বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫

যার জন্য কাঁদি, সে-ই কাঁদার যোগ্য নয়....

 এই বইটি কেবল শব্দ নয়, একেকটি অনুভব।

🔹 এই বইটি কেন লেখা হয়েছে?

এই বইটি লেখা হয়েছে কিছু না-বলা কথা, চেপে রাখা কষ্ট আর হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার অনুভূতিগুলো তুলে ধরার জন্য।

এটি কোনো সাজানো উপন্যাস নয় — বরং বাস্তব অভিজ্ঞতা, আত্মপ্রকাশ, ও আত্মপরিচয়ের যাত্রাপথ।

🔹 এই বইতে আপনি যা যা পাবেন

  • সম্পর্ক, প্রেম, অবহেলা ও বিচ্ছেদের গভীর মনোলগ মধ্যবিত্ত জীবনের অভিমান আর সংকোচ
  • নিজের ভেতরে যুদ্ধ করা একজন মানুষের আত্মকথা
  • অপেক্ষা, নিঃসঙ্গতা আর ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস

🔹 এই বইটি কেন পড়বেন?

  1. কারণ আপনি নিজেকে খুঁজে পাবেন এই পাতাগুলোর ভেতর
  2. কারণ কিছু ব্যথা শব্দ হয় না, কিন্তু অনুভব হয়
  3. কারণ হয়তো আপনি একদিন একই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গেছেন
  4. কারণ আপনি একা নন — এই লেখা আপনার মতো 

মানুষদের জন্য 

🔹 এই বই থেকে আপনি যা শিখতে পারেন:

  •  ভালোবাসা যখন বোঝা হয়, তখন নিজেকে ভালোবাসা জরুরি
  • অপেক্ষা সবসময় প্রাপ্তিতে শেষ হয় না

  • সম্পর্ক অনেক সময় নিজের আত্মসম্মান খেয়ে ফেলে
  • যার জন্য কাঁদি, সে-ই সবসময় কাঁদার যোগ্য নয়
  • নিঃশব্দে ভেঙে পড়ার পরেও মানুষ ঘুরে দাঁড়াতে পারে

📲 এই QR কোডটি স্ক্যান করুন:

লুকানো একটি পৃষ্ঠা খুলে যাবে — যেখানে আপনি জানাতে পারেন আপনার অনুভব, অথবা পড়ে নিতে পারেন কিছু না-বলা কথা…

কিছু অনুভব কাগজে ধরা যায় না, তাই শব্দের বাইরের এই ঠিকানায় আপনাকে আমন্ত্রণ।💬

 📩 আপনার মতামত আমাদের পরবর্তী লেখার অনুপ্রেরণাএই কোড স্ক্যান করে মাত্র ১ মিনিট সময় দিন — আপনি কেমন অনুভব করেছেন, সেটা আমাদের জানান। 
Google form
আপনার ভেতরের না-বলা কথাগুলো জানাতে চাইলে… এই কোডটি স্ক্যান করুন।
লেখার ভেতর দিয়ে আপনি হেঁটেছেন, এবার কিছু অনুভব আমাদের দিন…


আজ কাল প্রেম টা শুধু অপশন খুঁজে



যে মানুষটা হুটহাট করে জীবনে চলে আসতে চায় তার বিদায় বেলাটাও হুটহাট করেই হয়ে যায় হঠাৎ করে চলে আসা মানুষগুলো সারাজীবন থাকতে আসে না এরা অনেকটা অতিথি পাখির মতো খানিকটা সময় মনে নাড়া দিয়ে চলে যায় অতিথি পাখি যেমন আটকে রাখা যায় না এদেরও ধরে রাখা যায় না যে জীবন থেকে চলে যেতে চায় তাকে যেমন জোর করে ধরে রাখতে হয় না তেমনিভাবে যে জীবনে হঠাৎ করেই আসতে চায় তাকেও সাথে সাথেই গ্রহণ করতে হয় না মানুষটাকে অপেক্ষা করাতে হয় তার ভালোবাসার পরীক্ষা নিতে হয় এতে করে সঠিক মানুষটা চিনতে পারা যায় জীবনে ভুল কোন মানুষকে ভালোবেসে ঠকে যাওয়ার থেকে সারাজীবন একা থাকাটাই অনেক ভালো এতে করে আর যাই হোক অন্তত ভুল কোন মানুষের স্মৃতি নিয়ে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয় না ভুল মানুষের স্মৃতি অনেকটা দেহে ক্ষত দাগের মত প্রথম যে মানুষটার উপর একবার মন আটকে যায় সে মানুষটা চলে গেলে পুরো জীবনটাই বদলে যায় পরে তার থেকে আরো যত সুন্দর কিংবা ভালো মানুষই জীবনে আসুক না কেন ওই চলে যাওয়া মানুষটার মত অনুভূতি আর কোন মানুষের উপর পড়ে না আর কারোর উপর মন আটকে যায় না জীবন তো আর কারো জন্য থেমে থাকে না তাই একটা পর্যায়ে নতুন মানুষ আসে তার মত করেই মানুষটা ভালোবাসতে শুরু করে একটা পর্যায়ে এসে ধীরে ধীরে মানুষটা মায়ায় আটকে যায় কিন্তু কেন যেন মানুষটার উপর আগের সেই অনুভূতিটা চাইলেও ফিরে পাওয়া যায় না জোর করে হলেও মনের শূন্যস্থানে মানুষটাকে বসানো যায় না ভেতরটা হয়ে যায় অনুভূতিহীন তবুও কাউকে শুধুমাত্র জীবনে জায়গা দিতে হয় কারণ মনের জায়গাটা অনেক আগেই বন্ধ হয়ে যায় মনের জায়গায় খুব সহজেই কাউকে বসানো যায় না যদি না ভেতর থেকে মানুষটার জন্য ডাক না আসে জীবনের সবকিছুর কন্ট্রোল মানুষের এর কাছে থাকে শুধুমাত্র মনের কন্ট্রোলটাই আমাদের কাছে থাকে না জীবনে প্রথম মানুষটার জন্য সবকিছুর ক্ষেত্রে প্রথম অনুভূতিটা হয় একদম বিশুদ্ধ নির্ভেজাল কিন্তু দুঃখের বিষয় সবার জীবনে প্রথম মানুষটা চিরকাল চিরস্থায়ী হয়ে থাকতে পারে না ভুল মানুষের জন্য কিংবা ভুল মানুষটা চলে যাওয়ায় জীবন থেকে সমস্ত অনুভূতিও হারিয়ে যায় একটা সম্পর্ক যখন একজনের কারণে ভেঙে যায় তখন অপর মানুষটা অসহায় হয়ে পড়ে চাইলেও কিছু করা যায় না বাস্তবতার কাছে হার মেনে নিতে হয় যে মানুষটা সম্পর্ক ভেঙে চলে যায় সে জানে না অপর মানুষটাকে কতটা আঘাত দিয়ে সে চলে গেল কতটা একা করে চলে গেল মানুষটা কখনো বুঝতেপারবে না স্বপ্ন ভঙ্গের যন্ত্রণা কতটা কঠিন হতে পারে মন ভাঙ্গার যন্ত্রণা কতটা ভয়াবহ হতে পারে সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর মানুষ যতটা কষ্ট পায় তার থেকে বেশি কষ্ট পায় হারানো মানুষটার ওপর অধিকার হারিয়ে ফেলার কারণে কারণ বিচ্ছেদ শুধু মানুষটাকেই দূরে রাখে না মানুষটার সাথে সমস্ত অধিকারটুকু কেড়ে নিয়ে যায় যে মানুষটার সাথে নিয়মিত কথা হতো এখন আর কথা হবে না যাকে যখন তখন ফোন দেওয়া যেত এখন সেই অধিকার নাই সারাজীবন চাইলে একাই কাটিয়ে দেওয়া যায় কিন্তু জীবনে ভুল কোন মানুষের জন্য মায়া নিয়ে কাটিয়ে দেওয়া যায় না সঠিক মানুষটার জন্য অপেক্ষা করে থাকা যায় কিন্তু ভুল মানুষটার স্মৃতি নিয়ে থাকা যায় না ভুল মানুষটার কাছে নির্মমভাবে ঠকে যাওয়ার যন্ত্রণা কঠিন ভীষণ কষ্টের একটা বয়সের পর আর কারো জন্য মন থেকে পাগলামি করা কিংবা অধিকার খাটাতে ইচ্ছে করে না যেমনটা ইচ্ছে করেছিল প্রথম সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষটার উপর এখন আর কেউ ব্যস্ততার অজুহাত দেখালে রাগ হয় না কিংবা কোন খবর না নিলেও অভিমান হয় না এখন আর নিত্য নতুন বাহানা কিংবা ইচ্ছে করেই ঝগড়া করতে ইচ্ছে হয় না খুব দরকার না পড়লে জানতে ইচ্ছে করে না কারো সারাদিনের খবর আগে সব আবেগের মাঝে ছিল এখন সব বাস্তবতায় চলে আসছে নির্দিষ্ট একটা সময়ের পর জীবনে অনেক কিছুই বদলে যায় বদলে যায় মনের সব অনুভূতিও ব্যস্ততার কারণে হোক কিংবা কখনো ভুল কোন মানুষের প্রতারণার শিকার হয়ে মানুষটা যখন জীবনের মর্মটা বুঝতে পারে তখন থেকে মানুষ উপলব্ধি করতে পারে নাটক কিংবা সিনেমার মতো জীবনের গল্পটা সাজানো চায় না যাকে যখন তখন দেখা করার জন্য বলা যেত এখন সেই সুযোগ নেই কারণে অকারণে যার সাথে নিয়ম করে মান অভিমান কিংবা ঝগড়া করা যেত এখন মানুষটা অন্য কাউকে নিয়ে ব্যস্ত প্রিয় মানুষটাকে হারিয়ে ফেলার কারণে মানুষ যতটা কাঁদে তার থেকে বেশি কাঁদে মানুষটার উপর সম্পূর্ণ অধিকারটুকু হারিয়ে ফেলার কারণে যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতো একসাথে বাঁচতে চাইতো এখন ওই মানুষটাকে নিয়ে নতুন কোন স্বপ্ন দেখতে পারবে না একসাথে বাঁচতে পারবে না মানুষটা হয়ে যায় অন্য কারো প্রেমের ক্ষেত্রে একটু পাগলামি না হলে প্রেম জমে না একটু ঝগড়া মান অভিমান এসব প্রেমকে আরো মধুর করে তোলে সবসময় সিরিয়াস কথাবার্তায় প্রেম জমে না পাগলামি থাকতে হয় পাগলামি ছাড়া প্রেম অনেকটা লবণহীন তরকারির মত সমস্যা হলেও অনেকে পাগলামি বোঝেনা অনেকের কাছে পাগলামি এক ধরনের বিরক্তিকর মনে হয় যার কারণে কেউnএকজন পাগলামি করলে অপরজন এটাকে তিক্ততা অনুভব করে ফলে সম্পর্ক বিচ্ছেদ হতেও খুব বেশি সময় নেয় না যাদের কাছে পাগলামি বিরক্তিকর তারা অতি বাস্তববাদী মানুষ বাস্তববাদী মানুষের প্রেম হয় না হলেও টিকে না পাগলামি কি এটা কিভাবে আসে পাগলামি হলো আবেগের একটা অংশ পাগলামি কারা করবে পাগলামি ছেলেমেয়ে উভয় করতে পারলেও ভাত্রিক দৃষ্টিতে পাগলামি মেয়েদের ক্ষেত্রেই বেশি শোভা পায় কারণ পাগলামি মেয়েদেরই মানায় ছেলেদের নয় ছেলেদের মানায় রাগ সংগ্রামী ও সাহসীতে ছেলেদের ভালোবাসা প্রকাশ পায় ত্যাগে দায়িত্ববোধে ও কর্তব্যে মেয়েদের ভালোবাসা প্রকাশ পায় অভিমানের ঢঙে ও পাগলামিতে প্রেমিক তো হয় সেই পুরুষ যে তার প্রেমিকার সকল অভিমান ঢং ও পাগলামিকে সহ্য করে ভালোবেসে যায় প্রেমিকা তো হয় সেই নারী যে তার প্রেমিকের সকল রাগ সংগ্রামী ও সহযোগিতাকে পেছনে ফেলে হয়ে ওঠে নয়নের মনি জীবনে হুট করে নতুন কাউকে মনে জায়গা দেওয়ার আগে একবার হলেও পুরনো সেই মানুষটার কথা ভেবে নিও যাকে মনে জায়গা দিয়ে তুমি নির্মমভাবে ঠুকিয়েছিলে তখন হয়তো তুমি ঠিক অতটা বুঝতে পারোনি প্রতারক মানুষটার করা অভিনয়টুকু যার কারণে মানুষটার কথার মায়াজালে নিজেকে আটকে গিয়েছিলে কিন্তু এখনো যদি সেইএকইভাবে প্রতারিত হও তাহলে তুমি এখনো বোকাই আছো যে ভালোবাসতে চায় তাকে যে ভালোবাসতে হবে এমনটা তো কোথাও লেখা নেই সবাই তো আর সত্যিকার অর্থেই মন থেকে ভালোবাসে না অনেকের ভালোবাসার কথার পেছনে থাকে অভিনয় ছলনা ও প্রতারণার মতো বাজে উদ্দেশ্য সবার মিষ্টি কথায় নিজেকে ভুলতে নেই তোমার জীবনে অনেকেই ভালোবেসে কাছে আসতে চাইবে কিন্তু সবাই তোমাকে সত্যিকার অর্থে মন থেকে ভালোবাসবে না অনেকে শুধুমাত্র অতীত ভুলে থাকার জন্য নতুন কাউকে কাছে পেতে চায় অনেকের কাছে ভালোবাসা শুধুমাত্র সময় কাটানোর জন্য যার উপর আবেগ কাজ করে তার সাথেই পাগলামি করতেইচ্ছে জাগে একটা অপরিচিত বাহিরের মানুষের সাথে কেউ পাগলামি করে না মানুষ পাগলামি করলে প্রিয়জনের সাথেই করে তবুও কিছু মানুষ কেন এটাকে অতিরিক্ত ঢং বলে আখ্যায়িত দেয় বুঝিনা অকারণে জিত করা ঝগড়া করা কোন কারণ ছাড়াই ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অভিমান করা সিরিয়াস খুব মুহূর্তে ডিস্টার্ব করা এগুলো হলো এক ধরনের পাগলামি যে সম্পর্কে যত বেশি পাগলামি থাকে ঠিক সেই সম্পর্কে ভালোবাসাও ততটাই বেশি থাকে পাগলামি শব্দের ব্যাখ্যা অনেক



শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫

About the Book. >>>>ভালোবাসা, বেদনা আর একাকিত্বের অদৃশ্য সুতো—এই বইটি তোমারই গল্প বলে

 1. 📖 ভাঙা কণ্ঠে পাঠ করা একটি গান

> “তোমার অবহেলায় আমি আজ শক্ত” বা “ভালো থেকো, আমি না থাকলেও” 

🎧

> “এই বইটা আমি তোমার জন্য লিখেছি—তোমাকে বলা হয়নি, তবু তুমি আছো”

ভিডিওতে চোখে চোখ রাখলে অনেক কিছু বলা হয়ে যায়।

3. 📜 লুকানো পৃষ্ঠা (Secret Page)

> Amar_CPG

“না বলা চিঠি”

“একটা একান্ত গল্প”

“দেখে নিন লিংকে ক্লিক👉একটি কবিতা যা বইয়ে নেই”

4. 🎶 একটা মুড প্লেলিস্ট (Spotify / YouTube)

> “একাকিত্বের নোটবুক”Ami ekdin fire asbo

 Tumi robei nirabe Lofi + melancholy instrumental

5.ভালোবাসার চিরকুট 

> 


6. 💬 পাঠকের মন্তব্য জমা দেওয়ার ফর্ম

> আমার সাথে আপনার মন্তব্য শিয়ার করুন

আমার সাথে যোগাযোগ করুন 👉💌 আপনার মন্তব্য

7. ✉️ লেখকের কাছে চিঠি লিখে পাঠানোর অনুরোধ 

> —"আমিও একা", "এই অংশটা আমাকে কাঁদিয়েছে" 


>“তুমি বলোনি কিছু, কিন্তু আমি বুঝেছিলাম…”

শুধু QR স্ক্যান করে শোনা যায়।>>>> নিজেকে ভুলে ভালোবেসেছিলাম, সেই ভুলটাই ছিল সবচেয়ে বড়।<<<

✅ সবচেয়ে উপযুক্ত কম্বিনেশন (আমার সাজেশন):

📌 masum 

🔗 "ভাঙা কণ্ঠে একটি চিঠি – 'আমি বলিনি, তুমি বুঝবে বলে'(Audio)

