুগ্রহ করে অন্যান্য প্রয়োজনীয়তাগুলি পরীক্ষা করে দেখুন।
19.জর্জিয়া- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, শেনজেন অঞ্চল অথবা দীর্ঘ তালিকাভুক্ত দেশগুলির বৈধ ভিসা (তালিকা এখানে দেখুন)

অঞ্চল
2. টার্কস অ্যান্ড কাইকোস (ব্রিটিশ টেরিটরি) বৈধ যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডার ভিসা

চীনের ২৪ ঘন্টা ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট নিয়ম
এই ভিসা অন্য কোথাও মানায় না, তাই এটিকে তার নিজস্ব বিভাগে রাখি। চীনের মধ্য দিয়ে অন্য কোনও দেশে পৌঁছানোর জন্য বাংলাদেশি ভ্রমণকারীরা ২৪ ঘন্টা ট্রানজিট ভিসা ছাড়ের জন্য যোগ্য হতে পারেন। এই ভিসা ছাড় সকল বিদেশী এবং চীনের বেশিরভাগ প্রবেশপথের জন্য উপলব্ধ।

সস্তা ফ্লাইট খোঁজা
  সস্তার ফ্লাইট খুঁজে পেতে আমি এখন যে পদ্ধতি ব্যবহার করি, তা ঠিক করতে আমার কিছুটা সময় লেগেছে। আমি গুগল ফ্লাইট  
এবং স্কাইস্ক্যানারের সংমিশ্রণ ব্যবহার করি । খোলামেলা ভ্রমণ পরিকল্পনা থাকলে কোথায় সস্তায় উড়তে পারবেন তা নির্ধারণের জন্য গুগল ফ্লাইট হল সেরা ওয়েবসাইট/অ্যাপ (আমার বিনীত মতে)। ম্যাপ/এক্সপ্লোর বৈশিষ্ট্য যা আপনাকে প্রস্থান স্থান বেছে নেওয়ার পরে যেকোনো জায়গায় যাওয়ার জন্য ফ্লাইটের দাম দেখতে দেয় তা অসাধারণ। গুগল আপনাকে এও বলে যে বর্তমানে কোনও স্থানে যাওয়ার জন্য ফ্লাইটের দাম সাধারণত কত খরচ হয় তার তুলনায় সস্তা/ব্যয়বহুল কিনা।
 কিন্তু যদি আমার পরিকল্পনাগুলি খোলামেলা না হয় এবং আমি যদি যেতে চাই এমন একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থাকে তবে কী হবে?
চিন্তার কিছু নেই! এই অ্যাপগুলি আপনার জন্যও উপকারী। দুটি অ্যাপের মাধ্যমেই, আপনার স্বপ্নের গন্তব্যে 
যাওয়ার জন্য ফ্লাইটের দাম পরিবর্তন হলে আপনি বিজ্ঞপ্তি পেতে পারেন। আমি এই বৈশিষ্ট্যটি সর্বদা ব্যবহার করি এবং লস অ্যাঞ্জেলেস-পানামা সিটি থেকে $১৪০ রাউন্ড-ট্রিপ এবং সুইডেন থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস পর্যন্ত $১৮৫ একমুখী ফ্লাইটের মতো অবিশ্বাস্য অফারগুলি ব্যবহার করেছি

চলার পথে আমার গল্প..masum171

  ভাইয়া, আমি যাকে ভালোবাসি, তার পরিবার অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। আমি ওকে ছাড়া বাঁচবো না। —   ঠিক আছে। আগে বলো, কিসে পড়ো তুমি? — এ...