🎧 Spotify/YouTube প্লেলিস্ট – ‘একাকিত্বে শুনবার মতো গান'>>> Play ⏯️  

Amar_CPG


শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫

masum171 Amar_CPG

। আমাদের হতাশ করেন। এরকম কথাবার্তা অনেকে বলেন। কিন্তু বিষয়টা হচ্ছে গাজায় যে যুদ্ধটা গত তিন বছর ধরে চলছে দুই বছর কয় মাস? এই যুদ্ধ স্বাভাবিক কোন যুদ্ধ না। এটা স্বাভাবিক কোন আক্রমণ না। এটা স্বাভাবিক কোন পরিকল্পনার অংশ না। দেখুন এই আমরা আমাদের জীবদদশায় অথবা আমাদের স্বাভাবিকভাবে আমাদের মেধাশক্তি কম। আমরা আধুনিক যুগের ছেলেপেলে মোবাইলের যুগের ছেলেপেলে, টিকটক এর যুগের ছেলেপেলে আমাদের মেধা হচ্ছে দুই মিনিটের মানে স্মরণ শক্তি আমরা পিছনের দিকে নাই তাকালাম। যদি আমাদের এই গত চার পাঁচ বছরে দুনিয়াতে যে কয়টা


যুদ্ধ হয়েছে বা এখনো চলছে সেগুলোর সাথে এই গাজার যুদ্ধের তুলনা করি। দেখুন ইসরাইল ইসরাইল গাজা যুদ্ধ শুরুর সমসাময়িক সময়ে আরো অনেকগুলো যুদ্ধ সুদানে চলছে তারপরে হচ্ছে আফ্রিকায় কয়েকটা দেশে হচ্ছে তারপরে ইউরোপে হচ্ছে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ এরকম অনেক দেশে যুদ্ধ সংঘাত পাকিস্তান ভারত যুদ্ধ আমরা এই গাজার যুদ্ধটাকে অনেক সময় শুধুমাত্র ফিলিস্তিনিদের উপরে ইসরাইলিদের আক্রমণ হিসেবে দেখি অথবা শুধুমাত্র মুসলিম ইয়াহুদি সংঘর্ষ হিসেবে দেখি মুসলমানদের উপর আক্রমণ মুসলমানদের উপরে যদি আক্রমণ হয় পাকিস্তানেও তো মুসলমানদের উপর আক্রমণ


সেখানে কেন আমেরিকায় এসে থামাতে হবে ইউরোপে এসে থামাতে হবে এটা চলবে না এ মোদি তুমি আক্রমণ করিও না সেখানে পাকিস্তানের উপর সেখানে থামানো হচ্ছে সুদানে মুসলমানদের উপর আক্রমণ সেখানে থামানো হচ্ছে থামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে সোমালিয়াতে আফ্রিকার আরো কিছু দেশে কিন্তু এই গাজা ভূখন্ডের এটা কেউ থামাতে আসছে না হ্যা চোখের সামনে অনেককেই আমরা দেখছি যে কেউ কেউ হচ্ছে এই যুদ্ধের বিরোধিতা করেছে নিন্দা করেছে করা ভাষায় নিন্দা করেছে একেবারে ক্ষেপিয়ে তুলেছে কেউ কেউ হচ্ছে দু চারটা মিসাইল টিসাইল মেরেছে কিন্তু কার্যকরভাবে যাদের হাতে ক্ষমতা যারা


থামাতে পারে যারা থামিয়েছে বিভিন্ন জায়গার যুদ্ধ তারা এই যুদ্ধ থামানোর জন্য কোন ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি। দেখুন গাজা ভূখন্ডে মানুষ যেভাবে মারা হচ্ছে যেই পদ্ধতিতে। বিশ্বে গত অন্তত 20 বছরে এমন কোন দেশে এই পদ্ধতিতে সারা বিশ্বের চোখের সামনে এই স্টাইলে মানুষ মারা হয়নি। তো সারা বিশ্বের চোখের সামনে এই স্টাইলে মানুষ মারার পরে কেউ কার্যত কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। যেমন ধরুন ট্রাম্পের কথা কি ছিল ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে যে বিশ্বে বড় ধরনের একটা বিশ্বকে বড় ধরনের একটা পরমাণু যুদ্ধ থেকে বাঁচিয়েছেন। যেই পরমাণু যুদ্ধ হলে হাজার


হাজার মানুষ মানা যেত। তো ভারত পাকিস্তানের হাজার হাজার মানুষের জন্য তার এত টান, এত প্রেম, এত ভালোবাসা। ফিলিস্তিনে তো হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। মারা গেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছে। সেখানের প্রেম কোথায়? সেই ভালোবাসা কোথায়? ঠিক একইভাবে দেখবেন যে কোন একটা জায়গাতে কোন একটা দেশে একটা মানুষ মারা যাচ্ছে, পাঁচটা মানুষ মারা যাচ্ছে। একটা ভূমিকম্প হচ্ছে ভূমিধস হচ্ছে ব্যাপকভাবে হচ্ছে ইউরোপ পশ্চিমা বিশ্ব মুসলিম বিশ্ব সেখানে ত্রাণ ট্রাান নিয়ে তার হচ্ছে লোকজন পাঠিয়ে অবস্থা খারাপ গাজায় ত্রাণ পাঠাচ্ছে ঠিকই ত্রাণ পৌঁছতেছে না এক


দ্বিতীয় হচ্ছে যারা যেটুকু পৌঁছতেছে সেটুকু হচ্ছে এইভাবে পৌঁছতেছে যে ফিলিস্তিনিদের তো আমরা আগে হচ্ছে তাদের বাসায় বাসায় গিয়ে মারতে হতো তাহলে এখন সেটার দরকার নেই আমরা ধরি না মাঝে মাঝে যে খাব চাপিয়ে দিয়ে তারপর মুরগিকে ধরে ঠিক সেইভাবে হচ্ছে ফিলিস্তিনিদেরকে মারতেছে এবং এই যে মারা গুলো এই যে মারা হচ্ছে এটা কিন্তু সবার চোখের সামনে হচ্ছে সবার চোখের সামনে এখন এটা নিয়ে যে কথাবার্তাগুলো আসতেছে নিন্দা করতেছে এমন করতে এটুকু তো হবেই এটুকু না হলে কি হয় নাকি এখন এই যুদ্ধ কেন থামবে না? দেখুন গাজা ভূখন্ডে যেটা চলছে, যে যুদ্ধ চলছে এই


যুদ্ধ যদি সত্যি সত্যি কারো থামানোর ইচ্ছা থাকতো তাহলে তো আজকে এসে সে কেন থামাবে? সে তো আরো এক বছর আগেও থামাতে পারতো বা দেড় বছর আগে। দু বছর আগেও তো থামাতে পারতো। এই যে থামানো যুদ্ধ থামাতে হবে থামাতে হবে। এই যে বিষয়টা এটা নিয়ে তো আলোচনা গত দুই তিন বছর ধরে। যুদ্ধই যদি থামাতে হয় এই অঞ্চলে যদি যুদ্ধই না থাকে সেটার একটা এবং প্রধান এবং একমাত্র উপায় হচ্ছে ইসরাইলকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করা। ইসরাইলকে রাজনৈতিক সাপোর্ট দেয়া বন্ধ করা। ডিপ্লোমেটিক সাপোর্ট দেয়া বন্ধ করা। কেন? এটার জ্বলন্ত প্রমাণ হচ্ছে ইউক্রেনে আমেরিকা


অস্ত্র দেয়া বন্ধ করেছে। এখন ইউক্রেনের কান্নাকাটি শুরু হয়ে গেছে। আমেরিকা যদি আমাকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করে এবং এটা যদি কন্টিনিউ হয় এ বছরের শেষে গিয়ে আমি আর কোন যুদ্ধই করতে পারবো না। ইউরোপ এটা কোন ব্যাপার না। ইউক্রেন বলছে সে নিজে ব্যাপক পরিমাণে অস্ত্র তৈরি করবে। তার অস্ত্র তৈরি করার জন্য ইউরোপের অনেক দেশ অনেক কোম্পানি তার সাথে এসে মোটামুটি ব্যাপক পরিমাণে একটা হচ্ছে মানে জোট বেঁধেছে। বন্ধুত্ব করেছে কোলাকুলি করছে। আসো আমরা এককটা অস্ত্র তৈরি করি। এখন আবার কোন কোন দেশ থেকে ব্যাপক পরিমাণে সে হচ্ছে ড্রোন


ট্রোন তৈরি করবে। কিন্তু তারপরেও আমেরিকার যে সাপোর্ট সেটা ইউক্রেনে বন্ধ করে দেওয়ার কারণে ইউক্রেন বেবা জায়গা খেয়ে গেছে। ইসরাইলে বাদ দেন আপনি বন্ধ করা। ব্যাপক পরিমাণে তো দিচ্ছেই। এমনকি বর্তমান এই যে নিজেকে হচ্ছে শান্তির কবুতর। শান্তির পায়রা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া। ট্রাম্প পর্যন্ত ইউক্রেনকে বলছে ইউক্রেন তোমাকে আমি অস্ত্র দিতে পারবো না। কারণ আমার কাছে অস্ত্র কম। এই অস্ত্র আমি এখন যেটুকু আছে এটা আমার ইসরাইলকে দিতে হবে। তো সেই পরিস্থিতি ছাড়াও আরো একটা বিষয় আছে সেটা হচ্ছে যেখানে পুরো আমেরিকা না শুধু সারা বিশ্ব


বলছে যে এখানে এই মধ্যপ্রাচ্যে যা ঘটছে শুধুমাত্র এবং একমাত্র ইসরাইলের ঘারতারামিক গোয়ারতমি এবং তার সেই গ্রেটার ইসরাইল রাষ্ট্র গঠনের জন্য ঘটছে। যদিও এই গ্রেটার ইসরাইল শুধুমাত্র ইসরাইলের নিজের না ইসরাইল অলরেডি এটার জন্য আমেরিকার মধ্যে ব্যাপক পরিমাণে তার পক্ষে কথা বলার লোক তৈরি করেছে তৈরি হয়েছে কথা বলছে কথা বলেছে এবং বলবে তো এই যে মধ্যপ্রাচ্যে বড় সমস্যা সেটার কারণ হচ্ছে এটা এটার কারণেই ইরানের উপরে এত আক্রমণ এটার কারণেই লেবাননের উপরে এটার কারণেই সিরিয়ার উপরে এটার কারণেই ইরাকের উপরে এটার কারণেই ইয়েমেনের উপরে এবং এটার


কারণেই আরো সব মুসলিম দেশগুলোর উপরে এখন এই গ্রেটার ইসরাইলের বিরুদ্ধে কে দাঁড়াচ্ছে? হ্যাঁ দাঁড়াচ্ছে। এই সমস্ত দেশের ছোট ছোট কিছু গ্রুপ দাঁড়াচ্ছে যে না আমার দেশকে আমি ভাঙতে দেব না। কিন্তু যেই সমস্ত গ্রুপ দাঁড়াচ্ছে তারাই দেখা গেল যে ওই দেশে আসলে এই দাঁড়ানোর মাধ্যমেই সে ওই দেশের মধ্যে একটা ভাঙ্গন তৈরি করছে। যদিও তার ইচ্ছা সেটা না যে আমি ভাঙ্গন তৈরি করব। এটা তার ইচ্ছা না। কিন্তু হয়ে যাচ্ছে। তো এর বাইরে কে দাঁড়াচ্ছে কেউ না। দেখুন একদিকে ইরানের সাথে যুদ্ধবিরোতির কথা চলছে তাই না? অন্যদিকে আমেরিকায় তার সিনেটরদের মধ্যে একটা বড়


অংশ তার কংগ্রেসের একটা অংশ আমেরিকার রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দিয়েছে যে এই ট্রাম্প আমরা ইরানের ওই পরমাণু কেন্দ্র পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করার জন্য যে বিমান এবং যে অস্ত্র ব্যবহার করেছি যেটা বিশ্বে আর কারো কাছে নাই অত নিচে গিয়ে আক্রমণ করে ধ্বংস ংশ করার বা ওখানে গিয়ে তারপরে বিস্ফোরণ ঘটানোর যে মিসাইল সেটা আর কারো কাছে নাই। এটা শুধুমাত্র আমেরিকার কাছে ছিল এবং ইজরাইল যখন চেয়েছে তখন তুমি জাস্ট লোক দেখানোর জন্য পাঠিয়ে কিছু লোক কিছু জায়গায় আক্রমণ করেছো। এটা এখন আর করার দরকার নাই। তুমি বরং সরাসরি এই জিনিসগুলো ইসরাইলকে দিয়ে দাও।


মানে এখানে অস্ত্রবিরোতি তো দূরের কথা। যুদ্ধবিরোধি তো দূরের কথা। একটা যুদ্ধবাজ সিরিয়াস টাইপের একটা যুদ্ধবাজ রাষ্ট্রকে সবচাইতে ডেঞ্জারাস অস্ত্রগুলো দেয়ার জন্য যেটা তার কাছে নাই তৈরি করতে পারছে না সেইটা দেয়ার জন্য ট্রাম্পের কাছে চিঠি দিয়েছে এবং হয়তোবা এটা পাশ হয়ে যাবে তো আপনি সেখানে কিসের যুদ্ধবিরোতির কথা বলছে আবার ধরুন এই অঞ্চলে যুদ্ধ হবে না যুদ্ধবিরোতির দিকে যাবে ট্রাম্প তো এটাই বলছে যে আমি হচ্ছে শান্তির পায়রা সেখানে কেন ব্যাপক পরিমাণে অস্ত্র পাঠাচ্ছে শুধুমাত্র ইসরাইলে না আশেপাশে যতগুলো আমেরিকার দ্বীপটিপ যা আছে সেগুলোতে সে


যুদ্ধজাহাজ বিমান বাহির রণতরী লেটেস্ট টেকনোলজির বিমান এইটা সেটা পাঠাচ্ছে হ্যাঁ মাঝে মাঝে খবর হচ্ছে আমেরিকার কিছু পত্রপত্রিকায় যে আমেরিকার অস্ত্র তেমন বেশি নাই অস্ত্র তৈরি হচ্ছে না যতটুকু তৈরি করতেছে তাতে হচ্ছে না এবং সে সবার কাছে অস্ত্র বিক্রি করবে না। কিন্তু ইসরাইলের ক্ষেত্রে কোন কথা নাই। দেখুন আমেরিকা ইসরাইলকে অস্ত্র দিচ্ছে। ডিপ্লোম্যাটিক সাপোর্ট দিচ্ছে। সামরিক সাপোর্টও দিচ্ছে। শুধু তাই না গাজা ভূখন্ডে এই যে মানুষ মারছে, ত্রাণ নিতে আসা মানুষ যে মারছে এটা শুধু ইসরাইল মারছে না। আমেরিকার কন্ট্রাক্টররা


কন্ট্রাক্টর কি জিনিস? খবরে আসছে আমেরিকার কন্ট্রাক্টররা গাজায় ফিলিস্তিনি মানুষ মারছে গুলি করে মারছে যারা ত্রাণ নিতে আসছে তাও আবার কি একজনে মারছে আরেকজনে আবার দূর থেকে বলছে আরে ব্যাটা পারলো না মাথাটা মারতে পারল না পল যে বুকে এটা হইলো নাকি মাথায় মারতে হবে এরা কিন্তু কন্ট্রাক্টর কিসের কন্ট্রাক্টর কির কন্ট্রাক্টর কি কন্ট্রাক্টর খবর আসছে কন্ট্রাক্টর আমি বলি ভাড়াটে আমেরিকার ভাড়াটে মানে ভাড়াটে বলতে হচ্ছে মার্চেন্ডারিজ বলে তো ভাড়াটে সৈন্য আমেরিকা থেকে ইসরাইল টাকা দিচ্ছে বা আমেরিকার কোন কোম্পানি টাকা দিচ্ছে তাদের


লোকজন এখানে এসে সিভিল ড্রেসে নিজেকে কখনো কন্ট্রাক্টর নিজেকে কখনো ত্রাণকর্মী নিজেকে কখনো বিভিন্ন টাইপের জিনিস দেখে ফিলিস্তিনিদেরকে মারছে ইসরাইল একা হচ্ছে না তারপরে শুধু ফিলিস্তিনিদের ইরানে একই জিনিস এবং এখন আমেরিকার উপরে ইসরাইল চাপ দিচ্ছে যে আমি লেবাননকে যেভাবে একটা ভঙ্গুর রাষ্ট্র করে লেবাননের আকাশকে পুরোপুরি একটা হচ্ছে আমার নিয়ন্ত্রণ। লেবাননের আকাশ এখন কার নিয়ন্ত্রণ? ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণ। ইসরাইল যদি বলে যে লেবাননের আকাশে এই বিমানটা ঢুকবে না। সেই বিমান ঢুকবে না। কারণ কি? কারণ হচ্ছে লেবাননের আকাশে তার আকাশকে


নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার নাই। এবং ইসরাইলের যুদ্ধবিমান ইসরাইলের ড্রোন ইসরাইলের যা ইচ্ছা তাই লেবাননের আকাশে ইচ্ছামত ঘুরতে পারে এবং সেটা লেবানন বসে বসে এরকম দেখবে আকাশের দিকে তাকিয়ে যে এগুলো ঘুরছে উড়ছে কিছু করতে পারবে না। ইরানের এখন কিছু এয়ার ডিফেন্স আছে যেটার কারণে মোটামুটি হচ্ছে মনে করা হয় যে পুরোপুরি স্বাধীনভাবে উড়তে পারবে না। কিন্তু ইসরাইলের কথা হচ্ছে আমি উড়তে পারি। এখন ইসরাইল আমেরিকাকে বলছে যে আমি লেবানন স্টাইলে ইরান চাই। মানে আমেরিকাকে বলছে এই আমেরিকা তুমি লেবাননকে আমাকে যেভাবে দিয়ে দিয়েছো এখন


সিরিয়াকে যেভাবে দিয়ে দিবা সেইভাবে আমি ইরানকেও চাই তুমি আমাকে দিয়ে দাও কি ইরানের আকাশ থাকবে আমার নিয়ন্ত্রণে আমি যখন ইচ্ছায় ইরানের আকাশে বিমান ওড়াবো যখন ইচ্ছা ইরানের আকাশে ড্রোন ওড়াবো যখন ইচ্ছা ইরানের যে জায়গায় ইচ্ছা আমি আক্রমণ করব ইরানের মধ্যে আমার কথায় চলবে এরকম ইসরাইলপন্থী কয়েকটা গ্রুপ বের হবে তারপরে তারা অন্য গ্রুপদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। এরকম ভাবে একটা ইরানকে ভেঙে ছুড়ে একটা ই করব। এখন এই খবরগুলো আসার পরে দেখবেন যে বড় বড় গলায় অনেকে বলবে না এটা সঠিক না। ওটা সঠিক না। এটা হচ্ছে না ওটা হচ্ছে না।


আমেরিকা থেকে। কিন্তু দেখবেন যে তলে তলে তারা এটার আজকে যেটা বলতেছে সেটা হয়তোবা পাঁচ বছর পরে সেই দিকে তারা যাবে যেতে চাইবে। তো এই যে কাজগুলো এই যে পরিকল্পনাগুলো এই পরিকল্পনাগুলোর বিরুদ্ধে কোন একটা দেশ পশ্চিমা দেশ দাঁড়াচ্ছে দাঁড়াচ্ছে না কেউ দাঁড়াচ্ছে না দুই একটা দেশের কিছু রাজনীতিবিদ কথা বলছে ইউরোপের কিছু দেশের রাজনীতিবিদরা কথা বলছে যারা যাদের আসলে এই ডিসিশন মেকিং এ কোন বড় ধরনের পদক্ষেপ নাই শুধু ইউরোপের কথা কেন সৌদি আরব আরব দেশগুলো মুসলিম দেশগুলো তুরস্ক ইরানে যখন আক্রমণ হয় তখন সেই আক্রমণের সময়ে ইসরাইলকে


সব ধরনের তথ্য সরবরাহ করে সৌদি আরবে। এই খবর শুনে আপনি কি করবেন? সেই ইরা সেই সৌদি আরবের সাথে ইরান গতকালকে বলছে যে আমরা সৌদির সাথে সম্পর্ক ভালো করতে চাই। ইসরাইলের পত্রিকা খবর বের করছে যে সৌদি আরব আমাদের কাছে এই তথ্য দিছে। এখানে অবশ্য একটা বিষয় আছে এরকমও হতে পারে যে ইসরাইলের পত্রিকা আসলে ইরান গতকালকে যেটা বলছে যে আমি সৌদির সাথে সম্পর্ক ভালো করতে চাই সেটার বিরুদ্ধে হয়তো এটা প্রচার করতে পারে। কিন্তু সৌদি আরব এরকম কাজ যে করতে পারে সেটার কিন্তু অনেক ভুরি ভুরি প্রমাণ আছে। ইরানে আক্রমণ হচ্ছে। ইসরাইলের বিমানগুলোকে


তথ্য দেয়া, রাডার দেয়া, রাডার থেকে তথ্য দেয়া। তারপরে হচ্ছে সেখানে কি বলে নিরাপত্তা দেয়া এবং ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গার তথ্য দেয়া। এখন প্রশ্ন করতে পারেন ভাই এটার জন্য সৌদি আরবের তো দরকার নাই। ইসরাইল নিজেই জানে এবং ইসরাইলের ইরানের মধ্যে যে পরিমাণ গোয়েন্দা যে পরিমাণ শত শত হাজার হাজার। তাদের তো আর সৌদি আরবের দরকার নাই। ওদিকে আমেরিকা তো তার সবকিছু নিয়েই আছে। আমেরিকার যে গোয়েন্দা বিমান বড় টাইপের গোয়েন্দা বিমান। যেই গোয়েন্দা বিমান ধরুন পুরো যুদ্ধ বিমানগুলোকে কন্ট্রোল করে গোয়েন্দা বিমান বড় একটা গোয়েন্দা বিমান


আকাশে উড়ে যেটাকে আপনি বলতে পারেন যে যুদ্ধ পরিচালনার হেডকোয়ার্টার সেই যুদ্ধ পরিচালনার হেডকোয়ার্টার নিয়ে সে আকাশে থাকে বিভিন্ন যুদ্ধবিমানকে বলে যে তুমি এই লোকেশনে যাও এখানে যাও এটা করো এটা করো এভাবে করো ওভাবে করো মানে সে সেখান থেকে সবকিছু নিয়ে তো সেটা ইরানের আকাশে তারপরে তো আর কারো দরকার নাই কিন্তু তারপরেও এই যে বিষয়গুলো এগুলো তো সিম্পল কোন বিষয় না সিম্পল কোন বিষয় না এখানে এখানে বড় প্ল্যানের অংশ হিসেবে এই জিনিসগুলো চলছে এবং এই প্ল্যানে সবাই সবাই এই প্ল্যানের মোটামুটি একটা সাপোর্টার যে ঠিক আছে এই প্লানে আমরা মোটামুটি


স্বাক্ষর করে নিলাম না আমরা এটাতে একমত হ্যা এই প্ল্যান কতদিনে বাস্তবায়ন হবে ছয় মাসে হতে পারে দুই বছর হতে পারে পাঁচ বছর হতে পারে প্লানটা কি ইসরাইলের জন্য হুমকি হবে এরকম দেশে কোন দেশ এখানে থাকবে না এবং যারা থাকবে যারা শক্তিশালী হতে চাবে যারা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে চাইবে যারা রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে চাইবে তাদের ইসরাইলের কাছে মাথা নত করে বায়াত গ্রহণ করে তারপরে চলতে হবে এবং ইসরাইলের এই যে সম্প্রসারণ নীতি এই সম্প্রসারণ নীতিতে যত মানুষ মারা যাক সেটা জায়েজ। শুধু জায়েজ না সেটা হচ্ছে ফরজ। এই ফরজ কাজের বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়াবে না।


এভেঞ্জেলিকরা, খ্রিস্টানরা, ইয়াহুদিরা, জায়নবাদীরা, জায়নবাদী মুসলিমরা এটার বিরুদ্ধে আমাদের ধারানোর কোন দরকার নেই। এবং ওই মৃত্যুটা আপনি যখন দেখবেন হোক সেটা সাধারণ মানুষ, হোক সেটা শিশু, হোক সেটা মানে মৃত্যুর সজ্যায় ছটফট করা একটা নিষ্পাপ মানুষ। সেটা দেখে তারা উল্লাস করবে। কষ্ট তো দূরের কথা তারা উল্লাস করবে এবং এই উল্লাস যেন বহুদিন ধরে চলে সেটারও ব্যবস্থা করবে। না হয় একজন নারী হিসেবে একটা মানুষ কিভাবে বলে যে গাঁজা ভূখন্ডে যে পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞ চলেছে এবং এই ধ্বংসযজ্ঞের নিচে এই যে ধ্বংসের স্তুপ এটার নিচে যে পরিমাণ


মানুষ মারা গেছে চাপা পড়ে সেটা দেখে আমি গর্বিত এবং আমি মনে করি আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আগামী 100 বছর ধরে এটা নিয়ে গর্ব করবে একজন নারী এটা কোন ভিত্তিতে কিসের ভিত্তিতে কোন ব্রেন থেকে কোন চিন্তা থেকে বলে এবং একজন নারী না আপনি দেখবেন এটাকে আস্তে আস্তে জেনারালাইজ করবে। এটাকে আস্তে আস্তে হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে যে হ্যাঁ এটাই তো বাস্তব। এটা হতেই পারে। এরকম একটা লেভেলে নিয়ে যাবে। এখন এটার ফিউচার কি? যদি এই প্রশ্ন আসে। ফিউচার হচ্ছে এই অঞ্চলে বড় মানের একটা যুদ্ধ। এবং সেই যুদ্ধটা শুধুমাত্র যে হচ্ছে কোন একটা রাষ্ট্র


নিজেকে বাঁচানোর জন্য কোন একটা দেশ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য সেরকম না। সেই যুদ্ধটা এখানে বড় মানের একটা ধর্মযুদ্ধ। যদিও এখন আসলে যেটা চলছে এটা একটা ধর্মযুদ্ধ। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মুসলিম দেশগুলো এটাকে ধর্মযুদ্ধ হিসেবে মানছে না। যারা অন্যপক্ষে আছে তারা কিন্তু তাদের কথাবার্তা আলোচনা, বক্তব্য, বক্তৃতা, ইন্টার্নাল আলোচনা, এক্সটার্নাল আলোচনা, ওপেন ডিসকাশন সবকিছুতে তারা কিন্তু মোটামুটি এটা স্পষ্ট করছে যে তারা একটা ধর্মযুদ্ধ চালাচ্ছে। যেমন তারা বলছে যে বাইবেলে আছে ইসরাইলকে রক্ষা করতে হবে। তারপরে হচ্ছে ইসরাইলকে রক্ষা করলে


গড তাকে রক্ষা করবে। ইসরাইলের প্রতি ভালোবাসা দিলে ঈশ্বর তাকে ভালোবাসবে। এই ধরনের যে ব্যাপক প্রচার এই প্রচার কিন্তু মানে একজন রাজনীতিবিদ এসে সামনে বলছে এবং সে সেটাকে গর্বের সাথে বলছে সে সেটাকে মানে এত স্ট্রেস দিয়ে বলছে যে আপনি যদি তাকে প্রশ্ন করেনও তাকে যদি মানে বারবার প্রশ্ন করেন হয় না যে ভুলে একটা বলে ফেললাম। আচ্ছা প্রশ্ন দ্বিতীয়বার করছে আচ্ছা ঠিক আছে ভাই এটা আসলে এইভাবে না সেরকম না সে সেটার উপরে স্ট্রেস দিয়ে বলছে যে হ্যাঁ এটাই তো একজন রাজনীতিবিদ দু চারজন লোক টেলিভিশনের সামনে এসে যেভাবে বলছে তার


মানে হচ্ছে যে এটা ব্যাপকভাবে এটা শিখানো হচ্ছে জেনারেশনের পর জেনারেশন লোক তৈরি করা হচ্ছে এটার জন্য যে তুমি যদি বেঁচে থাকো তোমার দায়িত্ব হচ্ছে ইসরাইল রাষ্ট্রটাকে রক্ষা করা এবং এটার মাধ্যমে তুমি দুনিয়া এবং আখেরাত উভয় পাবা তো তারা সেই কাজ করছে। কিন্তু এপক্ষের এপক্ষের শুধুমাত্র ফিলিস্তিনে যারা আছে তারা বলছে যে আমরা যেটা করছি সেটা হচ্ছে আমাদের দিক থেকে ধর্মযুদ্ধ। কিন্তু এর বাইরে যারা আছে এদের কথা হচ্ছে ঠিক আছে। ওটা হচ্ছে ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধ। ইসরাইল গাজা যুদ্ধ। সেখানে সাধারণ মানুষ মারা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ মারা যাচ্ছে। আমরা


এদিক থেকে এটাকে দেখছি। এটার বিরুদ্ধে আছি। এত বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠী আমরা বলি মুসলিম দেশ আমরা মাঝে মাঝে বলি মুসলিম বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছেন আমিও মাঝে মাঝে বলি মুসলিম বিশ্ব কিন্তু মুসলিম বিশ্ব কোথায় তো এই যে পরিস্থিতি এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একটাই উপায় সেটা হচ্ছে এই উপায়টা হচ্ছে যে আপনার এখানে যেইদিন মুসলিম বিশ্ব মনে করবে যে এটা হচ্ছে একটা ধর্মযুদ্ধ এটার দায় দায়িত্ব শুধুমাত্র ফিলিস্তিনিদের জন্য উপরে না সবার উপরে এবং সবার এটার জন্য এটার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে সেইদিন দেখবেন যে এখানে একটা বড় ধরনের যুদ্ধ বাধবে এবং সেই যুদ্ধের পরে


এটার সমাধান হবে্যা এখন সেই যুদ্ধের জন্য কে কতটুকু প্রস্তুত তারা প্রস্তুত ব্যাপকভাবে প্রস্তুত তারা তাদের কোম্পানিগুলো নিয়ে প্রস্তুত খাবার ডেলিভারি কোম্পানি থেকে শুরু করেন কোম্পানি আপনার সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানি ইন্টারনেট স্টারলিংক ইন্টারনেট ওয়েব এআই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তারপরে হচ্ছে স্যাটেলাইট ভিত্তিক যত প্রযুক্তি আছে এরপরে হচ্ছে অর্থনৈতিক যত মেকানিজম আছে তারা সবকিছু নিয়ে প্রস্তুত তারা আপনার ব্রেনগুলো কিনে নিয়ে সেগুলোকে তার খাঁচার মধ্যে রেখে সেগুলোকে ব্যবহার করছে সেই দিক দিয়েও প্রস্তুত আপনি কোন দিক দিয়ে প্রস্তুত


বক্তব্যে আমরা আছি যথেষ্ট পরিমাণে প্রস্তুত জজবা আমাদের ইয়াজ আছে কিন্তু কি আছে আপনার হাতে আপনার চাকরিটা পর্যন্ত আপনার হাতে না এবং সেটা হারানোর ভয়ে আমরা অনেক কিছু করতে পারি তো এজন্য বললাম যে শুরুতে যে প্রশ্নটা করলাম গাজায় যুদ্ধবিরোতি কেন সম্ভব না? একটা যুদ্ধবিরোধী যুদ্ধবিরোতি টাইপের কিছু একটা জিনিস হবে। কিছুদিনের জন্য এটা চলবে। কেউ কেউ এটা নিয়ে হচ্ছে নোবেল পুরস্কার পাবে। কোন কোন দেশ এটা নিয়ে যথেষ্ট পরিমাণে নিজেকে প্রচারপসার ঘটাবে যে আমি এটার পিছনে কাজ করেছি। কাতার বলবে আমি কাজ করেছি। তুরস্ক বলবে আমি কাজ করেছি। ইরান


বলবে আমি এটার জন্য জিহাদ করেছি। তারপরে ওই আখেরে গিয়ে আবারও এই জিনিস সেই জায়গায় চলবে। এই ত্রাণ কর্মীরা এসে এই কনস্ট্রাকশন কর্মীরা এসে এই আমেরিকার বিভিন্ন ধরনের কোম্পানির যে সমস্ত হচ্ছে ভাড়াটে লোকজন আছে তারা এসে ইসরাইলের সেনাবাহিনী এসে ফিলিস্তিনিদের মারবে। শুধু ফিলিস্তিনিদের না এর আশেপাশে যারা আছে আগামীকালকে যদি এই যুদ্ধ বন্ধ হয় পরশুদিন দেখবেন যে এটা চলছে কোথাও না কোথাও চলছে। এবং এটার বিরুদ্ধে যে কেউ দাঁড়াচ্ছে কেউ না কেউ দাঁড়াচ্ছে না। অনেকের দাঁড়ানোর ক্ষমতা নেই। অনেকের দাঁড়ানোর ইচ্ছা নেই। অনেকে আবার দাঁড়ানোর মত করে দেখে


দাঁড়াচ্ছে না। আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেন যে ভাই আপনি প্রত্যেকদিন বলেন না কেন? প্রত্যেকদিন লাইভে আসেন না কেন? আমি অনেক সময় লাইভে এসে ছয় মাসে যা বলা সেটা একদিনে বলে দেই। যে কারণে আসলে মাঝে মাঝে মনে হয় যে এক কথা আর কতবার বলব বারবার কি বলব অনেক সময় এরকম হয় যে আগামী ছয় মাস বসে যেই কথাগুলো বলব আমরা সেগুলো তো একদিনে বলে দি প্রত্যেকদিন এটা হচ্ছে ওটা হচ্ছে ব্রেকিং আসতেছে কিন্তু ঘটনা তো ওই জায়গায় ঘটনা আপনি যদি হচ্ছে বৃহৎ পরিসরে দেখেন দেখবেন এইভাবে এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অনেকের সাথে আমার কথা হয়েছে অনেকের সাথে ক্লাস


হয়েছে অনেকের সাথে হচ্ছে তর্ক হয়েছে অনেকে তাদের মত করে বলেছে যে হচ্ছে এটা এরকম ওইটা ওরকম ওইটা ওরকম আপনি এইটাকে এইভাবে দেখছেন ওরাওরকম ভাবে দেখছি আমি এইভাবে দেখছি দেখতে পারেন ভাই দেখতে পারেন কোন সমস্যা নেই কিন্তু ঘটনাগুলো যেভাবে ঘটছে যেভাবে যাচ্ছে তাতে খুব সহজে এটা শেষ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই এবং এটা শেষ হওয়ার জন্য যেটা দরকার সেটা হচ্ছে কোন একটা দেশের আমি এটা বিশ্বাসই করি এটা আমার কাছে মনেই হয় না যে পুরো মুসলিম বিষয়ে এক হয় একটা এটা সম্ভব না এটা হয় নাই কখনো কোন একটা দেশ মোটামুটি লেভেলের শক্তিশালী হয়ে ব্যাপক


পরিমাণে সাহস নিয়ে তাও বলবে যে আমি ঝাপায় পড়লাম তোমরা যদি থাকো আসো তখন দেখবে যে পাঁচ সাতটা দেশ এমনিতেই দৌড়ে আসবে আর পাঁচ সাতটা দেশ আসলে হবে বেশি লাগে না সেই দেশটা কে সেই দে

শটা কে হবে সেই নেতাটা কে হবে এটাই হচ্ছে দেখার বিষয় আজ তাহলে শেষ করছি।

শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫

শখের নারী..

 শখের নারী..!

মানুষ বলে অর্ধেক রুটি খরচ করলে কুকুর প্রেমে পড়ে যায়, অর্ধেক সিগারেট খরচ করলে শত্রুও বন্ধু হয়ে যায়; অথচ আমি আপনাকে ভালোবেসে আপনার জন্য আমার আস্ত একটা জীবন খরচ করে দেওয়ার পরও আপনি মানুষটা আমার হলেন না!


দুনিয়ার কোনো ভিক্ষুক অমন করে কারো দরজায় ভিক্ষা চায় নাই; আমি যেমন করে আপনার দরজায় একচিমটি ভালোবাসা ভিক্ষা চাইছি!


দুনিয়ার কোনো মানুষ জীবন হারাবার ভয়ে অমন হাউমাউ করে কাঁদে নাই; আমি যেমন করে আপনাকে হারানোর ভয়ে কাঁদছি!


দুনিয়ার কোনো ক্ষুধার্ত মানুষ খাওয়ার জন্য এতো নতো হয় নাই, আমি যতটুকু আপনাকে পাওয়ার জন্য নতো হয়ছি!


কোনো নিঃসন্তান মা'ও সন্তান পাওয়ার জন্য অমন করে মাজার মসজিদে কপাল ঠেকায় নাই, আমি যেমন করে আপনাকে পাওয়ার জন্য কপাল ঠেকাইছি!


কোনো বেকার ছেলে অমন করে চাকরি খোঁজে নাই; আমি যেমন করে আপনাকে পাওয়ার তরিকা খুঁজছি!


শখের নারী..l 

দুনিয়ার সকল মানুষ বুঝলো, আপনাকে আমার লাগবেই লাগবে; শুধু আপনি মানুষটা বুঝলেন না!


আপনাকে গাঙ্গের জল পাইলো, পথের ধূলো পাইলো, গাছের ফুল পাইলো, আসমানের বৃষ্টি পাইলো, সমুদ্রের জল পাইলো, কত অজানা- অচেনা মানুষ পাইলো; শুধু আমি মানুষটা আকুতি মিনতি করে চাওয়ার পরও আপনাকে পাইলাম না!


শখের নারী..l

আমার চাওয়ায় বুঝি এতো পাপ?


মসজিদে লেখা জান্নাত মিলে, স্কুলে লেখা শিক্ষা মিলে, রেষ্টুরেন্টে লেখা খাবার মিলে, ফার্মিসিতে লেখা ঔষুধ মিলে! অথচ শালার আমি তামাম দুনিয়া তন্নতন্ন করে খুঁজেও এমন একটা লেখা পাইলাম না; যেইখানে লেখা শখের নারীকে মিলবে...!


শখের নারী..l 

আপনি কি আমাকে বলতে পারেন; কোথায় গেলে আপনাকে পাবো..? কোথায় গেলে আপনাকে মিলবে...............?

শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

ভালোবাসা ছিল একান্ত আমার, অথচ তুমি ছিলে সবার


যেদিন তুমি আমার জীবন থেকে চলে গিয়েছিলে সেদিন এই খোলা আকাশটাও হয়ে পড়েছিল মেঘাচ্ছন্ন চারিদিকে শুধু প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা আর হাহাকারে ভরে গিয়েছিল চারপাশে যেন বিষাক্ত বাতাস বোঝাচ্ছে এই যেন আমার নিঃশ্বাসটাও বন্ধ করে দিচ্ছে রাতের আকাশে মায়াবী চাঁদার মায়াবী আলো সেও যেন নিশ্চুপ হয়ে আমার কান্না ভেজা চোখটির দিকে আলো দিয়ে যাচ্ছে আমার একাকি পথের সঙ্গী হয়ে সে যেন পাশে ছিল। এই চাঁদটাও তখন বুঝে গিয়েছিল তুমি ছাড়া আমি অন্ধকারে ডুবে গিয়েছি। কিন্তু তুমি পাসান প্রিয়। বুঝতেই পারোনি যে কতটা ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে এই ভিতরটা। আমার না তখন মনে হতো কি জানো? তুমি আমার দেহ থেকে আত্মাটা নিয়ে চলে গিয়েছো। তবে এখনো মনে হয় তুমি আমার আত্মাটা নিয়ে হারিয়ে গিয়েছো। মানুষের দেহ মরার আগে যদি আত্মাটা মরে যায় তখন কি সে বেঁচে থাকে? নাকি মন মরা হয়ে যায়? হু তবে আমারও তেমনটাই হয়েছে। এই মনের একপাশে তবু আড়াল থেকে চত্ত করে তোমাকে রেখে দিয়েছে। কেননা এই জনমে তুমি হয়তো আমার হবে না। তবে পরের জনমে যেন তুমি আমার এই হও। তখনো বলবো ভালোবাসি তোমায়। আজও আমি। কেউ একজন বলেছিল ভালোবাসার রং বদলায়। মাঝে মাঝে সেই রংটা বর্ণবিহীন ধূষর হয়ে যায়। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে পাশে থাকা। আর আমার কাছে ভালোবাসা মানে অস্তিত্বে মিশে থাকা। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে তোমাকে সময় দেয়া। অথচ আমার কাছে ভালোবাসা মানে তোমার সময়কে আপন করে নেয়া। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে অন্য মানুষটিকে নিজের করে নেয়া। আর আমার কাছে ভালোবাসা মানে নিজেকে উৎসর্গ করে দেয়া। তোমার মতে ভালোবাসার পরিণতি হবে সামাজিক সম্পর্ক। আর আমার মতে ভালোবাসার পরিণতি হবে আত্মা সম্পর্ক। তুমি ভাবো ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠুক। আর আমি ভাবি ভালোবাসার সম্পর্ক মন থেকে জন্ম নিক। তুমি চাও পারস্পরিক মেল বন্ধন আর আমি চাই তোমার বাবারা সারা বছর এক জামা পড়ে কাটে। কিন্তু মাঝে মাঝে বাজারের সবচেয়ে বড় মাছটা অনেক টাকা দিয়েই কিনে আনেন। এরপর মার ধমক খায়। কিন্তু তবুও তিনি খুশি। সবচাইতে বড় মাছটা কিনতে পারে। তিনি ঠিক শিশুর মতোই খুশি। তবুও একটা বয়স ছেলেদের ভাবায়। সেই বয়সের রূপকথা থাকে সবচাইতে বেশি। কিন্তু ধীরে ধীরে সমস্ত রূপকথা অনিশ্চিত হয়ে যায়। সে বয়সে বাবার পুড়িয়ে যাওয়া দেখে ছেলেদের কপালে ভাজ পড়ে। সে বয়সে বেলাবোজ শুনে প্রিয়তমা হারানোর ভয়ে ছেলেরা কুকরে পড়ে। কিন্তু এরপরও এরা রূপকথা বিশ্বাস করে। ভাবে হবে। সব হবে। ছেলেরা আগলে রাখার ক্ষমতা নিয়েই

জলবায়। তাই আগলে রাখতে এরা ভয় পায় না। কিন্তু আমি শেষমেষ সব আগলে রাখতে পারবো। তো এটা ভেবেই তাদের ভীষণ ভয় হয়। ভীষণ জীবন নিয়ে আমরা যতই পরিকল্পনা করি না কেন ভাগ্যে যা লেখা সেটাই ঘটে। শুধু চাইলেই কি আর হয়? কিছু জিনিস কপালেও থাকতে হয়। জীবনে যদি সত্যি মন থেকে কাউকে ভালোবেসে থাকো তাহলে তাকে হারিয়ে যেতে দিও না। কারণ চোখের জল হয়তো বুঝতে পারবে। কিন্তু হৃদয়ের কান্নার জল কক্ষনো বুঝতে পারবে না। সত্যিকার অর্থে যে ভালোবাসে সে হাজারটা ভুলের মাঝেও একটি কারণ খুঁজে বের করে। শুধুমাত্র সম্পর্কে টিকিয়ে রাখার জন্য। মানুষ এমন একটা প্রাণী যাকে বিশ্বাস বা অবিশ্বাস কোনটাই করা যায় না। বিশ্বাস করলেও ঠকতে হয় আর অবিশ্বাস করলেও ঠকতে হয়। একটা কথা মনে রেখো যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না তা অন্যকে উপদেশ দিও না। তুমি হয়তো কারো সৌন্দর্য দেখে তাকে ভালোবেসে ফেলতে পারো। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো। প্রকৃতপক্ষে তুমি তার চরিত্র নিয়ে বেঁচে থাকবে। সৌন্দর্য নিয়ে নয়। মানুষ যখন একা থাকে তখন সে নিজের চেয়েও তার প্রিয় মানুষের কথা বেশি চিন্তা করে। এটাই স্বাভাবিক। অবহেলা পাওয়ার পরে মানুষ বুঝতে পারে গুরুত্ব দেয়াটা একটু বেশি হয়ে গিয়েছিল।

বাস্তবতা হলো ভালোবাসার বদলে ভালোবাসা পাওয়ার সৌভাগ্য সবার হয় না। কিচ্ছু হবে না। এটি বলে হাল ছেড়ে দেয়া উচিত না। কারণ মানুষ মারা যাবে জেলেও কিন্তু বাঁচার জন্য আজই বোন চেষ্টা করে। যাকে যতটা তুমি মূল্য দেবে সে তোমাকে তার চাইতে বেশি আরো সস্তা ভাববে। হ্যাঁ এটাই বাস্তবতা। ভিক্ষুকের মত কারো কাছে ভালোবাসা না চেয়ে নিজেকে যোগ্য করে তোলো। তখন দেখবে আশেপাশে ভালোবাসার মানুষের অভাব নেই। যে তোমাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে ভালোবাসে মনে করো। যে তোমাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে ভালোবাসে মনে রেখো। সেই তোমাকে সারাজীবন আগলে রাখতে পারবে। হ্যাঁ এটাই সত্যি। প্রতিটি ব্যর্থ প্রেমিক আশা করে ভালো থাকুক সেই মানুষটা যাকে ঘিরে তার পুরো শহরটা একজন আলোকিত করেছিল। চরিত্রবান ব্যক্তির কাছে তার স্ত্রী ও দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর নারী। [মিউজিক] অবহেলা এবং কষ্ট দুটোই মানুষকে পাথর করে ফেলে। অনেক সময় পরিচয়টা অনলাইন হলেও ভালোবাসাটা সত্যিকার। মন দেখে ভালোবাসো ধন দেখে নয় গুণ দেখে প্রেম করো রূপ দেখে নয় রাতের বেলায় স্বপ্ন দেখো দিনের বেলা নয় একজনকেই ভালোবাসো 10 জনকে নয় আমি রাগ করি না কারণ আমি জানি আমার আগের মূল্য কারো কাছে নেই অন্য কারো হাতে তোমার সুখের দায়িত্ব দিও না সে হারিয়ে গেলে তোমার সুখ কেউ খুঁজে পাবে না সবাই দেখে বলে আমি ভালো আছি শুধু আমি জানি আমি কত কতটা কষ্টে আছে কেউ যে মানুষটা সবার খেয়াল রাখে তারই একদিন খেয়াল রাখার মত কেউই থাকে না। কিছু কিছু মানুষ এতটাই ভালো হয় যে অন্যের খুশির জন্য নিজের খুশিকে মাটি করে দেয়। কখনো ফিরে এসো না। কারণ আমার বদলে যাওয়ার রূপ তুমি সহ্য করতে পারবে না। কারো চোখের কোণে দু ফোটা জল দেখে নিজে কেঁদে ফেলার নামই হলো ভালোবাসা। কিছু কষ্টের পরিমাণ এত বেশি হয় যে না প্রকাশ করা যায় না আর না কাউকে বোঝানো যায় শুধু নীরবে চোখের জল ফেলতে হয় বড্ড বোকা ছিলাম

তাই মুখোশ গুলোকেই মুখ ভেবেছিলাম কি দরকার ছিল এত অভিনয় করার বলে দিলেই পারতে তোমাকে আর প্রয়োজন নেই জীবনে এমন একজনকে দরকার যে আমার মনের ফিলিংস গুলো বুঝবে তোমাকে ভালোবাসি কিনা এখনো সেটা জানিনা তবে এখনো সারারাত জেগে তোমার তোমার ফোনের অপেক্ষা করি। কিছু সম্পর্ক ভাঙ্গা গাধির মতো হয়। তাকে তুমি যতই সাজাও কষনো নিজের হবে না। তাকে বোঝানোর মত ক্ষমতা আমার নেই। তার আড়াল থেকেই ভালোবাসি। সবাইকে ভালোবাসা যায় না। আর যাকে ভালোবাসা যায় তাকে কষনো ভুলে থাকা যায় না। যার জন্য তোমার অন্তর পড়ে ছাই খোঁজ নিয়ে দেখো তার অন্তরেই তুমি নেই। তোর দেয়া কষ্টগুলো এখন অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। যারা বারবার অপমান সহ্য করেও একটা সম্পর্কে পড়ে থাকে তারা দুর্বল নয়। তারা একটু বেশি আদলে রাখতে চায়। তারা একটু বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ডিলিট যত তাড়াতাড়ি হয় ডাউনলোড তত তাড়াতাড়ি হয় না। সেটা অ্যাপ্লিকেশন হোক বা সম্পর্ক। জানতে খুব ইচ্ছে করে। যার কথা আমার এত মনে পড়ে তার কি আমার কথা একবারও মনে পড়ে? মন তাকে দাও যে তোমার মনটাকে নিজের চেয়েও বেশি যত্ন করে রাখবে। হয়তো তুমি আর আমি আজ অনেক দূরে। তবে সত্যি করে বলছি। আজও তোমাকে অনেক মিস করি। বাস্তবতা হচ্ছে আপনি যার জন্য কাঁদবেন সে আপনার গল্প অন্যের কাছে বলে হাসবে। মেয়েদের একটাই ভুল। তারা ছেলেদের গুছিয়ে বলা মিথ্যেগুলো খুব সহজেই বিশ্বাস করে ফেলে। শুধু একবার একা হয়ে দেখো। পৃথিবীতে কেউ কারোর নয়। জীবনে চলার পথে সবাই অভিনয় করে। কেউ ছোট স্বার্থের টানে, কেউবা আবেগের কারণে। একদিন তুমি এটা ভেবে আফসোস করবে যে তুমি আমাকে পেয়েও হারিয়ে ফেলেছো। ভেঙে পড়াটা জীবন নয়। ভেঙে পড়ার পর নিজেকে তৈরি করাটাই হচ্ছে আসু জীবন। তোমাকে ভালোবেসে আমি হেরে চাইনি। সত্যিকারের ভালোবাসা যে কষ্ট আছে তার প্রমাণ পেয়েছি। তিন শ্রেণীর মানুষের থেকে সবসময় দূরে থাকবেন। স্বার্থপর, মিথ্যাবাদী, বিশ্বাসঘাতক। মানুষ মানে না এমন জিনিস খুবই দুর্লভ। কারণ মানুষ হলো অভ্যাসের দাস। মানুষ চেষ্টা করলে সব সম্ভব। সবসময় এমন মানুষের সাথে থাকার চেষ্টা করো যে তোমাকে সম্মান দেবে। কারণ সম্মান ভালোবাসার থেকেও বেশি মূল্যবান। ভালোবাসা শব্দটি পূর্ণতা পায় বিশ্বাস শব্দটির কাছে যা সবাই অর্জন করতে পারে না। মেয়েদের সম্মান কি জিনিস ছেলেরা তখনই বুঝতে পারে যে যখন সে কোন মেয়ের বাবা হয়। নারীরা ঘরে থেকে সংসারের জন্য যতই ঘাটাখাটি করুক না কেন পুরুষদের একটা প্রশ্ন কোনদিনই যাবে না। সারাদিন ঘরে বসে কি করো? সকল মেয়েদের বলছি কিছু সময় বের করে নিজের জন্যও বাঁচো। কারণ তুমি সদ পরিশ্রম করলেও কেউ তোমায় বলবে না তুমি কাজ করে ক্লান্ত হয়ে গেছো। একটু বিশ্রাম করো। মেয়েরা খুব ভালো অভিনয় করতে পারে। কিসের কেউ নয় জানেন? হাজার কষ্টে থাকলেও হাসি মুখে থাকার অভিনয়। একজন নারী জীবনে সবচাইতে দামি অলংকার হচ্ছে তার স্বামী। বিপদে পড়লে কে আপন তারপর সেটা ভালো করেই চেনা যায়। জীবনে চলার পথে নিজের রাস্তাটায় নিজেই তৈরি করে নিতে হয়। যেখানে কেউ সাহায্য করবে না। বাস্তব জীবনটা বড়ই জটিল। ভালো থাকতে বলেছিলে। তাই আজও ভালোই আছে।

কিন্তু কখনো কি জানতে চেয়েছো? সত্যি কি ভালো আছে কিনা? ভালো আছে বলে নিজেকে মিথ্যাচারে জড়িয়েছে। অপেক্ষা করা সব অপেক্ষা করো। সময় একদিন সবার আসল চেহারা দেখিয়ে দিবে। বিশ্বাস থাকা ভালো। তবে অন্ধ বিশ্বাস করা উচিত নয়। একটা মেয়ে তার জীবনের প্রত্যেকটা সময় অন্যের জন্য বেঁচে থাকে। জন্মের পর বাবা-মায়ের জন্য, বিয়ের পর স্বামীর জন্য, সন্তান হওয়ার পর সন্তানের জন্য। আসলে মেয়েদের নিজের জীবনের কোন চাওয়াপাও থাকে না। সৌভাগ্যবান সেই যে কষ্টের সময় প্রিয় মানুষকে কাছে পায়। ফ্যামিলির দিকে তাকিয়ে নিজের ইচ্ছা আশাগুলো বিসর্জন 

মাঝপথে ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলোর জন্য আমাদের আক্ষেপের শেষ থাকে না। প্রিয়জনেরা মাঝপথে হাত ছেড়ে দেয়ার পর আমরা ভীষণ ভাবে ভেঙে পড়ি। ধীরে ধীরে সবার কাছে থেকেও নিজেদের আড়াল করতে থাকি। ডুবতেই একাকিত্বের অন্ধকারে। আমি মনে করি কেউ একজন ছেড়ে গেছে বলে আমার জীবনটা রঙহীন হয়ে পড়ে থাকবে এমনটা নয়। কারো চলে যাওয়াতে অবহেলা করাতে বা সে আর আসবে না জেনেও অপেক্ষায় দুঃখ বিলাস করে নিজেকে গুটিয়ে রাখবো। এটা নিত্যন্ত অহেতুক একটা বিষয়। দিন শেষে আমরা সবাই একা। বন্ধু-বান্ধবদের সাথে আড্ডা শেষে বাড়ি ফেরার পথে আমাদের পাশ দিয়ে অনেক মানুষের চলাচল দেখি। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর আমরা নিজের রুমে নিজেরাই থাকি। একাই। কেউ তখন থাকে না। আবার পৃথিবীতে আসার আগে আমরা একাই আসি। যাওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয় না। শুধু মাঝখানের কিছু পথ আমাদের অনেক মানুষের সাথে দেখা হয়। তারা আমাদের প্রিয় মানুষ হয়ে ওঠে। আমাদের ভালো থাকা মন্দ থাকা একসময় তাদের সাথেই জুড়ে যায়। তারপর হঠাৎ যখন তারা আমাদের হাত ছেড়ে দেয় আমরা তখন ভেঙে পড়ি। আমাদের সাজানো গোছানো জীবন এলোমেলো রংহীন ফিকে হয়ে যায়। আমরা ধরেই নেই তাদের ছাড়া আমরা বাঁচবো না। নিজেকে সবার থেকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করি। অথচ শেষ অব্দি আমরা একা বাঁচতেই শিখে যাই। সে সময় আমাদের আর কারো অপেক্ষা বা আক্ষেপ থাকে না। জীবনের সংজ্ঞা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্নভাবে দিয়ে থাকে। আমি মনে করি ছেড়ে যাওয়া মানুষটার জন্য নিজের জীবনকে রংহীন না করে দক্ষ শিল্পীর মত জীবনের ফিকে পড়া ক্যানভাসকে আবারো রং তুলিতে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলাটাই জীবনের সংজ্ঞা তোমার অতীত ঘেটে বুঝতে পারলাম তোমার উপরটা যতটা সাজানো গোছানো ভেতরটা ঠিক ততটাই ক্ষতবিক্ষত কাচের মত টুকরো টুকরো হয়ে গেছে তোমার উপর চাইলেও আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয় একেবারে ভেঙে যাওয়া একটা মানুষ কিন্তু তুমি কি জানো প্রিয় এই ভাঙ্গা মানুষটাকেইযে চাই আমার

কারণ আমি জানি মন ভাঙ্গা মানুষগুলো আত্মাকে স্পর্শ করে ভালোবাসতে জানে তারা সহজে কাউকে কষ্ট দেয় না তারা কষ্টের মানে বুঝে সম্পর্ক কিভাবে টিকিয়ে রাখতে হয় এটাও জানে কিন্তু আমি জানি তোমার মনে তার জন্য যে জায়গাটা আছে তুমি তা কোনদিন কাউকে দিতে পারবে না আর আমি এটা কোনদিন চাইও না আমি চাই তোমার মনে আমার জন্য এক আলাদা জায়গা তৈরি হোক না তার থেকে কম না তার থেকে বেশি ঠিক অন্যরকম একটা সম্পর্ক যেখানে বিচ্ছেদ নামে কোন শব্দই থাকবে না থাকবে না কোন মিথ্যে আশ্বাস সেই সম্পর্কটা থাকবে দেহ তাগের শেষ অব্দি আর থাকবে একে অপরের প্রতি অটুট বিশ্বাস তাই বলছি প্রিয় আমার তোমাকে চাই জীবনের শেষ নিঃশ্বাস যে মানুষ যত বেশি আশা করবে সে মানুষ তত বেশি কষ্ট পাবে এটাই প্রকৃতির নিয়ম জীবনে যাকে পাওয়া হবে না নিয়তি তার সাথে সম্পর্কটা জড়িয়ে দেয় জীবনের সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় হয়তো আমারটাও তেমনিই। কল্পনার শহরে মনের আশা পূরণ হওয়া অনেক কঠিন। এই দুনিয়ায় কেউ আপন হয় না। কষ্ট পেলে রাতের ঘুমটাও পর হয়ে যায়। সব শিক্ষা বই থেকে পাওয়া যায় না। কিছু শিক্ষা জীবন থেকে অর্জন করে নিতে হয়। ভদ্র ব্যবহার করা উচিত। তবে কখনোই ভদ্র হওয়া উচিত না। কারণ কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ভদ্রতার ভাষা বোঝে না। মানুষ দুঃখ ভুলে যেতে পারে। কষ্ট ভুলে যেতে পারে। কিন্তু আপচনের থেকে পাওয়া বিশ্বাসঘাতকতা কখনোই ভুলতে পারে না। কিছু অবহেলা মানুষকে মরতে বাধ্য করে। কিন্তু অবহেলা মানুষকে বেঁচে থাকার নতুন উপায় শেখায়। তোমার জন্য মরতে চাই না। তোমাকে ভালোবেসে হাজার হাজার বছর বাঁচতে চাই। আগের চেয়েও অনেক বেশি চুপচাপ হয়ে গেছি আমি। এরপর হঠাৎ করেই একদিন হারিয়ে যাব। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি পারলাম না তোমার যোগ্য হতে। একটা সময় আপনার মনে হবে আপনি একা একসময় বোকা ছিলেন। প্রচুর পাগলামি করতেন। একটা মানুষ যারা আপনার জন্য ।বিন্দুমাত্র টান ছিল না সে মানুষটার জন্য আপনার পাগলামি করতেন প্রচুর। সে একটু দেরি করে রিপ্লাই দিলেও অভিযানে আপনার চোখ ভেজে যেত। তার খবর না পেলে অস্থির হয়ে যেতেন। না হওয়া খাওয়া ভুলেই যেতেন। কত কত পাগলামি করেছেন তা কেবল আপনিই জানেন। সে মানুষটা আপনার সিরিয়াসনেস দেখেও বিরক্ত হয়ে যেত। তাই না? অনেক বছর পর আপনার মনে হবে একটা ভুল মানুষের জন্য আপনি অনেকটা সময়ে আবেগ ভালোবাসা নষ্ট করে ফেলেছেন। ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে সব শেষ করে ফেলেছিলেন। আপনার বারবার মনে হবে কি বোকাটাই না ছিলাম আমি। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।ভালোবেসে ভালোবেসেছিলাম অনেক। সেদিন সে বলেছিল এর থেকে বেশি ভালোবাসা হয় না। প্রথম দেখাতেই সে আমাকে হাজারো মানুষের মাঝে কলিজা বলে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিল। তারপর থেকে ভালোবাসার পর বিয়ে। এমন ভালোবাসা ছিল যে একটি ব্রাশ দিয়ে দুজনে ব্রাশ করতাম। একটি প্লেটে দুজনেই খেতাম। দুজন দুজনকে খাইয়ে দিতাম। খাবারের মাঝে কপালে কিস দিতাম। একটু চুলের ঘ্রাণ নিতাম। একটু নাকের সাথে নাক মিলিয়ে ঘোষা দিতাম। একটি হাড্ডি দুজনের চিবিয়ে খেতাম। সে অসুস্থ হলে আমি ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। জোর করে সালে খাওয়াতাম। দুধ ডিম খাওয়াতাম। আমাকেও করতো। গোসল করিয়ে চুল শুকিয়ে সুন্দর করে আছড়ে দিতাম। যদিও ভালো আচড়াতে পারিনি। রাতে ঘুমাতে গেলে একটি মালিশে ঘুমাতাম। সে প্রথমে আমার ডান হাতে মাথা রেখে বুকে চুপচুপ করে ঘুমাতো। আমি কপালে কিস করে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ঘুম বাড়াতাম। ডান হাতে ব্যথা হয়ে গেলে বাম হাতে ঘুমাতাম। আমি চুল খুলে আমার নাকের উপরে রেখে ঘ্রাণ নিতাম। আমরা একটি দেহ ছিলাম দুজনে মিলে। একটি মিষ্টি দুজনে মুখে দিয়ে ভাগ করে খেতাম। একটা লেজ দুজনেই চুষে খেতাম। অসাধারণ ছিল আমাদের ভালোবাসা। কোন অভাব ছিল না কিছুতে। দুজনে নামাজ পড়তাম। দাঁড়ানোর আগে একটু ভরি দিতাম। কপালে কিস করতাম। নামাজ শেষ করে। বাঁচতেই শিখে যাই। সে সময় আমাদের আর কারো অপেক্ষা বা আক্ষেপ থাকে না। জীবনের সংজ্ঞা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্নভাবে দিয়ে থাকে। আমি মনে করি ছেড়ে যাওয়া মানুষটার জন্য নিজের জীবনকে রংহীন না করে দক্ষ শিল্পীর মত জীবনের ফিকে পড়া ক্যানভাসকে আবারো রং তুলিতে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলাটাই জীবনের সংজ্ঞা তোমার অতীত ঘেটে বুঝতে পারলাম তোমার উপরটা যতটা সাজানো গোছানো ভেতরটা ঠিক ততটাই ক্ষতবিক্ষত কাচের মত টুকরো টুকরো হয়ে গেছে তোমার উপর চাইলেও আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয় একেবারে ভেঙে যাওয়া একটা মানুষ কিন্তু তুমি কি জানো প্রিয় এই ভাঙ্গা মানুষটাকেইযে চাই আমার কারণ আমি জানি মন ভাঙ্গা মানুষগুলো আত্মাকে স্পর্শ করে ভালোবাসতে জানে তারা সহজে কাউকে কষ্ট দেয় না তারা কষ্টের মানে বুঝে সম্পর্ক কিভাবে টিকিয়ে রাখতে হয় এটাও জানে কিন্তু আমি জানি তোমার মনে তার জন্য যে জায়গাটা আছে তুমি তা কোনদিন কাউকে দিতে পারবে না আর আমি এটা কোনদিন চাইও না আমি চাই তোমার মনে আমার জন্য এক আলাদা জায়গা তৈরি হোক না তার থেকে কম না তার থেকে বেশি ঠিক অন্যরকম একটা সম্পর্ক যেখানে বিচ্ছেদ নামে কোন শব্দই থাকবে না থাকবে না কোন মিথ্যে আশ্বাস সেই সম্পর্কটা থাকবে দেহ তাগের শেষ অব্দি আর থাকবে একে

অপরের প্রতি অটুট বিশ্বাস তাই বলছি প্রিয় আমার তোমাকে চাই জীবনের শেষ নিঃশ্বাস যে মানুষ যত বেশি আশা করবে সে মানুষ তত বেশি কষ্ট পাবে এটাই প্রকৃতির নিয়ম জীবনে যাকে পাওয়া হবে না নিয়তি তার সাথে সম্পর্কটা জড়িয়ে দেয় জীবনের সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় হয়তো আমারটাও তেমনিই। কল্পনার শহরে মনের আশা পূরণ হওয়া অনেক কঠিন। এই দুনিয়ায় কেউ আপন হয় না। কষ্ট পেলে রাতের ঘুমটাও পর হয়ে যায়। সব শিক্ষা বই থেকে পাওয়া যায় না। কিছু শিক্ষা জীবন থেকে অর্জন করে নিতে হয়। ভদ্র ব্যবহার করা উচিত। তবে কখনোই ভদ্র হওয়া উচিত না। কারণ কিছু কিছু মানুষ আছে

যারা ভদ্রতার ভাষা বোঝে না। মানুষ দুঃখ ভুলে যেতে পারে। কষ্ট ভুলে যেতে পারে। কিন্তু আপচনের থেকে পাওয়া বিশ্বাসঘাতকতা কখনোই ভুলতে পারে না। কিছু অবহেলা মানুষকে মরতে বাধ্য করে। কিন্তু অবহেলা মানুষকে বেঁচে থাকার নতুন উপায় শেখায়। তোমার জন্য মরতে চাই না। তোমাকে ভালোবেসে হাজার হাজার বছর বাঁচতে চাই। আগের চেয়েও অনেক বেশি চুপচাপ হয়ে গেছি আমি। এরপর হঠাৎ করেই একদিন হারিয়ে যাব। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি পারলাম না তোমার যোগ্য হতে। একটা সময় আপনার মনে হবে আপনি একা একসময় বোকা ছিলেন। প্রচুর পাগলামি করতেন। একটা মানুষ যারা আপনার জন্য বিন্দুমাত্র টান ছিল না সে মানুষটার জন্য আপনার পাগলামি করতেন প্রচুর। সে একটু দেরি করে রিপ্লাই দিলেও অভিযানে আপনার চোখ ভেজে যেত। তার খবর না পেলে অস্থির হয়ে যেতেন। না হওয়া খাওয়া ভুলেই যেতেন। কত কত পাগলামি করেছেন তা কেবল আপনিই জানেন। সে মানুষটা আপনার সিরিয়াসনেস দেখেও বিরক্ত হয়ে যেত। তাই না? অনেক বছর পর আপনার মনে হবে একটা ভুল মানুষের জন্য আপনি অনেকটা সময়ে আবেগ ভালোবাসা নষ্ট করে ফেলেছেন। ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে সব শেষ করে ফেলেছিলেন। আপনার বারবার মনে হবে কি বোকাটাই না ছিলাম আমি। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।ভালোবেসে ভালোবেসেছিলাম অনেক। সেদিন সে বলেছিল এর থেকে বেশি ভালোবাসা হয় না। প্রথম দেখাতেই সে আমাকে হাজারো মানুষের মাঝে কলিজা বলে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিল। তারপর থেকে ভালোবাসার পর বিয়ে। এমন ভালোবাসা ছিল যে একটি ব্রাশ দিয়ে দুজনে ব্রাশ করতাম। একটি প্লেটে দুজনেই খেতাম। দুজন দুজনকে খাইয়ে দিতাম। খাবারের মাঝে কপালে কিস দিতাম। একটু চুলের ঘ্রাণ নিতাম। একটু নাকের সাথে নাক মিলিয়ে ঘোষা দিতাম। একটি হাড্ডি দুজনের চিবিয়ে খেতাম। সে অসুস্থ হলে আমি ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। জোর করে সালে খাওয়াতাম। দুধ ডিম খাওয়াতাম। আমাকেও করতো। গোসল করিয়ে চুল শুকিয়ে সুন্দর করে আছড়ে দিতাম। যদিও ভালো আচড়াতে পারিনি। রাতে ঘুমাতে গেলে একটি মালিশে ঘুমাতাম। সে প্রথমে আমার ডান হাতে মাথা রেখে বুকে চুপচুপ করে ঘুমাতো। আমি কপালে কিস করে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ঘুম বাড়াতাম। ডান হাতে ব্যথা হয়ে গেলে বাম হাতে ঘুমাতাম। আমি চুল খুলে আমার নাকের উপরে রেখে ঘ্রাণ নিতাম। আমরা একটি দেহ ছিলাম দুজনে মিলে। একটি মিষ্টি দুজনে মুখে দিয়ে ভাগ করে খেতাম। একটা লেজ দুজনেই চুষে খেতাম। অসাধারণ ছিল আমাদের ভালোবাসা। কোন অভাব ছিল না কিছুতে। দুজনে নামাজ পড়তাম। দাঁড়ানোর আগে একটু ভরি দিতাম। কপালে কিস করতাম। নামাজ শেষ করে জড়িয়ে নিতাম। একটু মুচকি হাসি দিতাম। কপালে কিস দিতাম। আরো কত কি। যেমন ছিল সম্মান তেমন ভালোবাসা তেমন রোমান্টিকতা। দুজনের ভেতরে কিছুতেই অভাব ছিল না। কিন্তু নিয়তির খেলা বোঝা বড়ই দেয়। আজ আর আমরা এক নেই। ভেঙে গেছে আমাদের সেই গড়ে ওঠা সবকিছু। আজ আমাদের সেই ভালোবাসা অভিযোগে পরিণত হয়েছে। সে আজ নিজেকে বদলে নিয়েছে। তার মনে আজ অন্যজনের বসবাস। আমারও কিছু ভুল ছিল। কিন্তু আমি আমার ভুলের জন্য হাঁটু গেড়ে তার সামনে বসেছিলাম। যা খুশি শাস্তি দাও তাও অন্য কারো হয়ও না। কিন্তু সে আমার বুকে সে রাত্রি ঘুমিয়ে অন্য কাউকে নিয়ে স্বপ্ন বলেছিল। আমার পাগলি আর আমার নেই আজ। সে অন্য ঘরে বাসা বেঁধেছে। কিন্তু আমি কি নিয়ে বাঁচবো? কই পাবো আমার পাগলিকে? কে এনে দেবে তাকে? আমি যে তাকে ছাড়া ঘুমাতেই পারিনা, খেতে পারিনা, চলতে পারি না। আজ থেকে কল দিলেও কথা বলার সময় নেই তার। কিন্তু অন্য কারো সাথে কথা বলার অনেক সময় তার। ভেঙে গেল সুখের খাঁচাটা। আজ আমি দিশেহারা। আমার বুকটা আজ ব্যথায় ভরপুর। আমি মেরে নিতে পারছি না। আমি থাকতে পারছি না তাকে ছাড়া। কিন্তু আমার শূন্য এই জায়গাটা কি পূরণ করবে? কাউকে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে যখন অবহেলিত হচ্ছো তখন সেই মানুষটাকে মূল্য দেয়া বন্ধ করে দাও। তোমার যেখানে মূল্য নেই সেখানে মূল্য দেয়া বোকা আমি। যে মানুষটা তোমাকে অবহেলা করছে, ইগনোর করছে, তুমি তখন তার অবহেলা কিংবা ইগনোরকে প্রশ্রয় দিও না। বরং তুমি তোমার মত করেই নিজেকে ব্যস্ত রাখো। এতে করে মানুষটা যেন বুঝতে পারে যে তুমি তাকে ছাড়া দিব্যে ভালো থাকতে পারো। অবহেলা কিংবা ইগনোরের মার্তা তখনই পেরে যায় যখন অপর মানুষটা বুঝে যায় যে তুমি তাকে ছাড়া অচ। অর্থাৎ তোমার পুরোটা দিন রাত তুমি তাকে নিয়েই পড়ে আছো। মানুষ তখনই অন্যকে তুচ্ছ ভাবা শুরু করে যখন তার কাছে অন্য কেউ নিজেকে বিলিয়ে দেয় ছোট করে দেয়। কেউ তোমাকে চাইলে অবহেলা করার সুযোগ পাবে না। যদি তুমি তাকে সেই সুযোগটা না দাও। তোমার প্রতি যে মানুষটা যতটুকু গুরুত্ব দেখাবে তোমারও সেই ততটুকু গুরুত্ব দেয়া উচিত। অতিরিক্ত গুরুত্ব দিলে মানুষটা তোমাকে গুরুত্বহীন ভাববে শুরু করবে। একদম। কারো কাছে অবহেলার পাত্র হওয়ার থেকে জীবন থেকেই সে মানুষটাকে মুছে ফেলা ভালো। যদিও এতে করে কিছুটা কষ্ট হবে কিন্তু কারো কাছে নিজেকে ধুকে ধুকে শেষ হয়ে যেতে হবে না। যে তোমাকে এখনই অবহেলা করছে সে পরে আরো বেশি করে অবহেলা করবে। যদি তুমি মানুষটাকে বেশি মূল্য দিতে থাকো। যে তোমার আকুতি মিলনতি বোঝে না তোমার মনের কষ্ট যার মনে বিন্দুমাত্র অনুভব হয় না সে মানুষটার যাই হোক তোমার মনের হাহাকার কোনদিনও বুঝবে না মানুষটা দিন শেষে তোমাকে ঠিক অবহেলার পাত্রই বানিয়ে যাবে কারো কাছে অবহেলার পাত্র হওয়াটা যেমন কষ্টের ঠিক তেমনিই লজ্জার বিষয় প্রয়োজনের চেয়ে তুমি যখন কাউকে অতিরিক্ত মূল্য দিবে তখন সে মানুষটা তোমাকে সস্তা ভাবতে শুরু করবে সেই সাথে নিজেকে কে অহংকারী মনে করবে। কারণ অতিরিক্ত মানুষ কোন কিছুই হজম করতে পারে না। হোক সেটা কেন কিংবা ভালোবাসা। জীবনে কারো উপর খুব বেশি ভরসা রাখতে নেই। কাউকে জীবনের সাথে খুব বেশি সিরিয়াসলি নিতে নেই। কারণ তুমি যখন কাউকে সিরিয়াসলি নিবে ঠিক তখনই মানুষটা বদলে যেতে শুরু করবে। কারণ মানুষের ধর্মই হলো সবটা পেয়ে গেলে বদলে যাওয়া। কখনো একটা ছেলে আর মেয়েকে একসাথে রাস্তায় হাঁটতে কিংবা রাস্তা পার হওয়ার সময় লক্ষ্য করলে দেখবেন যে রাস্তার যে পাশটায় গাড়ি ছেলেটা ওই পাশেই থাকে। ছেলেটা মেয়েটাকে দ্রুতগামী গাড়ি থেকে বাঁচিয়ে রাখে। ব্যাপারটা এমন নয় কিন্তু ছেলেটার মধ্যে জিনিসটা কাজ করে যে যদি কখনো গাড়ি এইদিকে আসে তবে যেন আগে আমাকে আঘাত করে। এই ব্যাপারটা ছেলেদের মধ্যে বিল্ট ইন ভাবে থাকে। সম্ভবত এই আগুনে রাখার ব্যাপারটাই রেসপন্সিবিলিটি। লোকমুখে শোনা যায় ছেলেরা নাকি আজীবনের শিশু হেরা বড় হয় না। কথাটা কিন্তু আসলেই সত্য। কারণ জীবনের প্রত্যেকটা বয়সেই ছেলেরা শিশুদের মত রূপকথায় বিশ্বাস করে। যেমন ধরুন আগামীকাল পরীক্ষা আর ছেলেটার পাহাড় সময় সিলেবাস বাকি। কিন্তু এরপরেও সে বিশ্বাস করে কোন এক দৈব বলে হয়তো সে এক রাতেই সিলেবাস শেষ করতে পারবে। মাসের 20 তারিখে বেতনের টাকা শেষ হলেও এরাভাবে প্যারা নেই। চালায় নি

তে পারব।



শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫

ভালোবাসা ছিল একান্ত আমার, অথচ তুমি ছিলে সবার" masum171

 যেদিন তুমি আমার জীবন থেকে চলে গিয়েছিলে সেদিন এই খোলা আকাশটাও হয়ে পড়েছিল মেঘাচ্ছন্ন চারিদিকে শুধু প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা আর হাহাকারে ভরে গিয়েছিল চারপাশে যেন বিষাক্ত বাতাস বোঝাচ্ছে এই যেন আমার নিঃশ্বাসটাও বন্ধ করে দিচ্ছে রাতের আকাশে মায়াবী চাঁদার মায়াবী আলো সেও যেন নিশ্চুপ হয়ে আমার কান্না ভেজা চোখটির দিকে আলো দিয়ে যাচ্ছে আমার একাকি পথের সঙ্গী হয়ে সে যেন পাশে ছিল। এই চাঁদটাও তখন বুঝে গিয়েছিল তুমি ছাড়া আমি অন্ধকারে ডুবে গিয়েছি। কিন্তু তুমি পাসান প্রিয়। বুঝতেই পারোনি যে কতটা ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে এই ভিতরটা। আমার না তখন মনে হতো কি জানো? তুমি আমার দেহ থেকে আত্মাটা নিয়ে চলে গিয়েছো। তবে এখনো মনে হয় তুমি আমার আত্মাটা নিয়ে হারিয়ে গিয়েছো। মানুষের দেহ মরার আগে যদি আত্মাটা মরে যায় তখন কি সে বেঁচে থাকে? নাকি মন মরা হয়ে যায়? হু তবে আমারও তেমনটাই হয়েছে। এই মনের একপাশে তবু আড়াল থেকে চত্ত করে তোমাকে রেখে দিয়েছে। কেননা এই জনমে তুমি হয়তো আমার হবে না। তবে পরের জনমে যেন তুমি আমার এই হও। তখনো বলবো ভালোবাসি তোমায়। আজও আমি। কেউ একজন বলেছিল ভালোবাসার রং বদলায়। মাঝে মাঝে সেই রংটা বর্ণবিহীন ধূষর হয়ে যায়। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে পাশে থাকা। আর আমার কাছে ভালোবাসা মানে অস্তিত্বে মিশে থাকা। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে তোমাকে সময় দেয়া। অথচ আমার কাছে ভালোবাসা মানে তোমার সময়কে আপন করে নেয়া। তোমার কাছে ভালোবাসা মানে অন্য মানুষটিকে নিজের করে নেয়া। আর আমার কাছে ভালোবাসা মানে নিজেকে উৎসর্গ করে দেয়া। তোমার মতে ভালোবাসার পরিণতি হবে সামাজিক সম্পর্ক। আর আমার মতে ভালোবাসার পরিণতি হবে আত্মা সম্পর্ক। তুমি ভাবো ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠুক। আর আমি ভাবি ভালোবাসার সম্পর্ক মন থেকে জন্ম নিক। তুমি চাও পারস্পরিক মেল বন্ধন আর আমি চাই তোমার বাবারা সারা বছর এক জামা পড়ে কাটে। কিন্তু মাঝে মাঝে বাজারের সবচেয়ে বড় মাছটা অনেক টাকা দিয়েই কিনে আনেন। এরপর মার ধমক খায়। কিন্তু তবুও তিনি খুশি। সবচাইতে বড় মাছটা কিনতে পারে। তিনি ঠিক শিশুর মতোই খুশি। তবুও একটা বয়স ছেলেদের ভাবায়। সেই বয়সের রূপকথা থাকে সবচাইতে বেশি। কিন্তু ধীরে ধীরে সমস্ত রূপকথা অনিশ্চিত হয়ে যায়। সে বয়সে বাবার পুড়িয়ে যাওয়া দেখে ছেলেদের কপালে ভাজ পড়ে। সে বয়সে বেলাবোজ শুনে প্রিয়তমা হারানোর ভয়ে ছেলেরা কুকরে পড়ে। কিন্তু এরপরও এরা রূপকথা বিশ্বাস করে। ভাবে হবে। সব হবে। ছেলেরা আগলে রাখার ক্ষমতা নিয়েই

জলবায়। তাই আগলে রাখতে এরা ভয় পায় না। কিন্তু আমি শেষমেষ সব আগলে রাখতে পারবো। তো এটা ভেবেই তাদের ভীষণ ভয় হয়। ভীষণ জীবন নিয়ে আমরা যতই পরিকল্পনা করি না কেন ভাগ্যে যা লেখা সেটাই ঘটে। শুধু চাইলেই কি আর হয়? কিছু জিনিস কপালেও থাকতে হয়। জীবনে যদি সত্যি মন থেকে কাউকে ভালোবেসে থাকো তাহলে তাকে হারিয়ে যেতে দিও না। কারণ চোখের জল হয়তো বুঝতে পারবে। কিন্তু হৃদয়ের কান্নার জল কক্ষনো বুঝতে পারবে না। সত্যিকার অর্থে যে ভালোবাসে সে হাজারটা ভুলের মাঝেও একটি কারণ খুঁজে বের করে। শুধুমাত্র সম্পর্কে টিকিয়ে রাখার জন্য। মানুষ এমন একটা প্রাণী যাকে বিশ্বাস বা অবিশ্বাস কোনটাই করা যায় না। বিশ্বাস করলেও ঠকতে হয় আর অবিশ্বাস করলেও ঠকতে হয়। একটা কথা মনে রেখো যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না তা অন্যকে উপদেশ দিও না। তুমি হয়তো কারো সৌন্দর্য দেখে তাকে ভালোবেসে ফেলতে পারো। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো। প্রকৃতপক্ষে তুমি তার চরিত্র নিয়ে বেঁচে থাকবে। সৌন্দর্য নিয়ে নয়। মানুষ যখন একা থাকে তখন সে নিজের চেয়েও তার প্রিয় মানুষের কথা বেশি চিন্তা করে। এটাই স্বাভাবিক। অবহেলা পাওয়ার পরে মানুষ বুঝতে পারে গুরুত্ব দেয়াটা একটু বেশি হয়ে গিয়েছিল।

বাস্তবতা হলো ভালোবাসার বদলে ভালোবাসা পাওয়ার সৌভাগ্য সবার হয় না। কিচ্ছু হবে না। এটি বলে হাল ছেড়ে দেয়া উচিত না। কারণ মানুষ মারা যাবে জেলেও কিন্তু বাঁচার জন্য আজই বোন চেষ্টা করে। যাকে যতটা তুমি মূল্য দেবে সে তোমাকে তার চাইতে বেশি আরো সস্তা ভাববে। হ্যাঁ এটাই বাস্তবতা। ভিক্ষুকের মত কারো কাছে ভালোবাসা না চেয়ে নিজেকে যোগ্য করে তোলো। তখন দেখবে আশেপাশে ভালোবাসার মানুষের অভাব নেই। যে তোমাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে ভালোবাসে মনে করো। যে তোমাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে ভালোবাসে মনে রেখো। সেই তোমাকে সারাজীবন আগলে রাখতে পারবে। হ্যাঁ এটাই সত্যি। প্রতিটি ব্যর্থ প্রেমিক আশা করে ভালো থাকুক সেই মানুষটা যাকে ঘিরে তার পুরো শহরটা একজন আলোকিত করেছিল। চরিত্রবান ব্যক্তির কাছে তার স্ত্রী ও দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর নারী। [মিউজিক] অবহেলা এবং কষ্ট দুটোই মানুষকে পাথর করে ফেলে। অনেক সময় পরিচয়টা অনলাইন হলেও ভালোবাসাটা সত্যিকার। মন দেখে ভালোবাসো ধন দেখে নয় গুণ দেখে প্রেম করো রূপ দেখে নয় রাতের বেলায় স্বপ্ন দেখো দিনের বেলা নয় একজনকেই ভালোবাসো 10 জনকে নয় আমি রাগ করি না কারণ আমি জানি আমার আগের মূল্য কারো কাছে নেই অন্য কারো হাতে তোমার সুখের দায়িত্ব দিও না সে হারিয়ে গেলে তোমার সুখ কেউ খুঁজে পাবে না সবাই দেখে বলে আমি ভালো আছি শুধু আমি জানি আমি কত কতটা কষ্টে আছে কেউ যে মানুষটা সবার খেয়াল রাখে তারই একদিন খেয়াল রাখার মত কেউই থাকে না। কিছু কিছু মানুষ এতটাই ভালো হয় যে অন্যের খুশির জন্য নিজের খুশিকে মাটি করে দেয়। কখনো ফিরে এসো না। কারণ আমার বদলে যাওয়ার রূপ তুমি সহ্য করতে পারবে না। কারো চোখের কোণে দু ফোটা জল দেখে নিজে কেঁদে ফেলার নামই হলো ভালোবাসা। কিছু কষ্টের পরিমাণ এত বেশি হয় যে না প্রকাশ করা যায় না আর না কাউকে বোঝানো যায় শুধু নীরবে চোখের জল ফেলতে হয় বড্ড বোকা ছিলাম

তাই মুখোশ গুলোকেই মুখ ভেবেছিলাম কি দরকার ছিল এত অভিনয় করার বলে দিলেই পারতে তোমাকে আর প্রয়োজন নেই জীবনে এমন একজনকে দরকার যে আমার মনের ফিলিংস গুলো বুঝবে তোমাকে ভালোবাসি কিনা এখনো সেটা জানিনা তবে এখনো সারারাত জেগে তোমার তোমার ফোনের অপেক্ষা করি। কিছু সম্পর্ক ভাঙ্গা গাধির মতো হয়। তাকে তুমি যতই সাজাও কষনো নিজের হবে না। তাকে বোঝানোর মত ক্ষমতা আমার নেই। তার আড়াল থেকেই ভালোবাসি। সবাইকে ভালোবাসা যায় না। আর যাকে ভালোবাসা যায় তাকে কষনো ভুলে থাকা যায় না। যার জন্য তোমার অন্তর পড়ে ছাই খোঁজ নিয়ে দেখো তার অন্তরেই তুমি নেই। তোর দেয়া কষ্টগুলো এখন অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। যারা বারবার অপমান সহ্য করেও একটা সম্পর্কে পড়ে থাকে তারা দুর্বল নয়। তারা একটু বেশি আদলে রাখতে চায়। তারা একটু বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ডিলিট যত তাড়াতাড়ি হয় ডাউনলোড তত তাড়াতাড়ি হয় না। সেটা অ্যাপ্লিকেশন হোক বা সম্পর্ক। জানতে খুব ইচ্ছে করে। যার কথা আমার এত মনে পড়ে তার কি আমার কথা একবারও মনে পড়ে? মন তাকে দাও যে তোমার মনটাকে নিজের চেয়েও বেশি যত্ন করে রাখবে। হয়তো তুমি আর আমি আজ অনেক দূরে। তবে সত্যি করে বলছি। আজও তোমাকে অনেক মিস করি। বাস্তবতা হচ্ছে আপনি যার জন্য কাঁদবেন সে আপনার গল্প অন্যের কাছে বলে হাসবে। মেয়েদের একটাই ভুল। তারা ছেলেদের গুছিয়ে বলা মিথ্যেগুলো খুব সহজেই বিশ্বাস করে ফেলে। শুধু একবার একা হয়ে দেখো। পৃথিবীতে কেউ কারোর নয়। জীবনে চলার পথে সবাই অভিনয় করে। কেউ ছোট স্বার্থের টানে, কেউবা আবেগের কারণে। একদিন তুমি এটা ভেবে আফসোস করবে যে তুমি আমাকে পেয়েও হারিয়ে ফেলেছো। ভেঙে পড়াটা জীবন নয়। ভেঙে পড়ার পর নিজেকে তৈরি করাটাই হচ্ছে আসু জীবন। তোমাকে ভালোবেসে আমি হেরে চাইনি। সত্যিকারের ভালোবাসা যে কষ্ট আছে তার প্রমাণ পেয়েছি। তিন শ্রেণীর মানুষের থেকে সবসময় দূরে থাকবেন। স্বার্থপর, মিথ্যাবাদী, বিশ্বাসঘাতক। মানুষ মানে না এমন জিনিস খুবই দুর্লভ। কারণ মানুষ হলো অভ্যাসের দাস। মানুষ চেষ্টা করলে সব সম্ভব। সবসময় এমন মানুষের সাথে থাকার চেষ্টা করো যে তোমাকে সম্মান দেবে। কারণ সম্মান ভালোবাসার থেকেও বেশি মূল্যবান। ভালোবাসা শব্দটি পূর্ণতা পায় বিশ্বাস শব্দটির কাছে যা সবাই অর্জন করতে পারে না। মেয়েদের সম্মান কি জিনিস ছেলেরা তখনই বুঝতে পারে যে যখন সে কোন মেয়ের বাবা হয়। নারীরা ঘরে থেকে সংসারের জন্য যতই ঘাটাখাটি করুক না কেন পুরুষদের একটা প্রশ্ন কোনদিনই যাবে না। সারাদিন ঘরে বসে কি করো? সকল মেয়েদের বলছি কিছু সময় বের করে নিজের জন্যও বাঁচো। কারণ তুমি সদ পরিশ্রম করলেও কেউ তোমায় বলবে না তুমি কাজ করে ক্লান্ত হয়ে গেছো। একটু বিশ্রাম করো। মেয়েরা খুব ভালো অভিনয় করতে পারে। কিসের কেউ নয় জানেন? হাজার কষ্টে থাকলেও হাসি মুখে থাকার অভিনয়। একজন নারী জীবনে সবচাইতে দামি অলংকার হচ্ছে তার স্বামী। বিপদে পড়লে কে আপন তারপর সেটা ভালো করেই চেনা যায়। জীবনে চলার পথে নিজের রাস্তাটায় নিজেই তৈরি করে নিতে হয়। যেখানে কেউ সাহায্য করবে না। বাস্তব জীবনটা বড়ই জটিল। ভালো থাকতে বলেছিলে। তাই আজও ভালোই আছে।

কিন্তু কখনো কি জানতে চেয়েছো? সত্যি কি ভালো আছে কিনা? ভালো আছে বলে নিজেকে মিথ্যাচারে জড়িয়েছে। অপেক্ষা করা সব অপেক্ষা করো। সময় একদিন সবার আসল চেহারা দেখিয়ে দিবে। বিশ্বাস থাকা ভালো। তবে অন্ধ বিশ্বাস করা উচিত নয়। একটা মেয়ে তার জীবনের প্রত্যেকটা সময় অন্যের জন্য বেঁচে থাকে। জন্মের পর বাবা-মায়ের জন্য, বিয়ের পর স্বামীর জন্য, সন্তান হওয়ার পর সন্তানের জন্য। আসলে মেয়েদের নিজের জীবনের কোন চাওয়াপাও থাকে না। সৌভাগ্যবান সেই যে কষ্টের সময় প্রিয় মানুষকে কাছে পায়। ফ্যামিলির দিকে তাকিয়ে নিজের ইচ্ছা আশাগুলো বিসর্জন 

মাঝপথে ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলোর জন্য আমাদের আক্ষেপের শেষ থাকে না। প্রিয়জনেরা মাঝপথে হাত ছেড়ে দেয়ার পর আমরা ভীষণ ভাবে ভেঙে পড়ি। ধীরে ধীরে সবার কাছে থেকেও নিজেদের আড়াল করতে থাকি। ডুবতেই একাকিত্বের অন্ধকারে। আমি মনে করি কেউ একজন ছেড়ে গেছে বলে আমার জীবনটা রঙহীন হয়ে পড়ে থাকবে এমনটা নয়। কারো চলে যাওয়াতে অবহেলা করাতে বা সে আর আসবে না জেনেও অপেক্ষায় দুঃখ বিলাস করে নিজেকে গুটিয়ে রাখবো। এটা নিত্যন্ত অহেতুক একটা বিষয়। দিন শেষে আমরা সবাই একা। বন্ধু-বান্ধবদের সাথে আড্ডা শেষে বাড়ি ফেরার পথে আমাদের পাশ দিয়ে অনেক মানুষের চলাচল দেখি। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর আমরা নিজের রুমে নিজেরাই থাকি। একাই। কেউ তখন থাকে না। আবার পৃথিবীতে আসার আগে আমরা একাই আসি। যাওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয় না। শুধু মাঝখানের কিছু পথ আমাদের অনেক মানুষের সাথে দেখা হয়। তারা আমাদের প্রিয় মানুষ হয়ে ওঠে। আমাদের ভালো থাকা মন্দ থাকা একসময় তাদের সাথেই জুড়ে যায়। তারপর হঠাৎ যখন তারা আমাদের হাত ছেড়ে দেয় আমরা তখন ভেঙে পড়ি। আমাদের সাজানো গোছানো জীবন এলোমেলো রংহীন ফিকে হয়ে যায়। আমরা ধরেই নেই তাদের ছাড়া আমরা বাঁচবো না। নিজেকে সবার থেকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করি। অথচ শেষ অব্দি আমরা একা বাঁচতেই শিখে যাই। সে সময় আমাদের আর কারো অপেক্ষা বা আক্ষেপ থাকে না। জীবনের সংজ্ঞা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্নভাবে দিয়ে থাকে। আমি মনে করি ছেড়ে যাওয়া মানুষটার জন্য নিজের জীবনকে রংহীন না করে দক্ষ শিল্পীর মত জীবনের ফিকে পড়া ক্যানভাসকে আবারো রং তুলিতে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলাটাই জীবনের সংজ্ঞা তোমার অতীত ঘেটে বুঝতে পারলাম তোমার উপরটা যতটা সাজানো গোছানো ভেতরটা ঠিক ততটাই ক্ষতবিক্ষত কাচের মত টুকরো টুকরো হয়ে গেছে তোমার উপর চাইলেও আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয় একেবারে ভেঙে যাওয়া একটা মানুষ কিন্তু তুমি কি জানো প্রিয় এই ভাঙ্গা মানুষটাকেইযে চাই আমার

কারণ আমি জানি মন ভাঙ্গা মানুষগুলো আত্মাকে স্পর্শ করে ভালোবাসতে জানে তারা সহজে কাউকে কষ্ট দেয় না তারা কষ্টের মানে বুঝে সম্পর্ক কিভাবে টিকিয়ে রাখতে হয় এটাও জানে কিন্তু আমি জানি তোমার মনে তার জন্য যে জায়গাটা আছে তুমি তা কোনদিন কাউকে দিতে পারবে না আর আমি এটা কোনদিন চাইও না আমি চাই তোমার মনে আমার জন্য এক আলাদা জায়গা তৈরি হোক না তার থেকে কম না তার থেকে বেশি ঠিক অন্যরকম একটা সম্পর্ক যেখানে বিচ্ছেদ নামে কোন শব্দই থাকবে না থাকবে না কোন মিথ্যে আশ্বাস সেই সম্পর্কটা থাকবে দেহ তাগের শেষ অব্দি আর থাকবে একে অপরের প্রতি অটুট বিশ্বাস তাই বলছি প্রিয় আমার তোমাকে চাই জীবনের শেষ নিঃশ্বাস যে মানুষ যত বেশি আশা করবে সে মানুষ তত বেশি কষ্ট পাবে এটাই প্রকৃতির নিয়ম জীবনে যাকে পাওয়া হবে না নিয়তি তার সাথে সম্পর্কটা জড়িয়ে দেয় জীবনের সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় হয়তো আমারটাও তেমনিই। কল্পনার শহরে মনের আশা পূরণ হওয়া অনেক কঠিন। এই দুনিয়ায় কেউ আপন হয় না। কষ্ট পেলে রাতের ঘুমটাও পর হয়ে যায়। সব শিক্ষা বই থেকে পাওয়া যায় না। কিছু শিক্ষা জীবন থেকে অর্জন করে নিতে হয়। ভদ্র ব্যবহার করা উচিত। তবে কখনোই ভদ্র হওয়া উচিত না। কারণ কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ভদ্রতার ভাষা বোঝে না। মানুষ দুঃখ ভুলে যেতে পারে। কষ্ট ভুলে যেতে পারে। কিন্তু আপচনের থেকে পাওয়া বিশ্বাসঘাতকতা কখনোই ভুলতে পারে না। কিছু অবহেলা মানুষকে মরতে বাধ্য করে। কিন্তু অবহেলা মানুষকে বেঁচে থাকার নতুন উপায় শেখায়। তোমার জন্য মরতে চাই না। তোমাকে ভালোবেসে হাজার হাজার বছর বাঁচতে চাই। আগের চেয়েও অনেক বেশি চুপচাপ হয়ে গেছি আমি। এরপর হঠাৎ করেই একদিন হারিয়ে যাব। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি পারলাম না তোমার যোগ্য হতে। একটা সময় আপনার মনে হবে আপনি একা একসময় বোকা ছিলেন। প্রচুর পাগলামি করতেন। একটা মানুষ যারা আপনার জন্য ।বিন্দুমাত্র টান ছিল না সে মানুষটার জন্য আপনার পাগলামি করতেন প্রচুর। সে একটু দেরি করে রিপ্লাই দিলেও অভিযানে আপনার চোখ ভেজে যেত। তার খবর না পেলে অস্থির হয়ে যেতেন। না হওয়া খাওয়া ভুলেই যেতেন। কত কত পাগলামি করেছেন তা কেবল আপনিই জানেন। সে মানুষটা আপনার সিরিয়াসনেস দেখেও বিরক্ত হয়ে যেত। তাই না? অনেক বছর পর আপনার মনে হবে একটা ভুল মানুষের জন্য আপনি অনেকটা সময়ে আবেগ ভালোবাসা নষ্ট করে ফেলেছেন। ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে সব শেষ করে ফেলেছিলেন। আপনার বারবার মনে হবে কি বোকাটাই না ছিলাম আমি। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।ভালোবেসে ভালোবেসেছিলাম অনেক। সেদিন সে বলেছিল এর থেকে বেশি ভালোবাসা হয় না। প্রথম দেখাতেই সে আমাকে হাজারো মানুষের মাঝে কলিজা বলে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিল। তারপর থেকে ভালোবাসার পর বিয়ে। এমন ভালোবাসা ছিল যে একটি ব্রাশ দিয়ে দুজনে ব্রাশ করতাম। একটি প্লেটে দুজনেই খেতাম। দুজন দুজনকে খাইয়ে দিতাম। খাবারের মাঝে কপালে কিস দিতাম। একটু চুলের ঘ্রাণ নিতাম। একটু নাকের সাথে নাক মিলিয়ে ঘোষা দিতাম। একটি হাড্ডি দুজনের চিবিয়ে খেতাম। সে অসুস্থ হলে আমি ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। জোর করে সালে খাওয়াতাম। দুধ ডিম খাওয়াতাম। আমাকেও করতো। গোসল করিয়ে চুল শুকিয়ে সুন্দর করে আছড়ে দিতাম। যদিও ভালো আচড়াতে পারিনি। রাতে ঘুমাতে গেলে একটি মালিশে ঘুমাতাম। সে প্রথমে আমার ডান হাতে মাথা রেখে বুকে চুপচুপ করে ঘুমাতো। আমি কপালে কিস করে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ঘুম বাড়াতাম। ডান হাতে ব্যথা হয়ে গেলে বাম হাতে ঘুমাতাম। আমি চুল খুলে আমার নাকের উপরে রেখে ঘ্রাণ নিতাম। আমরা একটি দেহ ছিলাম দুজনে মিলে। একটি মিষ্টি দুজনে মুখে দিয়ে ভাগ করে খেতাম। একটা লেজ দুজনেই চুষে খেতাম। অসাধারণ ছিল আমাদের ভালোবাসা। কোন অভাব ছিল না কিছুতে। দুজনে নামাজ পড়তাম। দাঁড়ানোর আগে একটু ভরি দিতাম। কপালে কিস করতাম। নামাজ শেষ করে। বাঁচতেই শিখে যাই। সে সময় আমাদের আর কারো অপেক্ষা বা আক্ষেপ থাকে না। জীবনের সংজ্ঞা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্নভাবে দিয়ে থাকে। আমি মনে করি ছেড়ে যাওয়া মানুষটার জন্য নিজের জীবনকে রংহীন না করে দক্ষ শিল্পীর মত জীবনের ফিকে পড়া ক্যানভাসকে আবারো রং তুলিতে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলাটাই জীবনের সংজ্ঞা তোমার অতীত ঘেটে বুঝতে পারলাম তোমার উপরটা যতটা সাজানো গোছানো ভেতরটা ঠিক ততটাই ক্ষতবিক্ষত কাচের মত টুকরো টুকরো হয়ে গেছে তোমার উপর চাইলেও আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয় একেবারে ভেঙে যাওয়া একটা মানুষ কিন্তু তুমি কি জানো প্রিয় এই ভাঙ্গা মানুষটাকেইযে চাই আমার কারণ আমি জানি মন ভাঙ্গা মানুষগুলো আত্মাকে স্পর্শ করে ভালোবাসতে জানে তারা সহজে কাউকে কষ্ট দেয় না তারা কষ্টের মানে বুঝে সম্পর্ক কিভাবে টিকিয়ে রাখতে হয় এটাও জানে কিন্তু আমি জানি তোমার মনে তার জন্য যে জায়গাটা আছে তুমি তা কোনদিন কাউকে দিতে পারবে না আর আমি এটা কোনদিন চাইও না আমি চাই তোমার মনে আমার জন্য এক আলাদা জায়গা তৈরি হোক না তার থেকে কম না তার থেকে বেশি ঠিক অন্যরকম একটা সম্পর্ক যেখানে বিচ্ছেদ নামে কোন শব্দই থাকবে না থাকবে না কোন মিথ্যে আশ্বাস সেই সম্পর্কটা থাকবে দেহ তাগের শেষ অব্দি আর থাকবে একে

অপরের প্রতি অটুট বিশ্বাস তাই বলছি প্রিয় আমার তোমাকে চাই জীবনের শেষ নিঃশ্বাস যে মানুষ যত বেশি আশা করবে সে মানুষ তত বেশি কষ্ট পাবে এটাই প্রকৃতির নিয়ম জীবনে যাকে পাওয়া হবে না নিয়তি তার সাথে সম্পর্কটা জড়িয়ে দেয় জীবনের সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় হয়তো আমারটাও তেমনিই। কল্পনার শহরে মনের আশা পূরণ হওয়া অনেক কঠিন। এই দুনিয়ায় কেউ আপন হয় না। কষ্ট পেলে রাতের ঘুমটাও পর হয়ে যায়। সব শিক্ষা বই থেকে পাওয়া যায় না। কিছু শিক্ষা জীবন থেকে অর্জন করে নিতে হয়। ভদ্র ব্যবহার করা উচিত। তবে কখনোই ভদ্র হওয়া উচিত না। কারণ কিছু কিছু মানুষ আছে

যারা ভদ্রতার ভাষা বোঝে না। মানুষ দুঃখ ভুলে যেতে পারে। কষ্ট ভুলে যেতে পারে। কিন্তু আপচনের থেকে পাওয়া বিশ্বাসঘাতকতা কখনোই ভুলতে পারে না। কিছু অবহেলা মানুষকে মরতে বাধ্য করে। কিন্তু অবহেলা মানুষকে বেঁচে থাকার নতুন উপায় শেখায়। তোমার জন্য মরতে চাই না। তোমাকে ভালোবেসে হাজার হাজার বছর বাঁচতে চাই। আগের চেয়েও অনেক বেশি চুপচাপ হয়ে গেছি আমি। এরপর হঠাৎ করেই একদিন হারিয়ে যাব। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি পারলাম না তোমার যোগ্য হতে। একটা সময় আপনার মনে হবে আপনি একা একসময় বোকা ছিলেন। প্রচুর পাগলামি করতেন। একটা মানুষ যারা আপনার জন্য বিন্দুমাত্র টান ছিল না সে মানুষটার জন্য আপনার পাগলামি করতেন প্রচুর। সে একটু দেরি করে রিপ্লাই দিলেও অভিযানে আপনার চোখ ভেজে যেত। তার খবর না পেলে অস্থির হয়ে যেতেন। না হওয়া খাওয়া ভুলেই যেতেন। কত কত পাগলামি করেছেন তা কেবল আপনিই জানেন। সে মানুষটা আপনার সিরিয়াসনেস দেখেও বিরক্ত হয়ে যেত। তাই না? অনেক বছর পর আপনার মনে হবে একটা ভুল মানুষের জন্য আপনি অনেকটা সময়ে আবেগ ভালোবাসা নষ্ট করে ফেলেছেন। ভুল মানুষের পাল্লায় পড়ে সব শেষ করে ফেলেছিলেন। আপনার বারবার মনে হবে কি বোকাটাই না ছিলাম আমি। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।ভালোবেসে ভালোবেসেছিলাম অনেক। সেদিন সে বলেছিল এর থেকে বেশি ভালোবাসা হয় না। প্রথম দেখাতেই সে আমাকে হাজারো মানুষের মাঝে কলিজা বলে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিল। তারপর থেকে ভালোবাসার পর বিয়ে। এমন ভালোবাসা ছিল যে একটি ব্রাশ দিয়ে দুজনে ব্রাশ করতাম। একটি প্লেটে দুজনেই খেতাম। দুজন দুজনকে খাইয়ে দিতাম। খাবারের মাঝে কপালে কিস দিতাম। একটু চুলের ঘ্রাণ নিতাম। একটু নাকের সাথে নাক মিলিয়ে ঘোষা দিতাম। একটি হাড্ডি দুজনের চিবিয়ে খেতাম। সে অসুস্থ হলে আমি ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। জোর করে সালে খাওয়াতাম। দুধ ডিম খাওয়াতাম। আমাকেও করতো। গোসল করিয়ে চুল শুকিয়ে সুন্দর করে আছড়ে দিতাম। যদিও ভালো আচড়াতে পারিনি। রাতে ঘুমাতে গেলে একটি মালিশে ঘুমাতাম। সে প্রথমে আমার ডান হাতে মাথা রেখে বুকে চুপচুপ করে ঘুমাতো। আমি কপালে কিস করে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ঘুম বাড়াতাম। ডান হাতে ব্যথা হয়ে গেলে বাম হাতে ঘুমাতাম। আমি চুল খুলে আমার নাকের উপরে রেখে ঘ্রাণ নিতাম। আমরা একটি দেহ ছিলাম দুজনে মিলে। একটি মিষ্টি দুজনে মুখে দিয়ে ভাগ করে খেতাম। একটা লেজ দুজনেই চুষে খেতাম। অসাধারণ ছিল আমাদের ভালোবাসা। কোন অভাব ছিল না কিছুতে। দুজনে নামাজ পড়তাম। দাঁড়ানোর আগে একটু ভরি দিতাম। কপালে কিস করতাম। নামাজ শেষ করে জড়িয়ে নিতাম। একটু মুচকি হাসি দিতাম। কপালে কিস দিতাম। আরো কত কি। যেমন ছিল সম্মান তেমন ভালোবাসা তেমন রোমান্টিকতা। দুজনের ভেতরে কিছুতেই অভাব ছিল না। কিন্তু নিয়তির খেলা বোঝা বড়ই দেয়। আজ আর আমরা এক নেই। ভেঙে গেছে আমাদের সেই গড়ে ওঠা সবকিছু। আজ আমাদের সেই ভালোবাসা অভিযোগে পরিণত হয়েছে। সে আজ নিজেকে বদলে নিয়েছে। তার মনে আজ অন্যজনের বসবাস। আমারও কিছু ভুল ছিল। কিন্তু আমি আমার ভুলের জন্য হাঁটু গেড়ে তার সামনে বসেছিলাম। যা খুশি শাস্তি দাও তাও অন্য কারো হয়ও না। কিন্তু সে আমার বুকে সে রাত্রি ঘুমিয়ে অন্য কাউকে নিয়ে স্বপ্ন বলেছিল। আমার পাগলি আর আমার নেই আজ। সে অন্য ঘরে বাসা বেঁধেছে। কিন্তু আমি কি নিয়ে বাঁচবো? কই পাবো আমার পাগলিকে? কে এনে দেবে তাকে? আমি যে তাকে ছাড়া ঘুমাতেই পারিনা, খেতে পারিনা, চলতে পারি না। আজ থেকে কল দিলেও কথা বলার সময় নেই তার। কিন্তু অন্য কারো সাথে কথা বলার অনেক সময় তার। ভেঙে গেল সুখের খাঁচাটা। আজ আমি দিশেহারা। আমার বুকটা আজ ব্যথায় ভরপুর। আমি মেরে নিতে পারছি না। আমি থাকতে পারছি না তাকে ছাড়া। কিন্তু আমার শূন্য এই জায়গাটা কি পূরণ করবে? কাউকে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে যখন অবহেলিত হচ্ছো তখন সেই মানুষটাকে মূল্য দেয়া বন্ধ করে দাও। তোমার যেখানে মূল্য নেই সেখানে মূল্য দেয়া বোকা আমি। যে মানুষটা তোমাকে অবহেলা করছে, ইগনোর করছে, তুমি তখন তার অবহেলা কিংবা ইগনোরকে প্রশ্রয় দিও না। বরং তুমি তোমার মত করেই নিজেকে ব্যস্ত রাখো। এতে করে মানুষটা যেন বুঝতে পারে যে তুমি তাকে ছাড়া দিব্যে ভালো থাকতে পারো। অবহেলা কিংবা ইগনোরের মার্তা তখনই পেরে যায় যখন অপর মানুষটা বুঝে যায় যে তুমি তাকে ছাড়া অচ। অর্থাৎ তোমার পুরোটা দিন রাত তুমি তাকে নিয়েই পড়ে আছো। মানুষ তখনই অন্যকে তুচ্ছ ভাবা শুরু করে যখন তার কাছে অন্য কেউ নিজেকে বিলিয়ে দেয় ছোট করে দেয়। কেউ তোমাকে চাইলে অবহেলা করার সুযোগ পাবে না। যদি তুমি তাকে সেই সুযোগটা না দাও। তোমার প্রতি যে মানুষটা যতটুকু গুরুত্ব দেখাবে তোমারও সেই ততটুকু গুরুত্ব দেয়া উচিত। অতিরিক্ত গুরুত্ব দিলে মানুষটা তোমাকে গুরুত্বহীন ভাববে শুরু করবে। একদম। কারো কাছে অবহেলার পাত্র হওয়ার থেকে জীবন থেকেই সে মানুষটাকে মুছে ফেলা ভালো। যদিও এতে করে কিছুটা কষ্ট হবে কিন্তু কারো কাছে নিজেকে ধুকে ধুকে শেষ হয়ে যেতে হবে না। যে তোমাকে এখনই অবহেলা করছে সে পরে আরো বেশি করে অবহেলা করবে। যদি তুমি মানুষটাকে বেশি মূল্য দিতে থাকো। যে তোমার আকুতি মিলনতি বোঝে না তোমার মনের কষ্ট যার মনে বিন্দুমাত্র অনুভব হয় না সে মানুষটার যাই হোক তোমার মনের হাহাকার কোনদিনও বুঝবে না মানুষটা দিন শেষে তোমাকে ঠিক অবহেলার পাত্রই বানিয়ে যাবে কারো কাছে অবহেলার পাত্র হওয়াটা যেমন কষ্টের ঠিক তেমনিই লজ্জার বিষয় প্রয়োজনের চেয়ে তুমি যখন কাউকে অতিরিক্ত মূল্য দিবে তখন সে মানুষটা তোমাকে সস্তা ভাবতে শুরু করবে সেই সাথে নিজেকে কে অহংকারী মনে করবে। কারণ অতিরিক্ত মানুষ কোন কিছুই হজম করতে পারে না। হোক সেটা কেন কিংবা ভালোবাসা। জীবনে কারো উপর খুব বেশি ভরসা রাখতে নেই। কাউকে জীবনের সাথে খুব বেশি সিরিয়াসলি নিতে নেই। কারণ তুমি যখন কাউকে সিরিয়াসলি নিবে ঠিক তখনই মানুষটা বদলে যেতে শুরু করবে। কারণ মানুষের ধর্মই হলো সবটা পেয়ে গেলে বদলে যাওয়া। কখনো একটা ছেলে আর মেয়েকে একসাথে রাস্তায় হাঁটতে কিংবা রাস্তা পার হওয়ার সময় লক্ষ্য করলে দেখবেন যে রাস্তার যে পাশটায় গাড়ি ছেলেটা ওই পাশেই থাকে। ছেলেটা মেয়েটাকে দ্রুতগামী গাড়ি থেকে বাঁচিয়ে রাখে। ব্যাপারটা এমন নয় কিন্তু ছেলেটার মধ্যে জিনিসটা কাজ করে যে যদি কখনো গাড়ি এইদিকে আসে তবে যেন আগে আমাকে আঘাত করে। এই ব্যাপারটা ছেলেদের মধ্যে বিল্ট ইন ভাবে থাকে। সম্ভবত এই আগুনে রাখার ব্যাপারটাই রেসপন্সিবিলিটি। লোকমুখে শোনা যায় ছেলেরা নাকি আজীবনের শিশু হেরা বড় হয় না। কথাটা কিন্তু আসলেই সত্য। কারণ জীবনের প্রত্যেকটা বয়সেই ছেলেরা শিশুদের মত রূপকথায় বিশ্বাস করে। যেমন ধরুন আগামীকাল পরীক্ষা আর ছেলেটার পাহাড় সময় সিলেবাস বাকি। কিন্তু এরপরেও সে বিশ্বাস করে কোন এক দৈব বলে হয়তো সে এক রাতেই সিলেবাস শেষ করতে পারবে। মাসের 20 তারিখে বেতনের টাকা শেষ হলেও এরাভাবে প্যারা নেই। চালা

য় নিতে  


শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫

Parts of southern Israel have been targeted by Iran as the conflict enters its eighth day

 Parts of southern Israel have been targeted by Iran as the conflict enters its eighth day. What you're seeing here is the latest



pictures. Sirens have been sur sounding in Burshiba and surrounding towns. Now the Israeli army says an interceptor missile was launched in response and there's also been heavy damage to an apartment building. Onor Alder joins us live now from Aman and she's reporting from there because the Israeli government has banned Alazer from reporting inside of Israel and occupied territories. Uh nor uh we're

seeing obviously these latest pictures. What more do we know though on the impact and the damage? Well, there hasn't been an official Israeli military statement yet, except for the comment to Israeli media that there seems to have been a malfunction in the inter interception system which led to the direct impact of that one missile we saw in Beer Shiva. There was extensive damage to u many buildings. Israelis posted on social media, damage to their windows and furniture. Uh five people were lightly injured, 30 uh were

reported to have been treated for panic. Uh but we don't know if this was a if Iran had launched one lone missile or or several and that others were intercepted. We're still waiting to hear uh or see an official statement from the Israeli army on that. But certainly this area, which is less densely populated than central uh Israel, seems to be in the crosshairs. We saw a significant uh volley yesterday uh around the same time uh that left a lot of damage in Soroka Hospital, the major hospital that serves

southern Israel serves a million people in that area. Right now only light injuries and that one impact that uh whose pictures have been cleared by the Israeli military sensor. Uh and Noralda um have we heard anything from the Israeli leadership? the uh Israeli forces on this latest attack, but also on the fact that President Donald Trump has said that he'll give himself two more weeks to decide whether he'll be involved in this conflict or not. Well, nothing on this attack, which as I said, we're still trying to figure out

if the if Iran had launched only one missile or several, but certainly on the comments made by D



onald Trump, and as we know, he's prolific. So, it's difficult to react to everything he says. The Israeli leadership is very careful uh not to upset him, not to seem to be in disagreement with him. So usually the line is we trust Donald Trump. He is the best friend that Israel has ever had. We thank Donald Trump for the military support that he gives Israel, the arament and the defense and the uh and

the assistance and interception. The Israeli prime minister yesterday said that even if Donald Trump decides not to engage actively in the Israeli uh uh bombardment of Iran, uh Israel would proceed on its own. It would continue to in his words uh defend itself. So there there is that caution to make sure not to upset him. While all the time commentary is is quite clear, Israel is working through back channels, through friends in the Republican party to pressure the administration as much as it can to move in that direction. We

even saw some uh posters and sign come up in Tel Aviv and other areas uh pleading with Donald Trump to give the order. Okay, thank you very much for the update on latest in Israel. 

চলার পথে আমার গল্প..masum171

  ভাইয়া, আমি যাকে ভালোবাসি, তার পরিবার অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। আমি ওকে ছাড়া বাঁচবো না। —   ঠিক আছে। আগে বলো, কিসে পড়ো তুমি? — এ...